Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ জুলাই, ২০১৯ ২৩:৩৫

জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হবে বাংলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হবে বাংলা

শিগগিরই জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হিসেবে বাংলা স্বীকৃতি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে সবাইকে কাজ করতে হবে। বাংলাকে জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষার স্বীকৃতির জন্য  চেষ্টা করছে সরকার। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বিশ্ববাংলা সাহিত্য নিকেতন  আয়োজিত আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন ২০১৯-এ কবিতা পাঠ, গুণীজন সম্মাননা ও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, সাহিত্যকে দেয়াল দিয়ে ভাগ করা যায় না। পাকিস্তান-আমলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা পড়ানো বন্ধ করে দেয় আইয়ুব খান। কিন্তু ১৯৬১ সালে আইয়ুব খানের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন করা হয়। তিনি বলেন, আমাদের মনের ভাষা সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে পারলেই বাংলা ভাষা সার্থক হবে। বাংলা পৃথিবীর অন্যতম সমৃদ্ধ ভাষা, যা শত শত বছর ধরে সমাদৃত হয়ে আসছে। পশ্চিমবঙ্গে বাংলার ব্যবহার কমে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এখন বাংলার চেয়ে হিন্দি বেশি ব্যবহার হয়। ওপার বাংলার মানুষের কাছে অনুরোধ, তারা যেন বাংলা ভাষা ত্যাগ না করেন। প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন কবি অসীম সাহা। তিনি বলেন, পৃথিবীর সব শিল্পের মধ্যে কবিতা একমাত্র বিশুদ্ধ শিল্প। কারণ এখানে শুধু কবিদেরই স্পর্শ থাকে। কবি একা নিভৃতে কবিতা লেখেন, যা পৃথিবীতে যুগে যুগে সমাদৃত হয়। এক লাইন দিয়েও কবিতা হয়। কবিতা হচ্ছে ক্লাসিক্যাল বিষয়। হৃদয় থেকে আসা শব্দ দিয়ে কবিতা তৈরি হয়। বাহ্যিক দিক দেখে কবিতা হয় না। আর কবিরা কখনো সাবেক হন না। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন কবি ও ছড়াকার আসলাম সানি। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক সংবাদের চিফ রিপোর্টার সালাম জুবায়ের, গীতিকবি এম আর মুঞ্জু, কবি ও গবেষক গগন  ঘোষ, ভারতের কবি ও সাহিত্যিক প্রবীর কুমার চৌধুরী, নেপালের কবি ও সাহিত্যিক রাজেন্দ্র গোরাহাইন প্রমুখ। আরও উপস্থিত ছিলেন আসামের বিশ্ববাংলা সাহিত্য নিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা যুথিকা দাস, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান শাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আরমান হাফিজ ও কলকাতার বাচিকশিল্পী মধুমিতা বসু। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে কবিতা পাঠ ও গান পরিবেশিত হয়। শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী।

 


আপনার মন্তব্য