শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:১৯
প্রিন্ট করুন printer

রক্ত ঝরা ঘামে অর্জিত অর্থের নাম প্রবাসী রেমিট্যান্স

মঈন উদ্দিন সরকার সুমন

রক্ত ঝরা ঘামে অর্জিত অর্থের নাম প্রবাসী রেমিট্যান্স

করোনা মহামারির কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অবস্থা যুদ্ধ পরবর্তী একটি বিধ্বস্ত দেশের অবস্থার চেয়ে কম নয়। এই মহামারির কারণে বিশ্বের অনেক দেশের বর্তমানে আর্থিক অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। এই মহামারির যুদ্ধে আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের আর্থিক অবস্থা উন্নয়নের দিকে। 

তথ্যমতে, ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবর রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪১ দশমিক ৩ বিলয়ন বা ৪ হাজার ১০৩ কোটি ডলার। গত বছরে ৪ মাসের ব্যবধানে ৮ বার নতুন মাইলফলক অতিক্রম করলো রিজার্ভ। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছিলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের বরাত দিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে এই রিজার্ভ দিয়ে ১০ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। মূলত রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই রিজার্ভ এই অবস্থানে পৌঁছেছে। এই অর্জন প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অবদান।
রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের পাঠানো অর্থে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যেমন ঘটেছে, তেমনি তাঁদের ওপর নির্ভরশীল লাখ লাখ পরিবার মাথা উচু করে বেঁচে আছে। 
অতচ এখনো অবসান হয়নি রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দুর্ভোগ ও বঞ্চনার।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের অধিকার সংরক্ষণসহ সব সুবিধা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর  এই নির্দেশ কর্তৃপক্ষ সঠিকভাবে পালন করলেই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দুর্ভোগ ও বঞ্চনা কিছুটা হলেও অবসান হবে। একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে গর্বিত এই সংকটে অতি ক্ষুদ্র একজন হলেও কিছুটা অবদান রাখতে পেরেছি। 

লেখক: সংবাদ কর্মী ও রেমিট্যান্স যোদ্ধা।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য