শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ জুন, ২০২১ ২৩:৪১

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ করার দাবি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

Google News

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩২ বছর করার দাবি জানিয়েছে চাকরিপ্রত্যাশীরা। করোনা মহামারীর কারণে সৃষ্ট ক্ষতি পূরণে এমন দাবি জানিয়েছে তারা। গতকাল সকালে রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক মানববন্ধনে এই দাবি জানায় ‘সরকারি চাকরিপ্রত্যাশী যুব প্রজন্ম’ নামের একটি প্ল্যাটফরম। দাবি পূরণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, করোনাকালীন সময়ে সব শিক্ষার্থীই ইতিমধ্যে দেড় বছর হারিয়ে ফেলেছেন, যা দুই বছর হতে চলেছে। ফলে চাকরিতে প্রবেশের বর্তমান বয়সসীমা ৩০ হওয়ায় করোনার শুরুতে যাদের বয়স ২৮ বা তার বেশি ছিল, তারা চাকরিতে প্রবেশের পর্যাপ্ত সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকারি চাকরির জন্য মেধা যাচাইয়ের কোনো পথই তাদের থাকছে না। ফলে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২-এ উন্নীত করে সব বয়সের শিক্ষার্থীকে সুযোগ করে দেওয়া উচিত। আন্দোলনকারীদের লিখিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১১ সালে এসে অবসরের বয়স বেড়ে হয় ৫৯ আর মহান মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য হয় ৬০। অবসরের বয়স যেহেতু ২ বছর বৃদ্ধি পেয়েছে সেক্ষেত্রে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ২ বছর বৃদ্ধি করলে সেটাও আর সাংঘর্ষিক হয় না। প্রাপ্ত তথ্যমতে, করোনাকালে চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরিমাণ ৮৭ শতাংশ থেকে কমে ১৩ শতাংশে উপনীত হয়েছে; বেকারত্বের হার ২০ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

 করোনাকালীন ক্ষতিগ্রস্ততার শিকার এই দেড় লাখ চাকরিপ্রত্যাশী বেকারত্বের হার আরও বৃদ্ধি করবে। ‘ব্যাকডেট’ দেওয়ার মাধ্যমে সব বয়সী চাকরিপ্রত্যাশীকে ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করে তারা বলেন, চাকরিতে আবেদনের বয়স স্থায়ীভাবে ২ বছর বাড়িয়ে ৩২ বছর করলে সবাই তাদের হারিয়ে যাওয়া ২ বছর ফিরে পাবে। এ সময় তারা চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আকাইদ আকন্দের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তানভির হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, আনোয়ার সাকিন, সুমনা রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন। মানববন্ধন থেকে একই দাবিতে আজ সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিতে একটি সংবাদ সম্মেলন এবং মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় মৌন সমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এই বিভাগের আরও খবর