শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:২৮, মঙ্গলবার, ০২ জুন, ২০২০

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনার প্রভাব ও ইউজিসির ভূমিকা

মো. খালিদ বিন চৌধুরী , মো. আবদুর রশিদ, কাজী শাহিদুল ইসলাম, শাহিনুল ইসলাম, তানজিলা তামান্না, মো. জাহি
অনলাইন ভার্সন
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনার প্রভাব ও ইউজিসির ভূমিকা

করোনা মহামারী একটি সম্পূর্ণ আকস্মিক মহাদুর্যোগ, যার জন্য এ দেশের শুধু নয়, বিশ্বের যেকোনো দেশের সরকার, সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষ কেউই প্রকৃত অর্থে প্রস্তুত ছিল না। প্রথম আক্রান্ত দেশ চীনে নভেম্বরে বিষয়টি জানা গেলেও ডিসেম্বরের শেষে তারা আমলে নেয়। তবে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে সব দেশ একই রকম ঢিলেঢালা নিস্পৃহ ভাব নেয়নি। কেউ ঝটপট তৈরি হয়ে গেছে। কেউ কেউ বেশি সময় নিয়েছে এবং বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে তাইওয়ান, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম সিরিয়াস হয়ে যায়। বাকিদের মধ্যে ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়ার উন্নত দেশগুলোর অনেকে ‘মানুষের জীবন না অর্থনীতি’ কোনটা বাঁচাবে, তা নিয়ে দোটানায় পড়ে যায়। ফলে যা হওয়ার তা হচ্ছে। এখনো  অনেকেই সে সংশয় কাটিয়ে উঠতে পারছে না।

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনে স্কুল-কলেজ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার কথা বললেন। আমাদের বিশ্বাস, স্কুল-কলেজের জন্য এ সিদ্ধান্ত যথার্থ ও সঠিক ছিল। এখন যা নতুনভাবে চিন্তা করা প্রয়োজন তা হচ্ছে, টেলিভিশনে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাটা দ্রুত গ্রহণ করার ব্যবস্থা নেয়া।

মার্চের শেষ সপ্তাহ বা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে ৫৬টি বেসরকারি ও সাতটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে দেশের মোট ৬৩টি বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন ক্লাস শুরু করে। এ বিষয়ে শুরু থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের কোনো নির্দেশনা বা প্রস্তুতি ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব চিন্তা ও দায়বদ্ধতা থেকে তা চালু করে। বড় ও প্রাচীন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিশ্চুপ থাকে। কিছু ব্লগার বা ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্ট এরই মধ্যে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিতে নানা দুরভিসন্ধি আবিষ্কার করতে থাকে এবং কোনো কোনো পত্রিকাও বিষয়টির ওপর নেতিবাচক কিছু প্রতিবেদন ছাপে। ইউজিসিও বড় বড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নীরব থাকে এবং অনলাইন পরীক্ষা নেয়ার বিপক্ষে একটা দুর্বল অবস্থান গ্রহণ করে। সর্বশেষ শিক্ষা মন্ত্রণালয় সভা ডেকে বিষয়টি স্বচ্ছ করার পর সবাইকে একটু নড়েচড়ে বসতে দেখা গেল এবং অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর বিরূপ সমালোচনায় বেশ ভাটা পড়ল। মঞ্জুরী কমিশন কে কী করছে, তার খবরবার্তা সংগ্রহ করল এবং মে  মাসের প্রথম সপ্তাহান্তে একটি সার্কুলার জারি করল। সার্কুলারে অভিনবত্ব কিছু নেই, যারা যেভাবে অনলাইন ক্লাস করছিলেন, তাদের সেভাবেই নিয়মসিদ্ধ করা হলো। যদিও এক্ষেত্রে তাদের পূর্বনিয়ম বলে কিছু ছিল না। যারা স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে কাজটি করলেন, তাদের একটি শুকনো ধন্যবাদ দেয়ার সৌজন্য দেখানো হলো না। আর যারা কিছুই করলেন না, তাদের ব্যাপারে নীরব থাকল।

ইউজিসির সার্কুলারের সাধারণ নির্দেশাবলির ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭-এ পাঁচটি অনুচ্ছেদে যেসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, তা পুরোপুরি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেয়া হয়েছে তা বলা যাবে না। বিষয়টা শুনতে সাধারণভাবে ভালো লাগার কথা নয়। কোনো বড়-ছোট বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্পষ্টভাবে কিছু বলবে না। কারণ বড়রা যা করার তা করে যাবে। তারা ইউজিসিকে খুব একটা তোয়াক্কা করে না, আবার ঘাঁটাবেও না। কিন্তু দুর্বল প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বলার মতো তাদের কোনো স্থান নেই। সার্কুলারের ‘সাধারণ নির্দেশাবলি’র উল্লিখিত অংশে বলা হয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন আগের ন্যায় যেন ‘নিয়মিত’ দেয়া হয়, ছাত্রদের  টিউশন ফি, সেশন ফি ইত্যাদির জন্য যেন আবার ‘চাপ’ দেয়া না হয়। বিভিন্ন পাওনা মওকুফসহ নানা বিষয়ে ‘মানবিক’ হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। বিষয়টি সাদামাটাভাবেও স্ববিরোধী। একদিকে ছাত্রদের কাছ থেকে পাওনা আদায়ে নমনীয় হওয়ার নসিহত, আবার শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতা দেয়ার ক্ষেত্রে কঠোরভাবে নিয়ম পালনের উপদেশ। দুটো একসঙ্গে কীভাবে চলবে। এখানে ইউজিসির নির্দেশনা রেগুলেটরি অথরিটির মতো শোনায় না। তা কোনো দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মতো বা পপুলিস্ট নেতার বক্তৃতার মতো শোনায়। যদি ইউজিসি মনে করে, তারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেগুলেটরি অথরিটি, তাহলে দায়িত্ব নিয়ে বলুক, এক সেমিস্টারের টিউশন সম্পূর্ণ মাফ, ইউজিসি তা ভর্তুকি হিসেবে দিয়ে দেবে। তা না করে যদি মানবিক হওয়ার আবেদন জানানো হয়, তাহলে ধরে নিতে হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের শিক্ষক ও ছাত্রদের প্রতি ‘অমানবিক’ আচরণ করে। এ বিষয়টি রেগুলেটরি অথরিটি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কারো জন্য সম্মানজনক নয়।

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বাজারে অনেক মিথ চালু আছে। ইউজিসি মনে হয় সে মিথের মধ্যেই বসবাস করে। ইউজিসি মূলত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রতিষ্ঠান, তবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে বেসরকারি শ্বিবিদ্যালয়গুলোর দেখাশোনার দায়িত্ব সরকারের পক্ষ থেকে ইউজিসিকে দেয়া হয়েছে। সরকার ইউজিসির মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা অনুদান দিয়ে থাকে। কিন্তু ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নানা অনিয়ম নিয়ে কিছু করার সাহস অনেক ক্ষেত্রে ইউজিসি রাখে না। মাননীয় চ্যান্সেলরের বক্তব্যের পরও তারা বৈকালিক মাস্টারস বন্ধ করতে পারেনি। বন্ধ করতে পারেনি পদ অতিরিক্ত ও অযোগ্য রাজনৈতিক নিয়োগ। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রচলিত মিথগুলোর কয়েকটি নিম্নরূপ: এক. যারা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, তারা সবাই বিত্তশালী ঘরের ছেলেমেয়ে। দুই. বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টিদের মনে করা হয় তারা বিশ্ববিদ্যালয় নামে কোম্পানির ডাইরেক্টর বা মালিক। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। তারা এখান থেকে নিয়মিত লভ্যাংশ নিয়ে থাকে। তিন. প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এখানে কোনো সৃজনশীল পড়াশোনা, গবেষণা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড হয় না। চার. প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাবী ছেলেমেয়েরা পড়তে যায় না। বড় লোকের বখাটেরা ওখানে  যায়। এসবের কোনোটারই এখন কোনো ভিত্তি নেই। মফস্বলের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি তাদের ৮০ জন ছাত্রছাত্রীর ওপর একটি জরিপ পরিচালনা করে। তাতে দেখা যায়, তাদের প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ ছাত্রছাত্রী পূর্ণ বা আংশিক নিজের আয়ে পড়াশোনা করেন। প্রাইভেট টিউশন, খণ্ডকালীন চাকরি, ধার-দেনা এসবের মাধ্যমে অনেকে শিক্ষা ব্যয় নির্বাহ করেন। এখানে প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীর স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের ফলাফল যেকোনো মানদণ্ডে ভালো। অনেকেরই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক দুটোতেই ‘এ’ রয়েছে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনিয়োগের বিনিময়ে কোনো লাভজনক বা মুনাফাভিত্তিক ব্যক্তিমালিকানা নেই। আইন অনুযায়ী সরকারই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক ও অভিভাবক। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় কোনো লিমিটেড কোম্পানি নয়। একটি ট্রাস্টি বোর্ড এটি পরিচালনা করে। তারা এ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করলেও কোনো মুনাফা বা ডিভিডেন্ড আইনগতভাবে নিতে পারেন না। কেউ দুর্নীতির মাধ্যমে যদি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থ নেন বা গ্রহণ করেন, তা ভিন্ন বিষয়। সর্বশেষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন এসব বিষয় নিশ্চিত করেছে। যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ের অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে বলে প্রতীয়মান, ইউজিসি তাদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা যায় না।

দেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে যে সাধারণ সমস্যা, তা পাবলিক-প্রাইভেট সব ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্নভাবে বিদ্যমান একই সূত্রে গাঁথা। বর্তমানে প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একটি বাস্তবতা। এখানে দেশের বিপুলসংখ্যক ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করে, এখানে অনেক মেধাবী শিক্ষক পূর্ণকালীন অধ্যাপনা করেন। এটি দেশের একটি বৃহৎ কর্মসংস্থান খাত। প্রতি বছর এ খাত থেকে সরকারের কোষাগারে প্রচুর রাজস্ব জমা হয়। এখানে সরকার বা মঞ্জুরী কমিশনের কোনো বরাদ্দ নেই। শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষকদের জন্য এখানে নিজস্ব বিনিয়োগ অনেক বেশি। দেশে হাতেগোনা ১০-১২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে সত্যিকারের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে, বাকিরা এখনো নানামুখী অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে নিয়ত রক্তাক্ত। তাই এদের সহযোগিতা ও সহায়ক নীতি কাঠামো দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিকতার স্তরে উন্নীত করতে হলে কিছু স্পেস দেয়া দরকার। কঠোর আইনি দণ্ড হাতে শাসন বা শাসানো অনেক সহজ। যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলোয় কিছু বিনিয়োগ নানাভাবে হয়েছে, সেগুলোর সুফল জাতিকে দিতে হলে রেগুলেটরি কার্যক্রম ও প্রতিষ্ঠান সহায়ক কার্যক্রম দুটোর সংমিশ্রণ প্রয়োজন।

ইউজিসি যদি সার্কুলার দিয়ে বলে দেয় যে বেতন-ফি মওকুফ করেন, তখন এটি একটি নির্দেশ হয়ে যায়। তা একটি নেতিবাচক সিগনাল শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের দিয়ে দিতে পারে। যারা বেতন ফি দিতে সমর্থ, তাদের অনেকেও এখন গড়িমসি করতে পারেন। তাই রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠান এ-জাতীয় ঢালাও কথা বলতে বা লিখতে পারে না। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যারা চালাচ্ছেন, তারা তাদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে স্কলারশিপ, ফি মওকুফ, কিস্তি করে দেয়া, ফি দেয়ার সময় বর্ধিত করা ইত্যাদি করছেন এবং করবেন। তাদের কাজটি তাদের পরিবেশে তাদের মতো করে করতে দিন। আমাদের আশঙ্কা করোনা আরো দীর্ঘায়িত হলে এবং অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, তা হতে বাধ্য, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষা মাঝপথে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তারা অকালে ঝরে পড়তে পারে। একদিকে তারা তাদের সব খণ্ডকালীন কাজ এরই মধ্যে হারিয়ে ফেলেছে, অন্যদিকে সামনে তাদেরকে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার সংকট মোকাবেলা করতে হবে। অনলাইন ক্লাস চালাতে গিয়ে দেখা গেছে, অনেকের স্মার্টফোন কেনা বা নিয়মিত ডাটা ক্রয় করার সামর্থ্য ছিল না। নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুতের সমস্যা তো ছিলই। আমরা পত্রপত্রিকায় আবেদন করেছি, কোনো ফোন কোম্পানি বা রেগুলেটরি সংস্থা ফোন কোম্পানিগুলোকে বলে, এ সময়ে শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তত কিছুদিন ইন্টারনেট ডাটা ক্রয় তো ফ্রি করে দিতে পারতেন। শিক্ষার্থীর ঝরে পড়া শুধু নয়, আবার অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘায়িত করোনার প্রভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠবে। কারণ শিক্ষার্থীর ফি নির্ভর এসব প্রতিষ্ঠানের আদায় বন্ধ হলে দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে। এপ্রিল ও মে মাসে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি ছোট-বড় প্রতিষ্ঠানের খবর নিলে দেখা যাবে কর্মচারীদের পূর্ণ বেতন-বোনাস দিতে পেরেছে এ রকম প্রতিষ্ঠান খুব কম নয়। ছয় শতাধিক মাইক্রো ক্রেডিট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের অনেকের একই দশা। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কথা না হয় বাদই দিলাম। এক্ষেত্রে কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের  অবস্থা আরো নাজুক।  তাই করোনাকালীন এ দুর্যোগ মুহূর্তে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দরিদ্র শিক্ষার্থী ও নাজুক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে ইউজিসি ও সরকারের আগাম কিছু ভাবনা নিশ্চয়ই আছে। না থাকলে তা ভাবতে অনুরোধ করি। নতুবা বেসরকারি উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা নানাভাবে ভেঙে পড়তে পারে।

 লেখক-লেখিকারা বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন
চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ
সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার
ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন
ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি
নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে
মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ মূর্তি উদ্ধার
গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ মূর্তি উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেকদের অনুপ্রেরণায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে উদ্যোগ
সাবেকদের অনুপ্রেরণায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে জুলাই যোদ্ধা স্মৃতিচারণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
বরিশালে জুলাই যোদ্ধা স্মৃতিচারণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাকসু নির্বাচনে নতুন তিনটি প্যানেলের আত্মপ্রকাশ
জাকসু নির্বাচনে নতুন তিনটি প্যানেলের আত্মপ্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রামে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
কুড়িগ্রামে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম, নিহত ১
সিলেটে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম, নিহত ১

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

শ্রীপুরে পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
শ্রীপুরে পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে দুই ডাকাত গ্রেফতার
বাগেরহাটে দুই ডাকাত গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সপ্তাহজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের আভাস
সপ্তাহজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের আভাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোবিন্দগঞ্জে ৮ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার
গোবিন্দগঞ্জে ৮ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চবিতে শহীদ তরুয়া-ফরহাদ স্মৃতি আন্তঃবিভাগ ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন
চবিতে শহীদ তরুয়া-ফরহাদ স্মৃতি আন্তঃবিভাগ ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাছ ধরতে গিয়ে সাগরে নিখোঁজ, ভেসে উঠলো দুই কিশোরের মরদেহ
মাছ ধরতে গিয়ে সাগরে নিখোঁজ, ভেসে উঠলো দুই কিশোরের মরদেহ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ডেন্টাল ক্যাম্প
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ডেন্টাল ক্যাম্প

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে আবারো নদনদীর পানি বৃদ্ধি
কুড়িগ্রামে আবারো নদনদীর পানি বৃদ্ধি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ রাষ্ট্র গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর : তারেক রহমান
অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ রাষ্ট্র গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর : তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বরিশালে মাদক লেনদেনের দ্বন্দ্বে যুবক নিহত
বরিশালে মাদক লেনদেনের দ্বন্দ্বে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এসএএইচআর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এসএএইচআর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১০ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক