শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২

চীন-ভারত সম্পর্ক কোন পথে

সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত
Not defined
প্রিন্ট ভার্সন
চীন-ভারত সম্পর্ক কোন পথে

চীন-ভারত তিক্ত সম্পর্ক নিয়ে ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নানা প্রশ্ন তুলেছে। তারা বলছে, যে কোনো মুহূর্তে চীন ভারত আক্রমণ করতে পারে। সিকিম, তিব্বত সীমান্ত থেকে শুরু করে কাশ্মীর সীমান্তের প্রায় সাড়ে তিন হাজার মাইল জায়গা শুধু দখল করেই নেয়নি, তারা যে দখল করেছে তার তথ্য প্রমাণ ভারত ও আমেরিকার স্যাটেলাইটে প্রতিদিন ধরা পড়ছে। একমাত্র গালওয়ান সীমান্তেই ৭০ হাজার চীনা সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর সবই সেখানে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি করা হয়েছে। আনা হয়েছে প্রচুর ট্যাঙ্ক ও মারণাস্ত্র। সবকিছু মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন বলছেন, এগুলো কিছু নয়, সবই রাহুল গান্ধীর প্রচার। কিন্তু ভারতের প্রাক্তন ও বর্তমান জেনারেলরা প্রতিদিন টিভিতে সাক্ষাৎকার দিয়ে রাহুল গান্ধী যে কথা বলছেন তার সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন।

যেহেতু মোদি বলেছেন যে, চীনারা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে না, সঙ্গে সঙ্গে তার বিজেপি-আরএসএস বলতে শুরু করেছে, জওহরলাল নেহরু চীনের কাছে নাকি দেশের জমি বিক্রি করে গেছেন। তাদের এ উক্তি শুনে ইতিহাসবিদরা বলছেন, ওদের এ বক্তব্যগুলোয় ঢাকার কুট্টিদের কথাই মনে আসে। কইয়েন না কর্তা, ঘুড়াও হাসব। পৃথিবীর কোনো লোক কি এ কথা বিশ্বাস করতে পারে! ইতিহাস বলে যে চীনারা বরাবরই বিশ্বাসঘাতক। আমার মনে আছে যে ১৯৬০ সালে আমরা তখন ছাত্র। চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই নেহরুর আমন্ত্রণে ভারত সফরে এসেছিলেন। নেহরু তাকে নিয়ে কলকাতা সফরে আসেন। আমরাও সে সময় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিরাট জনসভায় চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইকে দেখতে গিয়েছিলাম।

চৌ এন লাই সেই জনসভায় নেহরুর হাত ধরে বলেছিলেন, হিন্দি-চীনি ভাই ভাই। তার দুই বছর পরেই ১৯৬২ সালের সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে চীন ভারত আক্রমণ করে। বন্ধু চৌ এন লাই যে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে তা জওহরলাল নেহরু স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভুবনেশ্বরে কংগ্রেস অধিবেশনে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। ’৬৪ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত অবস্থায় তিনি মারা যান। নেহরুর উদ্যোগে তৈরি হয়েছিল পঞ্চশীল। নেহরু চৌ এন লাইকে পঞ্চশীলের সদস্য করেছিলেন। এই পঞ্চশীলের অন্য সদস্যরা ছিলেন মিসরের প্রেসিডেন্ট জামাল নাসের। ঘানার প্রেসিডেন্ট নকরুমা, যুগোস্লাভ প্রেসিডেন্ট মার্শাল টিটো এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুকর্ণ। পঞ্চশীল ভারত আক্রমণের পর ভেঙে যায়। কারণ বাকি সদস্যরা এ আক্রমণের তীব্র নিন্দা করেছিল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাহুল গান্ধীকে চিঠি লিখে তার ভারতজুড়ে যাত্রা বন্ধ করতে বলেছেন। কারণ এই যাত্রা কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী ১০৫ দিন হয়ে গেছে। প্রায় ১৫০০ মাইল হাঁটা হয়ে গেছে। তাতে কংগ্রেস বিপুল সাড়া পেয়েছে। তাতে বিজেপি আরএসএস এবং তৃণমূল ভয় পেয়ে গেছে

কলকাতার জনসভায় চৌ এন লাইয়ের নেহরু প্রশান্তি শুনে সেদিন ভারতবর্ষে হিন্দি-চীনি ভাই ভাই চালু হয়ে গেল। আর ’৬০ সালে তার যে ভাষণটি ছিল চীনা ভাষায় লেখা সেটি অনুবাদ করিয়ে ব্রিগেডে পড়েছিলেন তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়। তিনি বলেছিলেন, পথের কুকুর পথেই ঘেউ ঘেউ করবে। আর জওহরলালের নেতৃত্বে ভারত এগিয়ে চলবে। জনগণের হর্ষধ্বনির মধ্যে নেহরুর হাত ধরে তিনি বলেছিলেন, চীন-ভারত ভাই ভাই সম্পর্ক থাকবে চিরদিন।

কমিউনিস্টদের মজার ব্যাপার হলো এই, ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতার এক বছর পর নেহরু ভারতের প্রেসিডেন্ট সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণকে মস্কোয় পাঠিয়েছিলেন। তখন থেকেই ভারতের সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ১৯৬২ সালের যুদ্ধের সময় নেহরু ক্রেমলিনের কাছে সাহায্য চান। তখন ক্রুশ্চেভ নেহরুকে বলে দেন, চীন আমাদের ভাই। তোমরা আমাদের বন্ধু। আমরা তোমাদের কোনো সাহায্য করব না। খবর পেয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি নেহরুকে ফোন করে সাহায্য করতে চান। নেহরু তাদের সাহায্য প্রত্যাখ্যান করে বলে দেন, আমার দেশ নির্জোট আন্দোলনে বিশ্বাসী। এটাই হলো চীন-ভারত যুদ্ধের একটি ঐতিহাসিক তথ্য। ওই যুদ্ধে ভারত হেরে যায়। তখন ভারতের সংসদের উভয়পক্ষে যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে নেহরু বিবৃতি দিতেন। এমনকি কংগ্রেস দলের নেতাদের দাবি মেনে নিয়ে নেহরু বন্ধু প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ভি কে কৃষ্ণমেননকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেন। পরিস্থিতি তখন এতই খারাপ, ভারত হেরে যাওয়ার পর ভারতের লোকসভায় কংগ্রেস ও বিরোধী দলের ১৬৫ জন সংসদ সদস্য বক্তৃতা করেছিলেন। তারা কেউ নেহরুর পদত্যাগ চাননি। তারা চেয়েছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগ, যা তিনি আগেই করে দিয়েছিলেন। পুরনো সংসদ সদস্যদের মুখে শুনেছি, তিনি লোকসভা সদস্যদের বক্তব্য মন দিয়ে শুনে নোট নিয়েছিলেন। আর চীন যে আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে ব্যাপারে বর্তমান সংসদে ১৫ দিন ধরে কংগ্রেস ও অন্য বিরোধীরা আলোচনা চায়। সংসদ সদস্যরা কক্ষ থেকে বারবার বেরিয়ে যান। আর আরএসএস বিজেপি তো উদ্ভট মস্তিষ্ক। অমিত শাহ (ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) সংসদে বলে বসেছেন, জওহরলাল নেহরু ভারতের জমি চীনকে বিক্রি করে দিয়েছেন।

কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেছেন, ওদের একটু পড়াশোনা করা দরকার। মাও সে তুং তার বইতে বলেছেন, ৪০/৫০ বছর পর ভারতকে আক্রমণ করতে হবে। সে জন্য চীনা সেনারা যেন সব সময় প্রস্তুত থাকে। কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে- ১০ বছর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় ২০ বার চীন সফরে গিয়েছিলেন মোদি। বর্তমানে চীনা রাষ্ট্রপ্রধান শি জিন পিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তাদের ওই সাক্ষাৎকারে কী আলোচনা হয়েছে তা কেউ জানে না। মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর জিন পিং প্রথম ভারত সফর করেন গুজরাটে। সেখানে তিনি নরেন্দ্র মোদির কাছে একটি অর্ডার পান। প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে চীন থেকে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি বসানো হয় গুজরাটের আহমেদাবাদে। বিরোধী দলের বিশ্বাস চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মোদির একটা গোপন সমঝোতা আছে। তারা সে কথা বারবার সংসদের অধিবেশনে বলছেনও। কিন্তু মোদি মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন। উদ্দেশ্যটা কী?

মোদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম জয়শঙ্কর মোদির হয়ে সাফাই দিতে গিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে একহাত দেখিয়েছেন। কূটনীতিক মহলের খবর, জয়শঙ্করের বাবা ’৬২ সালের যুদ্ধের সময় চীনে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ২০১০ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত জয়শঙ্কর নিজে চীনে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। চীন সম্পর্কে জ্ঞানগাম্যি জয়শঙ্করের থাকারই কথা। কিন্তু সেসব ভুলে গিয়ে তিনি এখন আরএসএসকে সমর্থন করে চলেছেন। নরেন্দ্র মোদির চীন নীতির একমাত্র সমর্থক হলো তৃণমূল কংগ্রেস এবং যার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

চীন প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে হঠাৎ মোদির স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাহুল গান্ধীকে চিঠি লিখে তার ভারতজুড়ে যাত্রা বন্ধ করতে বলেছেন। কারণ এই যাত্রা কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী ১০৫ দিন হয়ে গেছে। প্রায় ১৫০০ মাইল হাঁটা হয়ে গেছে। তাতে কংগ্রেস বিপুল সাড়া পেয়েছে। তাতে বিজেপি আরএসএস এবং তৃণমূল ভয় পেয়ে গেছে।

আসলে কী হচ্ছে? তাইওয়ানে এ হামলা চালিয়ে ভারতের পাশাপাশি দালাইলামাকেও বার্তা দিতে চাইছে চীন। সে সঙ্গে তাইওয়ানকে অস্থির করে চীন সামগ্রিকভাবে সীমান্ত আলোচনা শুরু করানোর জন্য ভারতের ওপর চাপ তৈরি করতে চাইছে।

দিল্লির কূটনৈতিক মহলের বক্তব্য, সীমান্তের পশ্চিম সেক্টরে চীনা সেনাদের ভারতীয় জমি দখলকে নতুন স্থিতাবস্থা বা নিউ নর্মাল হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে বেইজিং। তাদের কিশলয়, এ অবস্থাতেই যদি ভারতের সঙ্গে আগের মতো সীমান্ত আলোচনা শুরু করে দেওয়া যায়। তাদের কব্জা করে রাখা ভারতের হাজার দুয়েক কিলোমিটার এলাকায় তারা ক্রমশ বৈধতা পেয়ে যাবে। ঘরোয়াভাবে এমন আশঙ্কাই প্রকাশ করেছে দিল্লি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেইজিংয়ের ফাঁদে পা দিতে নারাজ সাউথ ব্লক। সদ্য প্রাক্তন চীনা রাষ্ট্রদূত সুং উইদং অক্টোবর মাসে তার বিদায়ী ভাষণে গোগরা হট স্প্রিং এলাকা থেকে সেনার পিছু হটাকে বড় করে দেখিয়ে বলেছিলেন, জরুরি পরিস্থিতি থেকে ভারত-চীন সীমান্ত এখন স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরেছে। দৌলতবেগসহ আরও অনেক এলাকায় যে চীনা সেনা ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে তা সুকৌশলে এড়িয়ে গিয়েছিলেন উইদং।

এদিকে রাহুল গান্ধী এবার সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন, করোনার অজুহাত তুলে তার ভারতজুড়ে যাত্রা বন্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাহুলকে যাত্রা বন্ধ করার জন্য চিঠি দিয়েছিলেন। রাহুল বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘কভিড আসছে, যাত্রা বন্ধ করুন।’ যাত্রা আটকাতে নতুন ফন্দিফিকির খোঁজা হচ্ছে। আসলে ওরা ভারতের শক্তি, ভারতের অস্ত্রকে ভয় পেয়েছেন। তাই কংগ্রেসের যাত্রা বন্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে। উল্লেখ্য, ’৭১ সালের যুদ্ধের সময় বাঙালি নিধনের জন্য চীন পাকিস্তানের কাছে প্রচুর অস্ত্র বিক্রি করেছিল। যে অস্ত্র তারা বিক্রি করেছিল, সেই অস্ত্রই তারা বাঙালিদের ওপর ব্যবহার করেছিল। এতদিন পরেও সে কথা সবার স্মরণে আছে।

লেখক : ভারতীয় প্রবীণ সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
জলবায়ু ঝুঁকি
জলবায়ু ঝুঁকি
সাংবাদিককে মারধর
সাংবাদিককে মারধর
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
এখনো হাম
এখনো হাম
মেসি সর্বকালের সেরা
মেসি সর্বকালের সেরা
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
সর্বশেষ খবর
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

৩৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

৪৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা
মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়
ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক
পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়
কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ
জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ
কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম
মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?
বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬
নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর
লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ
আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক