শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ নভেম্বর, ২০২০ ০৯:৪২
আপডেট : ২২ নভেম্বর, ২০২০ ১০:৪৭

সৌরভের বিতর্কিত সেই 'আউট' নিয়ে ২০ বছর পর স্বীকারোক্তি ইনজামামের

অনলাইন ডেস্ক

সৌরভের বিতর্কিত সেই 'আউট' নিয়ে ২০ বছর পর স্বীকারোক্তি ইনজামামের

১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে ভারত সফরে চেন্নাই টেস্টে ভারতকে ১২ রানে হারিয়েছিল পাকিস্তান। ভারতের মাটিতে দুই টেস্টের সিরিজে প্রথম টেস্টে নাটকীয় জয় পেয়েছিল ওয়াসিম আকরামের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানি ক্রিকেট দল। সেই টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে সৌরভ গাঙ্গুলির বিতর্কিত আউট নিয়ে ঝড় বয়ে গিয়েছিল। 

সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক ইনজামাম উল হক ইউটিউবে এক সাক্ষাতকারে জানালেন, সৌরভের ওই ক্যাচটি ঠিকমতো ধরেছিল কিনা এনিয়ে তিনি এখনও সন্দিহান। ইনজির স্বীকারোক্তি, ১৯৯৯ সালে চেন্নাই টেস্টে গাঙ্গুলি আউট ছিলেন না।

১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চেন্নাই টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভারতের সামনে টার্গেট ছিল ২৭১ রানের। রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে টিম ইন্ডিয়া। একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন সচিন টেন্ডুলকার। পিঠে ব্যথা নিয়ে ১৩৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন তিনি। 

শেষ পর্যন্ত ১২ রানে ম্যাচটি হারে ভারত। আর দ্বিতীয় ইনিংসে সৌরভ গাঙ্গুলির ক্যাচটি ঠিকমতো নেওয়া হয়েছিল কিনা সে নিয়ে বিতর্ক থেকেই যায়। ২০ বছর পর সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক ইনজামাম-উল-হক স্বীকার করে নিলেন, সেদিন চেন্নাই টেস্টে আউট ছিলেন না সৌরভ।

ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে ইউটিউব শো- ডিআরএস উইথ অ্যাশ অনুষ্ঠানে এসে ইনজামাম উল-হক ১৯৯৯ সালের ভারত সফরের স্মৃতিচারণা করেন। অশ্বিন বলেন, সেদিন সিলি পয়েন্টে সৌরভ গাঙ্গুলি একটা শট খেলেছিলেন। আর সেই ক্যাচ নিয়ে মঈন খান দাবি জানিয়েছিলেন আউটের। এখন পর্যন্ত আমরা জানি না যে সেটা আউট ছিল কিনা? কারণ সেই সময় ক্যামেরা অত ভাল ছিল না।

এর উত্তরে ইনজামামুল হক বলেন, দু'টো মানুষ এই ঘটনায় জড়িত ছিল। একজন আজহার মাহমুদ আর অন্যজন মঈন খান। যখন সৌরভ বলটা মেরেছিল তখন আজহার মাহমুদ প্রথম আটকায়। এরপর মঈন খান ক্যাচ ধরে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে পারব না এটা নিয়ে যে আজহার ওই টেস্টে খেলেছিল কিনা। যতদূর মনে আছে দ্বিতীয় ইনিংসে আমি অসুস্থ থাকায় আজহার আমার বদলে পরিবর্তে হিসেবে ফিল্ডিং করছিল। আমি মাঠে ছিলাম না। কিন্তু আমি বলতে পারি ওই ক্যাচটা ডাউটফুল। ইনজামাম উল হক'র এমন স্বীকারোক্তিতে স্যালুট জানিয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

 
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর