শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১ আপডেট:

সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিচ্ছেন দাদা ও দিদি

সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত
প্রিন্ট ভার্সন
সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিচ্ছেন দাদা ও দিদি

ভারতবর্ষের গণতন্ত্র সন্ত্রাসবাদ ও সরকারের সব দিকের অবহেলার ফলে আজ আক্রান্ত। আক্রান্ত ১৩৮ কোটি মানুষ। পাঁচটি রাজ্যে নির্বাচন পর্বে পশ্চিমবঙ্গের ঘটনাবলি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে সুনামি বেগে করোনার আক্রমণে বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। প্রথম পর্যায়ে কিছুটা সামাল দেওয়া গেলেও দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনা আক্রমণ দেশকে কোন পথে নিয়ে যাবে সে বিষয়ে বিজ্ঞানী-চিকিৎসক কেউ কিছু বলতে পারছেন না। ১৫ এপ্রিল এ লেখা যখন লিখছি, বেলা ৩টায় খবর এলো বিগত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৬৩। প্রথম দফায় যিনি কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন, সেই দিল্লির এইমসের ডিরেক্টর (করোনা বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত) রণদীপ গুলেরিয়া মনে করেন, দ্বিতীয় দফায় যে করোনা আসবে সে ব্যাপারে সরকার কোনো কর্মসূচি নেয়নি। এখন সারা ভারতবর্ষে কোভ্যাক্সিন ও কভিশিল্ড- দুটি টিকার কোনোটিই রাজ্যগুলোয় পাওয়া যাচ্ছে না। কলকাতায় করোনা ভ্যাকসিন রাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে বলেন, করোনার টিকার ভাঁড়ার শূন্য। অক্সিজেন সিলিন্ডারও মিলছে না। কলকাতায় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলো থেকে ঘন ঘন সরকারকে তাগাদা দেওয়া হচ্ছে ভ্যাকসিন চাই। ভ্যাকসিন দিন। করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র যেমন ব্যর্থ, তেমনই ব্যর্থ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও। কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ বলছেন, দিল্লির দাদা ও বাংলার দিদি একই মুদ্রার দুই পিঠ। মানুুষকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া, মানুষের জীবন নিয়ে খেলা তাঁদের অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গেছে। এর পরিণাম যে কী সে ব্যাপারে চিকিৎসক বা চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা কোনো দিশা দেখাতে পারছেন না লাখ লাখ রোগীকে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, হাসপাতালগুলো থেকে বলা হচ্ছে এবার করোনার চিকিৎসা বন্ধ করে দিতে হবে। ইতিমধ্যে টিকার উৎসব শুরু করে দিয়েছেন মোদি। যেন তিনি বিশ্ব জয় করে ফেলেছেন। চুপ করে বসে নেই প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। মোদি ক্ষমতায় এসেই কংগ্রেসমুক্ত ভারত করতে চেয়েছিলেন। আর দিদি চাইছেন বিরোধীশূন্য পশ্চিমবঙ্গ। এরা দুজনই নিজেদের গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক বলে দাবি করেন।

মোদির টিকা উৎসব : দেশে করোনা টিকার অভাব দেখা দিয়েছে। কোভ্যাক্সিনের উৎপাদক ভারত বায়োটেক এবং কভিশিল্ডের উৎপাদক সেরাম ইনস্টিটিউট সিদ্ধান্ত নিয়েছে উৎপাদন বাড়ানোর। তবু খুব শিগগির এ পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া মুশকিল বলেই মনে করা হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর টিকা উৎসব কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ দেখা দিয়েছে। কারণ টিকা বণ্টন নিয়ে প্রথম থেকেই কেন্দ্রীভূত নীতি নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কোন রাজ্যকে কত প্রতিষেধক দেওয়া হবে সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রই। খোলাবাজার থেকে রাজ্যগুলোকে টিকা কিনতে দেওয়া হয়নি। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোকে বেশি বেশি করে প্রতিষেধক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষেধক নিয়ে এসব দুর্নীতির কারণেই করোনা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

