শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৩৬, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: সংকট, সম্ভাবনা ও টেকসই সংস্কারের সময় এখনই

ডা.মো. আবু কাওছার স্বপন
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: সংকট, সম্ভাবনা ও টেকসই সংস্কারের সময় এখনই

​একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান সূচক তার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তি গড়ে ওঠে একটি কার্যকর ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবার ওপর। বাংলাদেশ গত কয়েক দশকে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, টিকাদান কর্মসূচির সফলতা এবং গড় আয়ু বৃদ্ধির মতো ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আজ বহু জটিল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। শহর ও গ্রামের বৈষম্য, দক্ষ জনবলের সংকট, চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি, সুশাসনের ঘাটতি এবং প্রযুক্তির সীমিত ব্যবহারের কারণে সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

​বাংলাদেশের সংবিধানে স্বাস্থ্যকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেই অধিকার অনেক ক্ষেত্রেই কেবল নীতিপত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি হাসপাতালই প্রধান ভরসা; অথচ অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি। দীর্ঘ অপেক্ষা, জনবল সংকট, যন্ত্রপাতির অপ্রতুলতা এবং ওষুধের সীমাবদ্ধতা রোগীদের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দেয়। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান, যেখানে চিকিৎসা ব্যয় বহন করা সকলের পক্ষে সম্ভব হয় না। গবেষণায় দেখা যায়, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা ব্যয়ের একটি বিশাল অংশ—প্রায় ৬৮ শতাংশ—রোগীদের সরাসরি নিজের পকেট থেকে বহন করতে হয়, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ এবং অনেক পরিবারের জন্য তা অসহনীয়।

​বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় এখনও তুলনামূলকভাবে কম। স্বাস্থ্যকে ব্যয় নয়, বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করার সময় এসেছে। একটি সুস্থ জনগোষ্ঠীই উৎপাদনশীল অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। তাই জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ ধীরে ধীরে বাড়িয়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, জনবল এবং প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করা জরুরি। এক্ষেত্রে ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ (Universal Health Coverage) নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বীমা ব্যবস্থা এবং সরকারের ‘সামাজিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ (SSK) আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করা প্রয়োজন।

​বাংলাদেশের আরেকটি বড় সমস্যা হলো চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর অসম বণ্টন। রাজধানী ও বড় শহরগুলোতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হলেও জেলা, উপজেলা ও গ্রামীণ অঞ্চলে দক্ষ জনবল আজও অপর্যাপ্ত। অধিকাংশ মানুষ ছোটখাটো সমস্যার জন্য সরাসরি বড় হাসপাতালে ভিড় করেন। তাই কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে শক্তিশালী করে একটি কার্যকর ‘রেফারেল সিস্টেম’ গড়ে তোলা জরুরি, যাতে বড় হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমে এবং প্রান্তিক মানুষ ঘরে বসেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পায়।
​স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় সুশাসন নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসা সেবার মান নিয়ন্ত্রণ, বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মান উন্নয়নে সহযোগিতা প্রদান, ভেজাল ওষুধ প্রতিরোধ এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা প্রয়োজন। বর্তমান বিশ্বে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। বাংলাদেশেও টেলিমেডিসিন, ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক রোগ নির্ণয় এবং ডিজিটাল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার মতো উদ্যোগ গ্রহণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এসব প্রযুক্তি চিকিৎসা সেবাকে আরও দ্রুত, নির্ভুল এবং সহজলভ্য করতে পারে। তবে প্রযুক্তির পাশাপাশি মানবিকতা ও চিকিৎসা নৈতিকতা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

​বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগ—যেমন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যান্সার, কিডনি রোগ এবং মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা—দ্রুত বাড়ছে। অথচ আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এখনও অনেকাংশে সংক্রামক রোগ মোকাবিলার কাঠামোর ওপর নির্ভরশীল। তাই প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য শিক্ষা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সুস্থ জীবনযাপনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

​স্বাস্থ্যখাতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বর্তমানে দেশের স্বাস্থ্যসেবার একটি বড় অংশ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। তবে এই খাতকে প্রতিযোগিতার পরিবর্তে অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে কার্যকর নীতিমালা ও মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্বও অপরিসীম। আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও উন্নত দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে।

