শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৫৯

পাঠকের লেখা

আঠা

আঠা

জরুরি কাজে ছোটমামা আমাদের বাসায় আসবেন। উনি অতি সাবধানী মানুষ। মোটরসাইকেল আছে বলে বাসায় কয়েল ধরান না, যাতে আগুন না লেগে যায়। যথাসময়ে তিনি বাসায় এলেন। গরমের দিনেও তার পরনে ফুলহাতা শার্ট, হাতে গ্লাভস, মাথায় ক্যাপ আর মুখে তিন তিনটা মাস্ক! বাসায় ঢুকে স্যানিটাইজার খুঁজতে লাগলেন।

আমাদের বাসায় ঢুকেই ড্রয়িংরুম। ড্রয়িংরুমে স্যানিটাইজার খুঁজে না পেয়ে গেলেন পাশের রুমে। সেখানে পড়ার টেবিলের ওপর স্যানিটাইজারের ছোট্ট একটি বোতল পড়ে আছে। বোতলের ছিপি খুলে তিনি নিশ্চিন্ত মনে স্যানিটাইজার হাতে মাখতে থাকেন। যেই না দুই হাত একখানে করেছেন ওমনি হাত দুটি একসঙ্গে জোড়া লেগে গেল। আর খুলতে পারেন না। সঙ্গে সঙ্গে চেঁচামেচি শুরু করলেন। চেঁচামেচি শুনে আমি ছাদ থেকে নেমে দেখি এই হুলস্থূল ব্যাপার।

আসলে বোতলটা ছিল একটা শক্তিশালী আঠার। ছেঁড়া বই মেরামত করার জন্য কিনেছিলাম কয়েক দিন আগে। মামা ওটার গায়ের লেখা না দেখেই স্যানিটাইজার মনে করে হাতে মেখেছিলেন!

 

লেখা : মো. ফারদিন

মুলাটোল পাকারমাথা, রংপুর সদর, রংপুর।