শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০৩:১৪
প্রিন্ট করুন printer

আন্তর্জাতিক পোস্টার প্রতিযোগিতায় বাঙালি টিমের পুরস্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

আন্তর্জাতিক পোস্টার প্রতিযোগিতায় বাঙালি টিমের পুরস্কার

কলকাতার এমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক অটিজম কনফারেন্সের সায়েন্টিফিক পোস্টার কম্পিটিশনে বাংলাদেশী টিম প্রথম পুরস্কার অর্জন করেছে। কনফারেন্সে টিম ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর মেডিকেল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন (আইএফএমএসএ) বাংলাদেশ ‘নলেজ অফ অটিজম স্পেক্ট্রাম ডিজর্ডার এমোং সেকেন্ড- ফোর্থ ফেইজ এমবিবিএস স্টুডেন্টস অফ বাংলাদেশ’ শীর্ষক পোস্টার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করে।  

বিজয়ী দলের বাংলাদেশী সদস্যরা হলেন- ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী আলভী আহসান, মুমতাহিনা ফাতিমা, রাইসা নাওয়াল এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তফা আরাফাত ইসলাম। পোস্টার প্রতিযোগিতায় ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও বাংলাদেশের মোট ২২টি টিম অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি টিমে সদস্য ছিল ২ থেকে ৪ জন করে। ২২ টিমের প্রতিযোগীরা সর্বমোট ২৫টি পোস্টার উপস্থাপন করেন। পুরস্কার স্বরূপ বিজয়ী টিম আইএফএমএসএ- বাংলাদেশ দলকে ১০ হাজার রুপী এবং সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।  

গত ১০ থেকে ১২ জানুয়ারি ভারতের অটিজম সেন্টারের আয়োজনে ইন্ডিয়া অটিজম সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মি. সুরেশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে খ্যাতিমান চিকিৎসক প্রফেসর বিশ্বদেব চক্রবর্তী, প্রফেসর জয় রঞ্জন রাম, ড. রোনাল্ড রীফ, কেভিন গার্স, লরী উম্বসহ বিশ্বের স্বনামধন্য ৩২জন গবেষক বক্তব্য রাখেন।

অটিজমের চিকিৎসায় সর্বাধুনিক গবেষণা, উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা, অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের শিক্ষাদান পদ্ধতিতে আধুনিক গবেষণা এবং উন্নত ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে এই আয়োজনের উদ্দেশ্য।  

বিজয়ী দলের সদস্যরা বলেন, ‘পুরস্করটি আমাদের জন্য গর্বের। কারণ এর মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে অন্য একটি দেশে উপস্থাপন করতে পেরেছি। দেশের বাইরে আয়োজিত কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করে প্রথম পুরস্কার অর্জন আমাদেরকে বেশ অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজনে অংশগ্রহণ করার প্রত্যাশা করছি। আগামীতেও মেডিকেল সেক্টরে আমরা গবেষণামূলক কাজ করতে আগ্রহী।’

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৫১
প্রিন্ট করুন printer

খুবির দুই শিক্ষার্থীর অনশন ভঙ্গ

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:

খুবির দুই শিক্ষার্থীর অনশন ভঙ্গ

টানা সাতদিন পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) আন্দোলনরত দুই শিক্ষার্থীকে শরবত খাইয়ে অনশন ভঙ্গ করালেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েকউজ্জামান। মঙ্গলবার রাত আটটায় অনশন ভঙ্গ করার পর শিক্ষার্থীরা নিজ বাড়িতে ও হোস্টেলে ফিরে গেছেন। এর ফলে অনশন কর্মসূচিকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতার অবসান হলো। 

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের মধ্যস্ততায় মঙ্গলবার দুপুরে অনশনরত দুই শিক্ষার্থী উপাচার্য বরাবর নতুন আরেকটি চিঠি দিয়েছেন। ওই চিঠিতে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে পাঁচদফা আন্দোলন চলাকালে দুই শিক্ষকের পথরোধ ও অসদাচরনের ঘটনাকে অনিচ্ছাকৃত ও ওই ঘটনার সাথে তারা কেউ সংশ্লিষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন। তারপরও ওই ঘটনায় শিক্ষকরা যদি কোন কষ্ট পেয়ে থাকেন তার জন্যও তারা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া সার্বিক ঘটনা বিবেচনায় বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করলে কৃতজ্ঞ থাকার কথা জানিয়েছে। এসব কারণে খুবি উপাচার্য মঙ্গলবার রাত ৮টায় অনশনস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন ভঙ্গ করান। এসময় তিনি দ্রুত শৃঙ্খলা কমিটির সভায় শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সবুজ সংকেত দেন। 

জানা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বেতন-ফি কমানো, আবাসন ব্যবস্থাসহ পাঁচদফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ওই আন্দোলনে দুইজন শিক্ষকের পথরোধ করা ও অসদাচরনের অভিযোগে দুই শিক্ষার্থী ইমামুল ইসলাম ও মোবারক হোসেন নোমানকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করে ওই দুই শিক্ষার্থী। এর আগে ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি তারা একই স্থানে আমরণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।  

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:১২
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৮
প্রিন্ট করুন printer

মার্চের প্রথম সপ্তাহে ঢাবির হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

মার্চের প্রথম সপ্তাহে ঢাবির হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ
ফাইল ছবি

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য আংশিকভাবে হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটি।

আজ মঙ্গলবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে কমিটির এক সভায় এই সুপারিশ করা হয়। সভার একাধিক সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

প্রভোস্ট কমিটির সদস্য-সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী জানান, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য স্নাতকোত্তর ও স্নাতক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য আংশিক হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ৩১ জানুয়ারি একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, মাস্টার্সের আবাসিক পরীক্ষার্থীদের আগে হলে তোলা হবে। পরীক্ষা শেষে তারা চলে গেলে পর্যায়ক্রমে অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষার্থীরা হলে উঠবে। এর মধ্যে হল পরিষ্কার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সীমিত আকারে মেস বা ক্যান্টিনে লোকবল থাকবে। ছাত্ররা সবসময় তাদের প্রবেশপত্র ও আইডি কার্ড সাথে রাখবে। পরীক্ষার্থী ছাড়া কেউ হলে প্রবেশ করতে পারবে না। 

কোভিড পরিস্থিতির কারণে গত বছরের ১৯ মার্চ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। একই সাথে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো। 
 
বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৫৪
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৫৫
প্রিন্ট করুন printer

‘বঙ্গবন্ধুর চিন্তার কেন্দ্রে ছিল মানুষের কল্যাণ’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

‘বঙ্গবন্ধুর চিন্তার কেন্দ্রে ছিল মানুষের কল্যাণ’

বঙ্গবন্ধু এমন মানুষ ছিলেন, যিনি অসংখ্য অন্ন ও বস্ত্রহীন মানুষের ব্যবস্থাপনার সাথে সাথে পরিবেশ নিয়ে চিন্তা করতে পেরেছিলেন। কেননা তার চিন্তার কেন্দ্রেই ছিল কীভাবে মানুষের কল্যাণ করা যায়। তিনি তার নিজস্ব ও পারিবারিক দর্শন থেকেই এমন কাজ করতে পেরেছিলেন।

মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ‘বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা’র দ্বিতীয় বক্তৃতা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি’ এবং ‘উচ্চতর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র’ যৌথভাবে এর আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল।

অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. ফকরুল আলমের সভাপতিত্বে ‘ডিজাস্টার রিস্ক গভার্নেন্স ইন বাংলাদেশ: কন্টিবিউশনস অব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউট অফ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন এবং অধ্যাপক ড. খন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন।

প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উচ্চতর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধু তার নিজস্ব দর্শন ও পারিবারিক দর্শন থেকেই সর্বদা প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ কবলিত মানুষের পাশে সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকি হ্রাসে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সারাবিশ্বে রোল মডেলে পরিণত করেছেন। এই স্বীকৃতির জন্য আজ আমরা গর্বিত।

দুর্যোগ মোকাবিলা এবং জীববৈচিত্র ও পরিবেশ সংরক্ষণে বঙ্গবন্ধুর পদক্ষেপ তুলে ধরে ড. কাজী খলীকুজ্জামান বলেন, পরিবেশ রক্ষার জন্য বনায়নের প্রয়োজনীয়তা বঙ্গবন্ধু অনুধাবন করেছিলেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের এক জনসভায় তিনি গাছ লাগানোর কথা, সুন্দরবন বাঁচানোর কথা বলেছিলেন। নদী রক্ষার জন্য ১৯৭২ সালে নদী কমিশন গঠন করেছিলেন। তিনি এর গুরুত্ব বুঝেছিলেন। এছাড়াও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন-১৯৭৪ প্রণয়ন করেছিলেন।

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন এবং অধ্যাপক ড. খন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণে বঙ্গবন্ধুর অবদান ও সূদরপ্রসারী চিন্তাভাবনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ও ত্রাণ তৎপরতা বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর গৃহীত পদক্ষেপসমূহ ও দিকনির্দেশনা নিয়ে আরও ব্যাপক গবেষণা করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তারা।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৪
প্রিন্ট করুন printer

উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে হাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা

রিয়াজুল ইসলাম, দিনাজপুর

উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে হাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা

উত্তরবঙ্গের স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ ও দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরবর্তী ভিসি বা উপাচার্য কে হচ্ছেন এনিয়ে চলছে ছাত্র-শিক্ষকদের মাঝে নানান জল্পনা-কল্পনা। এরই মধ্যে নামের তালিকা পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে। চলছে জোরালো লবিং।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়টি পথচলার ২১ বছরে ৬ জন শিক্ষাবিদকে অভিভাবক হিসেবে পেয়েছে। ৬ষ্ঠ উপাচার্য হিসেবে ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নিয়োগ পায় বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অধ্যাপক ড. মু. আবুল কাসেম। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি এই উপাচার্যের চার বছর মেয়াদকাল পূর্ণ হতে যাচ্ছে।

তবে এর মধ্যে তিনি ১৩ জানুয়ারি ভোর রাতে স্ত্রীর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছেন। যাওয়ার সময় একটি চিঠিতে তিনি হাবিপ্রবির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদারকে রুটিন দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছেন। আর তিনি চলে যাওয়ায় পর হতে হাবিপ্রবির ছাত্র-শিক্ষক সবার মনে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। কে হচ্ছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী উপাচার্য। 

বর্তমান উপাচার্য ছাড়াও পরবর্তী উপাচার্য হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছেন তারা হলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দুটি সংগঠনের (গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদ এবং প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম) অধ্যাপক ড. মোঃ আনিস খান, অধ্যাপক ড. ভবেন্দ্র কুমার বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. ফাহিমা খানম, অধ্যাপক ড. বলরাম রায়, অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদার, অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল আহাদ, অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুর রহমান, অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজার রহমান, অধ্যাপক ড. বিকাশ চন্দ্র সরকার, অধ্যাপক ড. শ্রীপতি সিকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোঃ ফজলুল হক প্রমুখ। 

হাবিপ্রবি’র রেজিষ্ট্রার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোঃ ফজলুল হক জানান, বর্তমান উপাচার্য মহোদয় তিনি জানেন কাদের নামের প্যানেল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে আমার জানা নেই।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:১৮
প্রিন্ট করুন printer

আদালতে মামলা করলেন মারধরের শিকার সেই ছাত্রলীগ নেত্রী

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক:

আদালতে মামলা করলেন মারধরের শিকার সেই ছাত্রলীগ নেত্রী

নিজ সংগঠনের নেত্রীদের দ্বারা মারধরের শিকার ছাত্রলীগ নেত্রী ফাল্গুনী দাস তন্বী আদালতে মামলা করেছেন। সোমবার ঢাকার সিএমএম কোর্টে বিচারক রাজেশ চৌধুরীর আদালতে মামলাটি করেন তিনি। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) ও বিচার বিভাগের সমন্বয়ে দ্বৈত তদন্ত কমিশন গঠন করে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন। 

ফালগুনী দাস তন্বী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোকেয়া হল সংসদের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) এবং হল ছত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক। গত ২১ ডিসেম্বর রাতে সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি এবং শামসুন নাহার হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জেসমিন শান্তা তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বঙ্গবন্ধু টাওয়ারের সামনে ডেকে নিয়ে মারধর করে। 

তন্বীর আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল জাহিদ জানান, গত ২৪ জানুয়ারি আবেদন করলে সিএমএম কোর্ট মামলা আমলে নিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআই ও বিচার বিভাগের সমন্বয়ে দ্বৈত তদন্ত কমিশন গঠন করে দিয়েছেন। মামলা নং-৩৮/২০২১। পনের কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযুক্তরা হলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি, শামসুন্নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াসমিন শান্তা, ছাত্রলীগ নেতা শাহজালাল, এনামুল ও তানসেন।

এর আগে, গত ১৫ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মারধরের ঘটনায় যুক্ত ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ফালগুনী দাস তন্বী। অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুর রহমান সরদার। তবে তন্বীর অভিযোগ, পুলিশ এজাহার গ্রহণ করলেও মারধরের ঘটনার বিষয়ে তারা বলেছে- ‘কিছুই হয়নি’। তিনি বলেন, পুলিশ মামলা না নেওয়ায় আমি সংক্ষুদ্ধ হয়ে আদালতে মামলা করেছি।  

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর