শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:১৬, রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০১:১৮, রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫

‘ইতিহাসসেরা সুন্দর নির্বাচন’ : স্বপ্ন ও বাস্তবতা

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
‘ইতিহাসসেরা সুন্দর নির্বাচন’ : স্বপ্ন ও বাস্তবতা

যত দিন যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঘোষিত ‘ইতিহাসসেরা সুন্দর নির্বাচন উপহার’ পাওয়ার আশার পাশাপাশি বিএনপির মুখে ‘অবিলম্বে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা’ হস্তান্তরের দাবি শোনা যাচ্ছে।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে বিএনপি ‘অসাংবিধানিক’ সরকার বলতেও দ্বিধা করে না; দলটি বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্বে বহাল রাখার পক্ষেও ওকালতি করে। তারা নির্বাচনের আগে কোনো ধরনের সংস্কার মানতেও অস্বীকার করে।

এখন আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে প্রায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাবিহীন একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসীন হওয়ার এমন মোক্ষম সুযোগ হাতছাড়া করতে বিএনপি কিছুতেই রাজি নয়। ২০০৬ সালের পর থেকে হিসাব করলে ১৯ বছর ধরে বিএনপি ক্ষমতার বাইরে। দীর্ঘ ১৬ বছর আওয়ামী শাসনের দাপটে তারা ক্ষমতার আশপাশে ভিড়তে পারেনি। এখন ক্ষমতায় যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ এসেছে তাদের সামনে।

নির্বাচনের আগেই বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনগুলো মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীরা ধরেই নিয়েছেন যে বিএনপি ইতোমধ্যে ক্ষমতায় এবং অন্তর্বর্তী সরকার একটি অসিলামাত্র। গত বছরের ৫ আগস্টের পর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর লোকজন আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত চাঁদাবাজির সাম্রাজ্যগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করছে এবং নিয়ন্ত্রণকে বাধামুক্ত রাখতে নিজেরাই সংঘাতে লিপ্ত হয়ে অনেক খুন-জখম করেছে। এমন ঘটনাও ঘটে চলেছে যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তারা তাদের দলের দণ্ডিত চাঁদাবাজদের থানা থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে, থানা ভাঙচুর করেছে, পুলিশ সদস্যদের পর্যন্ত মারধর করেছে।

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রায় সাড়ে চার হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা স্বীকার করেছে বিএনপি। কিন্তু তাতে কি চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্য বন্ধ হয়েছে? বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীদের পরিবর্তে অন্য কোনো দলের লোকজন এসব করছে? আওয়ামী লীগের চাঁদাবাজ ও দখলদাররা তো ফিরে আসেনি। কিছুসংখ্যক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও এখনো বিএনপিই তাদের দীর্ঘ ১৬ বছরের ক্ষুধার জ্বালা আকণ্ঠ নিবারণ করছে। অবিলম্বে ক্ষমতা হাতে পেলে অবৈধ কর্মকাণ্ডগুলো অন্তত রাজনৈতিক বৈধতা লাভ করবে।   

অতএব নির্বাচন অনুষ্ঠানে বিএনপির তাড়া অন্যান্য দলের চেয়ে অনেক বেশি। যুগের পর যুগ জেলা-উপজেলায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই, কমিটি গঠন নিয়েও নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত আছে। উচ্চমূল্যে কমিটির পদ কেনাবেচার অভিযোগ আছে, এ ধরনের একটি পরিস্থিতিতে জাতীয় নির্বাচন আগে হোক, পরে হোক; নির্বাচিতদের কাছ থেকে কি আশা করা যেতে পারে?

নির্বাচনই যদি দেশের সমৃদ্ধি উন্নতি এবং জনগণের ভাগ্যোন্নয়নের একমাত্র সূচক হতো, তাহলে স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছর দেশ শাসনকারী নির্বাচিত সরকারগুলো, যথাক্রমে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সরকারের হাতে বাংলাদেশ এত দিনে উন্নয়নের মগডাল স্পর্শ করত। ‘সুষ্ঠু, ..অবাধ ও নিরপেক্ষ’ নির্বাচন যদি ‘ছেলের হাতের মোয়া’ হতো, তাহলে প্রতিটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর পরাজিত পক্ষ ভোট কারচুপির অভিযোগ করত না।

অভিযোগ ওঠে, কারণ প্রতিটি নির্বাচনে কোনো না কোনো কারচুপি, ভোট জালিয়াতি, ভোট কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটে। ভোটের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার পর জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভকারী দল ছাড়া প্রতিটি দল নির্বাচনে গুরুতর অনিয়ম ঘটার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে, পুনর্নির্বাচন দাবি করে। এটাই বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য রীতিতে পরিণত হয়েছে। প্রতিবার নির্বাচনের পর নির্বাচন কমিশন অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে ‘সুষ্ঠু নির্বাচন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করতেও কুণ্ঠাবোধ করে না। এমনকি ২০১৪ সালের বিরোধী দলের অংশগ্রহণবিহীন, ২০১৮ সালের নিশিরাতের ভোটের ও ২০২৪ সালের নির্বাচনও বিরোধী দলের অংশগ্রহণশূন্য ব্যক্তিকেন্দ্রিক নির্বাচন দেশের নির্বাচনব্যবস্থাকে প্রহসনে পরিণত করেছে।

অতএব ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘ইতিহাসসেরা সুন্দর নির্বাচন’ অনুষ্ঠান দুরাশায় পরিণত হতে বাধ্য। নির্বাচন কেমন হবে, তা নিয়ে বিএনপির মাথাব্যথা নেই। যথাশিগগিরই নির্বাচন অনুষ্ঠান করিয়ে নেওয়াই তাদের প্রধান ও একমাত্র ইস্যু। এখন দেশে যে হত্যা, নৈরাজ্য, হানাহানি ও আইনহীন পরিস্থিতি বিরাজ করছে, সেগুলো যে বহুলাংশে বিএনপির স্থানীয় লোকজনের দ্বারাই সংঘটিত হচ্ছে, তা প্রতিদিনের গণমাধ্যমে প্রচারিত ও প্রকাশিত খবর থেকে স্পষ্ট। বিএনপি ছাড়া আর কোনো দলের এতটা শক্তি ও সাহস নেই। জনগণ আবারও আওয়ামী লীগ শাসনামলের মতো ভীতির সংস্কৃতির মধ্যে আটকা পড়েছে।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের দ্বিতীয় প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দেশের ইতিহাসে আওয়ামী দুঃশাসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মতো নিপীড়ন ও যাতনা আর কোনো দলকে সহ্য করতে হয়নি। ২০০৯ থেকে ২০২৪-এর জুন পর্যন্ত দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর পর্যন্ত আওয়ামী লীগ এবং তাদের প্রশাসন জামায়াত ছাড়া আর কোনো দলকে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেনি। সাজানো বিচারে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে, আমৃত্যু কারাবাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে জামায়াতের অফিসগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। জামায়াতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়া হয়েছিল। নারীসহ দলটির হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। হত্যা ও গুম করার ঘটনা তো ছিলই। জামায়াতের কোনো পর্যায়ের নেতা-কর্মী বছরের পর বছর বাড়িতে রাত কাটাতে পারেননি, প্রকাশ্যে বের হতে পারেননি। তাদের সব নাগরিক অধিকার হরণ করা হয়েছিল এবং সবশেষে জামায়াতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে চেয়েছিলেন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার সরকার। কিন্তু অন্তিমদশায় পৌঁছে গিয়েছিলেন খোদ শেখ হাসিনা এবং তার ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ। ধ্বংসের ভস্ম থেকে রূপকথার ফিনিক্স পাখির মতো জেগে উঠে জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতনে জোরালো ভূমিকা পালন করে জামায়াত।      

জামায়াতে ইসলামী দেশের অন্য ইসলামী দলগুলোর চেয়ে অগ্রসর নির্বাচনমুখী দল। ১৯৭৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে তারা এমনকি বিএনপির চেয়ে আগে তাদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করতে শুরু করে। তারা সংসদের ৩০০ আসনেই দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেবে বলেও ঘোষণা দেয়। জামায়াতের একটি বড় সমস্যা হলো, ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তারা বড় ধরনের ভুল করে বসে। ১৯৮৬ সালে জেনারেল এরশাদের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তারা এরশাদের স্বৈরশাসনের বৈধতার স্বীকৃতি দান করে। জামায়াতের তৎকালীন আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের নাগরিকত্ব পুনর্বহাল করার অলিখিত শর্তে জামায়াত ১৯৯১ সালে বিএনপিকে সরকার গঠনে সমর্থন দেয়। বিএনপি তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে গোলাম আযমকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করলে জামায়াত বিএনপির প্রতি ক্ষুব্ধ হয়।

বিএনপিকে শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সংসদের ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে ১৯৭৫ সালের পর দীর্ঘ ২১ বছর পর্যন্ত ক্ষমতার বাইরে থাকা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। জামায়াতের এ সিদ্ধান্ত ছিল ‘নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ’ করার মতো। একজন ব্যক্তির নাগরিকত্ব পুনর্বহাল না করার জেদ বিএনপির ওপর ঝেড়ে জামায়াত প্রমাণ করতে চেয়েছিল যে জামায়াত ইচ্ছা করলে কাউকে ক্ষমতায় বসাতেও পারে, ক্ষমতা থেকে নামাতেও পারে। কিন্তু গভীর রাজনৈতিক বিশ্লেষণে জামায়াত বিএনপির সঙ্গে ঐক্যে ফাটল ধরিয়ে দেশের ক্ষতি করেছিল এবং নিজেদের সর্বনাশের বিষবৃক্ষ রোপণ করেছিল।

’৯৬-এ গঠিত আওয়ামী লীগ সরকারের দমনপীড়নে জামায়াত বিলম্বে হলেও তাদের ভুল উপলব্ধি করতে সক্ষম হয় এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে জামায়াত লেজ গুটিয়ে আবারও বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক জোট গঠন করে। এখনো অনেকের মনে প্রশ্ন যে ১৯৯৬-এর সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার তামাশা করার কী প্রয়োজন ছিল জামায়াতের। দলের শক্তি-সামর্থ্য এবং জনসমর্থন সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকলেই কোনো দল সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ধৃষ্টতা দেখাতে পারে। ওই নির্বাচনে ৭টি আসনে জামায়াত প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটসংখ্যা ৪৮০ থেকে ৯৯৪-এর মধ্যে ছিল। ২৫টি আসনে প্রাপ্ত ভোটসংখ্যা ছিল ১০০০ থেকে ২০০০-এর মধ্যে।

বিএনপিকে শিক্ষা দিতে গিয়ে জামায়াত এমন উচিত শিক্ষা পেয়েছিল যে ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকাকালে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা, বিশেষ করে যে দুজন জাঁদরেল নেতা মন্ত্রিপরিষদের শোভা বর্ধন করেছিলেন, তারা যে কোনো মূল্যে বিএনপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু তারা সরকারের অংশীদার হিসেবে থাকা সত্ত্বেও বিএনপিকে পরবর্তী নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে জাল ভোট বানানো থেকে অথবা নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকার সরকারপ্রধান হিসেবে তাদের অনুগত প্রধান বিচারপতির চাকরির বয়স ৬৫ থেকে ৬৭ বছরে উন্নীত করা থেকে বিরত রাখার মতো সাহস করে উঠতে পারেননি। মন্ত্রী হিসেবে তারা সততার চরম পরাকাষ্ঠা দেখালেও বিএনপির অপকর্মে শরিক থাকার দায় থেকে মুক্ত হতে পারেন না।

সম্ভবত জামায়াত আরও একবার রাজনৈতিক ভুল করতে যাচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিএনপি-জামায়াতের পুরোনো মৈত্রীতে ফাটল ধরেছে। কারণ বিএনপির বিশ্বাস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে বিএনপির জন্য সবচেয়ে সহজ নির্বাচন এবং তারা অনায়াসে নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী জামায়াত বড়জোর স্বল্পসংখ্যক আসনে জিতে সংসদে দুর্বল একটি বিরোধী দল হতে পারবে। বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, জামায়াতকে নিয়ে তাদের নির্বাচনি জোট গঠনের কোনো সম্ভাবনা নেই। অতীতে কৌশলগত কারণে তারা জামায়াতের সঙ্গে জোট করলেও এবার তাদের সঙ্গে জোট গঠনের প্রয়োজন অনুভব করছে না বিএনপি। জামায়াত নিশ্চয়ই বিএনপির এ মনোভাব আগেই উপলব্ধি করেছে এবং সেজন্য ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচনি প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।

পাশাপাশি আশঙ্কাও করছে যে বিএনপির সৃষ্ট অরাজক পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। নির্বাচনের জন্য জামায়াত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অনুপস্থিতির কথা বলছে। এ ছাড়া রয়েছে সংস্কার, সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতসহ অধিকাংশ দলের মতানৈক্য, যা সহজে সমাধানযোগ্য বলে আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় না। অতএব সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে হতে শুরু করেছে। সবকিছু সত্ত্বেও দেশবাসী অপেক্ষা করছে যে সুষ্ঠু, অবাধ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান যাতে দুরাশায় পরিণত না হয়।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক
 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট

৪৫ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়