শিরোনাম
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ টা

প্রয়াত সাংবাদিক দিদারের পরিবারের পাশে বসুন্ধরা গ্রুপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রয়াত সাংবাদিক দিদারের পরিবারের পাশে বসুন্ধরা গ্রুপ

বাংলাদেশ প্রতিদিনের চট্টগ্রাম ব্যুরোর সিনিয়র আলোকচিত্র সাংবাদিক প্রয়াত দিদারুল আলমের স্ত্রী দিলরুবা বেগম ও কন্যা সামান্তা দিদার দীঘির হাতে ১০ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর -বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাংলাদেশ প্রতিদিনের চট্টগ্রাম ব্যুরোর সিনিয়র আলোকচিত্র সাংবাদিক প্রয়াত দিদারুল আলমের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। রবিবার দিদারের স্ত্রী দিলরুবা বেগম ও কন্যা সামান্তা দিদার দীঘির হাতে ১০ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর। এ সময় তিনি ভবিষ্যতেও সাংবাদিক দিদারুল আলমের স্ত্রী-কন্যাকে সহায়তার আশ্বাস দেন।

সহায়তার চেক গ্রহণ করে দিদারুল আলমের স্ত্রী দিলরুবা বেগম বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি সবার কাছে প্রয়াত স্বামীর জন্য দোয়া চেয়ে বলেন, মেয়েটি স্কুলে পড়ছে। দিদার ছিলেন তার পরিবারের একমাত্র আয়ের অবলম্বন। তার মৃত্যুতে কঠিন বিপদের মুখে পড়েছেন তারা। বসুন্ধরা গ্রুপের এই সহায়তা তার সন্তানের লেখাপড়া ও নিজের বেঁচে থাকার একটা অবলম্বন হবে।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বাসভবনে আয়োজিত চেক প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক এবং নিউজ টোয়েন্টিফোর ও রেডিও ক্যাপিটালের সিইও নঈম নিজাম, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলানিউজ২৪ডটকমের সম্পাদক জুয়েল মাজহার, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক ম. শামশুল ইসলামসহ বসুন্ধরা গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী দিদারুল আলমের অকালমৃত্যুতে তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। গ্রুপের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে ১০ লাখ টাকা প্রদান করছেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এ জন্য বাংলাদেশ প্রতিদিনের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। বসুন্ধরা গ্রুপ সব সময় মিডিয়াবান্ধব। শুধু নিজেদের নয়, দেশের অন্যান্য মিডিয়ার সাংবাদিকদের বিপদেও সহায়তার নজির রয়েছে। এর আগে গত বছর জুলাই মাসে করোনাভাইরাসে মৃত তিন সাংবাদিকের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে অনুদান দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ।’

প্রসঙ্গত, ১৮ আগস্ট রাতে আকস্মিক জ্ঞান হারালে দিদারুল আলমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরদিন বিকালে হাসপাতালের আইসিইউতে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর এক মাস আগে দিদার করোনা আক্রান্ত হয়ে সেরেও উঠেছিলেন। তিনি মা, বাবা, স্ত্রী, এক কন্যা, ভাই-বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিনিয়র আলোকচিত্র সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনেরও সভাপতি ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর