শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ জুলাই, ২০১৯ ২৩:৩৭

বন্ধ হোক মানব পাচার

জনশক্তি রপ্তানিতে দুর্নীতির ইতি ঘটুক

বন্ধ হোক মানব পাচার

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে মানব পাচারের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্মেলনে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত কার্য-অধিবেশন শেষে মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেছেন, তিনি জেলা প্রশাসকদের কোনো নির্দেশনা দেননি, তাদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন। যে দালালরা গরিব মানুষদের লুটেপুটে দেড় লাখ টাকার জায়গায় সাত লাখ টাকা নেয় তাদের ধরতে বলেছেন। সরকার চেষ্টা করছে যাতে পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়াটা একটা সিস্টেমে চলে আসে, যাতে গরিবরা নিরাপদে যেতে পারে। বিদেশগামীদের স্মার্টকার্ড নেওয়াসহ সব প্রক্রিয়া জেলায় জেলায় করার যে প্রস্তাব জেলা প্রশাসকরা দিয়েছেন এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। একেবারে ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিজিটাল সেন্টার থেকে যাতে তারা নিবন্ধন করতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সমুদ্রপথে অবৈধভাবে বিদেশযাত্রার বিষয়ে মন্ত্রী বলেছেন, পুরো সমুদ্র এলাকা পাহারা দিয়ে পাচার রোধ সম্ভব নয়। এজন্য পাচারের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। পাচারকারীদের ধরা গেলে তাদের ছাড়া হবে না। জেলা প্রশাসক সম্মেলনে মানব পাচার রোধ এবং জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে দুর্নীতি রোধের যে তাগিদ দেওয়া হয়েছে তা তাৎপর্যের দাবিদার। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও এ খাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিদেশে প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশি কর্মরত। বিদেশে তাদের কর্মসংস্থান না হলে দেশের অর্থনীতি কোন পর্যায়ে থাকত তা সহজেই অনুমেয়। এ প্রেক্ষাপটে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে দুর্নীতি রোধের উদ্যোগ নিতে হবে। মাত্র দেড়-দুই লাখ টাকা ব্যয় করে শ্রমজীবী মানুষ যাতে বিদেশে কাজ নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি মানব পাচার রোধে নিতে হবে কঠিন ব্যবস্থা। মানব

পাচার বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করছে; যা কোনোভাবেই কাম্য হওয়া উচিত নয়।


আপনার মন্তব্য