শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

আহসান হাবীব কবিতার দর্পণে সমাজ অবলোকন

তুহিন ওয়াদুদ
প্রিন্ট ভার্সন
আহসান হাবীব কবিতার দর্পণে সমাজ অবলোকন

আহসান হাবীব দীর্ঘ সাহিত্যিকজীবনে ৮টি কাব্যগ্রন্থ লিখেছেন। গ্রন্থভুক্ত কবিতার সংখ্যা খুব বেশি নয়। ৮টি কাব্যগ্রন্থে মাত্র ২৩৬টি কবিতা আছে। তার কবিতার বয়নকৌশলে আছে স্বকীয়তা। তার কবিবোধ ছিল জীবনঘনিষ্ঠ। সময়ের যন্ত্রণা উৎসারিত পথে তার কবিতা চর্চার সূত্রপাত। ব্রিটিশ-ভারত পর্বে ১৯১৭ সালে তার জন্ম। নিজস্ব চিন্তার বলয় যখন নির্মিত হচ্ছে তখন তিনি দেখেছেন ব্রিটিশ উপনিবেশ ভারতবর্ষের নিয়তিতে। ভারতবর্ষে ব্রিটিশ খেদাও আন্দোলন তখন তুঙ্গে।

ব্রিটিশ বিদায়ের সাংগঠনিক তৎপরতা ছিল অনেক। শিল্পী-সাহিত্যিকরাও ব্রিটিশ খেদাও প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে অনেক লেখক তখন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে ছিলেন উচ্চকিত। আহসান হাবীবের কবিতার অন্তর্কাঠামোজুড়ে সেই বোধের স্ফূরণ সহজে বোঝা যায়। বাংলা সাহিত্যের উনিশ শ চল্লিশের দশকে যারা কবিতার আকাশে ডানা মেলতে শুরু করেছিলেন তাদের অন্যতম আহসান হাবীব। কবিতার কাঠামো নির্মাণে তার পারঙ্গমতা পাঠককে ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট। যারা কবিতার প্রতি আকর্ষণ অনুভবন করেন তাদের কাছে আহসান হাবীবের কবিতা উচ্চাসনে আসীন।

আহসান হাবীব কবিতা লেখার ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত বিষয়কে শব্দের ব্যঞ্জনায় নিয়ে আসার চেষ্টা করেছেন। কোন বিষয়টি নিয়ে তিনি লিখছেন সেটি যেন পাঠক কষ্ট করে আবিষ্কার করতে পারেন এমন একটি চেষ্টা তার কবিতার মধ্যে আছে। আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাত্রি শেষ’ তার এক পরমতম সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এ কাব্যগন্থের কবিতাগুলোকে কয়েকটি পর্বে বিভাজন করেছেন। প্রহর, প্রান্তিক, প্রতিভাস, পদক্ষেপ- এ চারটি পর্ব আছে। কবিতাগুলোর পরতে পরতে কবির ব্যক্তিক অনুভূতিজুড়ে আছে দেশবোধ, আছে ব্রিটিশ উপনিবেশের প্রতি ক্ষোভ। উপনিবেশের প্রতি চরম ক্ষোভ কবিতাগুলোর ভিতর তেজোদীপ্ত হয়ে আছে। দেশের প্রতি মমত্ববোধের উদ্ভাসও লক্ষণীয়।

ব্রিটিশদের প্রতি তার যে আক্ষেপ তা তিনি কবিতায় প্রত্যক্ষ ভঙ্গিতে আনয়ন করেননি। কবিতার পঙ্ক্তিতে-চরণে-শব্দে-ভাবে কবি যে আক্ষেপ রোপণ করেছেন তা পাঠককে আবিষ্কার করতে হয়। তারপরও ‘সেতু-শতক’ কবিতায় এসে তিনি আর নিজেকে আড়াল করতে পারেননি। এখানে সংখ্যার আড়ালে ব্রিটিশ চরিত্র ধরা পড়েছে। ইতিহাসের পাঠ উঠে এসেছে এ কবিতায়। দুইশ বছরের উপনিবেশ হয়ে উঠেছে কবিতার উপজীব্য। এখানে ব্রিটিশদের তিনি দস্যু বলে অভিহিত করেছেন। দুইশ বছর যেন ভারতের মানুষের ঘুম হরণ করেছে তারা। কবির ভাষায়- ‘দুই শতাব্দীর সেতু পার হ’য়ে এসেছি এখানে,/ আমার অশান্ত আত্মা কেঁদে ফেরে এখনো যেখানে/ ঘুম নেই নয়নে আমার,/ এখনো নয়নে কাঁপে মীরণের তীক্ষè তলোয়ার!’

‘রাত্রি শেষ’ এর কবিতায় আছে অন্ধকারের ক্লেদ। সেই ক্লেদাক্ত সময়ের একচ্ছত্র আধিপত্য কবিতায় উচ্চারিত হয়নি। আশাবাদের আলোও এসেছে অবারিত। এ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা ‘দিনগুলি মোর’ শুরুই করেছেন- ‘দিনগুলি মোর বিকলপক্ষ পাখির মতো/ বন্ধ্যা মাটির ক্ষীণ বিন্দুতে ঘূর্ণায়মান।’ সমাজের গভীরে জেঁকে বসেছিল ব্রিটিশ শোষণ। সময়ের গভীরে গ্রথিত হয়েছিল তার বীজ। জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিষবাষ্প ছিল ছড়ানো। প্রথম কবিতায় তিনি লিখেছেন পাখির বিকল পাখার কথা। তারপরেই লিখেছেন- ‘ঝরাপালকের ভস্মস্তূপে তবু বাঁধলাম নীড়,/ তবু বারবার সবুজ পাতার স্বপ্নেরা করে ভীড়।’

শক্তিশালী এবং ঝরঝরে পদ্যের বাঁধনে কবি আহসান হাবীব ‘রাত্রি শেষ’ কাব্যগ্রন্থ শেষ করেছেন। কবি হয়ে ওঠার সমূহ সম্ভাবনার আধার এ কাব্যগ্রন্থ। ১৯৪৭ সালের মাঝামাঝি কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে। এ কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের আগেই ভারতবাসী জেনে গেছে ব্রিটিশ উপনিবেশের যবনিকাপাত হচ্ছে। এ কাব্যগ্রন্থের ‘শরৎ’ কবিতায় তিনি লিখেছেন- ‘বা’র্তা লয়ে চারিদিকে ঘুরিতেছে নিষ্প্রভ-সেনা।’ ‘সৈনিক’ কবিতায় লিখেছেন- ‘তবুও সৈনিক মোরা, নিরস্ত্র নির্বেদ তাই/ আমাদের অপূর্ব লড়াই।’ আহসান হাবীব কবিতার মাধ্যমে যেন মানুষকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করে গেছেন। সামাজিক দায়বদ্ধতা হেতু তার কবিতায় প্রতিবাদের আগুন জ্বলে উঠেছে। একেকটি কবিতা যেন একেকটি সংগ্রামের প্রস্তুতিকথন। ‘স্বাক্ষর’ কবিতায় তিনি লিখেছেন- ‘সংগ্রামের রাজপথে হাতে হাত রেখে/ সমান পায়ের চিহ্ন যাব এঁকে এঁকে/, ডেকে যাব মানুষেরে, মানুষের অবচেতন মন,/ দিয়ে যাব জনে জনে মরণের যুঝিবার পণ!’

আহসান হাবীবের লেখায় রাত্রি শেষ হয়েছে এমন কবিতা হচ্ছে ‘রেড্ রোডে রাত্রি শেষ’। কবিতাটি সম্পূর্ণ নাম কবিতা না হলেও নাম কবিতার মতোই। এ কবিতায় কাব্যগ্রন্থের নামকরণের সার্থকতা ফুটে উঠেছে। ব্রিটিশরা চলে যাবে এটি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নামকরণে লেখক একটি বার্তা দিয়ে গেছেন। কাব্যগ্রন্থের অপরাপর কবিতাগুলোতে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে। সেই তুলনায় রাত্রি শেষ হওয়ার সুর বেজে উঠেছে এই কবিতায়। সংখ্যায় কম হলেও রাত্রি শেষ হওয়ার প্রসঙ্গটি অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। রাত্রির অন্ধকার দূর হওয়ার গল্প মূলত ব্রিটিশ বিদায়ের গল্প। রাত্রি শেষে যেন স্বাধীনতার আলো জ্বলে উঠছে।

‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থে আহসান হাবীবকে আমরা নতুন রূপে পাই। ব্রিটিশ সরকারের উপনিবেশ বিদায় হয়েছে। ফলে উপনিবেশে যাপিত জীবনের পরিবর্তে পাকিস্তান পর্বে জীবনের ধরন বদলেছে। পাকিস্তান সরকার নতুন শোষক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। তখন তৎকালীন পূর্ববঙ্গের সঙ্গে বিরোধ নিজ দেশে, নিজ সরকারের সঙ্গে। ১৯৬২ সালে যখন ‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় তখনো শোষণচিত্র পরিষ্কার। কিন্তু ১৯৬৬ সালের ৬ দফা উপস্থাপনের পর তৎকালীন পূর্ববঙ্গের মানুষের স্বাধিকার-স্বাধীনতার যে অপ্রতিরোধ্য কণ্ঠ বেজে উঠেছিল তা তখনো বেজে ওঠেনি। তাই ব্রিটিশ বিদায়ের পরবর্তী অনুভূতির এক নিবিড় বিকাশ ঘটেছে এ কাব্যগ্রন্থে। আহসান হাবীব ‘রাত্রি শেষ’ কাব্যগ্রন্থে দেশপ্রেমের কথাটি শব্দের ব্যঞ্জনায় রূপকে-প্রতীকে-ইঙ্গিতে বারবার বলে গেছেন। ‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতায় সেই বোধের কথামালাকে তিনি কোনো কিছুর আড়াল না করে নির্দিষ্টভাবে উচ্চারণ করেছেন- ‘তোমাতে অমর আমি’ কবিতায় তিনি লিখেছেন- ‘মায়ের বুকের মতো বুক পেতে রাখা এই/ দেশেকে আমি ভালোবাসি সে কথা সে সোনার দেশের/ আকাশে অরণ্যে আর সমুদ্রে ঢেউয়ে লেখা আছে।/ লিখেছি আপন মনে একা আমি আমার দিনের/ সারা পথে; মাকে আর প্রেয়সীকে আর এই দেশকে/ আমি ভালোবাসি এই ছোট কথাটি প্রত্যহ/নানা রঙে/ এঁকেছি তোমার বিচিত্র রঙের তুলি হাতে নিয়ে।’ এই কাব্যগ্রন্থে এসে কবিকে আমরা ঐতিহ্যঘনিষ্ঠ অনুভূতির লেখক হিসেবেও পাই। ব্রিটিশ বিদায়ের পর দেশটাকে নতুন করে সাজানোর কথাও তিনি বলেছেন। দুইশ বছরের শোষণে ক্ষতবিক্ষত দেশ নতুন করে সাজানো হবে। কবির মনে সেই আশাবাদ জেগেছিল। ‘ভাঙাচোরা দেয়ালের স্তূপাকার’ ইট সরিয়ে নতুন আবেগে নতুন ইট তৈরির কথা বলেছেন। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন শোষণের দিন শেষে মুক্তির আলোয় তখন স্বাধীন দেশ। তবে কিছু সংশয় যে ছিল সে কথাও তিনি লিখে রেখে গেছেন। ‘জীবন’ কবিতায় কবি বলেছেন- ‘পথে পথে সংশয়ের সন্দেহের ধূলি ওড়ে কত,/ বেদনায় নত/ দুই চোখ ঝরে অশ্রু নিয়ে/ দু’হাতে মনের মতো নানামত পাথর বানিয়ে/ গড়ি তাজ; করি কাজ প্রেমে ও সংগ্রামে।’

‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতায় তার গভীর মৃত্যুচিন্তা ফুটে উঠেছে। কবি মাত্রই বিচিত্র চিন্তার আশ্রয়ে গড়ে তোলেন কাব্যসম্ভার। মৃত্যুর মতো অনিবার্য বাস্তবতাকে নিয়ে তাই শিল্পী-সাহিত্যিকদের শিল্পকীর্তির কোনো অভাব নেই। আহসান হাবীবকে ‘তামসিক একটি মুহূর্ত’ কবিতায় মুত্যুভাবনায় ডুবে থাকা অবস্থায় আবিষ্কার করা যায়। বিপুল কর্মযজ্ঞময় এ পৃথিবী। কবি নিজেও কর্মযজ্ঞে ডুবে থাকা মানুষ। তিনি যেন মৃত্যুর কথা ভুলেছিলেন। প্রাণপ্রাচুর্যের আধার এই পৃথিবীর বুকে তিনি যেন হঠাৎই মৃত্যুর কথা ভেবেছেন। তার ভাষায়- ‘একদা হঠাৎ এক অপরাহ্নে মনে হলো/ মৃত্যু কঠিন হতে পারে।’ এই কবিতায় তিনি আরও লিখেছেন- ‘মনে হলো এ পৃথিবী আরো/ অনেকদিন বেঁচে রবে/ মৃত্যু হবে আমার এবং/ যদিও অক্লান্ত স্বরে অপরাহ্নে ঘুঘুদের ডাক/ শোনা যাবে/ আমি তা শুনবোনা।’ 

আহসান হাবীবের ‘রাত্রি শেষ’ কাব্যটি প্রকাশিত হয় ব্রিটিশ উপনিবেশ পর্বে। ‘ছায়া হরিণ’ এবং ‘সারা দুপুর’ কাব্যগ্রন্থটিও প্রকাশিত হয় পাকিস্তান পর্বে। বাকি পাঁচটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ পর্বে। ‘সারা দুপুর’ কাব্যগ্রন্থটিও সময়ের প্রতিচ্ছবি। তৎকালীন পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশের আকাশে স্বস্তির কোনো অবকাশ দিতে পারেনি দেশবিভাগ। রাজনীতি-অর্থনীতি-সংস্কৃতি সর্বত্রই ছিল পাকিস্তানি ভয়াবহ ব্যাধি। কোনো কিছুরই সুষ্ঠু বিকাশের পথ খোলা ছিল না। আহসান হাবীবের কবিতায় সেসব কিছুর বিস্তর আলোড়ন স্লোগানমুখর ভাষায় বিস্তৃতি লাভ না করলেও সেসব উপেক্ষিত হয়নি। সারা দুপুর কাব্যগ্রন্থের ‘সূর্যসঙ্গ’ কবিতায় কবির অন্তর্গত এক বোধ ফুটে উঠেছে। দেশবিভাগের ভিতর দিয়ে আমরা একটি ভোরে এসে পৌঁছেছি। সেই দিন সম্পর্কে আহসান হাবীব ‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থে নতুন করে দেশ সাজানোর কথা লিখেছেন। কিন্তু ‘সূর্যসঙ্গ’ কবিতায় এসে আরেক ভোরের অপেক্ষায় কবি প্রহর গুনছেন। বোঝা যায় যে দিন এসেছে সেই দিন সুখকর হয়ে ওঠেনি। কবির ভাষায়- তুমি দেখো তোমার নিজের/ গৃহকোণে কদম-কেশরে/ ভোরের পাখির গান সারাদিন মূক হয়ে আছে/ পথ চেয়ে আছে দেখো আরেকটি ভোরের।’ এ কাব্যগ্রন্থের আরেকটি কবিতা ‘প্রাজ্ঞ বণিকের প্রার্থনা’। এ কবিতায় কোথাও স্পষ্ট করে কিংবা সরল রূপময়তায় বিষয়কে তুলে আনেননি। তবে কবির অপরাপর কবিতার নিরিখে এবং কবিবোধের চারিত্র্যে বুঝতে অসুবিধা হয় না কবি কোন বিষয়ের আলোকে ‘পীড়নমুক্ত প্রাজ্ঞ মুহূর্তের সূর্যোদয়’ সন্ধান করেছেন। কৈশোর-যৌবন কাটিয়েও কবির তৃষ্ণা মেটেনি। যে স্বাধীনতা আমরা দেশবিভাগে পেয়েছিলাম তাকে যেন কবি এমন সোনা বলেছেন যে সোনায় ভরপুর দেশ। কিন্তু যে জীবন আমরা চেয়েছিলাম সে জীবন যেন ভীষণভাবে অনুপস্থিত। শুধু স্বাধীনতা কখনো সুখ দিতে পারে না। এর জন্য চাই জীবনবোধ। জীবনের অনুগামী রাষ্ট্রচরিত্র। কবির ভাষায়- ‘সোনার কুৎসিত কাঠিন্যে প্রাণ ওষ্ঠাগত-/ আকণ্ঠ পিপাসা আজ এক বিন্দু নির্মল জলের/ সে-নদীর যে-নদীর অশান্ত কল্লোল/ অতিক্রম করে গেছে দীর্ঘ বহু বৎসরের পথ,/ আার এ কারাকক্ষ দূরে রেখে দিনে দিনে সমুদ্রে উধাও।’

আহসান হাবীবের ৪র্থ কাব্যগ্রন্থ ‘আশায় বসতি’। এ কাব্যগ্রন্থে জগৎকে একরৈখিকভাবে দেখেননি। কাব্যগ্রন্থের নামের মধ্যেই উপ্ত আছে কবির আশাবাদী চেতনা। তৃতীয় কাব্য প্রকাশের পর বাঙালি জীবনের সবচেয়ে বড় ঘটনা ঘটে গেছে। যুদ্ধ, ত্রিশ লাখ মানুষের মৃত্যু নতুন ভূখ- নতুন স্বপ্ন বাঙালি জীবনের চরম-পরম প্রভাব বিস্তারকারী অনুষঙ্গ। সত্তরের দশেকের কবিরা মুক্তিযুদ্ধকে অবলম্বন করে কবিতার নানামাত্রিক রূপ দেওয়ার সাধনায় রত ছিলেন। কখনো কখনো আবেগের আতিশয্যে শিল্পমান ক্ষুণœ হচ্ছে। অনিয়ন্ত্রিত আবেগে মুক্তিযুদ্ধকে তারা কবিতায় বেঁধেছেন অবারিত ভালোবাসায়। আহসান হাবীব সবসময়ই বিষয়কে কয়েক স্তরের মোড়কে রেখেছেন দূরে। স্বাধীনতা-পরবর্তী কালের কবিতা রচনাতেও সেই প্রবণতা থেকে সরে আসেননি। ফলে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সরাসরি কোনো বিষয়ের অবতারণা তার কাব্যে তুমুলভাবে আসেনি। এ কাব্যগ্রন্থে কবি বিচিত্র বিষয়ে নিজেকে যুক্ত করেছেন। কখনো নিজেকে ‘কথার মনোরম কাঙাল’ বলে উল্লেখ করেছেন। নদী নিয়েও লিখেছেন কবিতা। তবে সময়ের যন্ত্রণা একেবারেই ভুলে যাননি। সময়ের প্রতিকূলতার মধ্যেও আত্মবিশ্বাসও আছে। ‘বৈরী বাতাস, অতপর... ’ কবিতায় তিনি লিখেছেন- ‘থাকে বৈরী বাতাসের মুখোমুখি। উথালপাথাল/ নদীর নিঃসীম বুক। সরাসরি ঘাটের নৌকোয়/ জ্বলে না মশাল; জ্বলে সারা বুকে ব্যাপ্ত পারাপারের বাসনা।’ বাস নেই কবিতায় আশাহত মানুষকে সুখী মানুষের অভিনয় করতে দেখা যায়। ‘আপন-স্বভাবে’ কবিতায় নিজের স্বভাবের পরিণতি নিয়ে লিখেছেন। ‘একটা লোক’ কবিতায় এমন একজন লোকের সন্ধান করেছেন কবি যিনি প্রকৃত অর্থেই হবেন মানুষ গড়ার কারিগর। ঘুরেফিরে বিবিধ বিষয়ের অবতারণা শেষে কবি যেন আবার ফিরে আসেন দীর্ঘ কবিজীবনের মূল সুরে। যে রাজনীতি-সমাজের জয়গান গেয়েছেন সেখানেই তিনি আবার ফিরে আসেন। ‘মিছিলে অনেক মুখ’ কবিতায় তিনি লিখেছেন- ‘সূর্যের দীপ্তিতে আঁকা মিছিলের মুখগুলি দেখো/ দেখো দীপ্ত বুক তার/ দেখো তার পায়ের রেখায়/ দেশের প্রাণের বন্যা উচ্ছল-উত্তাল।’ সময়ের ব্যাধি, ক্ষুধা এসব বিষয়ও উঠে এসেছে ‘আশায় বসতি’ কাব্যগ্রন্থে।

‘দু’হাতে দুই আদিম পাথর’ আহসান হাবীবের পঞ্চম কাব্যগ্রন্থ। এখানেও তিনি বিবিধ বিষয়ের অবতারণা করেছেন। কবিতার অঙ্গসৌষ্ঠব গঠনে স্বকীয়তা বজায় রেখেইে সে কাজটি তিনি নিপুণভাবে সম্পন্ন করেছেন। সমাজে বিবমিষা, ক্লেদ এমনকি অশান্তির অসুখ ছিল। কিন্তু কবি সেসব মেনে নিয়ে পথ চলছিলেন। ‘সময়-অসময়’ কবিতায় তিনি বাস্তবতাকে মেনে নেওয়ার কথাই উচ্চারণ করেছেন। ‘যখন যেমন ইচ্ছা সময়ের সঙ্গে থেকে যাই’- এমনটাই কবির প্রত্যয়। কবি এ কবিতায় লিখেছেন- ‘সময় ফু’রিয়ে গেছে বলে যখন চিৎকার করো, দুঃসাহসে আমি যাই চ’লে/ সময়ের জন্মকালে, বিনষ্টির কাছাকাছি যাই/ নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কার সেই তীব্রতাকে ধ’রে রাখতে চাই।’

‘বিদীর্ণ দর্পণে মুখ’ কাব্যগ্রন্থটি তার শেষ কাব্যগ্রন্থ। ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়। এ কাব্যগন্থের একটি কবিতায় তিনি নিজেই নিজের কবিতার বিষয়গত ব্যাখ্যা দিয়ে গেছেন। তার ভাষায়- ‘কবিতাকে রাজনৈতিক বক্তৃতা করে তোলার পক্ষপাতী নই বলি।/ বরং কবিতা হোক রাজনৈতিক মঞ্চের বিশুদ্ধ/  প্রেরণা, আমি পেয়েছি।’

আহসান হাবীবের কবিতা মান বিচারে শিল্পসফল। তিনি নিজস্বতাকে বজায় রেখে একটি কবিতার জগৎ গড়ে তুলেছেন। বাংলা কবিতার ইতিহাসে সেই স্বাতন্ত্র্য আর উচ্চতা কালের প্রবাহে উজ্জ্বল হয়ে আছে। সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন হেতু তিনি শিল্পমান অক্ষুণœ রাখতে কোনো কার্পণ্য করেননি। বরং তার কবিতার সংখ্যা সীমিত হওয়ার নেপথ্যে এ এক কারণ হতে পারে। আহসান হাবীব গদ্য-পদ্য উভয় ধারাতে লিখলেও পদ্যেই তার খ্যাতি অধিক। বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ আহসান হাবীব।  

এই বিভাগের আরও খবর
বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখক অ্যান্ডি উইয়ার
বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখক অ্যান্ডি উইয়ার
নিবেদিত কবিতা
নিবেদিত কবিতা
ডিম
ডিম
বাংলা কবিতায় বৃষ্টি ও বর্ষার অনুষঙ্গ
বাংলা কবিতায় বৃষ্টি ও বর্ষার অনুষঙ্গ
সমুদ্দুর
সমুদ্দুর
আমি
আমি
অন্ধ হবার আগে
অন্ধ হবার আগে
কুয়ো
কুয়ো
মেভ ম্যাকগুকিয়ানের কবিতা
মেভ ম্যাকগুকিয়ানের কবিতা
নষ্ট নীড়
নষ্ট নীড়
শতাব্দী থেকে
শতাব্দী থেকে
অতৃপ্তি
অতৃপ্তি
সর্বশেষ খবর
রোনালদোকে বিশ্রাম না দেওয়ায় সমালোচনা, জবাবে যা বললেন কোচ
রোনালদোকে বিশ্রাম না দেওয়ায় সমালোচনা, জবাবে যা বললেন কোচ

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত
ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপরে, সৃষ্টি হতে বন্যা পরিস্থিতি
দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপরে, সৃষ্টি হতে বন্যা পরিস্থিতি

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আসামে ভয়াবহ বন্যা, ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ
আসামে ভয়াবহ বন্যা, ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিস্তাসহ চার নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে
তিস্তাসহ চার নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

নিষিদ্ধ জালে হুমকির মুখে দেশীয় মাছ!
নিষিদ্ধ জালে হুমকির মুখে দেশীয় মাছ!

৫২ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ

৫৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর দুর্ধর্ষ অভিযান, নিহত ২৯
আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর দুর্ধর্ষ অভিযান, নিহত ২৯

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নটরডেম কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন
নটরডেম কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন বেন স্টোকস
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন বেন স্টোকস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীনে ভূমিকম্প অনুভূত
চীনে ভূমিকম্প অনুভূত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৯ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৯ জুন ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল
জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক
ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ
প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ জুন)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ জুন)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকায় দুপুরের মধ্যে হালকা বৃষ্টি হতে পারে
ঢাকায় দুপুরের মধ্যে হালকা বৃষ্টি হতে পারে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

১১ জেলার জন্য আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা
১১ জেলার জন্য আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে ইরাকে সংসদ সদস্যসহ ৪৭ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে ইরাকে সংসদ সদস্যসহ ৪৭ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হালান্ডকে আটকে নকআউটে চমক দিতে চায় আইভরি কোস্ট
হালান্ডকে আটকে নকআউটে চমক দিতে চায় আইভরি কোস্ট

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের
জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যর্থতার দায় নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের পদত্যাগ
ব্যর্থতার দায় নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের পদত্যাগ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপকে বিদায় জানালেন হুগো ব্রুস
বিশ্বকাপকে বিদায় জানালেন হুগো ব্রুস

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খালি হাতে ফিরলেও ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে জর্ডান
খালি হাতে ফিরলেও ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে জর্ডান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার
নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি
নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সর্বাধিক পঠিত
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’
‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা
'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?
নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি
এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি
মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’
ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!
ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?
অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা
নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর
এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইতালির স্বপ্নে ২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ মাদারীপুরে হেমায়েত মোল্লা
ইতালির স্বপ্নে ২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ মাদারীপুরে হেমায়েত মোল্লা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল
বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার
নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার
হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাম বেড়ে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম বেড়ে স্বর্ণের ভরি কত?

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই
মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা
মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাভারে এনসিপির দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
সাভারে এনসিপির দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হরমুজ প্রণালি আগামী ৩০ দিন ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে: আরাঘচি
হরমুজ প্রণালি আগামী ৩০ দিন ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে: আরাঘচি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড
নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক

শোবিজ

পরীর নতুন প্রজেক্ট
পরীর নতুন প্রজেক্ট

শোবিজ

২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত
২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...
বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...

শোবিজ

নওয়াজের জীবনসংগ্রাম
নওয়াজের জীবনসংগ্রাম

শোবিজ

আবারও তীব্র যুদ্ধ
আবারও তীব্র যুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি
সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে

সম্পাদকীয়

বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার
বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং
হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং

দেশগ্রাম

চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক
রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক

প্রথম পৃষ্ঠা

অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়

সম্পাদকীয়

হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার
হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার

প্রথম পৃষ্ঠা

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি

দেশগ্রাম

নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব
নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব

প্রথম পৃষ্ঠা

মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা
মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা

দেশগ্রাম

কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার
কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার
নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন
অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

দেশগ্রাম

বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না
বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’
দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’

প্রাণের ক্যাম্পাস

গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ
গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট
লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট

নগর জীবন

বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত

সম্পাদকীয়

রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ
রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ

মাঠে ময়দানে