শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:০৬, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬ আপডেট: ১৩:২১, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

চীন-মালয়েশিয়া সফর

জিয়া পরিবারের কূটনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নতুন অধ্যায়

সাবীনা সুমী
অনলাইন ভার্সন
জিয়া পরিবারের কূটনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নতুন অধ্যায়

বিদেশ সফরের প্রকৃত সাফল্য দেশে ফিরে আসার দিন নির্ধারিত হয় না। সময়ই তার আসল বিচারক। কোনো সফরের মূল্য কেবল কতটি চুক্তি হলো, কতটি সমঝোতা স্মারক সই হলো বা কতটি ঘোষণা এলো, এসব দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না। 

কূটনীতির অনেক অর্জন দৃশ্যমান হতে সময় লাগে। কখনও তা বাণিজ্যে প্রতিফলিত হয়, কখনও বিনিয়োগে, কখনও আন্তর্জাতিক আস্থায়, আবার কখনও একটি দেশের কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়।

এই বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীনকে অগ্রাধিকার দেওয়া নিছক একটি কূটনৈতিক কর্মসূচি নয়। এর মধ্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি সুস্পষ্ট দর্শনের প্রতিফলন রয়েছে। সেই দর্শনের ভিত্তি নির্মাণ করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তা নতুন বাস্তবতায় সম্প্রসারিত করেন। আর আজকের পরিবর্তিত বিশ্বে তারেক রহমান সেই ধারাবাহিকতাকে নতুন অর্থনৈতিক ও কৌশলগত বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেছেন, এমন ইঙ্গিতই মিলছে।

অনেকেই প্রশ্ন করছেন, প্রথম বিদেশ সফরের জন্য কেন চীন ও মালয়েশিয়া? কেন অন্য কোনো দেশ নয়? এর উত্তর খুঁজতে হলে কয়েক দশক পেছনে তাকাতে হবে।

স্বাধীনতার পর আন্তর্জাতিক রাজনীতি ছিল দুই পরাশক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিভক্ত। সেই বাস্তবতায় জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে কোনো একক শক্তির ওপর নির্ভরশীল না রেখে বহুমাত্রিক করার উদ্যোগ নেন। তাঁর কূটনৈতিক দর্শনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ যেখানে সবচেয়ে বেশি সুরক্ষিত হবে, সেখানেই সম্পর্ক আরও গভীর করা। এই নীতির অংশ হিসেবেই চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন গতি পায়। একই সময়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং মুসলিম বিশ্বের অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণেও তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।

মালয়েশিয়া তখন দ্রুত শিল্পায়নের পথে এগোচ্ছে। চীনও ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক সংস্কারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট জিয়া হয়তো আজকের বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্র দেখেননি। কিন্তু তিনি উপলব্ধি করেছিলেন ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে কেবল রাজনৈতিক বন্ধুত্ব নয়, অর্থনৈতিক অংশীদারও খুঁজতে হবে।

খালেদা জিয়ার সময় সেই নীতির বাস্তব প্রয়োগ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চীনের সঙ্গে অবকাঠামো, প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়তে থাকে। অন্যদিকে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে পরিণত হয়। হাজার হাজার বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে যায়। একই সঙ্গে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের নতুন ক্ষেত্রও উন্মুক্ত হতে থাকে।

এই ধারাবাহিকতার মধ্যেই এসেছে তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সফর। তবে এটিকে কেবল অতীতের পুনরাবৃত্তি বললে ভুল হবে। কারণ বিশ্ব এখন অনেক বদলে গেছে।

আজকের পৃথিবীতে রাষ্ট্রগুলোর প্রতিযোগিতা শুধু কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তারে নয়; বরং শিল্প, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, দক্ষ জনশক্তি, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং বাজারে প্রবেশাধিকার নিয়েও। ফলে বাংলাদেশের কূটনীতিকেও নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হচ্ছে।

এ কারণেই চীন সফরের গুরুত্ব শুধু নতুন সহযোগিতা ঘোষণায় সীমাবদ্ধ নয়। এর বড় তাৎপর্য হলো—বাংলাদেশ নিজেকে শুধু উন্নয়ন সহায়তা গ্রহণকারী রাষ্ট্র হিসেবে নয়, বরং উৎপাদন, শিল্পায়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় অংশীদার হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। যদি এই প্রচেষ্টা বাস্তবে রূপ পায়, তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে নিম্নমূল্যের শ্রমনির্ভর উৎপাদন থেকে উচ্চমূল্যের শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদনের দিকে এগোতে পারে।

একইভাবে মালয়েশিয়া সফরের তাৎপর্যও শুধু শ্রমবাজারে সীমাবদ্ধ নয়। বহু বছর ধরে দুই দেশের সম্পর্কের প্রধান আলোচ্য ছিল কর্মী পাঠানো। কিন্তু এখন আলোচনায় দক্ষ মানবসম্পদ, বিনিয়োগ, কৃষি, হালাল শিল্প, প্রযুক্তি এবং শিল্প সহযোগিতার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের চরিত্রই বদলে যেতে পারে।

এই সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির ভাষা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। অতীতে উন্নয়ন সহযোগিতা বা অবকাঠামো নির্মাণ ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। এখন গুরুত্ব পাচ্ছে বিনিয়োগ, বাজার, প্রযুক্তি, শিল্প স্থানান্তর এবং উৎপাদন। এই পরিবর্তন কেবল শব্দের পরিবর্তন নয়; এটি অর্থনৈতিক কৌশলেরও পরিবর্তন।

অনেকে বিদেশ সফরের মূল্যায়ন করেন কতটি চুক্তি হলো, কত ডলারের প্রতিশ্রুতি এল বা কতটি সমঝোতা স্মারক সই হলো, সেগুলো দিয়ে। কিন্তু কূটনীতির ইতিহাস ভিন্ন কথা বলে। অনেক বড় ঘোষণাই বাস্তবায়নের অভাবে ইতিহাসে হারিয়ে গেছে। আবার অনেক ছোট উদ্যোগ সময়ের সঙ্গে একটি দেশের অর্থনীতিকে বদলে দিয়েছে। তাই সফরের প্রকৃত মূল্য নির্ভর করে ঘোষণার ওপর নয়, বাস্তবায়নের ওপর।

চীন ও মালয়েশিয়া, দুটি দেশই বাংলাদেশের জন্য কেবল বন্ধু রাষ্ট্র নয়; তারা অর্থনৈতিক রূপান্তরের সম্ভাব্য অংশীদার। একটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনশীল অর্থনীতি, অন্যটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সফল শিল্পোন্নত রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সামনে যখন মধ্যম আয়ের ফাঁদ এড়িয়ে উচ্চ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ, তখন এই দুই দেশের সঙ্গে গভীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তবে এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি রয়ে যায়। এই সফর কি ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নেবে? এর উত্তর এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ ইতিহাস তাৎক্ষণিক রায় দেয় না।

জিয়াউর রহমান যে বহুমাত্রিক কূটনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন এবং খালেদা জিয়া যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও শ্রমবাজারভিত্তিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করেছিলেন, তারেক রহমানের চীন ও মালয়েশিয়া সফর সেই ধারাবাহিকতাকে পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় নতুন মাত্রা দেওয়ার একটি প্রয়াস হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে এর প্রকৃত মূল্যায়ন হবে বাস্তবায়নের অগ্রগতির ভিত্তিতে।

তবে চীন ও মালয়েশিয়া সফর বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে—এমন ইঙ্গিত মিলেছে। তবে সেই সম্ভাবনা কতটা বাস্তবে রূপ নেবে, তা নির্ভর করবে প্রতিশ্রুত উদ্যোগের বাস্তবায়ন, বিনিয়োগের প্রবাহ, বাণিজ্যের বিস্তার, প্রযুক্তি সহযোগিতার অগ্রগতি এবং দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্ককে কতটা প্রাতিষ্ঠানিক ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো যায়, তার ওপর।

চীন ও মালয়েশিয়া সফরকে তাই কেবল একটি কূটনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতিকে নতুন বাস্তবতায় অভিযোজিত করার একটি প্রচেষ্টা এবং জিয়া পরিবারের বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতার নতুন অধ্যায়। এখন প্রয়োজন ঘোষণাগুলোকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। কারণ কূটনীতির সাফল্য ঘোষণায় নয়, বাস্তবায়নেই প্রতিষ্ঠিত হয়।

লেখক: গণমাধ্যমকর্মী

এই বিভাগের আরও খবর
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় কুকুর হত্যা চেষ্টা মামলায় ফার্নিচার ব্যবসায়ী গ্রেফতার
বগুড়ায় কুকুর হত্যা চেষ্টা মামলায় ফার্নিচার ব্যবসায়ী গ্রেফতার

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২ হাজার ২৯৪ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২ হাজার ২৯৪ মামলা

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ, তবু মেক্সিকোর মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত ইরান
বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ, তবু মেক্সিকোর মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত ইরান

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কলাপাড়ায় জাতীয় ফল মেলা শুরু
কলাপাড়ায় জাতীয় ফল মেলা শুরু

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অন্য দেশের কনসার্নের সুযোগ নেই : তথ্য উপদেষ্টা
তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অন্য দেশের কনসার্নের সুযোগ নেই : তথ্য উপদেষ্টা

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

১৭ কোটির বাজেটের ‘ডিয়ার ইউ’ গড়লো ৩ হাজার কোটির ইতিহাস
১৭ কোটির বাজেটের ‘ডিয়ার ইউ’ গড়লো ৩ হাজার কোটির ইতিহাস

১০ মিনিট আগে | শোবিজ

রূপগঞ্জে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন, বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ ও ফলজ উৎসব
রূপগঞ্জে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন, বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ ও ফলজ উৎসব

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ফসলি জমিতে অবৈধভাবে অটো রাইস মিল নির্মাণের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন
ফসলি জমিতে অবৈধভাবে অটো রাইস মিল নির্মাণের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

সাময়িক বিরতিতে লিংকন, আর্টসেলে যোগ দিলেন বখতিয়ার
সাময়িক বিরতিতে লিংকন, আর্টসেলে যোগ দিলেন বখতিয়ার

১৯ মিনিট আগে | শোবিজ

বিমানবালাকে যৌন হয়রানি ভারতীয় নাগরিকের, অতঃপর...
বিমানবালাকে যৌন হয়রানি ভারতীয় নাগরিকের, অতঃপর...

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার পলাতক আসামি মমতা গ্রেপ্তার
শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার পলাতক আসামি মমতা গ্রেপ্তার

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে যানজট মুক্ত রাখতে ডিএমপির ৫ বিশেষ নির্দেশনা
এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে যানজট মুক্ত রাখতে ডিএমপির ৫ বিশেষ নির্দেশনা

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

পুনর্নির্বাচন হলে প্রার্থী হতে বাধা নেই আসলাম চৌধুরীর
পুনর্নির্বাচন হলে প্রার্থী হতে বাধা নেই আসলাম চৌধুরীর

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

অ্যাপ দিয়ে কী ভূমি অফিসগুলো দুর্নীতিমুক্ত হবে?
অ্যাপ দিয়ে কী ভূমি অফিসগুলো দুর্নীতিমুক্ত হবে?

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

শিরোপার পথে ফ্রান্সের প্রথম বাধা সুইডেন
শিরোপার পথে ফ্রান্সের প্রথম বাধা সুইডেন

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পেট্রোলের দাম কমানোর নির্দেশ ট্রাম্পের, না মানলে ‘বড় বিপদের’ হুঁশিয়ারি
পেট্রোলের দাম কমানোর নির্দেশ ট্রাম্পের, না মানলে ‘বড় বিপদের’ হুঁশিয়ারি

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে ৫৮ হাজারের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে ৫৮ হাজারের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে হাসপাতালের ময়লার স্তূপে কান্নার শব্দ, অতঃপর...
মধ্যরাতে হাসপাতালের ময়লার স্তূপে কান্নার শব্দ, অতঃপর...

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৮ দিনের নবজাতকসহ মাকে জীবিত উদ্ধার
ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৮ দিনের নবজাতকসহ মাকে জীবিত উদ্ধার

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভেনেজুয়েলার গুরুত্বপূর্ণ বন্দর চালু, মরদেহ সমাহিত করার কাজ শুরু
ভেনেজুয়েলার গুরুত্বপূর্ণ বন্দর চালু, মরদেহ সমাহিত করার কাজ শুরু

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমি আমেরিকাবিরোধী নই, তবে নতজানুও হবো না: ইতালির প্রধানমন্ত্রী
আমি আমেরিকাবিরোধী নই, তবে নতজানুও হবো না: ইতালির প্রধানমন্ত্রী

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘রিফাইন্ড’ বা অন্য নামেও আওয়ামী লীগ কর্মসূচি করতে পারবে না : তথ্য উপদেষ্টা
‘রিফাইন্ড’ বা অন্য নামেও আওয়ামী লীগ কর্মসূচি করতে পারবে না : তথ্য উপদেষ্টা

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

২২৬০ কোটি টাকা বাজেট চসিকের
২২৬০ কোটি টাকা বাজেট চসিকের

৪৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঠাকুরগাঁওয়ে ভাঙা কালভার্ট যেন মরণফাঁদ, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
ঠাকুরগাঁওয়ে ভাঙা কালভার্ট যেন মরণফাঁদ, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন
ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

৫৬ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বিশ্বকাপে প্রিয় দল ও ফুটবলারের নাম জানালেন জয়া আহসান
বিশ্বকাপে প্রিয় দল ও ফুটবলারের নাম জানালেন জয়া আহসান

৫৬ মিনিট আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে
নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?
জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার
সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস
শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে
নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার
স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?
শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রযুক্তি খাতে ৫১৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দক্ষিণ কোরিয়ার
প্রযুক্তি খাতে ৫১৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দক্ষিণ কোরিয়ার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’
ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি
ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন
দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো
টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়ে অভিভূত সেই গোলরক্ষক
অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়ে অভিভূত সেই গোলরক্ষক

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ
পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার
বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি
কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম