শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৩ জুলাই, ২০২৬

সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ

গাউসুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ

তিনি অমর। মৃত্যুর কোনো ক্ষমতা নেই তাঁর মতো এক জীবনতৃষ্ণায় ভরপুর কবিকে মুছে দেওয়ার। তিনি মিশে আছেন বাংলার ধুলো-মাটিতে, ঘামে-রক্তে আর এক সাম্যবাদী ভোরের প্রতীক্ষায়। তাঁর সেই অমোঘ জীবনবোধই তাঁকে দিয়েছে মৃত্যুঞ্জয়ী মর্যাদা। সুকান্ত ভট্টাচার্য- এক অবিনশ্বর চেতনার নাম, যা যুগ থেকে যুগান্তরে প্রতিধ্বনিত হয়ে চলবে

১৯৪৭ সালের ১৩ মে গোধূলিলগ্নে যবনিকা পড়েছিল এক কিশোরের জীবননাট্যে, যাঁর বয়স তখন মাত্র একুশ। জন্মেছিলেন ১৫ আগস্ট ১৯২৬। একুশ-যৌবনের প্রারম্ভিক এই বয়সে মানুষ যখন স্বপ্ন আর অনুরাগের মোহজালে আচ্ছন্ন থাকে, তখন সুকান্ত ভট্টাচার্য নামের সেই দ্রোহী কিশোরটি বাংলা কবিতার চিরাচরিত মেদ আর রোমান্টিকতার মায়াজাল ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনীতে এমন এক উত্তপ্ত লাভাস্রোত বইয়ে দিয়েছিলেন, যা তৎকালীন ঘুণেধরা সমাজব্যবস্থার ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। সুকান্ত কেবল একজন কবি ছিলেন না; তিনি ছিলেন সময়ের এক নির্মোহ আয়না, এক প্রদীপ্ত জবানবন্দি। আজ ২০২৬ সালের এই তপ্ত দিনে দাঁড়িয়ে যখন তাঁকে ফিরে দেখার আয়োজন হয়, তখন বোঝা যায় তাঁর কবিতা কেন কেবল ধূসর ইতিহাসের অংশ নয়, বরং চিরকালীন এক মানবিক ইশতেহার।

সুকান্তের কাব্যকৃতির মূলে প্রবেশ করতে হলে আমাদের একটু পিছিয়ে গিয়ে দাঁড়াতে হবে বিংশ শতাব্দীর সেই ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ চল্লিশের দশকে। সেই সময়টা ছিল বিষাক্ত কুয়াশার মতো। একদিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকা, অন্যদিকে তেপ্পান্নর মন্বন্তর। বাংলার রাজপথ তখন লাশের মিছিলে ভারী, লঙ্গরখানায় ক্ষুধার্ত মানুষের দীর্ঘশ্বাস। আকাশজুড়ে সাম্রাজ্যবাদের শকুন উড়ছে। সেই সময়ে কবিদের কলমে যখন জ্যোৎস্না আর বিরহের আলপনা আঁকা হচ্ছিল, তখন সুকান্ত এক রুক্ষ বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি দেখেছিলেন, ক্ষুধার জ্বালায় শিশুর ক্রন্দন আর বুর্জোয়া শ্রেণির বিলাসিতার মধ্যে যে দুস্তর ব্যবধান, তা কোনো মিঠে সুর দিয়ে মোছা সম্ভব নয়। তাই তাঁর কবিতায় রোমান্টিকতার স্নিগ্ধতা নেই, আছে যুদ্ধের সাইরেন।

অনেকে বলেন, সুকান্তের কাব্যাদর্শ ছিল মার্কসীয় দর্শনের কাব্যিক অনুবাদ। কথাটি হয়তো আংশিক সত্য, কিন্তু তাঁর কবিতা কোনো শুকনো রাজনৈতিক স্লোগান ছিল না। মার্কসীয় দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের যে তত্ত্ব পুঁথিগত পাতায় সীমাবদ্ধ থাকে, সুকান্ত তাকে নিয়ে এসেছিলেন বেলেঘাটার স্যাঁতসেঁতে গলি আর ফুটপাতের ধুলোয়। তিনি কেবল জগৎকে ব্যাখ্যা করতে চাননি, চেয়েছিলেন তাকে দুহাতে বদলে দিতে। তাই তাঁর কলমে যখন বের হয়- ‘পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’, তখন সেটি কেবল একটি উপমা থাকে না। এটি হয়ে ওঠে শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চপেটাঘাত, সেই নন্দনতত্ত্বের গালে, যা পেটের ক্ষুধার চেয়ে আকাশের চাঁদের সৌন্দর্যকে বড় করে দেখে। আচ্ছা, একজন ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে চাঁদের রুপোলি মায়ার চেয়ে একখণ্ড গরম রুটির দাহিকা শক্তি কি বেশি কাম্য নয়? সুকান্ত সেই অমোঘ সত্যটিকেই কবিতার ছত্রে ছত্রে ফুটিয়ে তুলেছেন। রুটি এখানে নিছক খাদ্য নয়, এটি এক সর্বহারা শ্রেণির মৌলিক অধিকারের প্রতীক।

সুকান্তের দেখার চোখ ছিল অদ্ভুত রকমের গভীর। তিনি সাধারণ মানুষের অতি তুচ্ছ অনুষঙ্গকে শিল্পের সিংহাসনে বসিয়েছিলেন। এই যে একটা আধপোড়া সিগারেট, একটা অতি সাধারণ দেশলাই কাঠি কিংবা ক্লান্তিহীন এক রানার এগুলো যে বিপ্লবের একেকটা স্ফুলিঙ্গ হতে পারে, তা সুকান্তের আগে বাংলাসাহিত্যে কেউ এমনভাবে ভাবেননি। তাঁর ‘রানার’ কবিতাটির কথা ধরা যাক। রাতের আঁধারে পিঠে খবরের বোঝা নিয়ে যে মানুষটি বন-বাঁদাড় পেরিয়ে ছুটে চলেছেন, তাঁর পায়ের নূপুরধ্বনি আর হাতের লণ্ঠন যেন এক অন্তহীন সংগ্রামের গল্প বলে। রানারের পথচলা আসলে এই ক্লান্ত সভ্যতার চাকা সচল রাখার সেই নেপথ্য কারিগরদেরই আখ্যান, যাদের ঘামের বিনিময়ে গড়ে ওঠে বড় বড় অট্টালিকা। সুকান্ত এখানে ওয়াল্টার বেঞ্জামিনের সেই ঐতিহাসিক বস্তুবাদের সুর যেন অলক্ষ্যে বুনে দিয়েছিলেন ইতিহাসের আলো যেখানে কেবল রাজা-বাদশাদের ওপর নয়, বরং ব্রাত্য আর বিজিতদের ওপর এসে পড়ে।

কৈশোরের গণ্ডি ডিঙিয়ে সুকান্ত যখন ‘আঠারো বছর বয়স’ লিখলেন, তখন তিনি যৌবনের এক নতুন সংজ্ঞা নির্মাণ করলেন। আঠারো বছর তাঁর কাছে কেবল ক্যালেন্ডারের বয়স ছিল না; এটি ছিল এক মানসিক মেরুদণ্ড, যা অন্যায়ের কাছে মাথা নোয়াতে জানে না। তিনি লিখছেন- ‘আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ/স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি।’ এই স্পর্ধা ছিল নজরুলের বিদ্রোহী সত্তার উত্তরসূরি, কিন্তু এখানে এক ধরনের সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক সচেতনতাও ছিল। তিনি জানতেন, আবেগ দিয়ে হয়তো সাময়িক ঢেউ তোলা যায়, কিন্তু পৃথিবী বদলাতে প্রয়োজন সুসংগঠিত আদর্শ। তাই তো তাঁর পঙ্ক্তিতে ঝরে পড়ে অটল বিশ্বাস- ‘সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়/জ্বলে পুড়ে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।’

সুকান্তের জীবনদর্শনকে যদি একটু গভীরে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করা যায়, তবে সেখানে জঁ-পল সার্ত্রের অস্তিত্ববাদের এক গোপন ছোঁয়া অনুভব করা সম্ভব। মার্কসবাদী হওয়া সত্ত্বেও সুকান্তের কবিতায় ব্যক্তির দায়বদ্ধতা ছিল প্রবল। ‘ছাড়পত্র’ কবিতায় তিনি যখন এক নবাগত শিশুর জন্য পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তোলার অঙ্গীকার করেন, তখন সেখানে ফুটে ওঠে এক বিশাল মানবিক দায়। তিনি যেন নিজেই সেই শিশুর কাছে এক সামাজিক চুক্তিতে আবদ্ধ হচ্ছেন। ‘এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি-/ নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।’-এই কথাগুলো কেবল কবিতার লাইন নয়, বরং এক আগামীর স্বপ্নের বীজ। তিনি জানতেন যে শাসকগোষ্ঠী কেবল লাঠি আর বন্দুক দিয়ে শোষণ করে না, তারা তাদের আদর্শ দিয়েও মানুষের মগজ ধোলাই করে। সুকান্তর কবিতাগুলো ছিল সেই মগজ ধোলাইয়ের বিরুদ্ধে একেকটি বৌদ্ধিক মাইন।

সুকান্তের কবিতায় প্রথাগত নারী বা প্রেম হয়তো খুব একটা দেখা যায় না, কিন্তু সেখানে যা আছে, তা হলো সমষ্টির প্রতি এক বিশাল প্রেম। তাঁর কাছে প্রেম। মানে কেবল নিরিবিলি বসে থাকা নয়, প্রেম মানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করা। যখন তাঁর সমকালীন অন্য কবিরা সুররিয়ালিস্টিক জটিলতায় ডুবে ছিলেন, সুকান্ত তখন সহজ ভাষায় মানুষের প্রাণের কথা বলছেন। এই সারল্য ছিল তাঁর সচেতন এক কৌশল। আন্তোনিও গ্রামসি যেভাবে ‘অর্গানিক ইন্টেলেকচুয়াল’ বা জৈব বুদ্ধিজীবীর কথা বলেছিলেন, সুকান্ত ছিলেন অবিকল তাই। তিনি শ্রমিক-কৃষক শ্রেণির ভিতর থেকে উঠে আসা সে কণ্ঠস্বর, যাঁর ভাষা ছিল সাধারণের, কিন্তু লক্ষ্য ছিল সুদূরপ্রসারী। তাঁর ‘সিগারেট’ কবিতাটি এক অদ্ভুুত রূপক চোখে পড়ে। মানুষ কীভাবে পুঁজিবাদের আগুনে পুড়তে পুড়তে অন্যকে আনন্দ দেয় এবং শেষে ছাই হয়ে এক কোনায় পড়ে থাকে এই শ্লেষাত্মক চিত্রায়ণ সুকান্তের কলম ছাড়া আর কার পক্ষেই বা সম্ভব ছিল?

বর্তমান সময়ের এই অতি-আধুনিক যুগে দাঁড়িয়ে সুকান্তের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে হয়তো অনেকে তর্কে লিপ্ত হওয়া যেতে পারে। কেউ হয়তো বলতে পারেন, এখন তো সাম্যবাদের সেই জোয়ার নেই। কিন্তু একটু ভেবে দেখলে দেখা যাবে, বিশ্বায়নের এই মোড়কে বৈষম্য কি কমেছে? বরং তা আরও সূক্ষ্ম ও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। প্রযুক্তির আড়ালে শ্রমিকের শ্রম আজ আরও বেশি নিংড়ে নেওয়া হচ্ছে। এডওয়ার্ড সাঈদ যে ‘ক্ষমতার কাছে সত্য বলা’র কথা বলেছিলেন, সুকান্ত তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনে প্রতিটি লাইনে সেই সত্যই উচ্চারণ করে গেছেন। তাঁর ‘দেশলাই কাঠি’ কবিতাটি মনে করিয়ে দেয় যে, অবহেলিত সাধারণ মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ হয়, তখন তারা যে কোনো অজেয় সাম্রাজ্যকেও ছাই করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। সুকান্ত লিখেছিলেন- ‘আমি একটা ছোট্ট দেশলাই কাঠি/এমনি নগণ্য, হয়তো চোখেও পড়ি না:/তবু জেনো-/মুখে আমার উসখুস করছে বারুদ-/বুকে আমার জ্বলে উঠবার দুরন্ত ইচ্ছা;।’ এই বারুদ হলো মানুষের সম্মিলিত চেতনার বারুদ, যা কোনো দিন নিঃশেষ হয় না।

সুকান্তের নন্দনতত্ত্বের এক অনন্য প্রকাশ ঘটেছে ‘হে মহাজীবন’ কবিতায়। এখানে তিনি জীবনের এক নির্মম ও রুক্ষ সত্যকে আলিঙ্গন করেছেন। সৌন্দর্যের চিরাচরিত সংজ্ঞায় পূর্ণিমার চাঁদ স্নিগ্ধতা ও মায়ার আঁধার, কিন্তু দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত মানুষের কাছে তা কেবল এক টুকরো ভোজ্য বস্তুর সাদৃশ্য। সুকান্ত অনেক আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, মন্বন্তর আর ক্ষুধার হাহাকারের মাঝে রোমান্টিক কবিতা কেবল এক বিলাসিতা। তাই তিনি কবিতার কাছে ক্ষণিকের বিদায় চেয়ে গদ্যের রূঢ়তাকে বরণ করে নিতে চেয়েছিলেন। অথচ সেই রূঢ় গদ্যই তাঁর হাতে হয়ে উঠেছিল অমর পদ্য।

অকালপ্রয়াণ সুকান্তের শরীরকে কেড়ে নিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তাঁর সৃষ্টিকে কি কোনো দিন মøান করতে পেরেছে? যক্ষ্মা তাঁকে মাত্র একুশ বছরে থামিয়ে দিয়েছিল বেলেঘাটার এক সাধারণ ঘরে। সেই প্রয়াণ ছিল বাংলা সাহিত্যের এক অপূরণীয় শূন্যতা। কিন্তু ‘ছাড়পত্র’, ‘ঘুম নেই’ বা ‘পূর্বাভাস’-এর মতো কাব্যগ্রন্থগুলো তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়ে প্রমাণ করেছে যে, সুকান্ত তাঁর সময়ের চেয়েও অনেক বেশি এগিয়ে ছিলেন। তিনি যে জীর্ণ পৃথিবীকে সংস্কারের ডাক দিয়েছিলেন, সেই সংস্কারের কাজ কি শেষ হয়েছে? আজও যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীতে কোনো শিশু নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে কাঁদতে কাঁদতে (ঘুমিয়ে পড়ে)। আজও রুটি আর চাঁদের দ্বন্দ্ব মেটেনি। তাই সুকান্ত আজও আমাদের সমসাময়িক; আজও আমাদের পাশের বাড়ির সেই চেনা কিশোর।

সুকান্তের কবিতা কোনো নির্দিষ্ট ভূগোলে আটকে থাকে না। ফিলিস্তিনের কান্না কিংবা ভিয়েতনামের লড়াইয়ে সবখানেই তাঁর পঙ্ক্তিমালা যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে। তিনি ছিলেন সমষ্টির কবি। ব্যষ্টির তুচ্ছ দুঃখকে তিনি বিশ্বমানবের যন্ত্রণার সঙ্গে মিলিয়ে দিতে পেরেছিলেন। মিখাইল বাখতিন যেমন বহুস্বরের বা ডায়ালজিক দর্শনের কথা বলেছিলেন, সুকান্তের কাব্যে সেই বহুস্বর স্পষ্ট। সেখানে কবির নিজের কণ্ঠের চেয়ে বেশি শোনা যায় কারখানার হাতুড়ির শব্দ, চাষির লাঙলের ঘর্ষণ আর রাস্তার ধারের নিঃস্ব মানুষের দীর্ঘশ্বাস। তাঁর কবিতা যেন এক জীবন্ত রণধ্বনি, যা প্রতিটি সংকটে গর্জে ওঠে এবং আমাদের শিরদাঁড়া সোজা করে দাঁড়ানোর মন্ত্র দেয়।

সুকান্ত ভট্টাচার্য কেবল একজন কিশোর কবি নন, তিনি ছিলেন এক প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক দ্রষ্টা। তাঁর বিদ্রোহ ধ্বংসের নেশায় মত্ত ছিল না, বরং তা ছিল নতুন এক সৃষ্টির ভিত্তিপ্রস্তর। তিনি শিখিয়ে গেছেন, নিরাশার আঁধারেও কীভাবে আশার প্রদীপ জ্বালাতে হয়। জীবন সংক্ষিপ্ত হতে পারে, কিন্তু সেই জীবনের ছাপ যদি মহাকালের হৃদয়ে পড়ে, তবেই তার সার্থকতা। সুকান্ত আজও বেঁচে আছেন দেশলাই কাঠির দাহিকা শক্তির মাঝে আর সেই অনাগত শিশুর হাসির মাঝে যার জন্য তিনি তাঁর সবটুকু নিংড়ে দিয়েছিলেন।

তিনি বাঙালির অহংকার, বিশ্বমানবের সেই আদি কণ্ঠস্বর যা শোষিতের শেষ আশ্রয়। বাংলা কবিতার সেই চিরকিশোর আগ্নেয়গিরি আজও স্তব্ধ হয়নি; তিনি আজও স্পন্দিত হচ্ছেন প্রতিটি লড়াকু মানুষের হৃৎপিণ্ডে। যতকাল শোষণ থাকবে, যতকাল বৈষম্য থাকবে, ততকাল সুকান্তের পঙ্ক্তিগুলো এক একটি আগুনের গোলার মতো আমাদের পথ দেখাবে।

সময়ের স্রোতে অনেক কিছুই বদলে যায়, কিন্তু কিছু সত্য ধ্রুবতারার মতো স্থির থাকে। সুকান্তের সেই অমøান প্রতিশ্রুতি আজ আমাদের কানে ভেসে আসে- ‘এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি’। আমরা কি পেরেছি তাঁর সেই অঙ্গীকার পূরণ করতে? উত্তরটা হয়তো বাতাসের আর্তনাদেই লুকিয়ে আছে। কিন্তু চেষ্টার তো শেষ নেই। সুকান্ত আমাদের শিখিয়েছিলেন, লড়াইটাই বড় কথা। জয়ের চেয়েও মহৎ হলো সেই লড়াকু মানসিকতা। তাই তো তিনি আজও অমর। মৃত্যুর কোনো ক্ষমতা নেই তাঁর মতো এক জীবনতৃষ্ণায় ভরপুর কবিকে মুছে দেওয়ার। তিনি মিশে আছেন বাংলার ধুলো-মাটিতে, ঘামে-রক্তে আর এক সাম্যবাদী ভোরের প্রতীক্ষায়। তাঁর সেই অমোঘ জীবনবোধই তাঁকে দিয়েছে মৃত্যুঞ্জয়ী মর্যাদা। সুকান্ত ভট্টাচার্য-এক অবিনশ্বর চেতনার নাম, যা যুগ থেকে যুগান্তরে প্রতিধ্বনিত হয়ে চলবে।

এই বিভাগের আরও খবর
দুটি কবিতা
দুটি কবিতা
ওরা বাড়ি ফিরছিলো
ওরা বাড়ি ফিরছিলো
মেঘমেদ
মেঘমেদ
বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখক অ্যান্ডি উইয়ার
বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখক অ্যান্ডি উইয়ার
নিবেদিত কবিতা
নিবেদিত কবিতা
ডিম
ডিম
বাংলা কবিতায় বৃষ্টি ও বর্ষার অনুষঙ্গ
বাংলা কবিতায় বৃষ্টি ও বর্ষার অনুষঙ্গ
সমুদ্দুর
সমুদ্দুর
আমি
আমি
অন্ধ হবার আগে
অন্ধ হবার আগে
কুয়ো
কুয়ো
মেভ ম্যাকগুকিয়ানের কবিতা
মেভ ম্যাকগুকিয়ানের কবিতা
সর্বশেষ খবর
অন্যের হয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে এক বছরের সাজা পেল যুবক
অন্যের হয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে এক বছরের সাজা পেল যুবক

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বান্দরবানের রেতলাং এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলমান
বান্দরবানের রেতলাং এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলমান

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না
রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না

২২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন
দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন

২৮ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপে বসছে ইসি
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপে বসছে ইসি

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

ডেল্টা অর্থনীতির জন্য ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী
ডেল্টা অর্থনীতির জন্য ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী

৩৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

১১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করলেন বাবা
১১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করলেন বাবা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুখোমুখি পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া, জিতবে কে জানালো সুপার কম্পিউটার
মুখোমুখি পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া, জিতবে কে জানালো সুপার কম্পিউটার

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাল কার্ডের যে তালিকায় সবার ওপরে ব্রাজিল
লাল কার্ডের যে তালিকায় সবার ওপরে ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ম্যারাডোনা থেকে মেসি: যেভাবে আর্জেন্টিনার প্রেমে পড়েছে বাংলাদেশ
ম্যারাডোনা থেকে মেসি: যেভাবে আর্জেন্টিনার প্রেমে পড়েছে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বরিশালের এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৩৪৬
বরিশালের এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৩৪৬

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধ: দিনে হাতাহাতি, রাতে মিলল যুবকের লাশ
জমি নিয়ে বিরোধ: দিনে হাতাহাতি, রাতে মিলল যুবকের লাশ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে ৪০১৫ পিস ইয়াবা জব্দ, ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪
বাগেরহাটে ৪০১৫ পিস ইয়াবা জব্দ, ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার
বগুড়ায় প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাঝরাতে বৃষ্টির মতো ছুটে এল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র,  নিহত ২১
মাঝরাতে বৃষ্টির মতো ছুটে এল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র,  নিহত ২১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লালবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু
লালবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বর্ষার আগেই আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভাঙন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
বর্ষার আগেই আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভাঙন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের চেষ্টা: ৩ নৌকা জব্দ
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের চেষ্টা: ৩ নৌকা জব্দ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী বর্ষণের আভাস
টানা ৫ দিন বজ্রসহ ভারী বর্ষণের আভাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বপ্নপূরণে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ খান
স্বপ্নপূরণে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ খান

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের ৫টি পেট্রোল বোট
নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের ৫টি পেট্রোল বোট

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে বাজারে যাওয়ার পথে যুবক খুন
সিলেটে বাজারে যাওয়ার পথে যুবক খুন

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

কুষ্টিয়ায় অস্ত্র-গুলিসহ বাবা-ছেলে আটক
কুষ্টিয়ায় অস্ত্র-গুলিসহ বাবা-ছেলে আটক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁয় সেলাই মেশিন ও কৃষি বীজ বিতরণ
নওগাঁয় সেলাই মেশিন ও কৃষি বীজ বিতরণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সদর দফতরে বোমা হামলার হুমকি: রিপোর্ট
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সদর দফতরে বোমা হামলার হুমকি: রিপোর্ট

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজবাড়ীতে বসতবাড়িতে চুরি
রাজবাড়ীতে বসতবাড়িতে চুরি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর উদ্যোগ
প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর উদ্যোগ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণ
ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বজ্রপাতে বিকল ট্রান্সফরমার, বিদ্যুৎহীন দুই উপজেলার মানুষ
বজ্রপাতে বিকল ট্রান্সফরমার, বিদ্যুৎহীন দুই উপজেলার মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?
পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন
জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ
সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!
যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’
‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস
গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ
এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম
প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি

১৬ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী
ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার
বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই
৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবার জানাজায় থাকছেন না খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি
বাবার জানাজায় থাকছেন না খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প
ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত
তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এলপি গ্যাসের দাম কমল
এলপি গ্যাসের দাম কমল

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী
‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ব্রাজিলের সামনে কঠিন পথ
ব্রাজিলের সামনে কঠিন পথ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইনিংস ব্যবধানে হারের পর টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়েও পতন বাংলাদেশের
ইনিংস ব্যবধানে হারের পর টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়েও পতন বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১১ বছরের শিশুর চালানো পিকআপ পিষে মারল ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে
১১ বছরের শিশুর চালানো পিকআপ পিষে মারল ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমানের দুবাই ফ্লাইট থেকে প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ
বিমানের দুবাই ফ্লাইট থেকে প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জন্মহার বাড়াতে পিতৃত্ব-মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়াল ফ্রান্স
জন্মহার বাড়াতে পিতৃত্ব-মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়াল ফ্রান্স

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ফুটবলার পেলেন লাল কার্ড, ১ মিলিয়ন ডলারের ফ্রি পিৎজা পাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা
মার্কিন ফুটবলার পেলেন লাল কার্ড, ১ মিলিয়ন ডলারের ফ্রি পিৎজা পাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন
ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অদম্য কেপ ভার্দে
আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অদম্য কেপ ভার্দে

প্রথম পৃষ্ঠা

আর কোনো রেকর্ড বাকি আছে কি মেসির
আর কোনো রেকর্ড বাকি আছে কি মেসির

মাঠে ময়দানে

নির্মাণ ব্যয় কমাবে জাইকা নমনীয় হবে সুদহার
নির্মাণ ব্যয় কমাবে জাইকা নমনীয় হবে সুদহার

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থীদের বাড়ছে এআইনির্ভরতা
শিক্ষার্থীদের বাড়ছে এআইনির্ভরতা

পেছনের পৃষ্ঠা

হাজার হাজার ভুয়া আসামি
হাজার হাজার ভুয়া আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

২২ দিনেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূর
২২ দিনেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূর

দেশগ্রাম

ইংল্যান্ড যাবে কত দূর
ইংল্যান্ড যাবে কত দূর

মাঠে ময়দানে

কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত
কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ
পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

ওরা বাড়ি ফিরছিলো
ওরা বাড়ি ফিরছিলো

সাহিত্য

৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি
৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি

পেছনের পৃষ্ঠা

মেঘমেদ
মেঘমেদ

সাহিত্য

তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে
তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান
মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

দুটি কবিতা
দুটি কবিতা

সাহিত্য

ভিটামাটি হারাচ্ছে মানুষ
ভিটামাটি হারাচ্ছে মানুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ
সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ

সাহিত্য

মনে পড়ে সেই ক্যামেরুনের কথা
মনে পড়ে সেই ক্যামেরুনের কথা

মাঠে ময়দানে

সহজ হচ্ছে ভিসা পলিসি
সহজ হচ্ছে ভিসা পলিসি

প্রথম পৃষ্ঠা

‘থ্রি লায়ন্স’ কিং হ্যারি কেইন
‘থ্রি লায়ন্স’ কিং হ্যারি কেইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই
পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ
দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ

সম্পাদকীয়

বাম্পার ফলন, তবু হতাশ পাটচাষিরা
বাম্পার ফলন, তবু হতাশ পাটচাষিরা

দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ফুটবলে সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া
বিশ্বকাপ ফুটবলে সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া

মাঠে ময়দানে

ক্ষমতাবানরা ক্ষণস্থায়ী সুবিধার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেন
ক্ষমতাবানরা ক্ষণস্থায়ী সুবিধার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেন

প্রথম পৃষ্ঠা

গাছে বেঁধে নির্যাতন যুবকের মৃত্যু
গাছে বেঁধে নির্যাতন যুবকের মৃত্যু

দেশগ্রাম

১০ জুলাই ‘ওভারলোড ফেস্টিভ্যাল’
১০ জুলাই ‘ওভারলোড ফেস্টিভ্যাল’

শোবিজ

বিদেশ গিয়ে বাংলাদেশের সুনাম বজায় রাখবেন
বিদেশ গিয়ে বাংলাদেশের সুনাম বজায় রাখবেন

নগর জীবন