শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:০৭

শঙ্কা বাড়াচ্ছে শিশুমৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৫৮১৯, মৃত্যু ৭৮, সর্বোচ্চ রেকর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

শঙ্কা বাড়াচ্ছে শিশুমৃত্যু
Google News

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণে মৃত্যুর রেকর্ড প্রতিদিনই ভাঙছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ভাইরাসটির কারণে। এ সময়ে নতুন করে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ৫ হাজার ৮১৯ জনের দেহে। নতুন করে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে শিশুমৃত্যু। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় এপ্রিলে এসে বেড়েছে শিশুমত্যু।

গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২৯ হাজার ৩৭৬টি নমুনা পরীক্ষায় ৫ হাজার ৮১৯ জনের দেহে সংক্রমণ শনাক্তের তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৮১ শতাংশ। এ সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ২১২ জন। গতকাল পর্যন্ত দেশে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৬ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ৭৩৯ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯০ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ২০ শতাংশ ও মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪২ শতাংশ। বয়স বিবেচনায় এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর ৫৬ দশমিক ২৪ ভাগই হয়েছে ষাটোর্ধ্বদের। সবচেয়ে কম মৃত্যু হয়েছে ০ থেকে ১০ বছর বয়সসীমার শিশুদের। গত বছরের মাঝামাঝি শিশুমৃত্যু কিছুটা বাড়লেও বছর শেষে কমে যায়। চলতি এপ্রিলে এসে আবারও শিশুমৃত্যু বেড়েছে। গত জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ০ থেকে ১০ বছর বয়সী ১ জন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে প্রতি মাসে। এপ্রিলের ১১ দিনেই এই বয়সী ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৭৮ জনের মধ্যে ৪৮ জন ছিলেন ষাটোর্ধ্ব, ১৬ জন পঞ্চাশোর্ধ্ব, ৭ জন চল্লিশোর্ধ্ব, ৬ জন ত্রিশোর্ধ্ব ও ১ জনের বয়স ছিল ১ থেকে ১০ বছরের মধ্যে। মৃতদের ৫৩ জনই ছিলেন পুরুষ ও ২৫ জন নারী। হাসপাতালে ৭৭ জনের মৃত্যু হয়। ১ জনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। মৃতদের মধ্যে ৪৭ জন ঢাকা, ২০ জন চট্টগ্রাম, ৪ জন রাজশাহী, ৪ জন খুলনা, ২ জন সিলেট ও ১ জন রংপুর বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। এদিকে আইসিইউ সংকটে সংকটাপন্ন করোনা রোগীদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন রোগীর স্বজনরা। হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল ঘুরে মিলছে না চিকিৎসা। গতকাল রাজধানীর কভিড-১৯ ডেডিকেটেড ১৯টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের ৩৭৭টি আইসিইউর মধ্যে মাত্র সাতটি শয্যা খালি ছিল। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ফাঁকা ছিল তিনটি। সারা দেশের ৬৭২টি আইসিইউর মধ্যে ফাঁকা ছিল ১৪২টি। করোনা টেস্ট করাতেও নাস্তনাবুদ হচ্ছে মানুষ। সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালেই লম্বা লাইন।