শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৩ জুলাই, ২০২৬

স্বচ্ছতা জবাবদিহি ও সুশাসন

শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস
প্রিন্ট ভার্সন
স্বচ্ছতা জবাবদিহি ও সুশাসন

১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণ অভ্যুত্থান, ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ’৯০-এর ছাত্র গণ আন্দোলন এবং সর্বশেষ জুলাই ’২৪-এর গণ অভ্যুত্থানে অগণিত শহীদের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ বর্তমান অবস্থানে পৌঁছেছে। এ আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস রক্ষা করা রাষ্ট্র এবং সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। নৈতিক মূল্যবোধ, গণমানুষের আস্থা, সততা এবং জবাবদিহির ভিত্তিতেই একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

সব রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আন্তরিক থাকতে হবে।  নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কর্তব্য পালনে অবহেলার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে জবাবদিহির আওতায় আসতে হবে এবং প্রয়োজনে স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। দেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়; সরকার, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রাজনৈতিক কর্মী-সবাই জনগণের সেবক। যাঁরা জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রত্যয় নিয়ে রাজনীতিতে আসবেন, তাঁদের সর্বাগ্রে সততা, নৈতিকতা ও আচরণে পরিবর্তন আনতে হবে। রাষ্ট্র ও রাজনীতির সব স্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা : সরকার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো সত্তা নয়; জনগণের কল্যাণে কাজ করাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব। তাই রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব খাটিয়ে কেউ জনগণের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।

গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত কাবিখা, কাবিটা, টিআর, জিআর, এডিবি এবং অন্যান্য উন্নয়ন কর্মসূচি সততা ও ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে। সব সরকারি উন্নয়নকাজ ও টেন্ডার অনুমোদিত নকশা, শিডিউল এবং নির্ধারিত গুণগত মান অনুযায়ী বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। ঠিকাদার, বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্তৃপক্ষকে চুক্তির শর্ত, অনুমোদিত নকশা, শিডিউল ও নির্ধারিত গুণগত মান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। সরকারি অর্থে নির্মিত স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, গির্জা, গোরস্থান, অজুখানা, ক্লাব, পাঠাগার, হাসপাতাল, রাস্তাঘাটসহ সব উন্নয়নকাজে নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রাখতে হবে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, অনিয়ম, অস্বচ্ছতা কিংবা দুর্নীতি কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন : সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। তাই সরকারি অর্থে বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পে সর্বোচ্চ সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নির্ধারিত গুণগত মান নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। বরাদ্দকৃত প্রতিটি টাকা নির্ধারিত উন্নয়নকাজেই ব্যয় করতে হবে। সরকারি অর্থের তছরুপ, অপব্যবহার, নয়ছয় কিংবা নীতিমালা লঙ্ঘন কঠোরভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। বরাদ্দের অর্থ অন্যত্র ব্যবহার কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং প্রয়োজনে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করতে হবে। সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক উন্নয়নব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। উন্নয়ন হবে জনগণের কল্যাণে।

জনগণের প্রতিটি টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও আইনগতভাবে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

দুর্নীতি, মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ : মাদক শুধু একটি পরিবারকে নয়, পুরো সমাজকে ধ্বংস করে। একইভাবে দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহার রাষ্ট্রকে দুর্বল করে এবং জনগণের নিরাপত্তাহীনতা একটি দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলে। তাই মাদক উৎপাদন, বিতরণ, পাচার, বিক্রয় ও সেবনের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে ঘুষ, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব, জুয়া এবং সব ধরনের সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তুলতে হবে। মাদক, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানই একটি সুশাসিত, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের পূর্বশর্ত।

শিক্ষা, নৈতিকতা ও আগামী প্রজন্ম : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, পরিবার এবং সামাজিক সংগঠনগুলোতে নৈতিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে। তরুণ-তরুণীদের মাদক, অপরাধ ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার জন্য পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একটি আদর্শ জাতি গঠনের ভিত্তি হলো সুশিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরি করা। তাই আগামী প্রজন্মকে সৎ, দক্ষ, দেশপ্রেমিক ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও জাতীয় ঐক্য : আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত না করে একটি সভ্য, মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।  অপরাধ, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।  দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস ও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। জনগণ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, অভিভাবক, ধর্মীয় নেতা এবং সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও আন্তরিকতার মাধ্যমেই আমরা একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক, মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব, ইনশাআল্লাহ।

♦ লেখক : সংসদ সদস্য ও প্রধান সমন্বয়ক, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল

এই বিভাগের আরও খবর
ব্যাংকঋণ প্রবাহ
ব্যাংকঋণ প্রবাহ
ট্রমায় ট্রমা সেন্টার
ট্রমায় ট্রমা সেন্টার
দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন
দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন
ফুটবল উন্মাদনার এপিঠ-ওপিঠ
ফুটবল উন্মাদনার এপিঠ-ওপিঠ
দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ
দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ
গাছহীন ঢাকা
গাছহীন ঢাকা
উচ্চশিক্ষার বাতিঘর
উচ্চশিক্ষার বাতিঘর
জুলুমকারীদের পরিণাম
জুলুমকারীদের পরিণাম
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রশিক্ষণ প্রকল্প
প্রশিক্ষণ প্রকল্প
তিস্তা মহাপরিকল্পনা
তিস্তা মহাপরিকল্পনা
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
সর্বশেষ খবর
প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্কুলছাত্র আকাশ হত্যা: দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড
প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্কুলছাত্র আকাশ হত্যা: দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কুড়িগ্রামে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি পলাতক
কুড়িগ্রামে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি পলাতক

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জরুরি প্রস্তুতি ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জরুরি প্রস্তুতি ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অন্যের হয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে এক বছরের সাজা পেল যুবক
অন্যের হয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে এক বছরের সাজা পেল যুবক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বান্দরবানের রেতলাং এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলমান
বান্দরবানের রেতলাং এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না
রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন
দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপে বসছে ইসি
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপে বসছে ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেল্টা অর্থনীতির জন্য ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী
ডেল্টা অর্থনীতির জন্য ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

১১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করলেন বাবা
১১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করলেন বাবা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুখোমুখি পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া, জিতবে কে জানালো সুপার কম্পিউটার
মুখোমুখি পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া, জিতবে কে জানালো সুপার কম্পিউটার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাল কার্ডের যে তালিকায় সবার ওপরে ব্রাজিল
লাল কার্ডের যে তালিকায় সবার ওপরে ব্রাজিল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ম্যারাডোনা থেকে মেসি: যেভাবে আর্জেন্টিনার প্রেমে পড়েছে বাংলাদেশ
ম্যারাডোনা থেকে মেসি: যেভাবে আর্জেন্টিনার প্রেমে পড়েছে বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বরিশালের এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৩৪৬
বরিশালের এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৩৪৬

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধ: দিনে হাতাহাতি, রাতে মিলল যুবকের লাশ
জমি নিয়ে বিরোধ: দিনে হাতাহাতি, রাতে মিলল যুবকের লাশ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে ৪০১৫ পিস ইয়াবা জব্দ, ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪
বাগেরহাটে ৪০১৫ পিস ইয়াবা জব্দ, ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার
বগুড়ায় প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাঝরাতে বৃষ্টির মতো ছুটে এল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র,  নিহত ২১
মাঝরাতে বৃষ্টির মতো ছুটে এল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র,  নিহত ২১

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লালবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু
লালবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বর্ষার আগেই আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভাঙন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
বর্ষার আগেই আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভাঙন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের চেষ্টা: ৩ নৌকা জব্দ
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের চেষ্টা: ৩ নৌকা জব্দ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী বর্ষণের আভাস
টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী বর্ষণের আভাস

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বপ্নপূরণে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ খান
স্বপ্নপূরণে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ খান

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের ৫টি পেট্রোল বোট
নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের ৫টি পেট্রোল বোট

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে বাজারে যাওয়ার পথে যুবক খুন
সিলেটে বাজারে যাওয়ার পথে যুবক খুন

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

কুষ্টিয়ায় অস্ত্র-গুলিসহ বাবা-ছেলে আটক
কুষ্টিয়ায় অস্ত্র-গুলিসহ বাবা-ছেলে আটক

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁয় সেলাই মেশিন ও কৃষি বীজ বিতরণ
নওগাঁয় সেলাই মেশিন ও কৃষি বীজ বিতরণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সদর দফতরে বোমা হামলার হুমকি: রিপোর্ট
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সদর দফতরে বোমা হামলার হুমকি: রিপোর্ট

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?
পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন
জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ
সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!
যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’
‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস
গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ
এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম
প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি

১৭ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী
ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার জানাজায় থাকছেন না খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি
বাবার জানাজায় থাকছেন না খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার
বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই
৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প
ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত
তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এলপি গ্যাসের দাম কমল
এলপি গ্যাসের দাম কমল

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ব্রাজিলের সামনে কঠিন পথ
ব্রাজিলের সামনে কঠিন পথ

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী
‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইনিংস ব্যবধানে হারের পর টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়েও পতন বাংলাদেশের
ইনিংস ব্যবধানে হারের পর টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়েও পতন বাংলাদেশের

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিমানের দুবাই ফ্লাইট থেকে প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ
বিমানের দুবাই ফ্লাইট থেকে প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজা : ‘রক্তের বদলা’ চাইতে ইরানিদের ঢল নামানোর আহ্বান
খামেনির জানাজা : ‘রক্তের বদলা’ চাইতে ইরানিদের ঢল নামানোর আহ্বান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ বছরের শিশুর চালানো পিকআপ পিষে মারল ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে
১১ বছরের শিশুর চালানো পিকআপ পিষে মারল ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জন্মহার বাড়াতে পিতৃত্ব-মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়াল ফ্রান্স
জন্মহার বাড়াতে পিতৃত্ব-মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়াল ফ্রান্স

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন
ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আর কোনো রেকর্ড বাকি আছে কি মেসির
আর কোনো রেকর্ড বাকি আছে কি মেসির

মাঠে ময়দানে

আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অদম্য কেপ ভার্দে
আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অদম্য কেপ ভার্দে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্মাণ ব্যয় কমাবে জাইকা নমনীয় হবে সুদহার
নির্মাণ ব্যয় কমাবে জাইকা নমনীয় হবে সুদহার

প্রথম পৃষ্ঠা

হাজার হাজার ভুয়া আসামি
হাজার হাজার ভুয়া আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থীদের বাড়ছে এআইনির্ভরতা
শিক্ষার্থীদের বাড়ছে এআইনির্ভরতা

পেছনের পৃষ্ঠা

পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ
পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইংল্যান্ড যাবে কত দূর
ইংল্যান্ড যাবে কত দূর

মাঠে ময়দানে

৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি
৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি

পেছনের পৃষ্ঠা

তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে
তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে

প্রথম পৃষ্ঠা

২২ দিনেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূর
২২ দিনেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূর

দেশগ্রাম

ভিটামাটি হারাচ্ছে মানুষ
ভিটামাটি হারাচ্ছে মানুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত
কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান
মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ওরা বাড়ি ফিরছিলো
ওরা বাড়ি ফিরছিলো

সাহিত্য

‘থ্রি লায়ন্স’ কিং হ্যারি কেইন
‘থ্রি লায়ন্স’ কিং হ্যারি কেইন

প্রথম পৃষ্ঠা

শাপলার ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে
শাপলার ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ
দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ

সম্পাদকীয়

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই
পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

সহজ হচ্ছে ভিসা নীতি
সহজ হচ্ছে ভিসা নীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

মেঘমেদ
মেঘমেদ

সাহিত্য

মনে পড়ে সেই ক্যামেরুনের কথা
মনে পড়ে সেই ক্যামেরুনের কথা

মাঠে ময়দানে

সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ
সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ

সাহিত্য

বাম্পার ফলন, তবু হতাশ পাটচাষিরা
বাম্পার ফলন, তবু হতাশ পাটচাষিরা

দেশগ্রাম

উপকরণ আছে শুধু সেবা নেই
উপকরণ আছে শুধু সেবা নেই

নগর জীবন

দুটি কবিতা
দুটি কবিতা

সাহিত্য

বিশ্বকাপ ফুটবলে সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া
বিশ্বকাপ ফুটবলে সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া

মাঠে ময়দানে

১০ জুলাই ‘ওভারলোড ফেস্টিভ্যাল’
১০ জুলাই ‘ওভারলোড ফেস্টিভ্যাল’

শোবিজ

গাছে বেঁধে নির্যাতন যুবকের মৃত্যু
গাছে বেঁধে নির্যাতন যুবকের মৃত্যু

দেশগ্রাম