​সবশেষে, স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে রোগীকে। একজন রোগী শুধু একটি রোগের নাম নন; তিনি একজন মানুষ, যার প্রয়োজন সম্মান, সহানুভূতি এবং নিরাপদ চিকিৎসা। চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, প্রশাসন এবং নীতিনির্ধারকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সেবার মান, মানবিকতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। বাংলাদেশ নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে এগিয়ে চলেছে। এই অগ্রযাত্রাকে টেকসই করতে হলে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। একটি শক্তিশালী, আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, সুশাসিত এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাই আগামী বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও উন্নত জাতি গঠনের মূল চালিকাশক্তি।

লেখক: জেনারেল প্রাকটিশনার, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ চায়না-অ্যালামনাই (অ্যাবকা)

এই বিভাগের আরও খবর
তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও ভূরাজনীতি : বদ্বীপের অর্থনৈতিক মুক্তির কৌশলগত রূপরেখা
তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও ভূরাজনীতি : বদ্বীপের অর্থনৈতিক মুক্তির কৌশলগত রূপরেখা
জুলাই চেতনা বনাম জুলাই নিয়ে ব‍্যবসা
জুলাই চেতনা বনাম জুলাই নিয়ে ব‍্যবসা
জামায়াতের রাজনৈতিক হতাশা ও অর্থনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা
জামায়াতের রাজনৈতিক হতাশা ও অর্থনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা
জিয়া পরিবারের কূটনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নতুন অধ্যায়
জিয়া পরিবারের কূটনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নতুন অধ্যায়
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
সর্বশেষ খবর
এবার কি কাটবে রোনালদোর নকআউট ‘গোলখরা’?
এবার কি কাটবে রোনালদোর নকআউট ‘গোলখরা’?

৩৩ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!
যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কান লায়ন্স ২০২৬ : নতুন এআই সমাধান আনল টিকটক
কান লায়ন্স ২০২৬ : নতুন এআই সমাধান আনল টিকটক

২ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

হাবিপ্রবির ৬৬ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার
হাবিপ্রবির ৬৬ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার

২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণযোগ্য নয়: এরশাদ উল্লাহ এমপি
ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণযোগ্য নয়: এরশাদ উল্লাহ এমপি

৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে তীব্র তাপদাহের সতর্কতা
পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে তীব্র তাপদাহের সতর্কতা

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশে বিদেশি হস্তক্ষেপ সমর্থন করে না চীন: ইয়াও ওয়েন
বাংলাদেশে বিদেশি হস্তক্ষেপ সমর্থন করে না চীন: ইয়াও ওয়েন

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

যে পরিসংখ্যান ক্রোয়েশিয়ার দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে
যে পরিসংখ্যান ক্রোয়েশিয়ার দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাদুড়ের স্পর্শই কাল হলো, জলাতঙ্কে প্রাণ গেল ১১ বছরের শিশুর
বাদুড়ের স্পর্শই কাল হলো, জলাতঙ্কে প্রাণ গেল ১১ বছরের শিশুর

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু
যশোর বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ময়লার ভাগাড়ে মিললো নবজাতকের মরদেহ
ময়লার ভাগাড়ে মিললো নবজাতকের মরদেহ

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

আত্মহত্যার ইচ্ছা ছিল পাইলটের, বেইজিংয়ে আকাশচুম্বী ভবনে বিমান বিধ্বস্ত
আত্মহত্যার ইচ্ছা ছিল পাইলটের, বেইজিংয়ে আকাশচুম্বী ভবনে বিমান বিধ্বস্ত

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?
পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতার উদ্যোগে এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে পানি বিতরণ
নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতার উদ্যোগে এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে পানি বিতরণ

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চীনের সবচেয়ে উঁচু ভবনে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন পাইলট
চীনের সবচেয়ে উঁচু ভবনে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন পাইলট

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ বাবার
নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ বাবার

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী আলোচনা ১৮ জুলাই
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী আলোচনা ১৮ জুলাই

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে ‘নজরুল বর্ষ-২০২৬-২০২৭’ পালনে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন
খাগড়াছড়িতে ‘নজরুল বর্ষ-২০২৬-২০২৭’ পালনে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার
বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সমৃদ্ধকরণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
মোংলায় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সমৃদ্ধকরণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প
ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প

৩৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনোয়ারায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী ৩০টিরও বেশি চীনা কোম্পানি
আনোয়ারায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী ৩০টিরও বেশি চীনা কোম্পানি

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সিরাজগঞ্জে ধানের বীজ ও সার বিতরণ
সিরাজগঞ্জে ধানের বীজ ও সার বিতরণ

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেসিকে চিঠি লিখে বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ পেল ছোট্ট মানু
মেসিকে চিঠি লিখে বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ পেল ছোট্ট মানু

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মেক্সিকোর বিপক্ষে হারলেও ‘চিন্তা নেই’ ইংল্যান্ড কোচ টুখেলের, তৈরি আছে ‘অজুহাত’
মেক্সিকোর বিপক্ষে হারলেও ‘চিন্তা নেই’ ইংল্যান্ড কোচ টুখেলের, তৈরি আছে ‘অজুহাত’

৫৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মেক্সিকোর চেয়েও বড় বাধা আজতেকা স্টেডিয়ামের উচ্চতা, কঠিন পরীক্ষায় ইংল্যান্ড
মেক্সিকোর চেয়েও বড় বাধা আজতেকা স্টেডিয়ামের উচ্চতা, কঠিন পরীক্ষায় ইংল্যান্ড

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৪৭৮৪ শিক্ষার্থী, বহিষ্কার ৭
এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৪৭৮৪ শিক্ষার্থী, বহিষ্কার ৭

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে চড়ে যা বললেন ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে চড়ে যা বললেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পেলেকে ছাড়িয়ে  নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন
পেলেকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন
জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরে গিয়ে মস্তিষ্কে ৩৮ পরজীবী নিয়ে ফিরলেন নারী, অতঃপর…
ভারত সফরে গিয়ে মস্তিষ্কে ৩৮ পরজীবী নিয়ে ফিরলেন নারী, অতঃপর…

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত
প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ
সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা
হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘আমার শেখানোকে গুরুত্বই দেয়নি’, পদত্যাগের পর উরুগুয়ে কোচ
‘আমার শেখানোকে গুরুত্বই দেয়নি’, পদত্যাগের পর উরুগুয়ে কোচ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি
মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এক মাস পর জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিব, পার পিস ৫০ টাকা: উমামা ফাতেমা
এক মাস পর জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিব, পার পিস ৫০ টাকা: উমামা ফাতেমা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মরুর দেশে রেল বিপ্লব, প্রথম জাতীয় ট্রেনসেবা চালু করলো আমিরাত
মরুর দেশে রেল বিপ্লব, প্রথম জাতীয় ট্রেনসেবা চালু করলো আমিরাত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে: উর্মি
লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে: উর্মি

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’
‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ
এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম
প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি

৮ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস
গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি এই পর্যন্ত কী কাজে লেগেছে : মিষ্টি জান্নাত
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি এই পর্যন্ত কী কাজে লেগেছে : মিষ্টি জান্নাত

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

থালাপাতি বিজয়ের সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র!
থালাপাতি বিজয়ের সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র!

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী
ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই
৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রেকর্ড তাপমাত্রায় ফুটছে সমুদ্রের পানি, বড় বিপর্যয়ের সতর্কতা বিজ্ঞানীদের
রেকর্ড তাপমাত্রায় ফুটছে সমুদ্রের পানি, বড় বিপর্যয়ের সতর্কতা বিজ্ঞানীদের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিল ম্যাচে হালান্ডকে বিশ্রাম নিতে বললেন রদ্রিগো
ব্রাজিল ম্যাচে হালান্ডকে বিশ্রাম নিতে বললেন রদ্রিগো

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত
তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল
চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল

নগর জীবন

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু
পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার
এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়
ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়

প্রথম পৃষ্ঠা

পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের
পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে  মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স
নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

কালের সাক্ষী বলিহার হাউস
কালের সাক্ষী বলিহার হাউস

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

নগর জীবন

গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত
গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার
দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি
ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আলু চাষ এখন গলার কাঁটা
আলু চাষ এখন গলার কাঁটা

নগর জীবন

সেতুটি এখন গলার কাঁটা
সেতুটি এখন গলার কাঁটা

দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি

সম্পাদকীয়

পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স
পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স

প্রথম পৃষ্ঠা

অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা
অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা

রকমারি নগর পরিক্রমা

কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে
কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে

পেছনের পৃষ্ঠা

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে
নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে

নগর জীবন

রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি
রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি

নগর জীবন

গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক
গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক

শোবিজ

হলান্ড যেন গোলের গন্ধ পান
হলান্ড যেন গোলের গন্ধ পান

প্রথম পৃষ্ঠা

খেলার সময়সূচি
খেলার সময়সূচি

মাঠে ময়দানে

হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ
হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালি যুবক রিয়ানের দেশে ফেরার অপেক্ষা
নেপালি যুবক রিয়ানের দেশে ফেরার অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে
সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে

নগর জীবন

ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান
ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান

নগর জীবন