শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ এপ্রিল, ২০১৯ ২৩:৫৯

দূতাবাসগুলো গ্রহণ না করায় ৮৬ জন বিদেশি কারাগারে

------- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

দূতাবাসগুলো গ্রহণ না করায় ৮৬ জন বিদেশি কারাগারে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, আমাদের কারাগারগুলোতে সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ৮৬ জন বিদেশি বন্দী আটকে আছেন। সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলো তাদের গ্রহণ না করায় তারা মুক্ত হতে পারেননি। দূতাবাসের লোকেরা বন্দীদের পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের কথা বলে সময়ক্ষেপণ করছেন।

গতকাল           রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত ‘কমবেটিং ট্র্যাফিকিং : রিপেট্রিয়েশন অব ভিকটিমস অব ট্র্যাফিকিং’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন কারাগারে মোট ৪৯৫ জন বিদেশি আটক আছেন। তাদের মধ্যে ৫৭ জন সাজাভোগ করছেন।    সেমিনারে বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) বাংলাদেশ প্রধান গিওরগি গিগাউরি, নাহিম রাজ্জাক এমপি, অ্যাটসেক ইন্ডিয়ার ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর মানবেন্দ্র নাথ ম ল।

ভারতের আদালতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বাদল ফরাজী প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা বাদল ফরাজীকে নিয়ে জটিল আইনি প্রক্রিয়ায় পড়েছি। এখন একটাই পথ খোলা রয়েছে, রাষ্ট্রপতি যদি তাকে নির্দোষ ঘোষণা করেন তাহলেই তিনি মুক্তি পাবেন।

 স্বাগত বক্তব্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, মানব পাচর মানবাধিকার এমনকি উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বড় ধরনের হুমকি। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৮ লাখ নারী ও শিশু পাচারের শিকার হয়। এর মধ্যে ৮০ শতাংশকেই জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা করানো হয়। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে মানব পাচারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল। পুলিশ সদর দফতরের ২০১৩ সালের এক তথ্যে দেখা গেছে- মানব পাচারের অভিযোগে ৬ হাজার ১০৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে সাজা হয়েছে মাত্র ২৫ জনের।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর