শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৪২, শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা সমুন্নত রেখেই সফল সহযোগিতার ভবিষ্যৎ নির্মাণ সম্ভব

ইয়াও ওয়েন
অনলাইন ভার্সন
বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা সমুন্নত রেখেই সফল সহযোগিতার ভবিষ্যৎ নির্মাণ সম্ভব

চীন এবং অন্যান্য দেশের পণ্যের উপর একতরফাভাবে অযৌক্তিক শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসন পূর্বসূরি সরকারের বিভ্রান্তিকর নীতি অব্যাহত রেখেছে। এ ধরনের কার্যকলাপ সত্যকে বিকৃত করে, সাদা এবং কালোকে একসাথে মিশিয়ে দেয়, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে। এর পাশাপাশি, এটি একতরফা অর্থনৈতিক চাপ তৈরির একটি উদাহরণ। একটি দায়িত্বশীল বিশ্ব শক্তি হিসেবে, চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এর বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থাকে দৃঢ়ভাবে রক্ষা করে আসছে এবং সব ধরনের সুরক্ষাবাদী ও হেনস্তা করার কৌশলের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এসব পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বহুপাক্ষিক নিয়ম এবং নীতিমালার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে রয়েছে। একতরফাভাবে শুল্ক আরোপের মাধ্যমে, যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বাণিজ্য ব্যবস্থাকে স্পষ্টভাবে চ্যালেঞ্জ করছে, বাজারনীতির ধারণা এবং মুক্ত বাণিজ্যের মূলমন্ত্রকে উপেক্ষা করছে এবং বিশ্বায়নের প্রবাহের বিপরীতে অবস্থান নিচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ অজুহাতে ‘লং- আর্ম জুরিসডিকশন’ এবং একতরফা নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে রাজনীতিকরণ, যন্ত্রায়ন এবং অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিক ইস্যুগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। এই ধরনের পদক্ষেপ শুধু ‘বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা’ এর বৈষম্যহীন নীতি লঙ্ঘন করে না, বরং ন্যায্য বাণিজ্যের মাধ্যমে উন্নয়ন অর্জনের পথে চলা উন্নয়নশীল দেশসমূহের অধিকারকেও নষ্ট করে।

চীন সবসময় আন্তর্জাতিক নিয়মাবলী ও আদর্শের দৃঢ় সমর্থক এবং সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে মতপার্থক্য সমাধানের পক্ষে অবস্থান করে। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একমাত্র কার্যকর উপায় হল বহুপাক্ষিকতা, এবং কোনো দেশেরই নিজেকে আন্তর্জাতিক নিয়মের ঊর্ধ্বে অবস্থান করানো উচিত নয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহীত পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী শিল্প এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে গুরুতরভাবে হুমকির মুখে ফেলেছে। শিল্প এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিস্থাপকতা রক্ষা করা বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি সব দেশের যৌথ স্বার্থে কাজ করে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি বজায় রাখা, উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিত। তবে, দুঃখজনকভাবে, কিছু মার্কিন নীতিনির্ধারক ‘শক্তির অবস্থান’ থেকে আধিপত্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে, যা প্রযুক্তিগত বিনিময়ে বাধা সৃষ্টি করে, চীনের শিল্প উন্নয়নকে অবমূল্যায়ন করে এবং ‘অতিরিক্ত ক্ষমতার’ ভিত্তিহীন দাবি করে, সেই সঙ্গে ‘সরবরাহের’ উপর জোর দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগ এবং তীব্র বিরোধিতার জন্ম দিয়েছে, যা ‘মুক্ত প্রতিযোগিতা’ ধারণার বিপরীতে দাঁড়িয়েছে।

চীন ধারাবাহিকভাবে উন্মুক্ততার নীতিতে বিশ্বাস রেখে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গ্রহণ করেছে এবং মানবজাতির জন্য একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ, আন্তরিক ও পারস্পরিক উপকারিতা ভিত্তিক সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে চলেছে। এই নীতি বিশ্বব্যাপী শিল্প ও সরবরাহ চেইনের স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে, নতুন মার্কিন প্রশাসনের কর্মক্রম এই দৃষ্টিভঙ্গির বিপরীতে দাঁড়িয়েছে, যা আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

এই ধরনের দ্বিমুখী আচরণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক আস্থা গঠনের পক্ষে ক্ষতিকর। একদিকে চীনের সাথে উন্নত সম্পর্ক এবং বাস্তবসম্মত সহযোগিতার দাবি জানালেও, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যা পারস্পরিক বিশ্বাসকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকে বিপদে ফেলে।

চীন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক একে অপরের পরিপূরক। একপক্ষ সবসময় হারায় এবং অন্যপক্ষ লাভবান হয়, এমন কোন দৃশ্য নেই। তথ্য প্রমাণে স্পষ্ট যে, শুল্কের মাধ্যমে ‘প্রাচীর নির্মাণ’ বাজারের নীতিমালা পরিবর্তন করতে পারে না, এবং এটি সহযোগিতার গতিকে বাধাগ্রস্ত করতে সক্ষম নয়। ২০২৪ সালে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ৬৮৮.২ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে, যা ২০১৭ সালের তুলনায় ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চীনে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সংস্থাগুলোর অর্ধেকেরও বেশি ২০২৫ সালে চীনে তাদের বিনিয়োগ বাড়ানোর আশা করছে। সহযোগিতাই চীন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র সঠিক পথ। যদি যুক্তরাষ্ট্র তার ভুল পথে অটল থাকে, তবে চীন সর্বদা যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত।

বিশ্ব আজ অস্থিরতা এবং ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের মুখোমুখি, তাই উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে জরুরি সংহতি ও সহযোগিতা অপরিহার্য। চীন এবং বাংলাদেশ, দুইটি দেশই বিশ্বায়নের সুবিধাভোগী ও অবদানকারী, এবং তাদের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে ব্যাপক ঐকমত্য বিদ্যমান। গত বছর, উভয় দেশের নেতৃত্বের পরিচালনায় এবং জনগণের দৃঢ় সমর্থনে, চীন-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জটিল চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও অসাধারণ স্থিতিস্থাপকতা ও শক্তি প্রদর্শন করেছে, যা দক্ষিণ এশিয়া ও বিশ্বের স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধিতে আরও দৃঢ় ভূমিকা রেখেছে।

চীন ও বাংলাদেশ বিজয়ী সহযোগিতা ও মুক্ত বাণিজ্যের আদর্শ উদাহরণ হতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে, যেখানে চীন টানা ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। চীনা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্যের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বেড়েছে। এর পাশাপাশি, চলতি বছরের মে মাস থেকে বাংলাদেশ চীনে আম রপ্তানি শুরু করতে যাচ্ছে, যা দেশের ফল শিল্পের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে এবং দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করবে।

চীন বাংলাদেশের সঙ্গে বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখতে, একতরফাবাদের বিরোধিতা করতে ও চীন-বাংলাদেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনাকে ত্বরান্বিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সহযোগিতায় বাস্তব অগ্রগতি অর্জনে চীন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আমি জানি, অনেক বাংলাদেশি চীনে ইলিশসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করতে আগ্রহী। চীন দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির কাঠামোর আওতায় এই প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করবে। আমরা বাংলাদেশের উচ্চমানের পণ্যকে স্বাগত জানাই, এবং চীনের বাজার ক্রমাগত আরও উন্মুক্ত ও সম্প্রসারিত হবে।

চীন এবং বাংলাদেশ শিল্প ও সরবরাহ শৃঙ্খলে সহযোগিতা জোরদার করতে এবং বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস এবং সবুজ অর্থনীতির মতো খাতে চীনের অভিজ্ঞতা ও সুবিধা বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশল, শিল্প কাঠামো এবং জনগণের চাহিদার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফলে, চীন অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের জন্য এক অপরিহার্য অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

চীনের এন্টারপ্রাইজগুলো বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী এবং এখানকার বাজারে তাদের সম্পৃক্ততা আরও গভীর করতে আগ্রহী। চীনা পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশে চীন থেকে সঞ্চিত বিদেশী প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) ৪.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা চীনকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এফডিআই উৎসে পরিণত করেছে।

২০২৩ সালের আগস্টে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অন্তত ১৪টি চীনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ২৩ কোটি ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে। এসব বিনিয়োগ মূলত টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ব্যাগেজ, পাদুকা, উইগসহ বিভিন্ন উৎপাদন খাতে প্রবাহিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সর্বাধিক বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে চীনই শীর্ষে রয়েছে।

২০২৫ সালের বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন আগামী এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। চীন এই সম্মেলনে আরও বেশি ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করতে আগ্রহী এবং চীনা কোম্পানিগুলোকে এতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হবে। চীন-বাংলাদেশ বিনিয়োগ চুক্তিকে আরও কার্যকর করতে এবং উভয় দেশের উদ্যোগগুলোর জন্য নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ উন্মোচন করতে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও সুসংহত করার মাধ্যমে দুই দেশই অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করতে পারে।

রাজনৈতিক পারস্পরিক বিশ্বাস এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে চীন ও বাংলাদেশ একসাথে প্রকল্প সহযোগিতায় কাজ করতে পারে। প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হয় রাজনৈতিক বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে। বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠার পর থেকে, এটি বারবার চীনের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, এবং চলমান ও নির্মাণাধীন প্রকল্প অপরিবর্তিত থাকবে, যার মধ্যে ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো কার্যকর হবে। এটি চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রমাণ, যা ব্যাপক জনসমর্থন ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা প্রকাশ করে। চীন ও বাংলাদেশের আন্তঃ-সরকারি সহযোগিতা প্রকল্প সফলভাবে এগিয়ে চলছে এবং বাধাহীনভাবে ত্বরান্বিত হচ্ছে। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ, ডাবল পাইপলাইন প্রকল্প এবং সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং স্থাপন কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট এবং ঢাকা উত্তর সিটিতে ডব্লিউটিই পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্পও সফলভাবে শুরু হয়েছে। চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রকল্প শুরু হতে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে, চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে সহায়তার জন্য আরও যুগান্তকারী প্রকল্প এবং ‘ছোট ও সুন্দর’ জীবিকা প্রকল্প আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চীন থাকবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার।

ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে যে প্রাচীর নির্মাণ শুধুমাত্র বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করে, অন্যদিকে খোলামেলা সম্পর্ক সমৃদ্ধি এবং সহযোগিতাকে উৎসাহিত করে। চীন ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে, চীন বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমর্থন বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চীন ও বাংলাদেশ একে অপরকে সমান হিসেবে গ্রহণ করে এবং একে অপরের সঙ্গে জয়-জিতের ভিত্তিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। আমরা ডব্লিউটিও-এর মতো বহুপাক্ষিক কাঠামোতে সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের শিল্প ও সরবরাহ চেইনের সমন্বিত উন্নয়নকে উৎসাহিত করব এবং চীন-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও গভীর করব, যা উভয় দেশের জনগণের জন্য আরও বাস্তব সুবিধা বয়ে আনবে।

লেখক : বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত।

ভাষান্তর : জিসান আল যুবাইর।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৩৪ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২০ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন