Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ আগস্ট, ২০১৯ ২২:৫৭

অর্ধলাখ ডেঙ্গু রোগী

মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ কাম্য

অর্ধলাখ ডেঙ্গু রোগী

ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যে ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। এ হিসাব ধরা হয়েছে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে। ডেঙ্গুতে ইতিমধ্যে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ১৩৪ জন; যার মধ্যে চিকিৎসকও রয়েছেন। সারা দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগস্টজুড়েই থাকবে ডেঙ্গুর আগ্রাসন। গত শুক্রবার হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭১৯ জন। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্তের মধ্যে ৪২ হাজার ২৪৩ জন অর্থাৎ ৮৪ শতাংশ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন্স সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৫৯ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৬০ জন। রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের মধ্যে ঢাকা মেডিকেলে ১১৮, মিটফোর্ডে ৭২, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ২০, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ৭৯, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬, পুলিশ হাসপাতাল রাজারবাগে ৯, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮৭, বিজিবি হাসপাতাল পিলখানা ঢাকায় ৩, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ২২, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৫১ ও বেসরকারি অন্যান্য হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ২৭২ জন ভর্তি হয়েছেন। ডেঙ্গু দীর্ঘদিন ছিল ঢাকাকেন্দ্রিক। রাজধানীর বাইরেও যে এ ভয়াবহ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে শুক্রবারের এক দিনের তথ্যই তার প্রমাণ। এ দিন ঢাকার চেয়ে ২০০-এর বেশি রোগী রাজধানীর বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ তথ্য ডেঙ্গুর ভাইরাস বহনকারী এডিস মশা নিধনের বাড়তি তাগিদ সৃষ্টি করেছে। রাজধানীবাসীর জন্য স্বস্তিদায়ক খবর হলো, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন মশা নিধনের কার্যকর ওষুধ আমদানি করেছে। সিটি করপোরেশনের ছিটানো ওষুধ নিধন দূরের কথা, মশককুলের মধ্যে ভয় ঢোকাতে পারেনি বলে এত দিন যে সমালোচনা ছিল তা কাটিয়ে ওঠা যাবে কিনা তা-ই এখন দেখার বিষয়। ডেঙ্গু জনমনে এতটাই আতঙ্ক ছড়িয়েছে যে, কারও সামান্য জ্বর হলেই ছুটে যাচ্ছেন চিকিৎসকের কাছে। রক্ত পরীক্ষায় ব্যয় করছেন বিপুল অর্থ। এ আতঙ্ক রোধে এডিস মশা নিধনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তৎপর হতে হবে। দেশবাসীকে আতঙ্ক থেকে রেহাই দেওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের কর্তব্য বলে বিবেচিত হোক- আমরা সে প্রত্যাশাই করতে চাই।

 


আপনার মন্তব্য