শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ আগস্ট, ২০১৯ ২৩:৫৫

ছাত্রদলের কাউন্সিল

২১ প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছে বাছাই কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছে বাছাই কমিটি

ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ২১ জনের বিরুদ্ধে বিয়ে করাসহ নানা অভিযোগ পেয়েছে যাচাই-বাছাই কমিটি। আগামী ১৪ ডিসেম্বর ছাত্রদলের কাউন্সিল উপলক্ষে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুল হক মিলনের নেতৃত্বে গঠিত এ সংক্রান্ত কমিটি নানা মাধ্যমে এসব অভিযোগ পান। গতকাল গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই কমিটি প্রথম দিনে এসব অভিযোগের বিষয়ে কাজ শুরু করেন। চলবে আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত। এই কার্যক্রম শুরু করার আগের দিন গত বুধবার রাতে নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে স্কাইপে নির্দেশনা নেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা। সেখানে থাকা নেতারা বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াদের মধ্যে তাদের প্রার্থিতা চূড়ান্তভাবে গণ্য হবে-যাদের এসএসসি-২০০০ সালের মধ্যে, অবিবাহিত ও দেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি থাকতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে কোনোভাবেই প্রার্থিতা টিকবে না বলে তারেক রহমান তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। কাউন্সিল প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছাত্রদলের সাবেক একজন সাধারণ সম্পাদক জানান, বহিষ্কৃত ১২ ছাত্রদল নেতাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন তারেক রহমান, বহিষ্কার আদেশও তিনি তুলে নেবেন। তার বিষয়ে সিদ্ধান্তও দেবেন তিনি। যেহেতু বহিষ্কৃতরা ছাত্রদল করবে না, সে কারণে অন্য অঙ্গসংগঠনগুলোতে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তাদের নিয়ে সে ভাবনাও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ভাবছেন বলে তা সাবেক ছাত্রদল নেতাদের জানিয়েছেন। অন্যদিকে, অনুষ্ঠেয় কাউন্সিলকে উৎসবমুখর করতে আগামী সব কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান ছাত্রদলের বহিষ্কৃতসহ ও বিলুপ্ত কমিটির নেতারা। তার আগে ১২ ছত্রদল নেতার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার চান তারা। বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহীনও রয়েছেন। প্রতিটি জেলা-মহানগর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সুপার ফাইভ কাউন্সিলর হিসেবে ভোট দেবেন। কিন্তু বাশার ও তুহীনের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার না হলে তারা কাউন্সিলর হিসেবে ভোট দিতে পারবেন না। এ নিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটিও কী করবে তা নিয়ে বেকাদায় পড়েছে।


আপনার মন্তব্য