শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৩ মে, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ মে, ২০১৮ ২৩:১৮

দেশ এখন মাদকে টালমাটাল : এরশাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, শুনেছি প্রধানমন্ত্রী জনসংখ্যাকে নাকি জনসম্পদে রূপ দেবেন। কিন্তু এই বৃহৎ জনসংখ্যা জনসম্পদে পরিণত নয়, নেশাগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কথা ছিল ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়া হবে, হয়নি। এখন ঘরে ঘরে ইয়াবা। ডিজিটাল দেশ গড়ার কথা। দেশ এখন মাদকে টালমাটাল। মঙ্গলবার মহান মে দিবস উপলক্ষে জাতীয় পার্টির কাকরাইল কার্যালয়ের সামনে জাতীয় শ্রমিক পার্টি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ কে এম আসরাফুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ, জি এম কাদের, মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন বাবলু, কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, মীর আবদুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন মিলন, শ্রমিকনেতা শেখ মুহাম্মদ শান্ত, আবদুল আজিজ প্রমুখ।

এরশাদ বলেন, সরকারদলীয় মধ্যম সারির এক নেতা বলেছেন ‘আমি নাকি কখন কী বলি তার ঠিক নেই। এরশাদ তো বেঁচে আছে, আর আমার জন্য আপনারা বেঁচে আছেন। তিনবার এই এরশাদের জন্যই ক্ষমতার স্বাদ পেয়েছেন। এবারও আমার আশায় আছেন। কিন্তু ভবিষ্যৎ বহু দূর। আমার সম্পর্কে মেপে কথা বলবেন।’ এইচ এম এরশাদ বলেন, পত্রিকা খুললেই দেখি বেগম জিয়া অসুস্থ, ইউনাইটেডে চিকিৎসার প্রয়োজন, তারেকের নাগরিকত্ব নেই, নির্বাচন অনিশ্চিত। সবকিছুই অনিশ্চিত। এ অবস্থার মধ্যেই জাতীয় পার্টি এগিয়ে চলছে। জাপা চেয়ারম্যান বলেন, নারীসমাজের আজ করুণ দশা। নারীর ক্ষমতায়ন শুধু ঘরের মাঝেই। আর কোথাও নেই। শুধু মৃত্যু, আর নারী ও শিশু ধর্ষণ। নারী এত নিষ্পেষিত তা বলে শেষ করা যাবে না। দেশটা অধঃপতনে গেছে। কারণ দেশে সুশাসনের অভাব। এরশাদ বলেন, আমাদের হাতে আজ কিছু নেই। গণতন্ত্র নেই, বাকস্বাধীনতা নেই, শান্তি নেই, নিরাপত্তা নেই, বেঁচে থাকার অধিকার নেই। আছে শুধু শৃঙ্খল। এ শৃঙ্খল ভাঙতে হবে। এদিকে মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি করেছে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার নির্বাচনী এলাকা শ্যামপুর-কদমতলী থানা জাতীয় পার্টি। মুক্তাঙ্গন থেকে শুরু হওয়া র‌্যালিটি পল্টন হয়ে কাকরাইলের দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে জাপার কেন্দ্রীয় নেতা সুজন দে ও ইব্রাহীম খানের নেতৃত্বে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী অংশ নেন।


আপনার মন্তব্য