শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫

আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা

মাওলানা মুহম্মাদ আশরাফ আলী
প্রিন্ট ভার্সন
আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা

আল্লাহই প্রতিটি বস্তুর সৃষ্টিকর্তা। তিনি সব সৃষ্ট জীবের রব। রাব্বুল আলামিন আল্লাহ প্রতিটি সৃষ্ট জীবের চাহিদা অনুযায়ী রিজিক সরবরাহ করেন। আল্লাহ ছাড়া কারোরই সৃষ্টির ক্ষমতা নাই।  ঠিক তেমনি ধ্বংসের ক্ষমতাও কারোর নাই। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করা হয়েছে, দুনিয়ায় যত জীব রয়েছে, তাদের রিজিক আল্লাহর জিম্মায়। তিনি তাদের অবস্থান ও প্রস্থান সম্পর্কে জ্ঞাত, প্রতিটি বস্তুই লিপিবদ্ধ রয়েছে সুস্পষ্ট গ্রন্থে।

আল্লাহ অতি দয়ালু ও পরম মমতাময়। তাঁর দয়ামায়া-মমতার কোনো শেষ নেই। তিনি তাঁর প্রতিটি সৃষ্টিকে অতি দয়ার সঙ্গে লালনপালন করেন। প্রতিটি প্রাণীর রিজিক প্রদান করেন। আল্লাহ নিজের মাঝে ধারণ করেন সৃষ্ট জীবের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসা এবং মমত্ববোধ। যা দ্বারা তিনি তাঁর সৃষ্টিকে প্রতিপালন করেন। আল কোরআনে ইরশাদ করা হয়েছে, সব স্তুতি-প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্য; যিনি রহমানুর রহিম, পরম দয়ালু ও অনন্য মমতাময়। তাঁর রহমতের বারিধারা অঝরে বর্ষিত হয়। প্রত্যেকে তা অনুভব করে। তাই আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘তিনি পরম দয়ালু তাঁর সম্পর্কে জ্ঞাতদের জিজ্ঞাসা করুন (সুরা ফুরকান : ৫৯)।’

আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায় অপর মানুষের প্রতি দয়া ও সদাচরণের মাধ্যমে। দয়ার অন্য নাম সদাচরণ, যাকে আরবিতে হুসনুল খুলক বা খুলুকুল আজিম বলে। সদাচরণ আল্লাহর কাছে অনেক পছন্দনীয় আমল। ফরজ ইবাদতের পর সর্বোৎকৃষ্ট কাজ হলো সদাচরণ। তাই সদাচরণকারী ব্যক্তি আল্লাহর কাছে যেমন প্রিয় হয় তেমনি মানুষের কাছেও প্রিয়। আর এ কারণে প্রিয়নবী (সা.) একটি হাদিসে ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই মুমিন বান্দা তার সদাচরণের মাধ্যমে রোজাদার ও রাত জেগে ইবাদতকারীর মর্যাদা লাভ করে। (আবু দাউদ)।

আল্লাহ দয়ালু ও মেহেরবান। তিনি নিজে যেহেতু এই গুণ ধারণ করেন যেহেতু তিনি দয়াকারীকে পছন্দ করেন। তাঁর সৃষ্টির সঙ্গে দয়া করলে খুশি হন। দয়াকারীর প্রতি আল্লাহ বেশি বেশি দয়া করেন। যারা দয়ালু তাদের প্রতি স্বয়ং রহমান দয়া করেন। সুতরাং দুনিয়াবাসীর প্রতি তোমরা দয়া কর তবেই আসমানবাসী তোমাদের প্রতি দয়া করবে। (আবু দাউদ)।

ইসলামি শরিয়তে সদাচরণ কেবল যে উত্তম আমল তা-ই নয় বরং একে পূর্ণ ইমানের পরিচয় হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। একটি হাদিসে রসুল (সা.) ইরশাদ করেন, সবচেয়ে পরিপূর্ণ ইমানদারদের অন্তর্ভুক্ত ওই ব্যক্তি, যার চরিত্র সবচেয়ে ভালো এবং যে আপন পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি নম্র আচরণকারী।

সদাচরণে রয়েছে সীমাহীন নেকি। যে কারণে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদাচরণে উৎসাহিত করেছেন। সদাচরণ নেকির পাল্লা ভারী করে দেয়। একটি হাদিসে রসুল (সা.) ইরশাদ করেন, মুমিনের পাল্লায় সচ্চরিত্রের চেয়ে বেশি ভারী কোনো জিনিস থাকবে না। (আবু দাউদ)।

রসুল (সা.)-এর প্রিয় পাত্র হওয়া যায় সদাচরণের মাধ্যমে। সদাচরণের মাধ্যমে কিয়ামতের দিন রসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিকটবর্তী স্থানে বসার সৌভাগ্য লাভ হবে। রসুল (সা.) ইরশাদ করেন, তোমাদের সবার মধ্যে আমার কাছে অধিক প্রিয় এবং কিয়ামতের দিন আমার সর্বাপেক্ষা নিকটবর্তী স্থানে বসার সুযোগ লাভ করবে ওই সব লোক, যারা তোমাদের মধ্যে অতি উত্তম চরিত্রের অধিকারী। (তিরমিজি)।

আর এ কারণে রসুল (সা.) সাহাবিদের সদাচারী ও উত্তম চরিত্রের অধিকারী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ইরশাদ করেন, হে মুয়াজ! মানুষের জন্য তোমার চরিত্র সুন্দর কর (মুয়াত্তা)।

মানুষের মধ্যে সদাচরণ থেকে সৃষ্টির সেবার মনোভাব গঠিত হয়। তাই আল্লাহতায়ালা সদাচরণকারী ও সৃষ্টির সেবাকারীদের জন্য আপন মহব্বত, মাগফিরাত ও জান্নাতের ওয়াদা করেছেন। আল কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে, আর তোমরা আপন রবের ক্ষমার দিকে দ্রুত অগ্রসর হও এবং ওই জান্নাতের দিকে যার প্রশস্ততা আসমান-জমিনের প্রশস্ততার সমতুল্য। যা প্রস্তুত করা হয়েছে মুত্তাকি ও আল্লাহভীতদের জন্য। যারা সচ্ছলতা ও অসচ্ছলতায় নেক কাজে সম্পদ খরচ করে, রাগ হজম করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে আর আল্লাহ এ ধরনের উত্তম সৎকর্মপরায়ণ ব্যক্তিদের ভালোবাসেন (সুরা আলে ইমরান : ১৩৩-১৩৪)।

কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে, তোমরা সবাই আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কাউকে শরিক কর না।

আর তোমরা পিতা-মাতার সঙ্গে সদাচার কর এবং আরও সদাচার কর আত্মীয়স্বজন, এতিম-মিসকিন, পাড়াপ্রতিবেশীর সঙ্গে আরও সদাচার কর তোমাদের অধীনস্থদের সঙ্গে, নিশ্চয়ই আল্লাহ অপছন্দ করেন যারা নিজেকে বড় মনে করে এবং অহংকার করে (সুরা নিসা : ৩৬)। সৃষ্ট জীবের সঙ্গে ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে দৈহিক ও মানসিক প্রশান্তি প্রদান করা যায়। সৃষ্টির সেবাকারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন। তার জন্য আল্লাহর সাহায্য নিশ্চিত হয়। সৃষ্ট জীবের যে কোনো ধরনের সেবা প্রদান আল্লাহর কাছে অতি পছন্দনীয় আমল। তাই আমাদের উচিত অন্য মানুষের কল্যাণে কাজ করা। বিপদে-আপদে তাদের পাশে দাঁড়ানো। আল্লাহর সৃষ্টির সব প্রাণী এবং প্রকৃতির প্রতি সদয় হওয়া।

লেখক : ইসলামি গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ (সা.)
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ (সা.)
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন
বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য
বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সর্বশেষ খবর
জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল শ্রীলঙ্কা
জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল শ্রীলঙ্কা

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

আর্সেনালকে হারিয়ে শীর্ষে লিভারপুল
আর্সেনালকে হারিয়ে শীর্ষে লিভারপুল

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিসের হাইড্রা দ্বীপ: যেখানে মোটরযান নয়, ঘোড়াই ভরসা
গ্রিসের হাইড্রা দ্বীপ: যেখানে মোটরযান নয়, ঘোড়াই ভরসা

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ

৪৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের
চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের

৫১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার
শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন
পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?
কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার
রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি
ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ
বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা
চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন
মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন
ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু
দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা
ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ
আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে-পুত্রবধূ আটক
কুমিল্লায় মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে-পুত্রবধূ আটক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে যুবকের আত্মহত্যা
নাটোরে যুবকের আত্মহত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘নির্বাচনকে বানচাল করার সব অপচেষ্টা জনগণ রুখে দেবে’
‘নির্বাচনকে বানচাল করার সব অপচেষ্টা জনগণ রুখে দেবে’

