শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫৯, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০২১

সব মানুষের জয় হোক এটাই তো আমরা চাই

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
সব মানুষের জয় হোক এটাই তো আমরা চাই

প্রতিদিন মানুষ তার বিবেকের কাছে হারছে। তবুও জেতার অভিনয় করে যাচ্ছে। কেউ হারতে চায় না। এতটুকু ছাড় দিতে চায় না। সবাই জিততে চায়। জুয়ার নেশার মতো জেতার নেশা মানুষকে আঁকড়ে ধরেছে। জয়-পরাজয় একসময় খেলার মাঠে ছিল। অথচ এখন তা গড়াতে গড়াতে মানুষের জীবনের ভিতর প্রবেশ করেছে।

জাপানের নাগাসাকিতে ১৯৪৫ সালে নিউক্লিয়ার বোমা বিষ্ফোরণের পর একটা মর্মস্পর্শী ছবি তোলা হয়। অনেক আগের ছবি, ছবিটা এখন ইতিহাস। কারণ ইতিহাস জয় পরাজয় চিনেনা, ইতিহাস মানুষকে চিনে। মানুষের ভিতর বদলে যাওয়া মানুষকে চিনে, যাচাই করে তারপর পিরামিডের ভিতর রেখে দেয়।

ফটোগ্রাফার জো ও'ডোনেল তার ডাইরিতে ছবিটার ইতিহাস লিখে গেছেন। সংগৃহীত লেখাটা এমন ছিল, "দশ বছরের একটি বাচ্চাকে আমি হেঁটে আসতে দেখলাম। ছেলেটার পিঠে একটি বাচ্চা ছিলো। তখন আমাদের কাছে এসব খুবই সাধারণ ছিলো কারণ বাচ্চারা তাদের ছোট ভাই-বোনদের পিঠে বেঁধে খেলা করতো। তবে এই ছেলেটি অন্যসব বাচ্চাদের থেকে আলাদা ছিলো। খুব দরকারি কাজে ছেলেটি এখানে এসেছে আমি সেটা বুঝতে পারলাম। ওর পায়ে কোনো জুতো ছিলো না। মুখ ছিলো অনুভূতিহীন ও গম্ভীর। ওর পিঠের বাচ্চাটি এতটাই ঘুমে ছিলো যে মাথাটা পিছনের দিকে কিছুটা ঝুঁকে ছিলো। ছেলেটা ভাইকে নিয়ে সেখানে পাঁচ কি দশ মিনিট দাঁড়িয়েছিলো। সাদা মাস্ক পরা কিছু লোক ছেলেটির কাছে এলো আর ছেলেটি শান্তভাবে দঁড়িটি খুলে বাচ্চাটিকে তাদের হাতে দিয়ে দিলো। ঠিক তখন আমি প্রথম বুঝতে পারলাম ছেলেটির পিঠের বাচ্চাটি মৃত ছিলো। সাদা মাস্কপরুয়াদের একজন শুধু বাচ্চাটির হাত ও পা ধরলো তারপর ছোট শরীরটাকে আগুনের উপর দিলো। ছেলেটা সেখানে দাঁড়িয়েছিলো কোনো নড়াচড়া না করে, ওর চোখ ছিলো আগুনের দিকে। সে নিচের ঠোঁট এত জোরেই কামড়ে ধরেছিলো যে ঠোঁট থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছিলো। সূর্যাস্তের মত করেই একটা সময় আগুনের তাপ কমে গেল। ছেলেটি আগুনের থেকে চোখ সরিয়ে ঘুরে দাঁড়ালো তারপর চুপ করে হেঁটে চলে গেলো।"

ভাবা যায় কতটা নির্মম ছিল সে ঘটনা। অথচ মানুষ সে নির্মম ও মানবিক ঘটনাগুলোর কথা কখনো ভাবেনি। এখনো ভাবে না | মানুষ ভাবে কে জিতেছে, কে হেরেছে। কে বেশি ক্ষমতাধর, কে বেশি প্রভাবশালী, কার শক্তির রশিটা কত শক্তিশালী। কার কতটা অস্ত্র আছে, কার কতটা মরণাস্ত্র আছে। কারণ মানুষ সব সময় ক্ষমতা ও প্রভাব প্রতিপত্তির দাসত্ব করতে ভালোবাসে। দালালি করতে ভালোবাসে। ক্ষমতার বাইরে যে একটা মানবিক পৃথিবী থাকে মানুষ তা কখনো ভাবতে পারে না। সবাই জিতে, জয়ের আনন্দে মেতে উঠে অথচ সেখানে মানবতার মতো সূক্ষ্ম ও অনুভূতিশীল শক্তির যে পরাজয় ঘটে তা কখনো কেউ বোঝার চেষ্টা করে না। মানুষ লাল নীল তারাবাতির ঝলমলে আলো দেখে প্রলুব্ধ হয়। কিন্তু প্রাদ-প্রদীবের নিচে অযত্নে পরে থাকা বিন্দু বিন্দু আলোর অন্ধকারের সাথে লড়াইটা দেখে না। মাটিতে নুয়ে পরা মানবতার ক্ষয়ে ক্ষয়ে মৃতপ্রায় ঝুলন্ত শরীরটা দেখে না। যে চোখে মরিচা পরে, সে চোখ দেখতে পায় না। যে মনে স্বার্থের দাগ পরে, সে মন অনুভব করতে পারে না। মনস্তত্ত্ব তাই খুব গুরুত্বপূর্ণ। 

অথচ কেমন করে যেন মানুষের মনস্তত্ব বদলে গেছে। সে মনস্তত্ত্বে ভালো মন্দের বিচার নেই। জয় পরাজয় বোঝার শক্তি নেই। আলো অন্ধকার চেনার চোখ নেই। যে মানুষটা ঘুষ দিয়ে তার কাজটা আদায় করে নেয় সে মানুষটা নিজেকে বিজয়ী ভাবতে শুরু করে। যদিও সে জানে তার আত্মার মৃত্যু ঘটেছে। জেতার মতো করে অভিনয়ের ভাব হয়তো তার থাকে তবে সে জানে এটা তার অভিনয়, লোক দেখানো ভ্রান্তি বিলাস। একসময় অভিনয়টা বাড়তে বাড়তে তার দেহের ভিতর ঢুকে পড়ে, ভর করে, আত্মমগ্ন করে। তখন সে যে অভিনয় করছে সে বোধটুকু তার থাকে না। মানুষ থেকে সে অভিনেতা হয়ে যায়। ঘুনেধরা সমাজ লোকটাকে বুদ্ধিমানের মর্যাদা দেয়। অথচ যে লোকটা নীতির বিরুদ্ধে গিয়ে ঘুষ দিতে পারেনি, একটার পর একটা লাল ফিতার পিছনে ছুটে ছুটে যার প্রাচীন দেহটা ক্লান্তিতে ভেঙে পড়েছে। সে জানে সে সত্যের পথে আছে। সে বুঝে মিথ্যার পথে জেতাটা যত সহজ সত্যের পথে জেতাটা তত কঠিন। তারপরও তার কঠিন পিচঢালা রাজপথের যাত্রাটা থেমে থাকে না। বাজারের সস্তায় কেনা তার  পায়ের জুতোয় পচন ধরলেও তার মনটাতে তা পচন ধরাতে পারে না। সমাজ সে লোকটাকে বোকা ভাবে, উপহাস করে, অবহেলা করে। অথচ সে যে অভিনেতা নয়, সে যে মানুষ সেটা কেউ বুঝতে পারে না। জয় পরাজয়টা বুঝি এভাবেই বদলে যায়। জয় হয় পরাজয়, পরাজয় হয় জয়। যে মানুষটা ঘুষ খায় সে মানুষটা ঘুষ খাওয়াকে তার অধিকার মনে করে। যতই ঘুষের টাকায় তার পকেট ভারী হতে থাকে ততই সে নিজেকে নায়ক ভাবতে শুরু করে। সমাজ তাকে বিজয়ীর মর্যাদা দেয়। সমাজে তার কদরও বাড়তে থাকে। অথচ যে মানুষটা ঘুষ খাওয়াকে অপরাধ বলে মনে করে সবাই থাকে বোকা ভাবতে আনন্দবোধ করে। সমাজে তার কদর থাকে না। আমাদের সমাজে একটা ঘুষখোর মানুষ যতটা মর্যাদাবান হয় একটা সৎ মানুষ ততটাই অবহেলিত হয়। খুব অদ্ভুত এক বৈপরীত্যের মেরুকরণ। যেখানে অসতেরা বিজয়ী হয়, সতেরা পরাজিত হয়। মানুষের নির্বোধ বিচারে, ঘুনে ধরা দৃষ্টিভঙ্গির সংকীর্ণতায়। মানুষ যতই মুখে বলুক না কেন সে ভালোত্বকে মর্যাদা দেয়, সেটা হয়তো মানুষের অভিনয়, বলার জন্য বলা একটা কথামাত্র। সেটা হয়তো তার মুখের উপরের মুখোশ। কারণ মানুষ সব সময় মন্দত্বকে প্রশ্রয় দিয়েছে, ভালোত্বকে লাঞ্চিত করেছে। মন্দত্বকে মাথায় তুলেছে  ভালোত্বকে বিসর্জন দিয়েছে। এটা অনেকটা নিষিদ্ধ বিষয়ের প্রতি মানুষের আকর্ষণের মতো। ফেসবুকে একটা লেখা পেলাম। লেখাটা অনেকটা এমন :

সেখানে একটা প্রশ্ন ছিল, বর্তমান সময়ে শতকরা কতজন অফিসার সৎ, দক্ষ এবং চরিত্রবান আছে? 

এই প্রশ্নের উত্তর যিনি দিয়েছেন তিনি বলছেন, "এই প্রশ্নের প্রকৃত ও গানিতিকভাবে সঠিক কোন উত্তর পাওয়া যাবে না। কারণ সততা পরিমাপের কোন সর্বজনগ্রাহ্য মানদণ্ড নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক বিশ্বিবদ্যালয়ের পুস্তক কেন্দ্রে এ সংক্রান্ত একটি বই কিনেছিলাম ২০১৭ সালের মে মাসে। বইটি এ মুহুর্তে হাতের কাছে নেই তবে সেখানে শতকরা কতজন মানুষ সৎ এ বিষয়ে একটি জরীপের কথা জানা যায়। সে তথ্য সহভাগ করার প্রয়াস: 

জরীপ বিশ্লেষণ করে বলা হয়েছে প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে অন্তত একজন পাওয়া যাবে যিনি শত প্রতিকূলতায়ও সৎ থাকবেন। অন্তত একজন পাওয়া যাবে যিনি হাড়ে হাড়ে বজ্জাত অর্থাৎ অসৎ। বাকী ৯৮ জন পরিস্থিতিগত সৎ (Situational Honest)।" 

আমরা এমনটার পরিবর্তন দেখতে চাই, যেখানে ১% মানুষ সৎ থাকবেনা, বরং ১০০% সৎ থাকবে। পরিস্থিতিগত কারণে সৎ থাকাটা প্রকৃত সৎ মানুষের পরিচয় বহন করে না। সমাজে এই পরিস্থিতিগত সৎ মানুষেরা বাকি ১% অসৎ মানুষের সাথে মিলে ৯৯% এ পরিণত হয়। তখন সমাজে বাকি ১% সৎ মানুষদের টিকে থাকাটা কঠিন হয়ে পড়ে। মানুষ যদি সততাকে ধারণ করার মতো মানবিক আচরণ দ্বারা তাড়িত হয় তখন মানুষ পরিস্থিতিগত কারণে সৎ এটা আর বলা যাবে না। বরং উল্টোভাবে বলা যাবে, পরিস্থিতি যতই মানুষকে অসততার সুযোগ সৃষ্টি করে দিক না কেন মানুষ তাতে প্রভাবিত হবেনা বরং অসততাকে সততায় পরিবর্তন করবে। কারণ মানুষ যখন নিজের আত্মাকে জয় করতে পারে তখন কোনো নেতিবাচকতা মানুষকে জাপটে ধরতে পারে না।

আমি সমাজতত্ত্বের কথা বলছি না। তবে শ্রেণি বৈষম্যের কথা বলছি। এখানে উচ্চ বিত্তের শোষণের কারণে মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্তের শোষণের কারণের নিম্নবিত্তের সৃষ্টি হয়েছে। এখানে শ্রেণিগত জয় পরাজয়ের একধরণের মানবিক সংকট তৈরী করা হয়েছে। যেটা নিয়ে গবেষণা হতে পারে। তবে সে গবেষণার প্রকৃত ফলাফল যাতে জয় পরাজয়ের লড়াইয়ে হারিয়ে না যায়, বরং তা সমস্যা সমাধানের মূল উপাদান হিসেবে কাজ করে। সেটা যাতে আমরা চোখ দিয়ে দেখতে পারি।

তারপরও এমন জয় পরাজয়ের কতটা আমরা দেখতে পারি। মানুষ সবটা দেখতে পায়না। যতটুকু দেখে সেটার অনেকটাই অদেখা থেকে যায়। একটা অদৃশ্য খেলা সুতোর পর সুতোর টান দিতে দিতে কোথায় যে গিয়ে পৌঁছায় তা বোধ হয় বোঝাটা খুব কঠিন।  কিন্তু বুঝতে তো হবেই, জয় যেন জয় হয়, পরাজয় যেন পরাজয় হয়। ঝুলন্ত পেন্ডুলামের মতো জয় পরাজয় ঝুলছে একবার এদিকে আরেকবার ওদিকে। সেটা যেদিকে ঝুলে থাকলে মানুষের ভালো হয় সেদিকেই ঝুলে থাক। কারণ সব মানুষের জয় হোক এটাই তো আমরা চাই।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়