এদিকে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী অভিযোগ করেছেন, নরেন্দ্র মোদির সরকারের পরিকল্পনার অভাবেই দেশে ভ্যাকসিনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনের কারণে দেশে করোনার প্রকোপ বাড়ছে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেছেন তিনি। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে কংগ্রেসও তার দায় এড়াতে পারে না বলে মনে করেন সোনিয়া। সম্প্রতি দিল্লিতে করোনা পরিস্থিতি ও ভ্যাকসিনের সংকট নিয়ে কংগ্রেস-শাসিত রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে এক ভিডিও কনফারেন্সে মিলিত হন সোনিয়া গান্ধী। সেখানে তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে সে ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। জোর দিতে হবে পরীক্ষা, রোগী চিহ্নিতকরণ ও টিকাকরণের ওপর। এ ব্যাপারে কংগ্রেস-শাসিত রাজ্যগুলো দৃষ্টান্ত স্থাপন করুক, এমনটিই চান সোনিয়া। কেন্দ্রীয় সরকারের ভ্রান্তনীতিকে দায়ী করে সোনিয়ার বক্তব্য, পরিকল্পনাহীনভাবে বিদেশে ভ্যাকসিন পাঠিয়ে দিয়ে দেশে টিকার সংকট তৈরি করেছে সরকার। পাশাপাশি করোনা চিত্র নিয়ে স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন সোনিয়া। বলেন, দেশে কতজন সংক্রমিত হয়েছেন, কতজন মারা যাচ্ছেন, কত প্রতিষেধক হাতে রয়েছে, কোন রাজ্যকে কত প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে সে ব্যাপারে স্পষ্ট চিত্র দিক কেন্দ্র। পাশাপাশি এ পরিস্থিতির পেছনে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কংগ্রেসেরও যে ভূমিকা রয়েছে তা-ও মেনে নেন সোনিয়া। বলেন, ‘এ অবস্থার জন্য আমরা সবাই কমবেশি দায়ী। আমাদের এ দায় স্বীকার করতে হবে এবং দেশের স্বার্থকে সবার আগে রাখতে হবে।’

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে চলতি নির্বাচনের পাঁচ দফা সম্পন্ন হয়েছে, বাকি আর তিন দফা। ক্ষমতা দখল করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বৈশাখের এ দাবদাহ পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় একটা বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাঁর দল পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী মতুয়াদের ভোটের ৭৫ শতাংশ পাবে। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন, প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য কোথা থেকে পেলেন? কারণ ২ মের আগে তো ভোটের ফলাফল জানা যাবে না। সংযুক্ত মোর্চা (বাম, কংগ্রেস, আইএসএফ) দাবি তুলেছে, তাহলে কি ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে তাঁর যে সম্পর্কের কথা হাওয়ায় উড়ছে সেটাই সত্যি? বিজেপি রাজ্য নেতাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরের পরই মতুয়াদের কাছে একটি বার্তা এসেছে। তা হলো, বিজেপিকে ভোট দাও। এ পর্যায়ে ভারতের পাঁচটি রাজ্যে নির্বাচন হচ্ছে। দক্ষিণের কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং পুবের অসম ও আমাদের পশ্চিমবঙ্গ। দক্ষিণের তিনটি রাজ্যেই শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়ে গেছে। বাংলার নির্বাচন কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে বেশ কিছু সংঘর্ষ ঘটেছে। বোমা, গুলিতে মৃত্যু হয়েছে একাধিক। সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার কোচবিহারের শীতলকুচিতে। সেদিন মোট পাঁচজন গুলিতে মারা যান। শীতলকুচির এক ভোটার জীবনে প্রথমবার ভোট দিতে চেয়েছিলেন। তাঁর নাম আনন্দ বর্মণ। বুথের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে যে চারজনের মৃত্যু হয় তারা হলেন হামিদুল মিয়া (২৪), ছামিউল হক (২৭), মনিরুজ্জামান মিয়া (৩০) এবং নুর আলম হোসেন (১৮)। এরা সবাই ছিলেন পরিযায়ী শ্রমিক। ভিনরাজ্যে কাজ করতেন। ভোট দিতে বাড়ি ফিরেছিলেন। মমতা অভিযোগ করছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করেই এদের গুলি করা হয়েছে। মমতা আরও বলেছেন, এটি একটি গণহত্যা।

পশ্চিমবঙ্গের আরএসএস তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন, বাকি নির্বাচনে প্রতিটি বুথেই গুলি চালানো হবে। তাঁর এ মন্তব্যের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। চর্চা চলছে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের। প্রশ্ন উঠেছে, আর কত রক্ত ঝরবে? ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর খুবই ঘনিষ্ঠ। তিনি গুজরাট ক্যাডারের আইএএস অফিসার। সব বিরোধী দলের অভিযোগ, সে কারণেই তিনি বিজেপি নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করলেও কোনো বাধা দেন না। কেন বাধা দেন না, সে ব্যাপারে রাজনৈতিক মহল ও সংবাদমাধ্যমে নানা ব্যাখ্যা চলছে। ২ মে পাঁচটি রাজ্যের ফলাফল প্রকাশ হবে। আর ৩০ মে সুনীল অরোরা অবসর নিচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, বিজেপির হয়ে পাঁচ বছর তিনি যে ‘কাজ’ করলেন, তার পুরস্কার হিসেবে তাঁকে কোনো একটি রাজ্যের রাজ্যপাল করা হবে।

কোচবিহারে নির্বাচন শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা মূল্যের ৫০০ টাকার জালনোট ধরা পড়েছে। একই দিনে জালনোট ধরা পড়েছে মালদায়ও। এসব জালনোট নির্বাচনে ভোটারদের কেনার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে নোটবন্দীর সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন, বাইরে থেকে জালনোট আসা বন্ধ করতে তিনি এ নোটবন্দী করলেন। কিন্তু কত কোটি টাকার জালনোট তিনি ধরলেন, সে হিসাব দেননি চার বছর পরও।

দিল্লির দাদা এবং বাংলার দিদি ক্ষমতার লোভে যে ধর্মীয় মেরুকরণ শুরু করেছেন তার পরিণাম কী হবে, অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা কেউ জানে না। এভাবে চলতে থাকলে ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশেরই বিপদ।

 

লেখক : প্রবীণ সাংবাদিক [ভারত]।

এই বিভাগের আরও খবর
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
জলবায়ু ঝুঁকি
জলবায়ু ঝুঁকি
সাংবাদিককে মারধর
সাংবাদিককে মারধর
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
এখনো হাম
এখনো হাম
মেসি সর্বকালের সেরা
মেসি সর্বকালের সেরা
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
সর্বশেষ খবর
উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ
উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ

২৯ সেকেন্ড আগে | মন্ত্রীকথন

হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে পাগলা মসজিদে চিঠি
২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে পাগলা মসজিদে চিঠি

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পৃথক ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে ৪ জনের মৃত্যু
চট্টগ্রামে পৃথক ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে ৪ জনের মৃত্যু

১৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাহারোলে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
কাহারোলে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেষ বাঁশিতে হতাশ ইরান, বিশ্বকাপে বাঁচার শেষ আশা যেভাবে এখন অন্যদের হাতে
শেষ বাঁশিতে হতাশ ইরান, বিশ্বকাপে বাঁচার শেষ আশা যেভাবে এখন অন্যদের হাতে

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সোনালি বুট পরে অনুশীলনে রোনালদো
সোনালি বুট পরে অনুশীলনে রোনালদো

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৩১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

শ্বাসনালীতে দুধ আটকে তিন মাসের শিশুর মৃত্যু
শ্বাসনালীতে দুধ আটকে তিন মাসের শিশুর মৃত্যু

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দু’টি বোটসহ আটক ২১
মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দু’টি বোটসহ আটক ২১

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে: জয়নুল আবদিন
অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে: জয়নুল আবদিন

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা
সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মনোহরগঞ্জে তিন বছরেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কার, দুভোর্গ চরমে
মনোহরগঞ্জে তিন বছরেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কার, দুভোর্গ চরমে

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেষ সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া কঙ্গো ও উজবেকিস্তান
শেষ সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া কঙ্গো ও উজবেকিস্তান

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গাকৃবি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির পরিচিতি সেমিনার
গাকৃবি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির পরিচিতি সেমিনার

৫১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

অভিজাত গোলরক্ষকদের তালিকায় ভোজিনহা
অভিজাত গোলরক্ষকদের তালিকায় ভোজিনহা

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিটিআই প্রযুক্তি ব্যবহারে ডেঙ্গু কমে আসছে : মেয়র শাহাদাত
বিটিআই প্রযুক্তি ব্যবহারে ডেঙ্গু কমে আসছে : মেয়র শাহাদাত

৫৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’
‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’

৫৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

বালিয়াকান্দিতে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন
বালিয়াকান্দিতে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তায় সেন্ট্রো-এসওএস অংশীদারিত্ব নবায়ন
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তায় সেন্ট্রো-এসওএস অংশীদারিত্ব নবায়ন

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালজুড়ে ক্লিনিকে বিশেষ নজরদারির ঘোষণা অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসকদের
বরিশালজুড়ে ক্লিনিকে বিশেষ নজরদারির ঘোষণা অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসকদের

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সব কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চাই: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
সব কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চাই: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

টিনের চাল কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা
টিনের চাল কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আংশিকভাবে অ্যানথ্রোপিকের এআই মডেল চালুর অনুমতি দিল যুক্তরাষ্ট্র
আংশিকভাবে অ্যানথ্রোপিকের এআই মডেল চালুর অনুমতি দিল যুক্তরাষ্ট্র

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

৫১ হাজারের বেশি নিখোঁজ, ধ্বংসস্তূপের পাশে স্বজনদের অপেক্ষা
৫১ হাজারের বেশি নিখোঁজ, ধ্বংসস্তূপের পাশে স্বজনদের অপেক্ষা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে তাজিয়া মিছিল দেখতে হাজারো মানুষের ভিড়
চট্টগ্রামে তাজিয়া মিছিল দেখতে হাজারো মানুষের ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

১২ দেশের বিদায়ে বিশ্বকাপের নকআউটে ২৮ দল, অপেক্ষায় ৮
১২ দেশের বিদায়ে বিশ্বকাপের নকআউটে ২৮ দল, অপেক্ষায় ৮

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক