শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:৩৫, বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬ আপডেট: ১৭:৪৭, বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

জুলাই চেতনা বনাম জুলাই নিয়ে ব‍্যবসা

অদিতি করিম
অনলাইন ভার্সন
জুলাই চেতনা বনাম জুলাই নিয়ে ব‍্যবসা

২০২৪ এর জুলাই বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক অনন্য মাস। পহেলা জুলাই থেকে কোটা সংস্কারের দাবিতে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তা ৫ আগস্টের গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ লাভ করে। কোটা সংস্কার আন্দোলন ছিল আসলে একটি উপলক্ষ মাত্র। এই দাবির সাথে যুক্ত হয়েছিল সাধারণ মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত‍্যয়। তাই কোটা আন্দোলন ধাপে ধাপে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনের সাথে যুক্ত হন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার আপামর জনগণ। এই আন্দোলন কেবল কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণের সরকারি চাকরিতে বৈষম্য মুক্তির দাবিতে আন্দোলন ছিল না, এই আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের মানুষের অধিকার ও বৈষম্য মুক্তির।

এই আন্দোলন সফল হয়েছিল যখন মা-বোনেরা ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমেছিলেন। এই আন্দোলন পূর্ণতা পেয়েছিল যখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ এমনকি স্কুলের শিশু কিশোর এবং তরুণরা বুক চিতিয়ে গুলির সামনে দাঁড়িয়েছিল। এই গণ অভ্যুত্থান সফল হয়েছিল যখন আপামর জনতা রাজপথে এসে প্রতিবাদে মুখর হয়েছিল। এই বিজয় তখনই অর্জিত হয়েছিল যখন যখন বাংলাদেশের দেশ প্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সাধারণ জনগণের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছিল।

জুলাই থেকে কোটা আন্দোলন শুরু হলেও এই আন্দোলনের বীজ রোপিত হয়েছিল বহু আগে। যখন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করা হয়েছিল তখনই এই আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন তৎকালীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ২০১৪ এর বিনা ভোটের নির্বাচন, ২০১৮ এর রাতের ভোট এবং ২০২৪ সালের আমি ডামি নির্বাচন এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে। বেগম জিয়াকে গ্রেফতার, লাখো রাজনৈতিক নেতাকর্মী গ্রেফতার ও নির্যাতন এই আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করেছে। অবশেষে হয়েছে গণ বিস্ফোরণ। 

কিন্তু জুলাই আন্দোলনের পরপরই দেখা গেল বিশেষ গোষ্ঠী এই আন্দোলনের বিজয়কে নিজেদের পকেটে ভর্তি করে ফেললেন। শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুষ্টিমেয় কিছু শিক্ষার্থী জুলাইয়ের সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলনকে নিজস্ব সম্পত্তি বানিয়ে ফেলার চেষ্টা করলেন। আর এই অনাকাঙ্ক্ষিত উদ‍্যোগের মূল ষড়যন্ত্রকারী ড. ইউনূস। বাংলাদেশের জনগণের ১৫ বছরের আন্দোলন সংগ্রাম, ত‍্যাগ এবং আত্মাহুতি আমলে না নিয়েই ড. ইউনূস পুরো আন্দোলনের ফসল একটি বিশেষ গোষ্ঠীর হাতে তুলে দিলেন। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট প‍্যরিস থেকে দেশে ফিরে তিনি ছাত্রদের নিয়োগ কর্তা হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। এর মাধ্যমে জনগণের বিজয় ছিনতাই করা হলো। ইউনূস কতিপয় ছাত্রনেতাদের নিয়েই মেতে থাকতেন, তাদের সামনে রেখে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করতেন। কেউ ইউনূসের সমালোচনা করলে ছাত্রদের লেলিয়ে দিতেন। এভাবেই জুলাই আন্দোলন পরিচিত মুখ কয়েকজনকে নিয়ে তিনি একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। এখানেই পথ হারায় জুলাইয়ের বিজয়। ড. ইউনূসের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে জুলাই আন্দোলনের স্বপ্ন গুলো বিবর্ণ হতে থাকে। জুলাই আন্দোলনের অকুতোভয় রাজপথের সৈনিকদের দূরে ঠেলে দেয়া হয়। আস্তে আস্তে জুলাইয়ের আকাঙ্খার মৃত্যু হয়।

ইউনূস জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া তিনজনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেন। লক্ষ্যনীয়, তিনজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। প্রথমত, ছাত্রদের উপদেষ্টা করার সিদ্ধান্তটাই ছিল মারাত্মক ভুল। শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে দেশকে গণতান্ত্রিক পথে ফিরিয়ে আনার পথ উন্মুক্ত করেছে, কিন্তু তাই বলে তাদের উপদেষ্টা করতে হবে কেন? ইউনূস যদি দায়িত্বশীল অভিভাবক হতেন তাহলে তিনি শিক্ষার্থীদের বলতেন, তোমরা আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার। এখন তোমরা শিক্ষাঙ্গনে ফিরে যাও, তোমাদের শিক্ষাজীবন শেষ কর। দেশ গঠনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করো। কিন্তু ইউনূস দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকার জন্য শিক্ষার্থীদের ব‍্যবহার করলেন। শিক্ষা জীবন অসমাপ্ত রেখেই তাদের মন্ত্রীর মর্যাদায় উপদেষ্টা বানিয়ে দিলেন। জুলাইয়ের সর্বনাশের শুরু হলো এভাবেই। আরও দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা হলো যে, শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনজন উপদেষ্টা নিয়োগ করে ইউনূস জুলাই আন্দোলনের তাৎপর্য নষ্ট করলেন। আন্দোলনেবেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান, ঢাকার বাইরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদানকে রীতিমতো অস্বীকার করা হলো। লাখো তরুণের ত‍্যাগকে অস্বীকার করা হলো। জুলাই আন্দোলনের বিজয় একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর কাছে বিক্রি হয়ে গেল। এই শিক্ষার্থীরা ক্ষমতার মজা পেল বটে দায়িত্ব বুঝলো না। অচিরেই তা বিপথগামী হয়ে গেলো। ক্ষমতায় গিয়ে তারা শুধু এটাই বুঝতে পারলো যে, টাকা বানানো অনেক সহজ। ব‍্যস শুরু হলো জুলাই নিয়ে ব‍্যবসা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে শিক্ষার্থীরা যে যার মতো টাকার নেশায় উন্মত্ত হয়ে উঠলো। তারা সচিবালয়ে গিয়ে বদলি বাণিজ্য শুরু করলো। লেখাপড়ার বদলে টেন্ডার বাণিজ্যে মনোনিবেশ করলেন অনেকে। কেউ আবার শুরু করলেন চাঁদাবাজি, মামলা বাণিজ্য। ব‍্যবসায়ী থেকে শুরু করে পুলিশ, সরকারি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাংবাদিক-সবাইকে হত্যা মামলায় আসামি করার ভয় দেখিয়ে শুরু হলো চাঁদাবাজির মহোৎসব। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের কেউ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মব করলো মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের জন্য। দেশে শুরু হলো এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি। ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার এবং জামায়াত শিক্ষার্থীদের এই সব অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডে প্রশ্রয় দিয়েছিল তাদের নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য। ইউনূসের এজেন্ডা ছিল নিজের আখের গোছানো। তিনি নিজের কর মওকুফ করালেন, মামলা প্রত্যাহার করলেন, বিশ্ববিদ্যালয়, রিক্রুটিং এজেন্সি, ডিজিটাল ওয়ালেটের লাইসেন্স নিলেন। রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় করে নিজের জনসংযোগের জন্য বিদেশ সফরের উৎসব করলেন। জাতির বিবেক ছাত্রসমাজ তখন শর্ট কাটে বড়লোক হবার নেশায় বুঁদ। গোটা বিষয়টি অনেকটাই সিনেমার গল্পের মতো। প্রহরীদের নেশায় ডুবিয়ে যেমন ডাকাতি করা হয়, তেমনি শিক্ষার্থীদের লুটপাটের দরজা খুলে দিয়ে ইউনূস এবং তার উপদেষ্টারা শুরু করলেন দেশ লুট। দেশ গঠনের বদলে কতিপয় মানুষের দুর্নীতির প্রতিযোগিতা শুরু হলো। পথ হারালো একটা সম্ভাবনাময় প্রজন্ম। ইউনূস শুধু দেশের ক্ষতি করেননি, একটা জেনারেশন ধ্বংস করেছেন।

শিক্ষার্থীদের বিপথে পরিচালিত করতে এবং ক্ষমতায় চিরস্থায়ী করতে ইউনূস গুটিকয়েক শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে এনসিপি গঠন করান। এটি ছিল আসলে কিংস পার্টি। এই কিংস পার্টি এবং জামায়াত মিলে ড. ইউনূসকে সামনে রেখে চলে জুলাই চেতনা ধ্বংসের চূড়ান্ত আয়োজন। ইউনূসের এই দেশবিনাশী অপকর্মের যারাই প্রতিবাদ করতো তাদেরই হয় মবের ভয় দেখানো হতো অথবা জেলে পাঠিয়ে দেয়া হতো। জামায়াত তাদের নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এই নৈরাজ্যের উৎসবের অংশীদার হয়। তাদের লক্ষ্য ছিল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করা। নেপথ্যে থেকে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করা। এ কারণেই শিক্ষার্থীদের সামনে রেখে, তাদের এসব কর্মকাণ্ডকে সমর্থন দিয়ে জামায়াত সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সব ধরনের স্থাপনা ভাঙচুর শুরু করে। প্রশাসন সহ সরকারের সব প্রতিষ্ঠানে নিজেদের লোকদের ঢোকায়।  এভাবেই অন্তর্বর্তী সরকারকে সামনে রেখে জামায়াত আসলে দেশ দখলের চেষ্টা করেছিল। এ কারণেই জামায়াত এবং এনসিপি নির্বাচনের বিরোধিতা করেছিল। এই রাজনৈতিক কূটকৌশলের কারণে জুলাই আন্দোলনের প্রকৃত উদ্দেশ্য পথ হারায়। 

ইউনূসের দেড় বছরে জুলাই আন্দোলনের প্রকৃত নিহতের সংখ্যা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়নি। অনেক জীবিত মানুষকে জুলাই শহীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে গোটা বিষয়টিকে খেলো করে ফেলা হয়। জুলাইয়ে আহতদের চিকিৎসা নিয়েও চলে তেলেসমাতি কারবার। অন‍্য কারণে অসুস্থদের জুলাই আহত হিসেবে দেখিয়ে তাদের ভাতা দেয়ার খবরও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এসব দুর্নীতি আর অনিয়মের কারণে জনগণের মধ্যে জুলাইয়ের আবেগ কমতে থাকে। আর জুলাই যোদ্ধা নামে কতিপয় ইউনূস ঘনিষ্ঠ যেন হঠাৎ করেই আলাদিনের চেরাগ পেয়ে যান। তাদের রাতারাতি বিত্তবান হয়ে ওঠা সকলের কাছে দৃষ্টিকটু হয়ে ওঠে। যারা কদিন আগেও টিউশনি করে চলতো তারা হঠাৎ করেই ধনকুবের হয়ে যায়। মেসে থাকা তরুণ গুলশান, বারিধারায় বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের মালিক হন। পায়ে হেঁটে ঘুরে বেড়ানো শিক্ষার্থী প্রাডো গাড়িতে চড়ে ঘুরে বেড়ান। হঠাৎ এই বিত্তের উৎকট রূপ দেখে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ এবং বিরক্ত হয়। ’২৪ এর পাঁচ আগস্টের পর একটা নব্য গোষ্ঠীর জন্ম হয়, যাদের একমাত্র উপার্জনের পথ হলো জুলাই চেতনা বিক্রি করা। জুলাই চেতনার ব‍্যবসা করে নতুন একটি লুটেরা শ্রেণি তৈরি হয়েছে দেশে। যারা নব্য ফ‍্যাসিবাদী হিসেবই পরিচিতি পেয়েছে। 

জুলাইয়ে যে নারীরা তাদের অধিকারের জন্য রাস্তায় নেমেছিলেন তারা তাদের অধিকার পাননি বরং নারীদের উপর নিপীড়ন বেড়েছে। যে শিক্ষক শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য রাস্তায় নেমেছিলেন তিনি এখন মবের ভয়ে আতঙ্কিত। যে ব‍্যবসায়ী চাঁদাবাজ মুক্ত, ব‍্যবসা বান্ধব পরিবেশের আশায় বুক বেঁধেছিলেন তার প্রতিষ্ঠান এখন বন্ধ হবার উপক্রম। যে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ চেয়েছিল তাদের শিক্ষাজীবন আজ অনিশ্চিত। যারা বৈষম্য মুক্তির স্বপ্ন দেখছিলেন তারা আজ নতুন বৈষম্যে আক্রান্ত। যে সাংবাদিকরা মন খুলে স্বাধীন মত প্রকাশের আশা করেছিলেন তিনি এখন চাকরি হারা, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এভাবেই জুলাই আন্দোলনের দুই বছরের মাথায় আজ দেশ জুড়ে স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা, প্রতারিত হওয়ার গল্প। আশাহত মানুষের দীর্ঘশ্বাস কান পাতলেই শোনা যায়। কিন্তু এদেশের মানুষ হারতে জানে না। তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কখনও ভুল করে না। তাই তারা ইউনুসের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়নি। তারা নিজেদের পছন্দের দলকে বাছাই করার জন্য একটি নির্বাচন আদায় করেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এখন জুলাই চেতনার ব‍্যবসায় ভাটার টান। সরকার চারমাসের মধ্যে দেশকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করছে। আর তাই জুলাই নিয়ে যারা বানিজ্য করছে তাদের অনেক অভিমান। তারা সুযোগ পেলেই সরকারকে নানারকম হুমকি দিচ্ছে। আশা কথা সরকার এখনও এসব ধমক এবং হুমকিতে ভয় পায়নি। বর্তমান সরকার কে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে আস্হার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। বৈষম্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এটাই জুলাই চেতনা। জুলাই বিক্রি করে যারা দেশের নতুন মালিক বনে গেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। জুলাই আন্দোলন কতিপয় শিক্ষার্থীর ভাগ্যের বদলের জন্য হয়নি,আপামর মানুষের সুন্দর জীবনের প্রত্যাশায় হয়েছে।

অদিতি করিম: লেখক ও নাট্যকার 
ইমেইল: auditekarim@ gmail.com

বিডি-প্রতিদিন/বিএম

এই বিভাগের আরও খবর
জামায়াতের রাজনৈতিক হতাশা ও অর্থনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা
জামায়াতের রাজনৈতিক হতাশা ও অর্থনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা
জিয়া পরিবারের কূটনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নতুন অধ্যায়
জিয়া পরিবারের কূটনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নতুন অধ্যায়
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
সর্বশেষ খবর
অন্ধ ঘোড়াকে আশ্রয় দেওয়া সাতক্ষীরার সোহানের পাশে প্রধানমন্ত্রী
অন্ধ ঘোড়াকে আশ্রয় দেওয়া সাতক্ষীরার সোহানের পাশে প্রধানমন্ত্রী

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো বেলজিয়াম-সেনেগাল ম্যাচ
অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো বেলজিয়াম-সেনেগাল ম্যাচ

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বেলজিয়ামের দুর্দান্ত ফেরা
বেলজিয়ামের দুর্দান্ত ফেরা

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আবারও সেনেগালের গোল
আবারও সেনেগালের গোল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাঙ্গলকোটে হাত-পা বেঁধে যুবককে হত্যা, বাবা-মা ও ভাই গ্রেফতার
নাঙ্গলকোটে হাত-পা বেঁধে যুবককে হত্যা, বাবা-মা ও ভাই গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথমার্ধে এগিয়ে সেনেগাল
প্রথমার্ধে এগিয়ে সেনেগাল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে অনুদান দিচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিল, আবেদন শেষ ২০ জুলাই
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে অনুদান দিচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিল, আবেদন শেষ ২০ জুলাই

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সেনেগালের হয়ে গোল দিলেন দিয়ারা
সেনেগালের হয়ে গোল দিলেন দিয়ারা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডিসেম্বরে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট’, ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত
ডিসেম্বরে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট’, ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

টেকনাফে এক লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক
টেকনাফে এক লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লেনদেনে নতুন সুবিধা: মাস্টারকার্ড-এমটিবি-জিপের নতুন প্রিপেইড কার্ড চালু
লেনদেনে নতুন সুবিধা: মাস্টারকার্ড-এমটিবি-জিপের নতুন প্রিপেইড কার্ড চালু

২ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

ভাঙ্গায় সুমন হত্যার বিচার দাবি
ভাঙ্গায় সুমন হত্যার বিচার দাবি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে শাইন ১০০ ডিএক্স উন্মোচন করল হোন্ডা বাংলাদেশ
দেশে শাইন ১০০ ডিএক্স উন্মোচন করল হোন্ডা বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

ইসলাম সর্বকালের সর্বাধুনিক ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা
ইসলাম সর্বকালের সর্বাধুনিক ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শেষ ষোলোর লড়াইয়ের সেনেগাল-বেলজিয়ামের শুরুর একাদশ
শেষ ষোলোর লড়াইয়ের সেনেগাল-বেলজিয়ামের শুরুর একাদশ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে জনপ্রিয় হচ্ছে পুইশাকের বীজ চাষ
ঝিনাইদহে জনপ্রিয় হচ্ছে পুইশাকের বীজ চাষ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে
জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বঞ্চিত বেসরকারি খাত
বঞ্চিত বেসরকারি খাত

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাংশায় রোগীর মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালে বিক্ষোভ
পাংশায় রোগীর মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালে বিক্ষোভ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পেলেকে ছাড়িয়ে  নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন
পেলেকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিনেমা হল, যুবকের কারাদণ্ড
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিনেমা হল, যুবকের কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখার সেই তিন যুবক ‘উধাও’
রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখার সেই তিন যুবক ‘উধাও’

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাসিরনগরে বাসা থেকে নার্সের মরদেহ উদ্ধার
নাসিরনগরে বাসা থেকে নার্সের মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুঠিয়ায় মহাসড়কে ডাকাতি, ট্রাকসহ ১৯ মহিষ লুট
পুঠিয়ায় মহাসড়কে ডাকাতি, ট্রাকসহ ১৯ মহিষ লুট

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে ৫৩ লাখ টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ধ্বংস
জয়পুরহাটে ৫৩ লাখ টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ধ্বংস

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের
ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

হ্যারি কেইনের জোড়া গোল
হ্যারি কেইনের জোড়া গোল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হ্যারি কেইনের গোলে সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের গোলে সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা
ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা

১৫ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন
নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও
পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা
রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব
ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের
পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ
ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের
সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি
মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে
৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা
হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!
৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট
হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন
আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল
ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা
জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি
পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে
মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক
বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল
ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?
ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন
আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানের প্রেসিডেন্টকে মোদির ফোন, হরমুজ নিয়ে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
ইরানের প্রেসিডেন্টকে মোদির ফোন, হরমুজ নিয়ে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ‘খুবই সামান্য’, বলছেন হালান্ড
ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ‘খুবই সামান্য’, বলছেন হালান্ড

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মরুর দেশে রেল বিপ্লব, প্রথম জাতীয় ট্রেনসেবা চালু করলো আমিরাত
মরুর দেশে রেল বিপ্লব, প্রথম জাতীয় ট্রেনসেবা চালু করলো আমিরাত

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মিথ্যা বলছেন নেতানিয়াহু: সাবেক ইসরায়েলি সেনাপ্রধান
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মিথ্যা বলছেন নেতানিয়াহু: সাবেক ইসরায়েলি সেনাপ্রধান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়
ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু
পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু

প্রথম পৃষ্ঠা

নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে  মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স
নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল
চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল

নগর জীবন

দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার
দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি
ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি

পেছনের পৃষ্ঠা

কালের সাক্ষী বলিহার হাউস
কালের সাক্ষী বলিহার হাউস

পেছনের পৃষ্ঠা

এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার
এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার

পেছনের পৃষ্ঠা

পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের
পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

নগর জীবন

গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত
গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত

প্রথম পৃষ্ঠা

অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা
অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা

রকমারি নগর পরিক্রমা

আলু চাষ এখন গলার কাঁটা
আলু চাষ এখন গলার কাঁটা

নগর জীবন

কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে
কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি
রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি

নগর জীবন

সেতুটি এখন গলার কাঁটা
সেতুটি এখন গলার কাঁটা

দেশগ্রাম

পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স
পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি

সম্পাদকীয়

সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে
সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে

নগর জীবন

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে
নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে

নগর জীবন

হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ
হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

সরকার জনগণের প্রতি আন্তরিক
সরকার জনগণের প্রতি আন্তরিক

নগর জীবন

গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক
গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক

শোবিজ

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ

নগর জীবন

ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান
ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান

নগর জীবন

খেলার সময়সূচি
খেলার সময়সূচি

মাঠে ময়দানে