Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:২৩

সড়ক দুর্ঘটনা

যানবাহন চালকদের সুমতি হোক

সড়ক দুর্ঘটনা

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। দুনিয়ার এমন কোনো দেশ নেই যেখানে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটে না। তবে বাংলাদেশে দুর্ঘটনার সংখ্যা যেমন বেশি তেমন হতাহতের পরিমাণও সর্বোচ্চ। মঙ্গলবারও সারা দেশে সড়কে ঝরেছে বেশ কয়েকজনের প্রাণ, তার মধ্যে একজন তরুণী চিকিৎসকও রয়েছেন। নাম আক্তার জাহান রুম্পা। মাত্র তিন মাস আগে কাবিন হয়েছিল তার। এই শীতেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। পরিবার ও আত্মীয়স্বজন সেজন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। কিন্তু ঘাতক বাস তাকে কেড়ে নিয়েছে পৃথিবী থেকে। চাকরির জন্য তিনি এসেছিলেন সিলেট থেকে ঢাকায়। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর বিজয় সরণিতে বেপরোয়া এক বাস ধাক্কা দেয় রুম্পার অটোরিকশাকে। গুরুতর অবস্থায় তাকে নেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ভোর সোয়া ৫টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ খবর চট্টগ্রামে তার বাড়িতে পৌঁছলে পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। স্মর্তব্য, চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি মেডিকেল ইনস্টিটিউট থেকে পাস করার পর চাকরিতেও ঢোকেন রুম্পা। থাকতেন সিলেটে। সোমবার ভোররাতে ধানমন্ডির বাংলাদেশ চক্ষু হাসপাতালে চাকরির সাক্ষাৎকারের জন্য সিলেট থেকে এসে পৌঁছান মহাখালী বাস টার্মিনালে। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে শ্যামলী যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন। রাজধানীতে ব্যস্ত সময়ে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা যে খুবই কম সন্দেহ নেই। যানজটের কারণেই ঘাতক বাস-ট্রাকের দৌরাত্ম্য ততটা অনুভূত হয় না। কিন্তু ফাঁকা সড়ক পেলেই তারা কতটা বেপরোয়া হয়ে ওঠে চিকিৎসক আক্তার জাহান রুম্পার মৃত্যু তারই প্রমাণ। এ নৈরাজ্যের অবসানে সরকার এগিয়ে আসবে এমনটিই প্রত্যাশিত। যানবাহন চালকদের সুমতিই জীবনের এমন অপচয় থামাতে পারে।


আপনার মন্তব্য