শিরোনাম
প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২৪
প্রিন্ট করুন printer

সংসদ লাইব্রেরির গ্রন্থাগার বিধি সংশোধনের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সংসদ লাইব্রেরির গ্রন্থাগার বিধি সংশোধনের সুপারিশ
ফাইল ছবি

সংসদ লাইব্রেরীর ‘জাতীয় সংসদ গ্রন্থাগার বিধি-২০১২’ সংশোধন করে যুগোপযোগী করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় সাব কমিটি। একইসঙ্গে ইতোপূর্বে প্রণীত ‘গবেষণা নির্দেশিকা’ পুনঃযাচাই করা হয়। এছাড়া লাইব্রেরির গবেষণা শাখার গবেষণা কর্মে জরুরি ও জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয় অন্তর্ভক্তির সুপারিশ করা হয়। গৃহীত সুপারিশমালা লাইব্রেরি সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির বিবেচনার জন্য উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। 

সংসদ লাইব্রেরিতে আজ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের ‘লাইব্রেরী কমিটি’র ১নং সাব-কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সাব-কমিটির আহবায়ক মুহাম্মদ শফিকুর রহমান। সাব-কমিটির সদস্য ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল, ফখরুল ইমাম, তানভীর ইমাম, শেখ এ্যানী রহমান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০১:৫৯
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০২:১০
প্রিন্ট করুন printer

শিশু গৃহকর্মীকে ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

শিশু গৃহকর্মীকে ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ

ঢাকায় এক চিকিৎসকের স্ত্রীর নির্যাতনে ক্ষত-বিক্ষত এক শিশু গৃহকর্মীকে তার গ্রামের বাড়ির কাছে বরিশালের উজিরপুরে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। শিশুটি শারীরিক নির্যাতনের চেয়েও মানসিকভাবে বেশি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন নির্যাতিতা শিশু ও তার স্বজনরা। শিশু নির্যাতনের ঘটনায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। 

নিপা বাড়ৈ উজিরপুরের জামবাড়ি এলাকার ননী বাড়ৈর মেয়ে। তার বাবা একজন মানসিক প্রতিবন্ধী। তার মা ২ বছর আগে অন্যত্র বিয়ে করেছে। ২ বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে নিপা মেঝ। 

উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৬ নম্বর বেডে শরীরের নানা ক্ষত নিয়ে কাতরাচ্ছে ১১ বছর বয়সের শিশু নিপা বাড়ৈ। মাথায়ও বড় ধরনের ক্ষত রয়েছে। চোখে মুখে তার ভয়াল ছাপ। নিপা বাড়ৈর অভিযোগ, গৃহকর্তী রাখি দাস নানা অজুহাতে তার উপর শারীরিক নির্যাতন করতো। কখনও গরম খুতির ছ্যাকা, কখনও ছুরির খোঁচা আবার কখনও দেয়ালে ঠোকা হতো তার মাথা। রাগের মধ্যে কখনও তার গলা চেপে শ্বাস রোধ করার চেস্টা করতো গৃহকর্তার স্ত্রী। অব্যাহত নির্যাতনে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে নির্যাতনকারী লোক মারফত গত (২৪ ফেব্রুয়ারি) বুধবার সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা থেকে উজিরপুরের জামবাড়ি তার গ্রামের বাড়ির কাছে একটি দোকানের সামনে ফেলে যায়। 

শিশুটির চাচি মুক্তি বাড়ৈ জানান, গত ৬ মাস আগে ঢাকার শ্যামলীতে বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ শুরু করে নিপা। কখনও শিশুটির খোঁজ খবর জানতে চাইলে সে ভালো আছে বলে জানানো হতো তাদের। বুধবার শিশুটিকে বাড়ির কাছে ফেলে যাওয়ার পর তার শরীরে ভয়াবহ নির্যাতনের ছাপ দেখেন তারা। এ ঘটনার বিচার দাবি করেন নিপা ও তার স্বজনরা। 

উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ডা. শামসুদ্দোহা তৌহিদ জানান, চিকিৎসায় শিশুটির শরীরের ক্ষত একদিন সেরে যাবে। কিন্তু মানসিকভাবে সে বেশি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। 

উজিরপুর থানার ওসি মো. জিয়াউল আহসান জানান, নির্যাতিত শিশু ফেলে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ঢাকায়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:৩৪
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৬:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

কাশিমপুর কারাগারে বন্দি লেখক মুসতাকের মৃত্যু

গাজীপুর প্রতিনিধি :

কাশিমপুর কারাগারে বন্দি লেখক মুসতাকের মৃত্যু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দি লেখক মুসতাক আহমেদের (৫৩) মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মুসতাক আহমেদ নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার থানার ছোট বালাপুর এলাকার মো: আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো: গিয়াস উদ্দিন জানান, সন্ধ্যায় কারাগারের ভেতর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে মুসতাক আহমেদ। এসময় তাকে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মুসতাক আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন।

তার বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় মামলা নং ০২(০৫) ২০২০ ধারা ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ১১/২৫(১)(খ)/৩১/৩৫ রুজু ছিল। ২০২০ সালের আগস্ট মাস থেকে তিনি এ কারাগারে বন্দি ছিলেন। কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে তার হাজতি নং-৯২৭/২০২০।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

রাজশাহী বার সমিতির নির্বাচনে বিএনপিপন্থীদের নিরঙ্কুশ বিজয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহী বার সমিতির নির্বাচনে বিএনপিপন্থীদের নিরঙ্কুশ বিজয়

রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার সমিতির নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের প্যানেল নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। মোট ২১টি পদের মধ্যে এই প্যানেল সভাপতি-সম্পাদকসহ ২০টি পদেই জয় পেয়েছে।

এক বছরের জন্য বৃহস্পতিবার রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার সমিতির এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে রাত ১০টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম সেলিম।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল থেকে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল হক (১)। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এই প্যানেলের অ্যাডভোকেট পারভেজ তৌফিক জাহেদী। তারা টানা দ্বিতীয়বারের মতো একই পদে নির্বাচিত হলেন।

এবার নির্বাচনে সভাপতি অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল হক পেয়েছেন ৩২২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের (আওয়ামী ও বাম জোট সমর্থিত) প্রার্থী অ্যাডভোকেট এন্তাজুল হক বাবু ২০৩ ভোট পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী অ্যাডভোকেট পারভেজ তৌফিক জাহেদী পেয়েছেন ৩৫০ ভোট। আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম শরিফ পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।

সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ থেকে শুধু নির্বাহী সদস্য পদে একজন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি হলেন অ্যাডভোকেট রকিবুল হাসান রোকন। আর জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল থেকে শুধু সদস্য পদে একজন হেরেছেন। তিনি হলেন অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন বুলবুল।

বিজয়ী অন্যরা হলেন- তিনজন সহ-সভাপতি যথাক্রমে অ্যাডভোকেট একেএম মিজানুর রহমান, অ্যাডভোকেট মাহবুবুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম; দুইজন যুগ্ম সম্পাদক যথাক্রমে অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান ইতি ও নূর-এ কামরুজ্জামান ইরান; হিসাব সম্পাদক অ্যাডভোকেট সেলিম রেজা মাসুম, লাইব্রেরী সম্পাদক অ্যাডভোকেট রিয়াজ উদ্দীন, সম্পাদক অডিট অ্যাডভোকেট আজিমুশ সান উজ্জ্বল, সম্পাদক প্রেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল হক (২), সম্পাদক ম্যাগাজিন অ্যান্ড কালচার অ্যাডভোকেট রজব আলী।

৯টি নির্বাহী সদস্য পদের মধ্যে এই প্যানেল থেকেই নির্বাচিত আটজন হলেন- অ্যাডভোকেট আফতাবুর রহমান, অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, অ্যাডভোকেট আমজাদ হোসেন (৩), অ্যাডভোকেট রাকিবুল ইসলাম রাকিব, অ্যাডভোকেট হাসানুল বান্না সোহাগ, অ্যাডভোকেট সিফাত জেরিন তুলি, অ্যাডভোকেট সেকেন্দার আলী এবং অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় রাজশাহী আদালতপাড়ার ১ নম্বর নতুন বার ভবনের দোতলায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বেলা ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত ১ ঘন্টার বিরতি শেষে টানা বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৫৮৮ জন। এর মধ্যে ৫৪৪ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে ২১ পদের বিপরীতে দুটি প্যানেলে ৪২ জন প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। নির্বাচনে একজনের বিজয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো আওয়ামী ও বাম জোট সমর্থিত প্যানেলকে।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৩৩
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৪১
প্রিন্ট করুন printer

জবিতে ভাষা শহীদ রফিক স্মৃতি পরিষদের আত্মপ্রকাশ

জবি প্রতিনিধি

জবিতে ভাষা শহীদ রফিক স্মৃতি পরিষদের আত্মপ্রকাশ
রকি আহমেদ (বামে) ও জাকির হোসেন রানু

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ভাষা শহীদ রফিকের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা, স্মৃতি সংরক্ষণ ও সবার মাঝে ভাষা আন্দোলনের চেতনা জাগ্রত করার লক্ষ্যে 'ভাষাশহীদ রফিক স্মৃতি পরিষদ' এর আত্মপ্রকাশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ স্মৃতি পরিষদের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

এতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী রকি আহমেদকে আহবায়ক ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জাকির হোসেন রানুকে সদস্য সচিব করে মোট ৯ সদস্য বিশিষ্ট এক আহবায়ক কমিটি গঠনের মাধ্যমে এ স্মৃতি পরিষদের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

কমিটিতে সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষার্থী অনিন্দিতা পাল এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী কেএম নাবিউল হাসানকে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে। এছাড়া পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মৌফিয়া মেহজাবিন, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরান হুসাইন ও পারভেজ হাসান, সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী সাহাদাত হোসেন অনু, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থী আরোবী লাবনীকে সদস্য করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভাষাশহীদ রফিক স্মৃতি পরিষদের আহবায়ক রকি আহমেদ বলেন, জগন্নাথ কলেজ তথা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী রফিক উদ্দিন আহমদ ভাষার জন্য শহীদ বরণ করেছিলেন। তার এ আত্মত্যাগে আমরা শিক্ষার্থীরা গর্ববোধ করি। অথচ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু একটি ভবনের নামেই শহীদ রফিকের স্মৃতি সীমাবদ্ধ রয়েছে। তার জন্ম ও মৃত্যুতেও আলাদা করে কোন স্মরণসভা হয় না। তাই ভাষাশহীদ রফিকের স্মৃতি সংরক্ষণ, যথাযথ মর্যাদা রক্ষা ও ভাষা আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতেই আমাদের এ ভাষাশহীদ রফিক স্মৃতি পরিষদের আত্মপ্রকাশ।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

বিএনপির ৭ই মার্চ পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সুলতান মনসুর

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপির ৭ই মার্চ পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সুলতান মনসুর
সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ

বিএনপির ৭ই মার্চ পালনের সিদ্ধান্ত রাজনীতিতে ইতিবাচক বার্তা বহন করে বলে মনে করেন জাতীয় সংসদ সদস্য ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ। 

তিনি বলেন, ৭৫ পরবর্তী সময়ে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা এই শব্দ গুলো মুছে দেয়ার এমন কোনো ষড়যন্ত্র নেই যা করা হয়নি। কিন্তু সেই ধারা থেকে বেরিয়ে ঐতিহাসিক সত্যকে মেনে নিয়ে ইতিবাচক রাজনীতির ধারায় বিএনপিসহ রাজনৈতিক দল গুলোর এই প্রত্যাবর্তন সাধুবাদ পাওয়ার দাবি রাখে।

উল্লেখ্য, শপথ পরবর্তী জাতীয় সংসদে প্রদত্ত ভাষণে দুই বছর আগেই এই জাতীয় নেতা বলেছিলেন, জয় বাংলা ও জাতির জনকের বিষয়টি মেনে নিয়েই রাজনীতি করতে হবে। বিএনপিকেও রাজনীতি করতে হলে বিষয়টি মেনে নিতে হবে।

তিনি বলেন, রাজনীতিতে শত মত, শত পথ থাকতে পারে। দলমতের পার্থক্য থাকতে পারে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যার যার মত প্রকাশ করবে। কিন্তু জয় বাংলা ও জাতির জনকের বিষয়ে কোনো আপস নাই।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর