শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৪০, বুধবার, ০২ নভেম্বর, ২০১৬ আপডেট:

বিদেশে গিয়ে অনেক নারী যা করতে বাধ্য হচ্ছেন (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
বিদেশে গিয়ে অনেক নারী যা করতে বাধ্য হচ্ছেন (ভিডিও)

লোভনীয় কাজের প্রস্তাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে প্রায়ই গৃহকর্মী হিসেবে বাংলাদেশি নারীদের নিয়ে যাওয়া হয়। এদের মধ্যে কেউ কেউ ভালো অবস্থায়, কেউ আবার দুর্ভাগ্যে জড়িয়ে পড়েন। বিদেশের মাটিতে কি হয়, কীভাবে তারা বেঁচে থাকেন, তা হয়তো আমরা কেউই আঁচ করতে পারি না। তবে এসব দেশে যাওয়ার পর অনেক নারীদের ওপর যে মধ্যযুগীয় বর্বরতা চালানো হয়, তার একটি চিত্র ফুটে উঠেছে সেখান থেকে দেশে ফেরা নির্যাতনের শিকার এক নারীর বক্তব্যে। ইতিমধ্যে তার এ বক্তব্যটি একটি নাটিকা আকারে প্রকাশিত হয়েছে ইউটিউবে। মূলত বিদেশগামী নারীদের সচেতনতা বাড়াতে প্রকাশিত হয়েছে ভিডিওটি। এরপরই তোলপাড় শুরু হয়েছে ফেসবুকসহ সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ভিডিওতে দেখা যায়, এক বাংলাদেশি নারী মধ্যপ্রাচ্যের কোনো এক দেশে (ভিডিওতে উল্লেখ নেই)কাজের সন্ধানে যায়। তাদের বিদেশে যেতে সহায়তা করে বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের সেই দেশটিতে বাস করা নাজমা নামের এক নারী। এরপর ওই নারীকে নাজমা কাজের কথা বলে এক বাসিন্দার কাছে দুই লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। যদিও সেটা বুঝতে পারেনি নির্যাতিতা ওই নারী। তখন নাজমা ওই নারীকে বলে, তাকে বাড়িতে লোকটির ছেলে-মেয়ে স্কুলে নিয়ে আসা ও তার বৃদ্ধ বাবাকে দেখাশুনা করা। এরপর গাড়িতে করে লোকটি তাকে নিয়ে যায়।

ওই দেশের মানুষ গৃহকর্মীদের সামনে বসতে দেয় না। কিন্তু মানুষরূপী নরপশুটি তাকে সামনে বসিয়ে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন শুরু করে। ওই লোকটির বাসায় গিয়ে দেখা যায় কেউ নেই, মেয়েটি জিজ্ঞাসা করলেও উত্তরে লোকটি জানায় তার ছেলে-মেয়ে কিংবা বাবা কেউ নেই। তিনি একাই বাসায় থাকেন। এরপর তার জামাকাপড় খোলা শুরু করে লোকটি। কিন্তু মেয়েটি রাজি না হওয়ায় তাকে মেরে বিছানায় ফেলে দেয়। জ্ঞান ফিরে মেয়েটি দেখতে পান লোকটি তার পাশে শুয়ে আছে, আর তার গায়ে কোনো পোশাক নেই। তখন কী ঘটেছিল মেয়েটি কিছুটা আঁচ করতে পারে। পরে তাকে ছোট ছোট পোশাক পরিধান করতে বলা হয়, তা পরার পর আবারও শুরু হয় নির্যাতন। নরপশুর হাত থেকে বাঁচতে মেয়েটি জুব্বা পরিহিত লোকটির পা পর্যন্ত ধরে, তবে তার মন গলাতে পারেননি।

একদিকে নির্যাতন, অন্যদিকে মেয়েটিকে খেতে দিতো না লোকটি। এভাবে থাকতে থাকতে একদিন জ্বরে আক্রান্ত হয় মেয়েটি। এরপরও তার দিকে সহানুভূতির হাত বাড়ায়নি লোকটি। উল্টো সে সময় তার আরও দুই সহযোগীকে বাড়িতে নিয়ে এসে মেয়েটির নির্যাতন চালায়। এতে মেয়েটির লিপস্টিক লোকটির মুখমণ্ডলসহ সারা জুব্বায় লেগে যায়। তখন সে ওয়াসরুমে গেলে, মেয়েটি ছুরি নিয়ে হাত কাটতে শুরু করে, এটা বুঝতে পেরে লোকটি তাড়াতাড়ি এসে তার হাত থেকে ছুরিটা কেড়ে নেয় এবং হাতে ব্যান্ডেস করে দেয়। অতঃপর একজনকে ফোন করে, মেয়েটিকে আর তার ফ্ল্যাটে রাখা যাবে না বলে জানিয়ে সেখানে পাঠিয়ে দেয় লোকটি। সেখানকার যুবকটিকে হাত-পা জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি জানালে অনেকক্ষণ পর সম্মতি দেন তিনি। তারপর মেয়েটিকে ওই ছেলেটি একটি জিন্স ও গেঞ্জি পরতে দিয়ে গোসল করতে বলেন। এরপর সুযোগ পেয়ে ছাদ থেকে লাফ দেওয়ার চেষ্টা করে মেয়েটি। কিন্তু ছেলেটি তাকে লাফ দেওয়ার আগেই থাবা দিয়ে ছাদে ফেলে দেয়। এর কয়েকদিন পর আবারও জ্বরে আক্রান্ত হয় মেয়েটি। তারপর তাকে নাজমার কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানের নাজমার এক বোনও ছিল। একই সঙ্গে তাদের ঘরে বিক্রি করে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে আনা কয়েকজন নারীও ছিল। তখন নাজমা ওই মেয়েটির পরিবারের কাছে ভালো থাকার জন্য তা বাড়িতে ফোন করে বাজে কথা বলে। নাজমা তার মাকে বলে, ''আপনার মেয়েতো বড় খারাপ কাজ করছে, তার পেটে বাচ্চা।'' এমন কথা শুনে মেয়েটির মা বলে, ''সে বিদেশে আছে, বিদেশে থাক। সে যেন বাড়িতে না আসে। এখানে আমার মান সম্মান আছে।''

এরপর যেকয়েকটা দিন সেখানে ছিল মেয়েগুলো, তাদের ঠিকমতো খেতে দিত না। তাদের দিয়ে বাড়ির সব কাজ করানো হতো, এমনকি তাদের দিয়ে পা টিপেও নেওয়া হতো ঠিকমতো খেতে দেওয়া হতো না। এক চামচ ভাতের সঙ্গে পঁচা তরকারি দেওয়া হতো। মাঝে মধ্যে নাজমা বাড়িতে যুবক ছেলেদের নিয়ে এনে মদ পান করতো। তাদের একজনকে একদিন ঘটনা খুলে বলে মেয়েটি। এরপর নাজমা তাদের বেদম প্রহার করে এবং মেয়েটির মাকে ফোন করে তার আত্মচিৎকার শুনিয়ে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করে। কিন্তু মেয়েটির মা বলে, দেখুন, আমি গরিব মানুষ, বাসা-বাড়িতে কাজ করে খাই। তখন ৮০ টাকা দাবি করে, না দিলে মেয়েটিকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। কিন্তু মেয়েটির মা ৪০ টাকা দিতে চাইলেও নাজমা রাজি হয়নি।

কয়েকদিন পর মেয়েগুলোকে ১০ জন লোকের কাছে বিক্রি করে দেয় নাজমা। যেদিন রাতে তাদের নিয়ে ওই যুবকদের আসার কথা, সেইদিন নাজমা বোনকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হলে তারা কৌশলে তালা ভেঙে বাড়ি থেকে পালিয়ে বাংলাদেশি এক স্কুলের অধ্যক্ষের কাছে যায়। তার কাছে ঘটনা খুলে বলার পর, তিনি ওই স্কুলে দুই দিন থাকার ব্যবস্থা করে দেন। এরপর বাড়ি পাঠানোর জন্য বিমানের টিকিটও কেটে দেন। কিন্তু পাসপোর্ট না থাকায় তাদের বাড়ি পাঠানো সম্ভব হচ্ছিল না। তখন ওই মেয়েদের কাছ থেকে মোবাইল নম্বর নিয়ে নাজমার বাসায় যান অধ্যক্ষ। প্রথমে রাজি না হলেও পুলিশের কথা বলতেই তারা পাসপোর্ট বের করে দেয়। এরপর তারা দেশে ফেরেন। সবশেষে মেয়েটির একটিই কথা, ভিক্ষা করে খেলেও যেন দালালের মাধ্যমে যেন কোনো নারী বিদেশ না যান।

বি. দ্র: বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ নারী শ্রমিক বিদেশে গিয়ে নিজেদের ভাগ্য উন্নোয়ন করছেন। এই ঘটনাটি শুধুমাত্র গুটিকয়েক দুর্ভাগা নারী শ্রমিকের চিত্র বহন করছে। মূলত, বিদেশগামী নারীদের সচেতনতা বাড়াতে প্রকাশিত হয়েছে ভিডিওটি।

ভিডিওটি সংগৃহীত

বিডি-প্রতিদিন/০২ নভেম্বর, ২০১৬/মাহবুব

এই বিভাগের আরও খবর
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশনের অভিযানে ৩৬ বাংলাদেশীসহ আটক ১০১
মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশনের অভিযানে ৩৬ বাংলাদেশীসহ আটক ১০১
নিউ সাউথ ওয়েলস বিএনপির ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
নিউ সাউথ ওয়েলস বিএনপির ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
৬৮তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রস্তুত মালয়েশিয়া
৬৮তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রস্তুত মালয়েশিয়া
কানাডার মন্ট্রিয়লে দু’দিনব্যাপী ৩৯তম ফোবানা, প্রবাসীদের মিলনমেলা
কানাডার মন্ট্রিয়লে দু’দিনব্যাপী ৩৯তম ফোবানা, প্রবাসীদের মিলনমেলা
৫৯ শতাংশ আমেরিকানই সন্তান লালন-পালনের ব্যয় নির্বাহে ঋণগ্রস্ত
৫৯ শতাংশ আমেরিকানই সন্তান লালন-পালনের ব্যয় নির্বাহে ঋণগ্রস্ত
কানাডায় কোয়ান্টাম ইন্টারনেট গবেষণার নেতৃত্বে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী শরীফ
কানাডায় কোয়ান্টাম ইন্টারনেট গবেষণার নেতৃত্বে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী শরীফ
প্যারিসে বিকশিত নারী সংঘের এক যুগপূর্তি অনুষ্ঠান
প্যারিসে বিকশিত নারী সংঘের এক যুগপূর্তি অনুষ্ঠান
নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হচ্ছেন প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান নারী
নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হচ্ছেন প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান নারী
কুইন্সল্যান্ডের টাউনসভিলে ‘দেশি ড্রেপস’-এর আত্মপ্রকাশ
কুইন্সল্যান্ডের টাউনসভিলে ‘দেশি ড্রেপস’-এর আত্মপ্রকাশ
বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্যালগেরির বার্ষিক বনভোজন
বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্যালগেরির বার্ষিক বনভোজন
সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশ প্রতিদিনের আহত সাংবাদিক দুর্জয়ের খোঁজ নিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশ প্রতিদিনের আহত সাংবাদিক দুর্জয়ের খোঁজ নিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

২০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

২৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ
চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ

২৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে আরও ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার
সিলেটে আরও ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার

৪৫ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কাছের মানুষের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন আহান
কাছের মানুষের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন আহান

৪৯ মিনিট আগে | শোবিজ

মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা
মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা
ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা
ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু
গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন
ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩
নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ
ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সেলফির নেশায় মৃত্যু: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে
সেলফির নেশায় মৃত্যু: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উড্ডয়নের পরই ইঞ্জিনে আগুন, মাঝ-আকাশে বিমানে আতঙ্ক
উড্ডয়নের পরই ইঞ্জিনে আগুন, মাঝ-আকাশে বিমানে আতঙ্ক

২ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া
৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ
ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান
বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র গরমে এশিয়া কাপের সূচিতে বড় পরিবর্তন
তীব্র গরমে এশিয়া কাপের সূচিতে বড় পরিবর্তন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি
দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন