শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:২৪

পুনর্গঠন করা উচিত আস্থাহীন কমিশন

-ইব্রাহীম খালেদ

পুনর্গঠন করা উচিত আস্থাহীন কমিশন

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও ২০১০ সালের শেয়ারবাজার ধসের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বলেছেন, বাজার স্থিতিশীলতার জন্য এখন বড় বাধা বিনিয়োগকারীদের কর্তৃপক্ষের ওপর আস্থাহীনতা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা গত কয়েক বছরে শক্তিশালী শেয়ারবাজার গঠনের কিছুই করতে পারেনি। এখন মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কর্তৃপক্ষের পরিবর্তন করা উচিত। এ ছাড়া কারসাজি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানো উচিত। তাহলেই বাজারে আস্থা ফিরে আসবে। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে ইব্রাহীম খালেদ বলেন, ২০১০ সালে ভয়াবহ ধসের ঘটনার পর আমরা তদন্তে যেসব সুপারিশ করেছিলাম তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে এ ধরনের অস্থিরতা ঠেকানো যেত। কিন্তু কিছু সুপারিশ বাস্তবায়ন হলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থার ক্ষমতা পরিপালনে ঘাটতি দেখা যায়। তারা বাজারের কারসাজি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নিতে পারেনি। ইব্রাহীম খালেদ বলেন, বাজারে সুশাসন বলতে এখন কিছু নেই। যারা বাজারে আস্থা ফেরানো জন্য শক্ত পদক্ষেপ নেবে তারাই দর্শকের ভূমিকা নিয়েছে। অথবা কিছুই করতে পারছে না। কিছু করতে না পারার কারণ হচ্ছে তাদের কোনো কাজ নেই। শুধু দায়িত্ব নিয়ে বসে আছে। দ্রুত এই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে দরকার দক্ষ ও শক্তিশালী একটি কমিশন। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পুনর্গঠন ছাড়া পরিস্থিতি বদলাবে না। আইনি কাঠামোতে শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, যেসব কোম্পানি এই ৯/১০ বছরে তালিকাভুক্ত হয়েছে তার অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে। মিথ্যা তথ্য দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ। তারা শেয়ারবাজারে কারসাজির একটি গ্রুপ সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তিনি আরও বলেন, আমাদের তদন্ত সুপারিশের আলোকে যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে শেয়ার কারসাজির অভিযোগ ছিল তাদের অনেকে এখনো বাজারের নিয়ন্ত্রক। এসব ঘটনা ঘটতে থাকলে কীভাবে বাজারে আস্থা ফিরবে?


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর