ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) বাংলাদেশের প্রথম, প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত ঢাবি দেশে উচ্চশিক্ষার উজ্জ্বলতম বাতিঘর। পাবলিক, আবাসিক ও স্বায়ত্তশাসিত এই বিশ্ববিদ্যালয় তদানীন্তন ব্রিটিশ-ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষাব্যবস্থার অনুসরণে স্থাপিত। একে বলা হতো প্রাচ্যের অক্সফোর্ড। ‘শিক্ষাই আলো’ যার স্লোগান এবং নীতিবাক্য হচ্ছে- সত্যের জয় সুনিশ্চিত। গতকাল ছিল এর ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ অভ্যুত্থান, চব্বিশের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন’। প্রকৃতই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদকে (ডাকসু) বলা হতো মিনি পার্লামেন্ট। এর নেতৃত্ব দিয়ে বেরিয়ে আসা তরুণ-তুর্কিরা বরাবরই জাতীয় রাজনীতিতেও নেতৃত্বের উচ্চমার্গ পারঙ্গমতা প্রদর্শন করেছেন। কালক্রমে অনেকেই রাষ্ট্র ও সরকারের শীর্ষ পদ অলঙ্কৃত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সহমত পোষণ করে বলতে চাই, শিক্ষাকে শুধু সনদনির্ভর না রেখে কর্মদক্ষতা ও প্রায়োগিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। যা বাস্তব জীবনে যেকোনো দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা অর্জনে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে। এ কারণে তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। তাঁর ভাষায়, ‘অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে আমরা দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এবার গণতন্ত্র সুসংহত করার পালা। এ ক্ষেত্রেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা রয়েছে।’ তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এবার অত্যন্ত সময়োপযোগী প্রতিপাদ্য ছিল, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’। প্রতিপাদ্যের বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলাম আধুনিক এবং সময়োপযোগী করার বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের এখন বিশ্ব মানদণ্ডের বিচারে যুগোপযোগী কর্মপন্থা নির্ধারণ করা জরুরি। গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’-এর হৃতগৌরব পুনরুদ্ধারে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের সাধনা ও সদিচ্ছা চাই। আর তাদের দিতে হবে শতভাগ রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক উৎসাহ, সহায়তা এবং পৃষ্ঠপোষকতা।
শিরোনাম
- কুড়িগ্রামে পানি কমলেও তীব্র নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি
- চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি এই পর্যন্ত কী কাজে লেগেছে : মিষ্টি জান্নাত
- ছাত্রীকে একান্তে দেখা করতে বলার অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক কারাগারে
- ‘আমার শেখানোকে গুরুত্বই দেয়নি’, পদত্যাগের পর উরুগুয়ে কোচ
- শুধু জুনেই হতাহত ৩৮ হাজারের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা: রুশ সামরিক বিশ্লেষক
- ১৭ বছর পর রায়; কলেজের মেট্রন হত্যায় দারোয়ানের যাবজ্জীবন
- রেকর্ড দাবদাহে স্পেনে এক হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু
- ভারত সফরে গিয়ে মস্তিষ্কে ৩৮ পরজীবী নিয়ে ফিরলেন নারী, অতঃপর…
- ব্রাজিল ম্যাচে হালান্ডকে বিশ্রাম নিতে বললেন রদ্রিগো
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- থালাপাতি বিজয়ের সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র!
- কুষ্টিয়ার মানসিক ভারসাম্যহীন সেই যুবক নেপালের নাগরিক
- যানজটমুক্ত বগুড়া গড়তে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান শুরু
- রেকর্ড তাপমাত্রায় ফুটছে সমুদ্রের পানি, বড় বিপর্যয়ের সতর্কতা বিজ্ঞানীদের
- রাতে ইংল্যান্ড-কঙ্গো লড়াই, ফের কি ঘটবে বড় অঘটন?
- যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে ১০৫২ কোটি টাকার গম কিনবে সরকার
- গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিতে দুই কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
- রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী
- নারায়ণগঞ্জে নাগরিক সেবার মান ও গতি বাড়াতে জেলা প্রশাসনের গণশুনানি
- রুশ বাহিনীকে গোপনে সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়েছে চীন: রিপোর্ট
উচ্চশিক্ষার বাতিঘর
কেন্দ্র হোক সত্য ও সাধনার
প্রিন্ট ভার্সন
টপিক
এই বিভাগের আরও খবর
সর্বশেষ খবর