শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৩ জুলাই, ২০২৬

দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ

ড. ইউসুফ খান
প্রিন্ট ভার্সন
দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ

দাবা বিশ্বের একটি জনপ্রিয় খেলা। কথিত আছে দাবা খেলার সর্বপ্রথম সূচনা হয় ভারতবর্ষে। যিনি দাবা খেলেন তাঁকে বলা হয় দাবাড়ু। আর চাল দিয়ে যখন বিপক্ষের রাজাকে কোণঠাসা করা হয় তখন একে দাবার পরিভাষায় বলে কিস্তিমাত। বাংলাদেশের দাবার ইতিহাস ঘাঁটলে আমরা দেখতে পাই এক সোনালি অতীতের। বেশ কয়েকজন এই খেলায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পান। নিয়াজ মোর্শেদ বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার। পরে আরও কয়েকজন গ্র্যান্ড মাস্টার হন। অপরদিকে বাংলাদেশের সেরা মহিলা দাবাড়ু রানী হামিদ। তাঁকে কে না চেনে! যিনি গৃহিণী থেকে দাবার রানি হয়ে ওঠেন?

২. মানুষ মাত্রই স্মৃতিকাতর। তার এই ছোট্ট জীবনে কত স্মৃতিই না জমে থাকে। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। নিজের দেশের গণ্ডি পেরিয়ে যখনই বাইরের কোনো দেশে গিয়েছি সেখানকার চমকপ্রদ জিনিসগুলো আমাকে মুগ্ধ করেছে, মনের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছে। আজ এমনই দুইটি দেশের নাম বলব, যা বিশ্বব্যাপী দাবা খেলার পথিকৃৎ হিসেবে স্বীকৃত। একটি হলো ইউরোপের আর্মেনিয়া, যেখানে দাবা খেলা স্কুল থেকেই বাধ্যতামূলক। দাবাড়ুরাই সে দেশের সবচেয়ে বড় তারকা। তার আগে আর্মেনিয়া দেশটি সম্পর্কে কিছু ধারণা নিয়ে নিই।

৩. আর্মেনিয়া পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র। আগে সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও পরবর্তী সময়ে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। লোকসংখ্যা মাত্র ৩০ লাখ, যার বেশির ভাগই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। উল্লেখ্য জাতিগতভাবে আর্মেনিয়রা নিজেদের ‘হায়’ বলে ডাকে এবং ৯০ শতাংশ মানুষই হায় গোষ্ঠীভুক্ত।

৪. মজার বিষয় হলো, আর্মেনিয়ায় বাংলাদেশ নামে একটি জেলা আছে। জেলাটির প্রকৃত নাম ‘মালাতিয়া সেবাস্তিয়া’। অফিশিয়াল নাম যা-ই হোক, স্থানীয়দের কাছে এটি বাংলাদেশ নামেই বেশি পরিচিত। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পর বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের সম্মানে স্থানীয় বাসিন্দারা ওই এলাকার নতুন নামকরণ করেন ‘বাংলাদেশ’। ওই সময়টায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাদের এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা এই নতুন এলাকাটিকে বাংলাদেশ নামে ডাকতে শুরু করেন। অর্থাৎ আর্মেনিয়ার এ এলাকাটি এখন বাংলাদেশ হিসেবে সুপরিচিত। এটি তুলনামূলকভাবে নিচু স্থানে অবস্থিত। বাংলাদেশের মতো কিছুটা সবুজ গাছগাছালি ও অরণ্যে ঘেরা বিধায় জায়গাটির নাম বাংলাদেশ নামকরণ করা হয়। আর্মেনিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কও বহু পুরোনো। সেই মধ্যযুগে সে দেশের লোকেরা এ দেশে আসতেন ব্যবসার সূত্রে। পুরান ঢাকার আরমানিটোলা সে স্মৃতি বহন করছে।

৫. দেশটির মুদ্রার নাম আর্মেনিয়ান ড্রাম। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনামূলকভাবে ওই দেশটির মুদ্রার মান অনেক কম। বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে ৬ আর্মেনিয়ান ড্রাম পাওয়া যায়। এটি একটি প্রাচীন সভ্যতার দেশ। সবাই আর্মেনীয় ভাষায় কথা বলে। ইদানীং ইংরেজি ভাষার প্রচলনও বেড়েছে। ইয়েরেবান দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। জাতীয় খেলা দাবা। এটি তাদের জাতীয় সংস্কৃতি ও মর্যাদার প্রতীক। স্কুল পর্যায়ে দাবা খেলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা বিশ্বের খুব কম দেশেই আছে। দাবা খেলার পেছনে তারা প্রতি বছর লাখ লাখ ডলার খরচ করে থাকে।

৬. দাবা একদিকে যেমন কৌশলী হতে শেখায় অন্যদিকে মেধার বিকাশ ঘটায়। তাই তো দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করে, ছোটবেলা থেকে দাবা খেললে শিশুরা একটি ‘বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের’ মধ্য দিয়ে যাবে, যা ভবিষ্যতে চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রে কাজে দেবে। যেকোনো বিষয়ে বিশ্লেষণ করতে শিশুটি একটা ভাবনার স্তর পার হবে, যা তাকে স্পষ্ট ধারণা পেতে সাহায্য করবে। আর্মেনিয়ায় এখন ৩ হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষিত দাবা শিক্ষক রয়েছেন।

৭. এই দেশের দাবাড়ুরা আক্ষরিক অর্থেই বড় তারকা, গ্র্যান্ড মাস্টারদের জন্য বাড়তি সম্মান এবং শহরের বড় বড় স্ক্রিনে চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলো দেখানো হয়, সাধারণ মানুষ ট্রাফিকে বসে বা কেবল দাবা খেলা দেখার উদ্দেশ্যেই সেসব স্ক্রিনের দিকে হা হয়ে তাকিয়ে থাকে, উত্তেজিত হয়, প্রতিপক্ষকে হারাতে পারলে আনন্দ প্রকাশ করে, বড় করে উদ্যাপন করে সব জয়। সাধারণত যা দেখা যায়, ফুটবল খেলা নিয়ে তা দাবার ক্ষেত্রেও ঘটে আর্মেনিয়ায়।

৮. দেশটির জনসংখ্যা খুবই কম তারপরও এই দেশ থেকে যেসব দাবাড়ু উঠে আসছেন তাঁরা রাশিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের দাবাড়ুদের প্রায়ই হারাচ্ছেন। এমনকি তাদের জাতীয় দাবাড়ু দল ইন্টারন্যাশনাল চেস অলিম্পিয়াডে তিন তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়। বিশ্বমঞ্চে আর্মেনিয়ার দাবাড়ুরা অত্যন্ত সফল।

৯. এবার আরেকটি দেশের কথা বলব, যে দেশে এক অদ্ভুত ধরনের দাবা খেলা হয়ে থাকে। জীবন্ত মানুষকেই দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ইতালির ভেনিস নগরীর নিকটবর্তী ছোট্ট একটি শহর নাম মারোসটিসা। এই শহরে প্রতি দুই বছর অন্তর অন্তর সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মানব দাবা খেলা প্রদর্শিত হয়। এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী দাবা খেলা। কেউ কেউ একে চলনশীল দাবা অথবা জীবন্ত দাবাও বলে থাকে। যেখানে মানুষ দাবার ঘুঁটির ভূমিকা পালন করে। মানব দাবা খেলাটি সাধারণত বহিরাঙ্গনে কোনো বড় মাঠে কৃত্রিম দাবা বোর্ডে হয়ে থাকে। এই মানব দাবা খেলার মাধ্যমে কিংবদন্তিতুল্য দাবা খেলার ঘটনাকে স্মরণ করা হয়। তিন দিনব্যাপী এই মানব দাবার অনুষ্ঠান চলে। খেলার অংশগ্রহণকারীরা বিশেষ ধরনের ঐতিহাসিক পোশাক পরিধান করে থাকেন। এই খেলার জন্য দাবা কমিটির কিছু ধরাবাঁধা নিয়ম রয়েছে, যা মেনে চলতে হয়।

দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ১০. ওই সময়টায় ছোট্ট শহর মারোসটিসায় এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। মানব দাবার প্রদর্শনীতে পর্যটকদের ঢল নামে। উপচে পড়া ভিড়, যেন বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। গোটা শহরটা এক নতুন সাজে সজ্জিত হয়। জীবন একটাই, তাই তারা প্রাণভরে উপভোগ করে।

১১. সামারের উজ্জ্বল ঝকঝকে দিনে ইউরোপের বিভিন্ন শহরে যখন ছুটির এক হালকা মেজাজ চলে, আবহাওয়ায় থাকে এক ফুরফুরে আরামদায়ক উত্তাপ, ঠিক সেই সময়ে ইউরোপের নানান শহরের পার্কে, স্কোয়ারে, খোলা জায়গায় প্রায়ই অতিপরিচিত এক দৃশ্য দেখা যায়, তাহলো দাবা খেলার মারপ্যাঁচ, চাল আর কুটবুদ্ধির কৌশল। পৃথিবীর নামি মানুষ- নেপোলিয়ন, রানি ভিক্টোরিয়া থেকে শুরু করে চার্চিল এঁরা সবাই অবসর সময়ে নিজের বুদ্ধিকে শানিয়ে নিতে কাজে মনোযোগ ও একাগ্রতা বাড়াতে দাবা নিয়ে বসে যেতেন।

১২. দাবা একটি বৈশ্বিক খেলা, যা সব পর্যায়েই খেলা যায়। মাত্র চার বছর বয়সি যে কেউ ১০৪ বছরের বয়স্ক মানুষের বিপক্ষে খেলতে পারে। কেউ একজন হয়তো হাঁটতে পারেন না, তিনি শারীরিকভাবে শক্তিশালী কাউকে হারাতে পারেন। এর জন্য কোনো অতিরিক্ত পয়সাও খরচ করতে হয় না।

১৩. ব্রিটেনের খ্যাতনামা অধ্যাপক পিটার ডরভার্ন, যিনি একজন দাবাড়ুও বটে, তাঁর গবেষণাতে উঠে এসেছে দাবা খেললে আই-কিউ স্কোর বাড়ে এবং এটা শুধু চিন্তার গভীরতাই বৃদ্ধি করে না, স্মৃতিশক্তিও বৃদ্ধি করে। নাইজেরিয়ান বিজ্ঞানী অনাকোয়া মনে করেন, দাবা খেলা তাঁকে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করেছে। তিনি আরও মনে করেন, দাবা খেলাটি অনেক সস্তা, তাই যেকোনো জায়গায় যেকোনো আয়ের মানুষ দাবা খেলতে পারে। একটি গল্প দিয়ে লেখাটি শেষ করছি।

১৪. একটি কোম্পানির ইন্টারভিউ চলছিল। বস সামনের টেবিলে বসা মহিলার সিভি দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই চাকরির জন্য আপনি কত বেতন আশা করছেন?’ মহিলা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেন, ‘অন্তত ৯০ হাজার টাকা।’

বস তাঁর দিকে তাকিয়ে বললেন,

‘আপনার কি কোনো খেলার প্রতি আগ্রহ আছে?’

মহিলা উত্তর দিলেন, ‘জি, হ্যাঁ, আমি দাবা খেলতে খুব ভালোবাসি।’

বস হাসিমুখে বললেন, ‘দাবা তো খুব মজার খেলা। বলুন তো, দাবার কোন ঘুঁটিটি আপনার সবচেয়ে প্রিয়?’

মহিলা হাসি দিয়ে বললেন, ‘উজির’।

বস বললেন, ‘কেন? আমার তো মনে হয় ঘোড়ার চাল সবচেয়ে আকর্ষণীয়।’

মহিলা গম্ভীরভাবে বললেন, ‘হ্যাঁ, ঘোড়ার চাল আকর্ষণীয় বটে তবে উজিরের মধ্যে সব গুণ রয়েছে। সে তির্যকভাবে চলতে পারে, সরাসরি এগোতে পারে এবং প্রয়োজনে রাজার ঢাল হয়ে তাকে রক্ষা করতে পারে।’

বস মুগ্ধ হয়ে আবার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তাহলে রাজাকে আপনি কেমন দেখেন?’

মহিলা বললেন, ‘দাবা খেলায় আমি রাজাকে সবচেয়ে দুর্বল মনে করি। সে নিজেকে রক্ষা করার জন্য মাত্র একটি পদক্ষেপ নিতে পারে, যখন উজির তার চারপাশে থেকে তাকে রক্ষা করে।’

বস তার উত্তরে মুগ্ধ হয়ে আরও জানতে চাইলেন,

‘তাহলে আপনি নিজেকে দাবার কোন ঘুঁটির সঙ্গে তুলনা করবেন?’

মহিলা নির্দ্বিধায় বললেন, ‘রাজা’।

বস কিছুটা অবাক হয়ে বললেন, ‘কিন্তু আপনি তো রাজাকে দুর্বল বলেছিলেন। তাহলে নিজেকে কেন রাজা বলছেন?’

মহিলা হালকা হাসি দিয়ে বললেন, ‘কারণ আমি একজন রাজা, আর উজির ছিলেন আমার স্বামী। তিনি আমাকে সব সময় রক্ষা করতেন। কিন্তু এখন তিনি আর আমাদের মাঝে নেই।’

বস স্তব্ধ হয়ে গেলেন। তিনি ধীরে ধীরে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তাহলে আপনি এই চাকরি কেন করতে চান?’ মহিলা চোখের কোণে জল নিয়ে বললেন, ‘কারণ আমার উজির চলে যাওয়ার পর, এখন আমাকে নিজেই উজির হয়ে আমার সন্তান ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে।’

ঘরের মধ্যে গভীর নীরবতা নেমে এলো। বস হাততালি দিয়ে বললেন, ‘আপনি নিঃসন্দেহে একজন সাহসী নারী। আপনার জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা।’

১৫. দাবা খেলার চর্চা শুধু মানুষের মস্তিষ্কের কার্যকারিতাই বাড়ায় না, মানুষের বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা, বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা ও দূরদর্শিতাও বাড়ায়। এটি মানুষকে ধীরস্থিরভাবে চিন্তা করতে সাহায্য করে। সত্যি কথা বলতে কী, মানুষের জীবন দাবার চালের চেয়েও অনেক বড়, অনেক বিস্তৃত, দাবা খেলা মানুষকে জীবনের অসীম সম্ভাবনার জায়গায় নিয়ে যেতে সাহায্য করে, ভাবতে সাহায্য করে; আর তাই, এই সাদাকালো ছককাটা নকশা ও বত্রিশটা ঘুঁটি, হাজার বছরের পথ অতিক্রম করে আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায়, ভাবায় ও গন্তব্যস্থলের পথ বাতলে দেয়।

♦ লেখক : গবেষক ও প্রাবন্ধিক

এই বিভাগের আরও খবর
ব্যাংকঋণ প্রবাহ
ব্যাংকঋণ প্রবাহ
ট্রমায় ট্রমা সেন্টার
ট্রমায় ট্রমা সেন্টার
দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন
দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন
ফুটবল উন্মাদনার এপিঠ-ওপিঠ
ফুটবল উন্মাদনার এপিঠ-ওপিঠ
স্বচ্ছতা জবাবদিহি ও সুশাসন
স্বচ্ছতা জবাবদিহি ও সুশাসন
গাছহীন ঢাকা
গাছহীন ঢাকা
উচ্চশিক্ষার বাতিঘর
উচ্চশিক্ষার বাতিঘর
জুলুমকারীদের পরিণাম
জুলুমকারীদের পরিণাম
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রশিক্ষণ প্রকল্প
প্রশিক্ষণ প্রকল্প
তিস্তা মহাপরিকল্পনা
তিস্তা মহাপরিকল্পনা
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
সর্বশেষ খবর
বান্দরবানের রেতলাং এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলমান
বান্দরবানের রেতলাং এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলমান

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না
রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না

১৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন
দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন

২০ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপে বসছে ইসি
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপে বসছে ইসি

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ডেল্টা অর্থনীতির জন্য ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী
ডেল্টা অর্থনীতির জন্য ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী

৩০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

১১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করলেন বাবা
১১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করলেন বাবা

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুখোমুখি পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া, জিতবে কে জানালো সুপার কম্পিউটার
মুখোমুখি পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া, জিতবে কে জানালো সুপার কম্পিউটার

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাল কার্ডের যে তালিকায় সবার ওপরে ব্রাজিল
লাল কার্ডের যে তালিকায় সবার ওপরে ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ম্যারাডোনা থেকে মেসি: যেভাবে আর্জেন্টিনার প্রেমে পড়েছে বাংলাদেশ
ম্যারাডোনা থেকে মেসি: যেভাবে আর্জেন্টিনার প্রেমে পড়েছে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বরিশালের এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৩৪৬
বরিশালের এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৩৪৬

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধ: দিনে হাতাহাতি, রাতে মিলল যুবকের লাশ
জমি নিয়ে বিরোধ: দিনে হাতাহাতি, রাতে মিলল যুবকের লাশ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে ৪০১৫ পিস ইয়াবা জব্দ, ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪
বাগেরহাটে ৪০১৫ পিস ইয়াবা জব্দ, ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার
বগুড়ায় প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাঝরাতে বৃষ্টির মতো ছুটে এল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র,  নিহত ২১
মাঝরাতে বৃষ্টির মতো ছুটে এল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র,  নিহত ২১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লালবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু
লালবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বর্ষার আগেই আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভাঙন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
বর্ষার আগেই আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভাঙন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের চেষ্টা: ৩ নৌকা জব্দ
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের চেষ্টা: ৩ নৌকা জব্দ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী বর্ষণের আভাস
টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী বর্ষণের আভাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বপ্নপূরণে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ খান
স্বপ্নপূরণে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ খান

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের ৫টি পেট্রোল বোট
নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের ৫টি পেট্রোল বোট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে বাজারে যাওয়ার পথে যুবক খুন
সিলেটে বাজারে যাওয়ার পথে যুবক খুন

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

কুষ্টিয়ায় অস্ত্র-গুলিসহ বাবা-ছেলে আটক
কুষ্টিয়ায় অস্ত্র-গুলিসহ বাবা-ছেলে আটক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁয় সেলাই মেশিন ও কৃষি বীজ বিতরণ
নওগাঁয় সেলাই মেশিন ও কৃষি বীজ বিতরণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সদর দফতরে বোমা হামলার হুমকি: রিপোর্ট
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সদর দফতরে বোমা হামলার হুমকি: রিপোর্ট

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজবাড়ীতে বসতবাড়িতে চুরি
রাজবাড়ীতে বসতবাড়িতে চুরি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর উদ্যোগ
প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর উদ্যোগ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণ
ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বজ্রপাতে বিকল ট্রান্সফরমার, বিদ্যুৎহীন দুই উপজেলার মানুষ
বজ্রপাতে বিকল ট্রান্সফরমার, বিদ্যুৎহীন দুই উপজেলার মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসির জন‍্য কেপ ভার্দের  বিশেষ উপহার
মেসির জন‍্য কেপ ভার্দের বিশেষ উপহার

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?
পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন
জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ
সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!
যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’
‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস
গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ
এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম
প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি

১৬ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী
ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার
বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই
৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবার জানাজায় থাকছেন না খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি
বাবার জানাজায় থাকছেন না খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প
ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত
তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এলপি গ্যাসের দাম কমল
এলপি গ্যাসের দাম কমল

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী
‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ব্রাজিলের সামনে কঠিন পথ
ব্রাজিলের সামনে কঠিন পথ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইনিংস ব্যবধানে হারের পর টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়েও পতন বাংলাদেশের
ইনিংস ব্যবধানে হারের পর টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়েও পতন বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১১ বছরের শিশুর চালানো পিকআপ পিষে মারল ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে
১১ বছরের শিশুর চালানো পিকআপ পিষে মারল ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমানের দুবাই ফ্লাইট থেকে প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ
বিমানের দুবাই ফ্লাইট থেকে প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জন্মহার বাড়াতে পিতৃত্ব-মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়াল ফ্রান্স
জন্মহার বাড়াতে পিতৃত্ব-মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়াল ফ্রান্স

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ফুটবলার পেলেন লাল কার্ড, ১ মিলিয়ন ডলারের ফ্রি পিৎজা পাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা
মার্কিন ফুটবলার পেলেন লাল কার্ড, ১ মিলিয়ন ডলারের ফ্রি পিৎজা পাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন
ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অদম্য কেপ ভার্দে
আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অদম্য কেপ ভার্দে

প্রথম পৃষ্ঠা

আর কোনো রেকর্ড বাকি আছে কি মেসির
আর কোনো রেকর্ড বাকি আছে কি মেসির

মাঠে ময়দানে

নির্মাণ ব্যয় কমাবে জাইকা নমনীয় হবে সুদহার
নির্মাণ ব্যয় কমাবে জাইকা নমনীয় হবে সুদহার

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থীদের বাড়ছে এআইনির্ভরতা
শিক্ষার্থীদের বাড়ছে এআইনির্ভরতা

পেছনের পৃষ্ঠা

হাজার হাজার ভুয়া আসামি
হাজার হাজার ভুয়া আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

২২ দিনেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূর
২২ দিনেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূর

দেশগ্রাম

ইংল্যান্ড যাবে কত দূর
ইংল্যান্ড যাবে কত দূর

মাঠে ময়দানে

কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত
কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ
পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

ওরা বাড়ি ফিরছিলো
ওরা বাড়ি ফিরছিলো

সাহিত্য

৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি
৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি

পেছনের পৃষ্ঠা

মেঘমেদ
মেঘমেদ

সাহিত্য

তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে
তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান
মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

দুটি কবিতা
দুটি কবিতা

সাহিত্য

ভিটামাটি হারাচ্ছে মানুষ
ভিটামাটি হারাচ্ছে মানুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ
সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ

সাহিত্য

মনে পড়ে সেই ক্যামেরুনের কথা
মনে পড়ে সেই ক্যামেরুনের কথা

মাঠে ময়দানে

সহজ হচ্ছে ভিসা পলিসি
সহজ হচ্ছে ভিসা পলিসি

প্রথম পৃষ্ঠা

‘থ্রি লায়ন্স’ কিং হ্যারি কেইন
‘থ্রি লায়ন্স’ কিং হ্যারি কেইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই
পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ
দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ

সম্পাদকীয়

বাম্পার ফলন, তবু হতাশ পাটচাষিরা
বাম্পার ফলন, তবু হতাশ পাটচাষিরা

দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ফুটবলে সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া
বিশ্বকাপ ফুটবলে সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া

মাঠে ময়দানে

ক্ষমতাবানরা ক্ষণস্থায়ী সুবিধার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেন
ক্ষমতাবানরা ক্ষণস্থায়ী সুবিধার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেন

প্রথম পৃষ্ঠা

গাছে বেঁধে নির্যাতন যুবকের মৃত্যু
গাছে বেঁধে নির্যাতন যুবকের মৃত্যু

দেশগ্রাম

১০ জুলাই ‘ওভারলোড ফেস্টিভ্যাল’
১০ জুলাই ‘ওভারলোড ফেস্টিভ্যাল’

শোবিজ

বিদেশ গিয়ে বাংলাদেশের সুনাম বজায় রাখবেন
বিদেশ গিয়ে বাংলাদেশের সুনাম বজায় রাখবেন

নগর জীবন