শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:২২

রেশম চাষে লাভবান কৃষক

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

রেশম চাষে লাভবান কৃষক

নওগাঁয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে রেশম চাষ। অনেকেই রেশম চাষ করে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।  দেশে বিভিন্ন ধরনের কৃষি পণ্য উৎপাদন হয়ে থাকে। এসব কৃষি পণ্যের মধ্যে এক সময় তুঁত চাষ ছিল অন্যতম। তুঁত চাষে অল্প পরিশ্রমে বেশি লাভবান হওয়া যায়। বাড়িতে বসে থাকা মহিলাদের নিয়েও তুঁত গাছের চাষ করা যায় বলে এতে খরচ কম হয়। একই জমিতে বছরে তিন বারের বেশি ফসল চাষ করা হলেও তেমন লাভ আসে না। কিন্তু তুঁত চাষ দুই থেকে চারবার করা যায়। এতে যেমন অধিক ফসল পাওয়া যায় তেমনি লাভও হয় বেশি। কাপড় বুননের জন্য সুতার বিকল্প নেই। মোটা সুতার যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। আর মোটা সুতা দিয়ে খুবই সুন্দর ও আকর্ষণীয় কাপড় তৈরি করা যায়। যদি অধিকহারে  রেশম চাষের মাধ্যমে উৎপাদিত মোটা সুতা দিয়ে কাপড় তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া যায়। তাহলে স্থানীয় দক্ষ কারিগর দিয়ে রেশম সুতা ব্যবহারের ফলে সামান্য পরিশ্রমে বেশি কাপড় বুনে অধিক লাভ করা সম্ভব।  রেশম চাষ বদলে দিতে পারে নওগাঁর গরিব জনগোষ্ঠীর জীবনধারা। রেশম চাষি বেলাল হোসেন ব্যাপকভাবে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা থাকায় অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন রেশম চাষ করে। নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুরে রেশম চাষে  সাফল্য আসছে। ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এসব জমি থেকে  রেশম গুটি উৎপাদন হচ্ছে। যা থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার রেশম সুতা পাওয়া যাচ্ছে। রাজশাহী রেশম গবেষণা কেন্দ্রের অধীনে মহাদেবপুর উপজেলায় রেশম চাষ করা হয়। গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বেকার যুবক-যুবতীকে রেশম চাষি হিসেবে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। রেশম হচ্ছে এক ধরনের পোকার মুখ থেকে নির্গত লালা দ্বারা তৈরি আঠা। যা বাতাসে শুকিয়ে গিয়ে তৈরি হয় আঁশ বা সুতা। আর এটিই হলো রেশম সুতা। বিভিন্ন পশুপাখির মতো এ পোকাগুলোও বসবাসের জন্য ঘর  তৈরি করে। এদের তৈরি ঘর বা খোল রেশম গুটি নামে পরিচিত।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর