শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:০২

ঢাকায় ১৭ দিনে তথ্য সংগ্রহ আড়াই লাখ নাগরিকের

অপরাধীর লাগাম টানতে পুলিশের উদ্যোগ

আলী আজম

ঢাকায় ‘নাগরিক তথ্য সংগ্রহ পক্ষ’ শেষ হচ্ছে আগামীকাল। গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এ তথ্য সংগ্রহ শুরু করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। চলে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর নাগরিক তথ্য সংগ্রহ পক্ষ বাড়িয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৭ দিনে নতুন আড়াই লাখ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। অপরাধীদের লাগাম টানতে এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ তথ্য সংগ্রহ করছে ডিএমপি। জানা গেছে, এবার নতুন ভাড়াটিয়া ও বাড়ির মালিকদের তথ্য সংগ্রহ করা হলেও সেখানেও এসেছে অসম্পূর্ণ তথ্য। ফলে যাচাই না করে তথ্য সংরক্ষণ করতে পারছে না পুলিশ। এতে করে ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে ছোট ভুলই বেশি। যেহেতু এখন তথ্য সংগ্রহ চলছে সেহেতু কাজ শেষ হলে যাচাই করে সব ঠিক করা হবে। ডিএমপি সদর দফতরের তথ্যানুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি নাগরিক তথ্য সংগ্রহ পক্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীর ৫০টি থানা থেকে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৩৫ জনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এরমধ্যে সম্পূর্ণ তথ্যসহ ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৭৩ জন নাগরিকের তথ্য ডাটা অ্যান্ট্রি করা হয়েছে। বাকি ২৮ হাজার ৯৬২ জনের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওই ২৮ হাজার ৯৬২ জনের তথ্যের মধ্যে অনেকে অনিচ্ছাকৃত ভুল করেছেন। আবার অনেকে কিছু তথ্য দেওয়া থেকে এড়িয়ে গেছেন। ফলে বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট থানা ও বিট পুলিশকে আবারও যাচাই করে তথ্য সম্পূর্ণ করতে বলা হয়েছে। যেহেতু এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া সেহেতু পর্যায়ক্রমে সবার তথ্যই ডাটা অ্যান্ট্রি করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বিটে নতুন ভাড়াটিয়া ও বাড়িওয়ালাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

এ ছাড়া যেসব ভাড়াটিয়া আগে তথ্য দিয়েছেন এবং বাসা বদল করেছেন তাদের তথ্য হালনাগাদ করা হবে। ডিএমপির এক কর্মকর্তা বলেছেন, গত বছরের তথ্যানুযায়ী আনুমানিক ৭৮ লাখ নাগরিকের তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত হওয়ার পর তথ্য না পেয়ে জরুরি ভিত্তিতে আমরা নাগরিক তথ্য হালনাগাদের প্রয়োজনীয়তা বোধ করি। এজন্য ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নাগরিক তথ্য সংগ্রহ পক্ষ শুরু করা হয়। এটি চলমান প্রক্রিয়া। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলমান থাকবে। বিষয়টি নিয়ে আমাদের আরও পরিকল্পনা রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর