শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:৩৬, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও ভূরাজনীতি : বদ্বীপের অর্থনৈতিক মুক্তির কৌশলগত রূপরেখা

অধ্যাপক আবু ইউসুফ মো. আবদুল্লাহ
অনলাইন ভার্সন
তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও ভূরাজনীতি : বদ্বীপের অর্থনৈতিক মুক্তির কৌশলগত রূপরেখা

গ্রিক দার্শনিক হেরাক্লিটাস বলেছিলেন, ‘আপনি একই নদীতে দুবার পা রাখতে পারবেন না।’ কারণ নদীর জল অনবরত বয়ে যায়, পরমুহূর্তেই তা নতুন রূপ নেয়। বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবনে এই দার্শনিক সত্যটি আজ এক ভয়ংকর ও নির্মম বাস্তবে রূপ নিয়েছে। তারা চাইলেও তাদের শৈশবের সেই চেনা নদীতে আর পা রাখতে পারেন না। কারণ যে নদী একসময় তাদের জীবন ও জীবিকার স্পন্দন ছিল, তার সেই চিরায়ত স্রোত আজ আর নেই। সময়ের পরিক্রমায় নদী পাল্টেছে ঠিকই, তবে তা নতুন কোনো স্রোত নিয়ে নয়; বরং বছরের অর্ধেক সময় ধু-ধু বালুচর আর বাকি অর্ধেক সময় প্রলয়ংকরী বন্যার এক মরণফাঁদ হয়ে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর আন্তর্জাতিক মহলে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই সফর ১৮ কোটি মানুষের ঘনবসতিপূর্ণ, সীমিত সম্পদের বদ্বীপ রাষ্ট্রের জন্য বাস্তবমুখী অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদ এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির টেস্ট কেস। আমাদের ভৌগোলিক অবস্থান ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রধান শর্ত হওয়া উচিত—কোনো আদর্শিক সংঘাত বা উসকানিমূলক বাগাড়ম্বরের ফাঁদে না পড়ে, সবার সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে সর্বোচ্চ জাতীয় স্বার্থ আদায়।

রিসোর্স ডিপেন্ডেন্সি থিওরি (Resource Dependency Theory) অনুযায়ী, একটি রাষ্ট্র যখন টিকে থাকতে অপরিহার্য কোনো সম্পদের জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন তার সার্বভৌম দরকষাকষির ক্ষমতা হ্রাস পায়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেই অপরিহার্য সম্পদটি হলো পানি। উত্তরবঙ্গের জীবনরেখা তিস্তা নদী যুগ যুগ ধরে ঐতিহাসিক সংকটের মুখোমুখি। 

বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের শুষ্ক মৌসুমের (ডিসেম্বর-এপ্রিল) পানি প্রবাহের রেকর্ড ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গজলডোবা ব্যারেজের মাধ্যমে পানি প্রত্যাহারের ফলে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার স্বাভাবিক প্রবাহ যেখানে ৫,০০০ কিউসেক থাকার কথা, তা নেমে আসে মাত্র ৪০০ কিউসেকে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন এবং খাদ্য নিরাপত্তায়।

ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (IFPRI) এবং সাম্প্রতিক জলবায়ু গবেষণা সংস্থাগুলোর উপাত্ত অনুযায়ী, তিস্তা অববাহিকায় প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমের খরা এবং বর্ষা মৌসুমের আকস্মিক বন্যা ও নদীভাঙনের কারণে কয়েক হাজার কোটি টাকার আর্থিক ও ব্যাপক কাঠামোগত ক্ষতি হচ্ছে। প্রতি বছর নদীভাঙনের শিকার হয়ে প্রায় ৪০ হাজার পরিবার গৃহহীন হয় এবং সর্বস্ব হারিয়ে শহরের বস্তিগুলোতে আশ্রয় নেয়। এটি দেশের অভ্যন্তরীণ স্থানান্তর ও দারিদ্র্যের হারকে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (DAE) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, খরা ও সেচের পানির অভাবে প্রতি বছর কেবল আমন ও বোরো ধানের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে প্রায় ১৫ লক্ষ টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬ থেকে ৮ হাজার কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষতির মুখে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের মানুষ গত এক দশক ধরে এক বুক আশা নিয়ে প্রতীক্ষা করছে একটি স্থায়ী সমাধানের—যার নাম ‘তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প’ বা ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’।

এই পটভূমিতে দাঁড়িয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফর বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল কৌশলগত প্রাপ্তির দুয়ার খুলে দিয়েছে। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের আর্থিক অনুদান নিশ্চিত হয়েছে। তবে বাণিজ্যের বিপণন কৌশল এবং কূটনীতির ভাষায় এই সফরের সবচেয়ে বড় অনন্য অর্জন বা ‘ইউএসপি’ (USP) হলো তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের সরাসরি কারিগরি ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের সুনির্দিষ্ট সম্মতি।

চীন এই মেগা প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা দ্রুততম সময়ে শেষ করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা প্রকল্পটিকে কাগজের ফাইল থেকে বাস্তবে রূপান্তরের প্রথম অবধারিত ধাপ। বেইজিংয়ের এই বিশাল কারিগরি ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের জন্য এই মুহূর্তে অত্যন্ত প্রয়োজন। কারণ, চীন ইতিমধ্যেই থ্রি গর্জেস ড্যামসহ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নদী শাসন ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো অত্যন্ত সফলভাবে বাস্তবায়ন করে তাদের প্রকৌশলগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান ‘পাওয়ারচায়না’ (PowerChina)-এর প্রাথমিক ফিজিবিলিটি স্টাডি (কারিগরি সমীক্ষা) রিপোর্ট এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (BWDB) মেগা প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই মহাপরিকল্পনায় রয়েছে ১১৫ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং, নদীর দুই তীরে শক্তিশালী বাঁধ নির্মাণ, ১৭০ বর্গকিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার এবং সেই উদ্ধারকৃত জমিতে আধুনিক কৃষিখামার, সোলার এনার্জি পার্ক ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা। বিপণন ও অর্থনীতির দৃষ্টিতে এটি উত্তরবঙ্গের পুরো সাপ্লাই চেইন এবং আঞ্চলিক জিডিপি-কে এক ধাক্কায় বদলে দেওয়ার মতো একটি 'গেম চেঞ্জার' প্রজেক্ট।

কিন্তু এই অর্থনৈতিক প্রাপ্তির ঠিক উল্টো পিঠেই রয়েছে ভূরাজনীতির জটিল সমীকরণ। বাংলাদেশের এই তিস্তা পরিকল্পনা ও চীন সফর নিয়ে প্রতিবেশী ভারতের নীতিনির্ধারক মহল এবং তাদের মূলধারার গণমাধ্যমগুলোতে বেশ উদ্বেগজনক আলোচনা চলছে। দিল্লির এই কৌশলগত উদ্বেগের প্রধান কারণ ভূ-কৌশলগত অবস্থান। তিস্তা প্রকল্পের প্রস্তাবিত এলাকাটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সংযোগস্থলের অত্যন্ত নিকটবর্তী। ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের শঙ্কা, এই প্রকল্পের আওতায় চীনের সম্ভাব্য কারিগরি উপস্থিতি তাদের ওই কৌশলগত সংযোগস্থলের জন্য এক ধরনের দীর্ঘমেয়াদি অস্বস্তির কারণ হতে পারে। 

এই জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নব্য-বাস্তববাদের (Neo-realism) চিন্তা মাথায় রাখতে হবে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জন মিয়ারশেইমার তাঁর বিখ্যাত 'দ্য ট্র্যাজেডি অব গ্রেট পাওয়ার পলিটিক্স' গ্রন্থে দেখিয়েছেন, পরাশক্তিরা সবসময় নিজেদের প্রভাব বলয় বজায় রাখতে চায়, যেখানে ছোট বা উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলোকে অনেক সময় ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হয়। বাংলাদেশ একটি উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হতে পারে, কিন্তু ভৌগোলিক ও সামরিক দিক থেকে বৃহৎ শক্তিগুলোর তুলনায় আমাদের সমীকরণ ভিন্ন। তাই আমাদের এমন কোনো আবেগতাড়িত সিদ্ধান্ত বা সামাজিক মাধ্যমে উসকানিমূলক রাজনৈতিক বক্তৃতার ফাঁদে পড়ে কাউকে শত্রুভাবান্ন করে তোলা যাবেনা।   

ভারত আমাদের তিন দিকের প্রতিবেশী, তাদের সাথে আমাদের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক গভীর। আবার চীন আমাদের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী এবং প্রযুক্তিগত পরাশক্তি। এই দুই শক্তির দ্বন্দ্বে আমরা কোনো পক্ষের ভূরাজনৈতিক হাতিয়ার হতে পারি না। তাই নেগোসিয়েশন ও সহযোগীতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে আমাদের নীতি হবে অত্যন্ত সুবিবেচিত, পরিপক্ক এবং ভারসাম্যপূর্ণ। 

বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী হিসেবে ভারতকে আমাদের অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায়, শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে অবগত করতে হবে যে, তিস্তা প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে একটি পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক মুক্তির প্রকল্প; এর সাথে কৌশলগত বা সামরিক কোনো উদ্দেশ্য যুক্ত নয়। প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং দিল্লির অমূলক ভীতি দূর করতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নদী আইনের আওতায় আস্থা-নির্মাণমূলক পদক্ষেপ (Confidence Building Measures) গ্রহণ করতে পারে।

তবে একই সাথে, দিল্লির উদ্বেগের প্রতি প্রতিবেশীসুলভ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে আমাদের নিজেদের অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত সুরক্ষার প্রশ্নে অটল থাকতে হবে। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত পানি বণ্টন চুক্তির বাস্তবতায়, তিস্তা অববাহিকার ৫ কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় নিজেদের সীমানার ভেতরে নদী শাসনের জন্য বিক০ল্প কারিগরি অংশীদারিত্ব গ্রহণ করা বাংলাদেশের জন্য একটি অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদ মাত্র। 

আধুনিক কূটনীতি হলো সর্বোচ্চ প্রজ্ঞার সাথে জাতীয় সম্পদ ও ভূ-কৌশলগত স্বার্থ সুরক্ষার এক সুনিপুণ প্রয়াস। বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক সমীকরণে নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় অংশীদার। তিস্তা মহাপরিকল্পনা তাই নিছক কোনো নদী শাসন প্রকল্প নয়; এটি ১৮ কোটি মানুষের বদ্বীপ রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা। এই রূপরেখা বাস্তবায়নে পরাশক্তিগুলোর প্রভাব বলয়ে নিঃশর্ত সমর্পণ কিংবা অপরিণামদর্শী কোনো কূটনৈতিক পদক্ষেপ—উভয় পথই বাংলাদেশের জন্য বর্জনীয়। বেইজিংয়ের কারিগরি সক্ষমতা এবং দিল্লির কৌশলগত উদ্বেগের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ভারসাম্যপূর্ণ ও সূক্ষ্ম কূটনৈতিক সেতুবন্ধন রচনা করতে হবে, যেখানে দিনশেষে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের, আমাদের কৃষকের এবং আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতির।

লেখক: শিক্ষাবিদ ও উদ্যোক্তা; পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: সংকট, সম্ভাবনা ও টেকসই সংস্কারের সময় এখনই
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: সংকট, সম্ভাবনা ও টেকসই সংস্কারের সময় এখনই
জুলাই চেতনা বনাম জুলাই নিয়ে ব‍্যবসা
জুলাই চেতনা বনাম জুলাই নিয়ে ব‍্যবসা
জামায়াতের রাজনৈতিক হতাশা ও অর্থনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা
জামায়াতের রাজনৈতিক হতাশা ও অর্থনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা
জিয়া পরিবারের কূটনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নতুন অধ্যায়
জিয়া পরিবারের কূটনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নতুন অধ্যায়
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
সর্বশেষ খবর
এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৪৭৮৪ শিক্ষার্থী, বহিষ্কার ৭
এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৪৭৮৪ শিক্ষার্থী, বহিষ্কার ৭

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে চড়ে যা বললেন ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে চড়ে যা বললেন ট্রাম্প

৫২ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: কাতার
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: কাতার

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্তুগাল, স্পেনের ভাগ্য পরীক্ষা রাতে: বিশ্বমঞ্চে আরও যা যা ঘটেছে
পর্তুগাল, স্পেনের ভাগ্য পরীক্ষা রাতে: বিশ্বমঞ্চে আরও যা যা ঘটেছে

৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার মুখে নাতনিকে দেওয়া বাইসাইকেল ফেরত দিলেন জামায়াত নেতা
সমালোচনার মুখে নাতনিকে দেওয়া বাইসাইকেল ফেরত দিলেন জামায়াত নেতা

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চুয়াডাঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ভোক্তার জ‌রিমানা
চুয়াডাঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ভোক্তার জ‌রিমানা

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার

৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

জলবায়ু ও পুষ্টি সচেতনতা ক্যাম্পেইনে তরুণরা
জলবায়ু ও পুষ্টি সচেতনতা ক্যাম্পেইনে তরুণরা

১৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারই হবে স্বনির্ভর বাংলাদেশের মৌলিক ভিত্তি: মাহ্দী আমিন
শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারই হবে স্বনির্ভর বাংলাদেশের মৌলিক ভিত্তি: মাহ্দী আমিন

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে তিস্তা তীরে আলোর মিছিল
তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে তিস্তা তীরে আলোর মিছিল

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় বসতঘরের জানালার গ্রিল কেটে নগদ অর্থ চুরি
টুঙ্গিপাড়ায় বসতঘরের জানালার গ্রিল কেটে নগদ অর্থ চুরি

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: সংকট, সম্ভাবনা ও টেকসই সংস্কারের সময় এখনই
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: সংকট, সম্ভাবনা ও টেকসই সংস্কারের সময় এখনই

২২ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

মেসিদের ম্যাচ পরিচালনা করবেন ড্রিউ ফিশার
মেসিদের ম্যাচ পরিচালনা করবেন ড্রিউ ফিশার

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৯ আগস্ট
রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৯ আগস্ট

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর
সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর

২৭ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গোপালগঞ্জে তিন দিনব্যাপী নজরুল বর্ষের উদ্বোধন
গোপালগঞ্জে তিন দিনব্যাপী নজরুল বর্ষের উদ্বোধন

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিয়েলসা থেকে কোম্যান, বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় পদ হারালেন যে কোচেরা
বিয়েলসা থেকে কোম্যান, বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় পদ হারালেন যে কোচেরা

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভ্যানচোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু
ভ্যানচোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যে কোনো অপপ্রচার কঠোর হস্তে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
যে কোনো অপপ্রচার কঠোর হস্তে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৩৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সব সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত, গভীর সাগরে যেতে মানা
সব সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত, গভীর সাগরে যেতে মানা

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও মেক্সিকান জোয়ার, কী আছে ইংল্যান্ডের ভাগ্যে
ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও মেক্সিকান জোয়ার, কী আছে ইংল্যান্ডের ভাগ্যে

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাষ্ট্রক্ষমতা নাকি ব্যবসায়িক সুবিধা? ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক
রাষ্ট্রক্ষমতা নাকি ব্যবসায়িক সুবিধা? ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু
বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগ

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২১
যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২১

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

শ্রীপুরে আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
শ্রীপুরে আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আনচেলত্তি আমরা আপনার দিকে আসছি: নরওয়ে কোচ
আনচেলত্তি আমরা আপনার দিকে আসছি: নরওয়ে কোচ

৪৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আসামি আলমগীরের মৃত্যুদণ্ড
মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আসামি আলমগীরের মৃত্যুদণ্ড

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান
দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান

৫৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!
৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পেলেকে ছাড়িয়ে  নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন
পেলেকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন
জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরে গিয়ে মস্তিষ্কে ৩৮ পরজীবী নিয়ে ফিরলেন নারী, অতঃপর…
ভারত সফরে গিয়ে মস্তিষ্কে ৩৮ পরজীবী নিয়ে ফিরলেন নারী, অতঃপর…

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত
প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা
হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘আমার শেখানোকে গুরুত্বই দেয়নি’, পদত্যাগের পর উরুগুয়ে কোচ
‘আমার শেখানোকে গুরুত্বই দেয়নি’, পদত্যাগের পর উরুগুয়ে কোচ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ
সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি
মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এক মাস পর জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিব, পার পিস ৫০ টাকা: উমামা ফাতেমা
এক মাস পর জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিব, পার পিস ৫০ টাকা: উমামা ফাতেমা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মরুর দেশে রেল বিপ্লব, প্রথম জাতীয় ট্রেনসেবা চালু করলো আমিরাত
মরুর দেশে রেল বিপ্লব, প্রথম জাতীয় ট্রেনসেবা চালু করলো আমিরাত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’
‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে: উর্মি
লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে: উর্মি

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ
এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম
প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশুকে চিড়িয়াখানার কুমিরের খাঁচায় নিক্ষেপ, অতঃপর…
শিশুকে চিড়িয়াখানার কুমিরের খাঁচায় নিক্ষেপ, অতঃপর…

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি

৭ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

থালাপাতি বিজয়ের সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র!
থালাপাতি বিজয়ের সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র!

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি এই পর্যন্ত কী কাজে লেগেছে : মিষ্টি জান্নাত
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি এই পর্যন্ত কী কাজে লেগেছে : মিষ্টি জান্নাত

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস
গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই
৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মিথ্যা বলছেন নেতানিয়াহু: সাবেক ইসরায়েলি সেনাপ্রধান
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মিথ্যা বলছেন নেতানিয়াহু: সাবেক ইসরায়েলি সেনাপ্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী
ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল
চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল

নগর জীবন

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু
পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার
এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়
ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়

প্রথম পৃষ্ঠা

পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের
পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে  মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স
নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

কালের সাক্ষী বলিহার হাউস
কালের সাক্ষী বলিহার হাউস

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

নগর জীবন

গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত
গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার
দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি
ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আলু চাষ এখন গলার কাঁটা
আলু চাষ এখন গলার কাঁটা

নগর জীবন

সেতুটি এখন গলার কাঁটা
সেতুটি এখন গলার কাঁটা

দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি

সম্পাদকীয়

পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স
পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স

প্রথম পৃষ্ঠা

অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা
অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা

রকমারি নগর পরিক্রমা

কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে
কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে

পেছনের পৃষ্ঠা

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে
নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে

নগর জীবন

রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি
রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি

নগর জীবন

গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক
গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক

শোবিজ

হলান্ড যেন গোলের গন্ধ পান
হলান্ড যেন গোলের গন্ধ পান

প্রথম পৃষ্ঠা

খেলার সময়সূচি
খেলার সময়সূচি

মাঠে ময়দানে

হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ
হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে
সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে

নগর জীবন

ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান
ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান

নগর জীবন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ

নগর জীবন