শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০১ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:২৬, বুধবার, ০১ এপ্রিল, ২০২৬

ফেরেশতাদের সরকার ও জেনারেল মাসুদ

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
ফেরেশতাদের সরকার ও জেনারেল মাসুদ

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত দুইবার  তথাকথিত ফেরেশতা বা সাধুজাতীয় মহাপুরুষদের নিয়ে সরকার গঠিত হয়েছে। একবার ২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনে। আরেকবার ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান শেষে। চেহারায় তারা ফেরেশতা বা সাধুজাতীয় মহাপুরুষ হলেও ওই দুই শাসনামলের অভিজ্ঞতা দেশবাসীর জন্য খুব একটা সুখকর হয়নি। এই দুই আমল নিয়ে ভাবতে গেলে কেন যেন ‘সাধু শয়তান’ নামের ঢাকাইয়া সিনেমার কথা মনে পড়ে যায়। ছবিটি অনেকেই দেখে থাকবেন। রাজ্জাক ও শাবানা অভিনীত দর্শকনন্দিত ওই সিনেমার একটি গান বেশ জনপ্রিয়তাও অর্জন করেছিল। গানটির কিছু অংশ এখনো মনে নাড়া দেয়-‘মুখ দেখে ভুল করো না/ মুখটা তো নয় মনের আয়না/ মানুষের ভিতরের খবর তো কেউ পায় না/ সাধু আর শয়তানে যে ভাই/ দুনিয়ায় চলেছে লড়াই/... কে সাধু, কে শয়তান কিছুই বলা যায় না/।’ প্রিয় পাঠক, ঢাকাইয়া সিনেমা কিংবা তার গানের বিষয়টি মনে উঁকি দিয়েছে ওয়ান-ইলেভেন ও জুলাই অভ্যুত্থানের ফসল ফেরেশতা বা সাধুজাতীয় সরকারের দাবিদার মহাপ্রতারকদের নিয়ে কিছু কথা লিখতে গিয়ে।

ওয়ান-ইলেভেনের সঙ্গে জেনারেল মইন ইউ আহমেদ ও লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ইতিহাসের খলনায়ক হিসেবে মীরজাফর ও খন্দকার মোশতাকের পাশে ঠাঁই নিয়েছে এই দুটি নাম। ওয়ান-ইলেভেনের পেছনে ফখরুদ্দীন, মইন উ আহমেদ ও জেনারেল মাসুদের নাম জোরেশোরে উচ্চারিত হয়। কিন্তু সেই গভীর ষড়যন্ত্রেরও মূল হোতা ছিলেন জুলাই অভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড, দেশবাসীর কাছে ‘মহাজন’ হিসেবে পরিচিত এক মহাপুরুষ। ওয়ান-ইলেভেন পর্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নোবেল লরিয়েট ওই মহাপুরুষের নাম প্রস্তাব করা হয়। যে প্রস্তাবটি এসেছিল পশ্চিমা দুনিয়ার নেতৃস্থানীয় দেশগুলোর কাছ থেকে। কিন্তু তিনি স্বল্পসময়ের জন্য সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব নিতে চাননি। তাই প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ওই মহাজনই প্রস্তাব দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফখরুদ্দীন আহমদের নাম। যিনি ওই নোবেল লরিয়েটের মতোই ওয়াশিংটন, লন্ডন, প্যারিস, বার্লিনের কর্তাব্যক্তিদের কাছেও পছন্দনীয় বলে বিবেচিত হতেন। পছন্দনীয় ছিলেন ওয়ান-ইলেভেনকাণ্ডে পশ্চিমা দেশগুলোর সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালনকারী বাংলাদেশের প্রতিবেশী একটি দেশের কাছেও।

ফেরেশতাদের সরকার ও জেনারেল মাসুদওয়ান-ইলেভেনের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে পশ্চিমা দেশগুলোর করদ রাজ্য বানানো। যাতে এদেশকে ব্যবহার করে চীনের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষাব্যূহ রচনা করা যায়। বঙ্গোপসাগর ও ইন্দোপ্যাসিফিক এলাকার নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় নিজেদের হাতে। বাংলাদেশকে করদ রাজ্য বানানোর ষড়যন্ত্র শুরু হয় ২০০৪ সালের দিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অগোচরেই চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নষ্ট করতে উঠেপড়ে লাগে একটি মহল। সরকারের মধ্যকার ‘ডিপস্টেট’ এজন্য সক্রিয় হয়ে ওঠে। ঢাকায় জাতীয়তাবাদী চীন বা তাইওয়ানের বাণিজ্যিক অফিস খোলা হয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অজ্ঞাতে। এ নিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে ভুলবোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত চাই ঝি এ বিষয়ে আলোচনা করতে আমার সে সময়ের কর্মস্থল দৈনিক খবরপত্র অফিসে আসেন। কথা বলেন সম্পাদক গিয়াস কামাল চৌধুরী ও আমার সঙ্গে। চাই ঝি জানান, তিনি ১৯৭৬ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাসনামলে বাংলাদেশে আসেন। বাংলা ভাষা নিয়ে পড়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাংলাদেশে এক যুগ চাকরি করেছেন কূটনীতিক হিসেবে। চীনের রাষ্ট্রদূত পদে তাঁর দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশে চীনের বিচ্ছিন্ন প্রদেশ তাইওয়ানের অফিস হবে তা তিনি আশা করেননি। গিয়াস ভাইয়ের পরামর্শেই এ বিষয়ে লেখার সিদ্ধান্ত নিই।

২০০৪ সালের ৯ মার্চ দৈনিক খবরপত্রের উপসম্পাদকীয়তে স্পষ্টভাষণ কলামে ‘চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক : বিভীষণদের উদ্দেশ্য কী’ শীর্ষক আমার একটি লেখা ছাপা হয়। এরপর এ বিষয়ে সরকারের টনক নড়ে। প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে তাইওয়ানের অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঢাকায় তাইওয়ানের অফিস খোলার পেছনে জড়িত ছিল বিএনপিতে লুকিয়ে থাকা ঘরশত্রু বিভীষণরা। বিএনপির বন্ধুদের অভিযোগ, বিভীষণদের পেছনে জোট সরকারের অন্তর্ভুক্ত কমিউনিস্টবিরোধী একটি ইসলামি দলের মদত ছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটানো। যাতে চীনের বিরুদ্ধে পশ্চিমা জোটের ঘাঁটি হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করা যায়।     

ওয়ান-ইলেভেনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল বিএনপি ক্ষমতায় থাকতেই। এক ঢিলে দুই পাখি শিকারের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কের অবনতি ঘটানো হয়। তারপর আঁটা হয় বিরাজনীতিকরণের নীলনকশা। মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়নে সক্রিয় হয়, এ ষড়যন্ত্রের কুশীলবরা। তাদের চক্রান্তেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়। বাধ্য হয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন তাঁর নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করেন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ওই সরকারের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেয়। তবে পর্দার আড়ালে চলতে থাকে সমঝোতার চেষ্টা। প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিনের হয়ে দূতিয়ালিতে নামেন তাঁর প্রেস সচিব মোখলেসুর রহমান চৌধুরী। সংকট নিরসনের সে চেষ্টায় মতপার্থক্যের বরফ গলতে থাকে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের অংশগ্রহণের বিষয়ে সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছায় তারা। নিজেদের নীলনকশা নস্যাতের আশঙ্কায় তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠে ষড়যন্ত্রকারীরা। এবার সরাসরি মাঠে নামেন দুই জেনারেল। সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ ও লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনাসদস্যদের নিয়ে বঙ্গভবনে ঢোকেন তাঁরা। উদ্দেশ্য একটাই রাজনৈতিক সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিনের প্রয়াসকে বানচাল করা। তাঁরা প্রথমেই টার্গেট করেন প্রেসিডেন্টের প্রেস সচিব মোখলেসুর রহমান চৌধুরীকে। তাঁর রুমে ঢুকে ভয়ভীতি দেখানো শুধু নয়, তাঁকে অপদস্থও করেন। এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন জেনারেল মাসুদ। মোখলেসের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় টেলিফোন লাইন। এরপর  জেনারেল মইন  ও জেনারেল মাসুদ দলবল নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিনের কক্ষে ঢোকেন। সরাসরি বলা হয়, এখন থেকে তারা যা বলবেন, প্রেসিডেন্টকে সে পথেই চলতে হবে। নতুবা পরিণতি হবে ভয়ংকর। এর পরের ইতিহাস কমবেশি অনেকেরই জানা। দুই জেনারেল ও তাদের বিদেশি প্রভুদের পরামর্শে ওয়ান-ইলেভেন ঘটনার মাস্টারমাইন্ড দেশের সবচেয়ে বড় সুদি মাহাজন রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নেন। দুই শীর্ষ রাজনৈতিক নেত্রীকে মাইনাস করার তোড়জোড় শুরু হয়। তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় ভুয়া মামলা সাজিয়ে। ষড়যন্ত্রকারীদের প্রধান টার্গেটে পরিণত হয় বিএনপি। এ দলের তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই। গ্রেপ্তার অবস্থায় তাঁর ওপর চালানো হয় পৈশাচিক নির্যাতন। তাঁকে পঙ্গু করার জন্য যে নির্যাতন করা হয় তাতে নেতৃত্ব দেন জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী।

দুই.

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। সাধু চরিত্রের লোকজনকে নিয়ে গড়া ওই সরকার উল্লেখযোগ্য নতুন কোনো উন্নয়নকাজে হাত দেয়নি। চলমান অনেক প্রকল্পও থামিয়ে দেওয়া হয় অপচয়ের অজুহাতে।  তারপরও নোবেলজয়ী এই মহাপুরুষের আমলে দেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে রকেটগতিতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে মোট বৈদেশিক ঋণ ছিল ১১৩ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। এই বিশাল  ঋণের বোঝা বইতে হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী বিএনপি সরকারকে। যা বাংলাদেশের জনগণকেই শোধ করতে হবে সুদে আসলে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসন অবসানের কৃতিত্ব জুলাই গণ অভ্যুত্থানের। এখন জুলাইকাণ্ডের নেতারাও স্বীকার করছেন তাঁদের সঙ্গে আমেরিকান ডিপ স্টেটের সম্পর্ক ছিল। খোদ ট্রাম্প সাহেবও বলেছেন বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনে বিপুল অর্থ ঢালা হয়েছিল। তিনি এজন্য দায়ী করেছেন পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতা ছাড়েন, সে সময় দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ছিল ১০৩ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার।  ইউনূসের দেড় বছরে ঋণের পরিমাণ ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বেড়ে ১১৩ দশমিক ৫১ বিলিয়নে ঠেকেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাজেট ঘাটতি সামাল দিতেই ইউনূস সরকার ঢালাওভাবে ঋণ নিয়েছে। মুখে ভারত বিরোধিতার কপচানির আড়ালে তারা প্রাচীন ভারতের চার্বাক দর্শনকে অনুকরণ করেছে অন্ধভাবে। চার্বাক দর্শনের মূল কথা-‘ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ, যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ’। ধার করে হলেও ঘি খেয়ে সুখে বাঁচো। ইউনূস গং দেশকে কীভাবে ঋণের শিকলে বাঁধা যায়, সে কাজটিই করে গেছেন দেড় বছরের শাসনামলে। শেখ হাসিনার আমলে দেশ গণতন্ত্রের সংকটে ভুগেছে সন্দেহ নেই। দুর্নীতি নিয়েও অভিযোগ কম নয়। জুলাই অভ্যুত্থানের আগে বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে বিপুল বৈদেশিক ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, টানেল, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প। যার বদৌলতে দেশের মানুষের গড় আয় ব্যাপক হারে বেড়েছে। বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নতুন কোনো উন্নয়নকাজ না হলেও ঋণ নেওয়া হয়েছে বেপরোয়াভাবে। নির্বাচনের পর যে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তারা মসনদে বসেছে বড় অঙ্কের ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে। রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধি না পেলে এ বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধে হিমশিম খেতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরপরই ইরানের ওপর আমেরিকা ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা ডেকে এনেছে। বাংলাদেশও তার প্রত্যক্ষ শিকার। ইউনূসী জমানা থেকেই রপ্তানি আয়ে কোনো সুখবর নেই। রেমিট্যান্স আয় বাড়ার বদলে কমেছে। সমালোচকদের মতে, বাংলাদেশের ওপর আমেরিকার ডিপ স্টেট চাপিয়ে দিয়েছিল সিন্দাবাদের ভূত ড. ইউনূসকে। যিনি গরিব মানুষকে ঋণের জালে আবদ্ধ করার কৃতিত্ব দেখিয়ে স্বদেশে ‘সুদখোর মহাজন’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। সমকামীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রবক্তা হিসেবে নাম কিনেছেন বিশ্বপরিসরে। ইসলামে সুদ ও সমকামিতা কবিরা গুনাহ হিসেবে নিন্দিত ও ঘৃণিত। অথচ তাঁর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে ধর্মের সাইনবোর্ডধারী একাধিক রাজনৈতিক দল। দেশবাসীকে স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল এই মহাপুরুষের বদৌলতে সারা পৃথিবী বাংলাদেশের মুখাপেক্ষী হবে। কিন্তু ইউনূসী শাসনে আম ও ছালা দুটোই হারিয়েছে দেশবাসী। দেশকে ১০ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ সোয়া লাখ কোটি টাকার দেনায় আবদ্ধ করা ছাড়া ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আর কোনো কৃতিত্ব আছে বলে আমাদের জানা নেই।

 

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্প
ভূমিকম্প
যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
জলবায়ু ঝুঁকি
জলবায়ু ঝুঁকি
সাংবাদিককে মারধর
সাংবাদিককে মারধর
সর্বশেষ খবর
রাজশাহীতে স্কুলশিক্ষক বাবা হত্যার ঘটনায় ছেলে গ্রেপ্তার
রাজশাহীতে স্কুলশিক্ষক বাবা হত্যার ঘটনায় ছেলে গ্রেপ্তার

১ সেকেন্ড আগে | নগর জীবন

আত্মহত্যায় প্ররোচনা: রংপুরে মেডিকেল শিক্ষার্থী একদিনের রিমান্ডে
আত্মহত্যায় প্ররোচনা: রংপুরে মেডিকেল শিক্ষার্থী একদিনের রিমান্ডে

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টানা তিন হারে বিদায়, তবু কেন হাসলেন উজবেক কোচ?
টানা তিন হারে বিদায়, তবু কেন হাসলেন উজবেক কোচ?

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

৮ মাসের শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ, মা আটক
৮ মাসের শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ, মা আটক

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যার শঙ্কা
সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যার শঙ্কা

১০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

হরমুজ প্রণালীতে হস্তক্ষেপ করলে উত্তেজনা বাড়বে: আরাগচি
হরমুজ প্রণালীতে হস্তক্ষেপ করলে উত্তেজনা বাড়বে: আরাগচি

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

১৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাজধানীতে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ৪
রাজধানীতে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ৪

২৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ডেমরায় ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক
ডেমরায় ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মুন্সীগঞ্জে চলছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ২ লাখ
মুন্সীগঞ্জে চলছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ২ লাখ

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভেনেজুয়েলায় প্রায় সাত লাখ শিশুর মানবিক সহায়তা প্রয়োজন: ইউনিসেফ
ভেনেজুয়েলায় প্রায় সাত লাখ শিশুর মানবিক সহায়তা প্রয়োজন: ইউনিসেফ

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর
করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

৪২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৫৯
রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৫৯

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৯৮৮ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৯৮৮ মামলা

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাজেট নিয়ে বিরোধীদলের সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না : সড়কমন্ত্রী
বাজেট নিয়ে বিরোধীদলের সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না : সড়কমন্ত্রী

৪৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

গাইবান্ধায় অপহরণের তিন মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, যুবক গ্রেফতার
গাইবান্ধায় অপহরণের তিন মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, যুবক গ্রেফতার

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খুলনায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
খুলনায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশে নতুন উদ্যোক্তা না আসাই আয় বৈষম্যের মূল কারণ : বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশে নতুন উদ্যোক্তা না আসাই আয় বৈষম্যের মূল কারণ : বাণিজ্যমন্ত্রী

৫৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মাদারীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
মাদারীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভাইভা পরীক্ষা দিতে এসে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভাইভা পরীক্ষা দিতে এসে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কারিগরিতে ৮ হাজারের বেশি শিক্ষক পদ শূন্য, ষষ্ঠ শ্রেণিতে আসছে নতুন বই
কারিগরিতে ৮ হাজারের বেশি শিক্ষক পদ শূন্য, ষষ্ঠ শ্রেণিতে আসছে নতুন বই

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

জলবায়ু স্থিতিস্থাপক সমাজ গড়তে নারীর ক্ষমতায়ন অপরিহার্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
জলবায়ু স্থিতিস্থাপক সমাজ গড়তে নারীর ক্ষমতায়ন অপরিহার্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদি হত্যা মামলা : পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পেছাল
হাদি হত্যা মামলা : পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পেছাল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা বিভাগের নতুন বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা
ঢাকা বিভাগের নতুন বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পঞ্চগড়ে ১৫ দিনব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু
পঞ্চগড়ে ১৫ দিনব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুইজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু
রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুইজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুন্সীগঞ্জে ভোক্তা অধিকার অধিদফতরের অভিযান, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
মুন্সীগঞ্জে ভোক্তা অধিকার অধিদফতরের অভিযান, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন
সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই  চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা
ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা
'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি
এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প
হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল
বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!
ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের
মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রিন্ট সর্বাধিক
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক

দেশগ্রাম

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন