শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:২৭, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুত করুন

আল-আমিন নয়ন
অনলাইন ভার্সন
চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুত করুন

অভিবাসনপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও শ্রমিকদের দক্ষতার অভাবে বাংলাদেশের প্রবাসী কর্মীদের জন্য বেশ কিছু শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। বন্ধ থাকা শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালু করতে সরকারকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এর পাশাপাশি নতুন শ্রমবাজার চালু করতে হবে। নতুন শ্রমবাজারের জন্য প্রথমে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি ও উন্নয়ন করা প্রয়োজন। এর জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার ও শ্রম চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুত করুনমন্ত্রণালয়ের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও নতুন শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শ্রমিক প্রন্তুত করতে হবে। তাহলেই আগামী দিনে শ্রমবাজার হবে দক্ষ, ন্যায্য, টেকসই ও নিরাপদ। এটি অর্জনের ফলে শ্রমবাজারে যেমন দক্ষ শ্রমিকদের চাহিদা পূরণ হবে, তেমনি শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।

দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুতে পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। এর জন্য বাজারের চাহিদা অনুযায়ী বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ অর্থাৎ নির্মাণ, নার্সিং, কৃষি ও তথ্য-প্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। একই সঙ্গে গন্তব্য দেশের ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। প্রশিক্ষণের পর কর্মীদের আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মানের প্রশিক্ষণ সনদ প্রদান করতে হবে। শুধু প্রশিক্ষণেই থেমে থাকলে চলবে না, নতুন বাজারের জন্য চাই গবেষণা। বিশ্বজুড়ে নতুন শ্রমবাজার চিহ্নিত করার জন্য একটি গবেষণাদল তৈরি করা প্রয়োজন। এই দলটি কোন দেশে শ্রমিকের চাহিদা বেশি তা নির্ধারণ করবে। যেসব দেশে ভবিষ্যতে শ্রম চাহিদা বাড়বে, সেগুলোর দিকে দলটি নজর রাখবে। যেসব দেশে উৎপাদনশীল শিল্প ও নির্মাণ খাতে চাহিদা বেশি সেগুলোতে যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে।

প্রশিক্ষণ ও গবেষণাদলের পাশাপাশি নতুন শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর জন্য নিয়োগপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সহজ করতে হবে। প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুত করুনহবে। নতুন শ্রমবাজার খুলতে হলে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারকে শ্রমিকদের অধিকার ও সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য বেতন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে চুক্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে। প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য দেশে ও বিদেশে আইনগত সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। নতুন বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে শ্রমিক পাচারের ঘটনা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এর জন্য অনিবন্ধিত বা ভুয়া এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। পাশাপাশি মানবপাচারবিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে। নতুন বাজারের সম্ভাব্য নিয়োগদাতাদের বাংলাদেশি শ্রমিকদের দক্ষতা ও যোগ্যতার বিষয়ে অবহিত করতে হবে।

দ্বিপক্ষীয় চুক্তি পুনরুদ্ধার ও বন্ধ বাজারগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য উচ্চ পর্যায়ের সরকারি বৈঠক আয়োজন করা প্রয়োজন। নিয়োগসংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনা করা এবং সংশোধনের মাধ্যমে উভয় পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা দরকার। এর জন্য অভিবাসনপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মী নিয়োগে মধ্যস্বত্বভোগী ও অবৈধ দালালচক্র নির্মূল করতে হবে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এর অনলাইনভিত্তিক স্বচ্ছ রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। দক্ষতা উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন এবং সুনির্দিষ্ট দক্ষতা উন্নয়ন প্রগ্রাম চালু করতে হবে। বিদেশি নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী ভাষা, প্রযুক্তি ও পেশাগত দক্ষতা প্রদান করতে হবে। 

বিদেশে পাঠানোর আগে কর্মীদের কাজের শর্ত, বেতন এবং সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যাতে কর্মীরা তাঁদের অধিকার রক্ষা করতে পারেন। বৈদেশিক শ্রমবাজারে কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ বন্ধ করতে হবে। শ্রমবাজারগুলোতে বাংলাদেশের কর্মীদের ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রভাবশালী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। যাঁরা সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন, তাঁদের উদাহরণ দিয়ে বাজারগুলোতে বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনঃস্থাপন করা সম্ভব। সরকার যদি উল্লেখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করে, তাহলে বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরায় চালু করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে নতুন শ্রমবাজার খোঁজার মাধ্যমে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং প্রবাসী শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে আমাদের রেমিট্যান্সপ্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের রেমিট্যান্সপ্রবাহ সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। ২০২৩ সালের শেষের দিকে এবং ২০২৪ সালের শুরুর পূর্বাভাস অনুসারে, বার্ষিক রেমিট্যান্সপ্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের আড়াই শতাংশ প্রণোদনা, ডলারের বিনিময় হার সমন্বয় এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের কার্যক্রম উন্নত হওয়ার ফলে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়ছে। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর অনুপ্রেরণায় এই প্রবাহ ইতিবাচক দিক দেখাচ্ছে। তবে কিছু চ্যালেঞ্জও বিদ্যমান; যেমন- হুন্ডি চ্যানেলের প্রতিযোগিতা এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের কার্যকারিতার সীমাবদ্ধতা। ফলে রেমিট্যান্সপ্রবাহে উল্লেখযোগ্য উন্নতি নিশ্চিত করতে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় হুন্ডি ব্যবসা (অবৈধ অর্থ লেনদেনের একটি প্রথাগত পদ্ধতি) বন্ধ করতে হবে।

হুন্ডি ব্যবসা এখনো জনপ্রিয় থাকার পেছনে কয়কটি কারণ রয়েছে। সরকার বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য প্রণোদনা দিলেও অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠানোকে সহজ ও সুবিধাজনক মনে করেন। এর কারণ হচ্ছে, সহজ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো যায়; এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা তাৎক্ষণিক। ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জের মতো প্রক্রিয়ায় অনেক সময় প্রয়োজন হয় এবং নথিপত্র জমা দিতে হয়, যা অনেকের জন্য ঝামেলার মনে হয়। বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের তুলনায় হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসীরা অনেক সময় বেশি বিনিময় হার পান। সরকার নির্ধারিত রেটের তুলনায় বাজারের কালো রেট প্রায়ই বেশি থাকে, যা প্রবাসীদের আকর্ষণ করে। অনেক প্রবাসীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই বা তাঁরা ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত নন। হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে কোনো আনুষ্ঠানিক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হয় না। হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ওপর আঞ্চলিক বা ব্যক্তিগতভাবে আস্থা থাকায় প্রবাসীরা এই পদ্ধতি বেছে নেন। এটি প্রায়ই পরিবারের সদস্য বা পরিচিতদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়।

সরকার বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রণোদনা দিলেও তা অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নয়। প্রবাসীদের বড় অংশ মনে করেন, হুন্ডির মাধ্যমে তাঁরা দ্রুত এবং অধিক লাভজনক সুবিধা পান। অনেক প্রবাসী জানেন না যে হুন্ডি অবৈধ এবং অর্থনীতি ও দেশের ওপর এর কী ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। সচেতনতার অভাবে তাঁরা এই পদ্ধতিকে স্বাভাবিক মনে করেন। এর জন্য প্রবাসীদের বৈধ উপায়ে অর্থ পাঠানোর উপকারিতা এবং হুন্ডির ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানাতে হবে। ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকার বিনিময় হার আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। কাগজপত্র বা সময়ের জটিলতা কমিয়ে সহজ ও দ্রুত লেনদেন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য সহজ অ্যাপ এবং সেবাগুলো চালু করতে হবে। এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, যা সমাধানের জন্য সরকারের পাশাপাশি প্রবাসী কর্মী এবং সাধারণ জনগণেরও সচেতন ভূমিকা প্রয়োজন।

আগামীর শ্রমবাজার শক্তিশালী করতে হলে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট স্থাপন করতে হবে। নতুন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অটোমেশনের ওপর ভিত্তি করে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। অনলাইনে ভিসা আবেদন, বৈধ কাগজপত্র যাচাই এবং শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রবাসীদের একটি ডিজিটাল ডেটাবেইস তৈরি করতে হবে। শ্রমিকদের অভিযোগ দ্রুত সমাধান করতে দূতাবাসের কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে হবে। নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র, আইনি সহায়তা এবং মানসিক সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। ইউরোপ, পূর্ব এশিয়া, ও আফ্রিকায় নতুন শ্রমবাজার তৈরি করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাড়াতে হবে। এর সঙ্গে প্রতিটি দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুত করতে হবে।

লেখক : ম্যানেজার, ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টার।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন