অতিরিক্ত যোগ করা সময়ে গোল করে লিড নেওয়া। কিছুক্ষণ পরই আবার গোল হজমের হতাশা। তবে স্বস্তি হয়ে এলো ভিএআর। রিপ্লে দেখে রেফারি জানালেন, অফসাইড ছিলেন ক্রোয়েশিয়ান তারকা। তাই বেঁচে গেলো পর্তুগাল।
ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে ভিএআরের কল্যাণে বেঁচে যাওয়ার পর রেফারিং নিয়ে কোনো সমস্যা খুঁজে পাননি পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেজ। তার মতে, এদিন ভাগ্যবান ছিল পর্তুগাল।
টরন্টো স্টেডিয়ামে রাউন্ড অব ৩২-র ম্যাচে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোরের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর বিরতি থেকে ফিরে ৫৩ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন ক্রোয়েশিয়ার ইভান পেরিসিচ।
সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েই জয়ের গল্প লিখে পর্তুগাল। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে গিয়ে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান রোনালদো। পরে ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে দুর্দান্ত হেডে গনসালো রামোস জয়সূচক গোলটি করেন।
এরপর অবশ্য জালের দেখা পেয়েছিল ক্রোয়েশিয়াও। একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে মারিও পাসালিচের শটে ক্রোয়েশিয়া সমতা ফিরিয়েছে বলে মনে হলেও, ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) পর্যালোচনায় অফসাইডের সিদ্ধান্ত আসে এবং গোলটি বাতিল হয়।
ম্যাচ শেষে তাই রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দেন ক্রোয়েশিয়ার কোচ জ্লাতকো দালিচ। তবে বিপরীত অবস্থানে দাঁড়িয়ে পর্তুগালের কোচ। তার মতে, ম্যাচে যথার্থই ছিল রেফারিদের সিদ্ধান্ত।
“কোনো বাজে সিদ্ধান্ত ছিল না ম্যাচে। আজকে আমরা ভাগ্যবান ছিলাম। বলের চিপ প্রমাণ করেছে যে, সেটি (ক্রোয়েশিয়ার গোল) অফসাইড ছিল। পেনাল্টিও একদম পরিষ্কার ছিল।”
“এই দলের জন্য জ্লাতকো দালিচ কী পরিমাণ পরিশ্রম করেছেন, তা আমি বুঝতে পারি। আর আজকে এটি হতাশাজনক যে একটিমাত্র দলই শুধু জিততে পারত।”
ডালাসে বাংলাদেশ সময় আগামী সোমবার দিবাগত রাত ১টায় শেষ ষোলোর ম্যাচে স্পেনের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল। মার্তিনেজের আশা, ইউরোপের দুই দলের লড়াইয়ে হবে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ।
“স্পেন যেই কোয়ালিটির দল, তাদের প্রতি আমাদের পূর্ণ সম্মান রয়েছে। আমার মতে, এটি দুর্দান্ত একটি ম্যাচ হতে চলেছে। বিশ্বকাপে এটিই ইউরোপিয়ান গেম হতে চলেছে।”
বিডি প্রতিদিন/নাজিম