বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৪ ০০:০০ টা
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন (শেষ)

ফ্লাইওভার নির্মাণ করে বিপাকে আওয়ামী লীগ

ফ্লাইওভার নির্মাণ করে বিপাকে আওয়ামী লীগ

আগামী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) কার্যক্রমে বেকায়দায় পড়েছে আওয়ামী লীগ। বিশেষ করে চউক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালামকে ঘিরেই রয়েছে সমালোচনার পাহাড়। তবে তিনি উন্নয়নের 'স্লোগান' তুলে চউকের কাজের গণ্ডির বাইরে গিয়ে ওয়ার্ড পর্যায়ে কৌশলী প্রচারণা চালাচ্ছেন। এদিকে ক্ষমতাসীন মহাজোটের উন্নয়নের সুফল ঘরে ঠিকই তুলতে চান নেতা-কর্মীরা। কিন্তু তারা কেউই চউকের 'অদূরদর্শী' বা 'সস্তা জনপ্রিয়তা' পাওয়ার রাজনৈতিক উদ্দেশে এ উন্নয়ন সমালোচনার দায় নিতে চান না।

বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার দুর্ঘটনায় হতাহতের পর চউকের প্রকল্পটির কাজের মান নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। এমনকি শুরু থেকেই ফ্লাইওভারটির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আপত্তি তোলেন উন্নয়ন পরিকল্পনাবিদ ও প্রকৌশলীরা। জোরেশোরে বিরোধিতা করেন নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী আলী আশরাফ, স্থপতি সুভাষ বড়ুয়া ও স্থপতি জেরিনা হোসেনসহ অনেকেই। জানা গেছে, চট্টগ্রামের মাস্টার প্ল্যানেও নেই বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের প্রয়োজনীয়তার কথা। তা ছাড়া অহেতুক এ প্রকল্পের জন্য জনদুর্ভোগ আরও বাড়ল বলে চউক চেয়ারম্যানকেই দুষছেন অনেকেই। শুধু এ কারণেই নয়, চসিক নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের এমপিসহ প্রভাবশালী ও চউকের অভ্যন্তরীণ শ্রমিক বিক্ষোভ ঠেকাতে নিয়ম উপেক্ষা করে নেতাদের প্লট প্রদান, অনন্যা আবাসিক লে-আউট পরিবর্তন, আউটার রিং রোডের প্রকল্পের টাকা এফডিআর করে একই সময়ে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে মোটা অঙ্কের ঋণ গ্রহণসহ নানা অভিযোগের তীর চউক চেয়ারম্যানের দিকেই। অবশ্য চউক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলছেন ভিন্ন কথা। তার দাবি, উন্নয়ন বিরোধীরাই সমালোচনা করছেন। দল যদি যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেয়, তবে মেয়র পদে প্রার্থিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই আওয়ামী লীগ নেতা।

 

 

সর্বশেষ খবর