শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩৭, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৯:৩৮, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

বিষমুক্ত খাদ্য : সমাজ ও রাষ্ট্রের করণীয়

ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
অনলাইন ভার্সন
বিষমুক্ত খাদ্য : সমাজ ও রাষ্ট্রের করণীয়

উদ্ভিদ ও প্রাণিজাত খাবার সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যক। আবার সেই খাবার উৎপাদন স্থান, উপকরণ, প্রক্রিয়াকরণ, বিতরণ, ভোগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত যে সামগ্রিক প্রবাহ আছে, তা হবে জনবাস্তুস্বাস্থ্যবান্ধব। কারণ কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থাটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম সচল ও স্থিতিশীল রাখাও অত্যাবশ্যক। এটা প্রতিষ্ঠিত যে খাদ্য হলো সব রোগের প্রতিষেধক।

আবার দেহে রোগ সৃষ্টির উৎস। এটা নির্ভর করছে তার পুষ্টি ও নিরাপত্তা গুণাগুণের ওপর। আমাদের জাতীয় চাহিদা হলো পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাবার এবং একটি স্থায়িত্বশীল কৃষির মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ম্ভরতা অর্জন। একটি প্রশ্ন প্রায়ই উচ্চারিত হয় যে আমরা যা খাচ্ছি তা কি সত্যিই কোনো উপকারে আসছে, নাকি শুধু উদরপূর্তির কাজ করছে? অংশীজনদের কেউই তা নিশ্চিত করতে পারছেন না।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র খামারির দেশ এবং হাজার বছরের মিথস্ক্রিয়ায় ফসল-প্রাণী-মৎস্যসম্পদের প্রাচুর্যে একটি স্থায়িত্বশীল কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, কখনো এমন আশঙ্কা ভোক্তা অনুভব করেনি। কিন্তু এটা অনভিপ্রেত যে বিগত তিন-চার দশকে  দেশের কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থাসংক্রান্ত বিজ্ঞানভিত্তিক যেসব তথ্য-উপাত্ত প্রকাশিত হয়েছে, তাতে ইতিবাচকের চেয়ে নেতিবাচকের পাল্লাই ভারী। ফলে সামগ্রিকভাবে বলা যায়, বাংলাদেশের প্রচলিত কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা দেশের জনস্বাস্থ্য ও বাস্তুস্বাস্থ্যের ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কারণ আমাদের কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে তা মাঠ ও পাত পর্যন্ত কৃত্রিম রাসায়নিক সার ও বালাইনাশক নির্ভর, আবার প্রাণিসম্পদ ও মাছ চাষে অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ক্রমাগত বৃদ্ধি।

আইসিডিডিআরবির সূত্র মতে, বাংলাদেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ৭০ শতাংশের জন্য অসংক্রামক রোগ দায়ী, আবার প্রতি ৫ জনে ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, প্রায় ১.৫ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগছে এবং ২০২১ সালে ডায়াবেটিসের কারণে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ডাউনি সিনড্রোম, অটোইমিউন ডিজিজসহ অনেক অজানা রোগের তো সীমাই নেই এবং এর সবই কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার জন্য দায়ী।

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত জরিপে দেখা যাচ্ছে, ২০১৭ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সংস্থাটির হাসপাতালে যত পুরুষ রোগী ভর্তি হয়েছে, তাদের মধ্যে ৬৪ শতাংশই নানাভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত ছিল। আর নারী-পুরুষ মিলিয়ে যত ক্যান্সার রোগী ভর্তি হয়েছে, তাদের ৩৪ শতাংশই কৃষি পেশায় সম্পৃক্ত ছিল। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, ২০৩০ সালে প্রতি ঘরে একজন ক্যান্সার রোগী বা ডিস-এবল শিশু থাকবে।

তাহলে উৎপাদক থেকে ভোক্তা কেউই বর্তমান কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার বিধ্বংসী নেতিবাচক প্রভাব থেকে কোনো অবস্থায়ই মুক্ত নয়। কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত কৃত্রিম রাসায়নিক সার ও কীটনাশক খাদ্যশৃঙ্খলে বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতি ক্রমাগতভাবে বাড়িয়ে তুলছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। কিছুদিন আগে এক বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে দেশে প্রধান খাবার ধানে ক্যাডমিয়াম নামক ভারী ধাতুর মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি। সম্প্রতি বাংলাদেশে প্রধান সবজি বেগুন ও তার জমিতে ভারী ধাতুর ক্ষতিকর উপস্থিতির বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বর্তমান ব্যবস্থার ভয়াবহতা আরেকবার প্রকাশ করছে।

এ ছাড়া কীটনাশক হিসেবে বিভিন্ন কার্বামেট, পাইরেথ্রয়েড ও নিওনিকোটিনাইডের এন্ডোক্রাইনের কার্যকলাপ ব্যাহত করে এবং প্রাণী ও মানুষের প্রজননের ওপর নেতিবাচক প্রভাবের প্রমাণ আছে। আবার কীটনাশক ক্লোরপাইরিফস, ফসফামিডন, ম্যালাথিয়ন, ফেন্থিয়ন, মিথাইল ফসফরোথিওয়েট, প্যারাথিয়ন, ক্লোরফ্লুজাউরন, সাইপারমেথ্রিন বা ফক্সিমিন জমিতে প্রস্তাবিত ঘনত্বে মাটি ও রাইজোস্ফিয়ার মাইক্রোবায়োটার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে আসছে। ভেষজনাশক গ্লাইফোসেট মাটির রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের তুলনায় অনেক কম ঘনত্বে মাটি, উদ্ভিদ ও অন্ত্রের উপকারী জীবাণুকে বাধা দেয়। সামগ্রিকভাবে মাটি, উদ্ভিদ ও মানব জীবাণুর ওপর গ্লাইফোসেটের এই পরোক্ষ প্রভাবসমূহ মানুষ ও বাস্তুস্বাস্থ্যকে অস্বাভাবিকভাবে প্রভাবিত করছে।

বিগত দুই দশকে রাসায়নিক সারের ব্যবহার ৪.৫ গুণ বেড়েছে। বাড়তি রাসায়নিক সারের চাহিদার জোগান দিতে গিয়ে গত দুই বছর দেশে ইউরিয়া, টিএসপি ও এমপি সারে ভর্তুকির জন্য প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ করা হয়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, আগামী বছরগুলোতে সেই খরচ আরো বাড়বে। বালাইনাশক ব্যবহার ছলচাতুরি (ওজনে বেশি দানাদার কমেছে কিন্তু ওজনে কম তরল) করে কম দেখানো হচ্ছে। তার প্রমাণ হলো, গত দুই দশকে বছরে ১৫০ গুণ বেশি আগাছানাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। কৃষক কী বালাইনাশক প্রয়োগ করবেন তার সিদ্ধান্ত দেন স্থানীয় বালাই ব্যবসায়ী। কারণ এই ব্যবসায়ী প্রায় সব কৃষককে বাকি চক্রে আবদ্ধ করেছেন।

অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, কৃষকরা এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। বালাইনাশকের অপব্যবহার রোধে সামাজিক ও আচরণগত পরিবর্তন একটি কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। বিশেষত নারী ও যুবসমাজ এই পরিবর্তনের উপযুক্ত হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। নারীরা পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্বের মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গী এবং আশপাশের মানুষদের বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে পারেন। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে তাঁরা নৈতিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন এবং বালাইনাশকের ব্যবহার হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। একই সঙ্গে যাঁরা বালাইনাশক ব্যবহার করতে বাধ্য, তাঁদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী, যেমন—গ্লাভস, মাস্ক এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণে নৈতিকভাবে উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে। যুবসমাজ এই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হতে পারে।

বর্তমানের এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থা সংস্কারে একটি আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। এই সংস্কার শুধু নীতিগত পরিবর্তন নয়, বরং চর্চায়ও পরিবর্তন আনতে হবে। পাশাপাশি নীতি প্রণয়নের দৃষ্টিভঙ্গি কী সেটা পরিষ্কার করা দরকার; যেমন—এটা রূপান্তর, না পুনরুজ্জীবনমূলক। কৃষি রূপান্তর বর্তমানে বৈশ্বিক নীতিনির্ধারকদের একটি প্রিয় উদ্যোগ, যা সবুজ বিপ্লবের ধারাবাহিকতা হিসেবে পরিচিত। সবুজ বিপ্লবের মূল লক্ষ্য ছিল ফসলের প্রজনন বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন ও কৃত্রিম রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা। তবে এর ফলে মনোকালচারের প্রচলন ঘটে, যা কৃষি জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে নব নব উদ্ভাবনার জিন কৌশল আবিষ্কার করে তার প্রয়োগ খাদ্য ব্যবস্থার প্রবর্তন হচ্ছে, জেনেটিক্যালি মডিফায়েড অর্গানিজম (জিএমও) প্রযুক্তি এর অন্যতম জলজ্যান্ত উদাহরণ।

অন্যদিকে পুনরুজ্জীবন কৃষি একটি টেকসই কৃষি পদ্ধতি, যা শুধু ফসলের উৎপাদন নয়, বরং বাস্তুসংস্থানের স্বাস্থ্যকেও সমান গুরুত্ব দেয়। এই পদ্ধতিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় স্থানীয় ফসলের গুরুত্ব বাড়ানো হয় এবং খাদ্য সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানো হয়। পুনরুজ্জীবন কৃষি প্রকৃতিবান্ধব এবং পরিবেশ রক্ষা করার মাধ্যমে কৃষিব্যবস্থাকে দীর্ঘস্থায়ী করে। এটি প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করার ওপর জোর দেয়, যা মনোকালচারনির্ভর কৃষির বিপরীতে অবস্থান করে। কৃষি রূপান্তর এবং পুনরুজ্জীবন কৃষি—দুটিই কৃষিব্যবস্থার উন্নয়নের উদ্দেশ্যে কাজ করে। তবে কৃষি রূপান্তর যেখানে প্রজনন প্রযুক্তি ও উৎপাদনশীলতাকে প্রধান্য দেয়, পুনরুজ্জীবন কৃষি সেখানে বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য ও টেকসইতায় গুরুত্বারোপ করে। ভবিষ্যতের কৃষিব্যবস্থায় প্রকৃতি, মানুষ এবং প্রজননের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।

কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা সচল রাখতে শুধু কৃষি বা খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পৃক্ত নয়, এখানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, পরিবেশ, ভূমি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জড়িত। এসব মন্ত্রণালয়েরও কৃষি-খাদ্যের জন্য নানা নীতি-চর্চা রয়েছে, যা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একে অন্যের জন্য বৈরী। এ জন্য একটি সমন্বিত নীতি থাকা দরকার। জনবাস্তুস্বাস্থ্যবান্ধব কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়তে কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, পানি ও পরিবেশ একীভূত করার সময় এসেছে। পৃথিবীর অনেক দেশে (জাপান, কোরিয়া, জামানি, ভিয়েতনাম) এমন ব্যবস্থা আছে, যা দারুণ কাজ করছে।

চর্চার ক্ষেত্রে প্রথমত, কৃষিকাজে বিষমুক্ত পদ্ধতির প্রসার ঘটাতে হবে। জৈবিক কৃষি, সঠিক চাষাবাদ পদ্ধতি এবং স্থানীয় জাতের ফসল, প্রাণী, মাছ চাষকে উত্সাহিত করতে হবে, যা পরিবেশবান্ধব এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। দ্বিতীয়ত, খাদ্য উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত স্থায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সুরক্ষিত খাদ্য উৎপাদন এবং ভোক্তার কাছে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে নীতিমালা ও বিধি-নিষেধকে পুনর্বিবেচনা করা জরুরি। রাসায়নিক সারের ভর্তুকি কমিয়ে তা জৈব সারে দিতে হবে; পাশাপাশি প্রকৃত কৃষকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়তা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে তাঁরা পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন করতে সক্ষম হন। কৃষিকাজ সম্মানজনক পেশা নয়, তাই প্রতিটি কৃষকের জন্য সম্মানজনক জীবনপদ্ধতির ব্যবস্থা করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে বছরে একবার দূরপাল্লার ভ্রমণে অর্ধভাড়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

পারিবারিক কৃষিকে উত্সাহিত করার জন্য প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে। এই আমূল সংস্কারের জন্য সরকারকে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। সরকারকে নীতি নির্ধারণে এমন পরিবর্তন আনতে হবে, যা জনস্বাস্থ্য ও বাস্তুস্বাস্থ্যের উন্নয়নকে প্রাধান্য দেয়। কৃষি নীতিমালা ও শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলো সুনির্দিষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ক্ষতিকর কৃষি-প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। সরকারকে জনবাস্তুস্বাস্থ্যবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, যাতে নতুন ও উন্নত প্রযুক্তি ও প্রথা বিকশিত হয়, যা পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে ভোক্তারা স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব খাদ্য গ্রহণে উত্সাহিত হয়। নিশ্চয়ই সরকার জনবাস্তুস্বাস্থ্যবান্ধব কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার নীতি-চর্চার পুনরুদ্ধার কাজে হৃদয়গ্রাহী হবে।

লেখক:  প্রাবন্ধিক ও গবেষক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), গাজীপুর

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৬ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন
মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার
শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

১৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়