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু, বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ
সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু, বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাকৃবিতে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ
গাকৃবিতে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ একজন আটক
টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ একজন আটক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ থেকে ফিরে ছাদ কৃষি চাষে সাফল্য
বিদেশ থেকে ফিরে ছাদ কৃষি চাষে সাফল্য

৩ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

২০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

১০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

১০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি

সম্পাদকীয়

রণক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয়
রণক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয়

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি
মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বস্তির সঙ্গে আছে শঙ্কাও
স্বস্তির সঙ্গে আছে শঙ্কাও

প্রথম পৃষ্ঠা

রেড লেডি, ফার্স্ট লেডি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান চাষিরা
রেড লেডি, ফার্স্ট লেডি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান চাষিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌন হয়রানি বড় উদ্বেগ
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌন হয়রানি বড় উদ্বেগ

পেছনের পৃষ্ঠা

ডাকসু নিয়ে উত্তাপ ক্যাম্পাসে
ডাকসু নিয়ে উত্তাপ ক্যাম্পাসে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত ইস্যুতে সরব মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া!
ভারত ইস্যুতে সরব মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া!

পেছনের পৃষ্ঠা

১৩০ বছরের বৃদ্ধের পাশে তারেক রহমান
১৩০ বছরের বৃদ্ধের পাশে তারেক রহমান

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ ভাঙচুর পুলিশ সাংবাদিকসহ আহত ১০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ ভাঙচুর পুলিশ সাংবাদিকসহ আহত ১০

দেশগ্রাম

নাটোরে চোর সন্দেহে পিটুনিতে নিহত ১
নাটোরে চোর সন্দেহে পিটুনিতে নিহত ১

পেছনের পৃষ্ঠা

কুড়িগ্রামে ১০ টাকার হাসপাতাল
কুড়িগ্রামে ১০ টাকার হাসপাতাল

দেশগ্রাম

বিয়ের পরদিনই ধর্ষণের শিকার
বিয়ের পরদিনই ধর্ষণের শিকার

দেশগ্রাম

কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর
কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর

প্রথম পৃষ্ঠা

মাকে নির্যাতন ছেলে-পুত্রবধূসহ আটক ৫
মাকে নির্যাতন ছেলে-পুত্রবধূসহ আটক ৫

দেশগ্রাম

পরিবেশ সুরক্ষায় চারাগাছ বিতরণ
পরিবেশ সুরক্ষায় চারাগাছ বিতরণ

দেশগ্রাম

আগস্টে রেমিট্যান্স ২২৩ কোটি ডলার
আগস্টে রেমিট্যান্স ২২৩ কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে দুই ভাইকে দেখতে এসে গাঁজাসহ আটক অপর ভাই
কারাগারে দুই ভাইকে দেখতে এসে গাঁজাসহ আটক অপর ভাই

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরাকে ৫ হাজার বছরের প্রাচীন নগরীর সন্ধান
ইরাকে ৫ হাজার বছরের প্রাচীন নগরীর সন্ধান

পূর্ব-পশ্চিম

বদলে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম
বদলে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম

পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ জালে মাছের সর্বনাশ
নিষিদ্ধ জালে মাছের সর্বনাশ

দেশগ্রাম

সীমান্তে শান্তি ও সম্পর্ক জোরদারে একমত
সীমান্তে শান্তি ও সম্পর্ক জোরদারে একমত

পূর্ব-পশ্চিম

আবুল হাশেম উত্তরা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
আবুল হাশেম উত্তরা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক

নগর জীবন

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন র‌্যাব ও এসবি প্রধান
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন র‌্যাব ও এসবি প্রধান

পেছনের পৃষ্ঠা

এনসিপির ৫১ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী কাউন্সিল গঠন
এনসিপির ৫১ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী কাউন্সিল গঠন

পেছনের পৃষ্ঠা

আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সমাবেশ
আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সমাবেশ

দেশগ্রাম

এক দিনে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড, মৃত্যু ৪
এক দিনে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড, মৃত্যু ৪

পেছনের পৃষ্ঠা

হামাসকে সমর্থন করেন অধিকাংশ মার্কিন তরুণ
হামাসকে সমর্থন করেন অধিকাংশ মার্কিন তরুণ

পূর্ব-পশ্চিম

ওয়াশিংটনের কাছে মাথা নত করবে না দিল্লি
ওয়াশিংটনের কাছে মাথা নত করবে না দিল্লি

পূর্ব-পশ্চিম