শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০১৫ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ নভেম্বর, ২০১৫ ২১:২৯

প্রশ্নপত্রের ছবি তোলার সম্ভাব্য অকারণ

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

প্রশ্নপত্রের ছবি তোলার সম্ভাব্য অকারণ

সম্প্রতি চট্টগ্রামে এক ছাত্রনেতার পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে জোরপূর্বক প্রশ্নপত্রের ছবি তোলার ঘটনা ঘটেছে। এটা পুরনো খবর। এত কিছু থাকতে কেন প্রশ্নপত্রের ছবি তুলতে হবে। প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ছবি তোলার অকারণসমূহ ভেবেছেন - মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

 

ইভটিজিং বিরোধী : তিনি আসলে ব্যতিক্রমী ইভটিজিং বিরোধী। ইভটিজারদের রাস্তা-ঘাটে মেয়েদের ছবি তোলার সাথে কম-বেশি সবাই পরিচিত। মেয়েদের ছবি না তুলে অন্য কিছুর ছবি তুলেও যে আলোচনায় আসা যায় সেটা প্রমাণ করতেই প্রশ্নপত্রের ছবি তোলা।

 

লাইক কামানো : তিনি হয়তো ফেসবুকে লাইক খরায় ভুগছেন। লাইক মি, লাইক মি করেও যখন তার ছবিতে প্রত্যাশিত লাইক আসছিল না তখন তিনি নিজের ছবিতে নিজে লাইক দেওয়ার মতো এই সিদ্ধান্ত নেন। কারণ পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্নপত্রের ছবি ফেসবুকে আপলোড দেওয়াটা উচ্চমানের বাহাদুরি। এমন বাহাদুরি দেখানোর ফলে তার পোস্ট লাইক কমেন্টে ভরে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সে নিজেও রাতারাতি ফেসবুক সেলেব্রেটি হয়ে যেতে পারত।  সেই স্বপ্নে বিভোর হয়ে হয়তো এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

 

তার মোবাইলে ক্যামেরা আছে এটা সবাইকে বোঝানো : নতুন কিছু কিনলে সেটার বিশেষত্ব সবাইকে দেখাতে আমরা মরিয়া হয়ে পড়ি। তার সদ্য কেনা মোবাইলে ভালো রেজুলুশনের ক্যামেরা আছে এটা প্রমাণ করতেই হয়তো প্রশ্নপত্রের ছবি তুলেছেন।

 

ক্যামেরার রেজুলেশন প্রমাণ : এখনকার চায়না মোবাইলে লেখা থাকে এক ভেতরে থাকে আরেক। এইট মেগা পিক্সেল ক্যামেরায় ছবি উঠে ভিজিএ ক্যামেরার মতো। তার মোবাইল ক্যামেরা কত মেগাপিক্সেল ও রেজুলেশন কেমন সেটা দেখার জন্যই এ কাজ করেছে বলে জানিয়েছেন জনৈক চায়না মোবাইল ব্যবহারকারী।

 

তিনি একজন প্রুফ রিডার হতে চান : হতে পারে তিনি ভবিষ্যতে একজন প্রুফ রিডার হতে চান। প্রশ্নপত্রে ভুল আছে কি না তা খোঁজা তার একটি নেশা। দক্ষতা বৃদ্ধির একটি প্রচেষ্টা হিসেবে তিনি প্রশ্নপত্রের ছবি তুলেছেন হয়তো।

 

প্রেমিকাকে দেখিয়ে দেওয়া : অনেক সময় প্রেমিকাকে নানান বাহাদুরি দেখাতে হয়। নইলে পুরোপুরি মন পাওয়া যায় না। এটা হতে পারে তার প্রেমিকাকে দেখিয়ে দিতে চেয়েছিল, আমিও পারি। প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে অতঃপর প্রমাণ করেছে সেও পারে।


আপনার মন্তব্য