শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

ইউনূস, ইয়াজিদ ও হোসাইনি ব্রাহ্মণ

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
ইউনূস, ইয়াজিদ ও হোসাইনি ব্রাহ্মণ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী ছিল গত ২৮ জুন। তার আগের দিনটি ছিল ১০ মহররম। ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়ার লেলিয়ে দেওয়া বাহিনীর হাতে মহানবী (সা.)-এর প্রিয় নাতি হোসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবারপরিজন ও অনুসারীদের শাহাদতবরণের দিন। আহলে বায়াত বা নবী বংশ নিধন শুধু নয়, পবিত্র কাবাঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগও করে ইয়াজিদের শিষ্যরা। হজরত আলী (রা.)-এর বংশধর বা আহলে বায়াতের বিরুদ্ধে ৫৯ বছর ধরে জুমার খুতবায় অভিশাপ দেওয়ার বিধান জারি রাখে উমাইয়া শাসকরা। রসুল (সা.)-এর খেজুরবাগানও তাঁর পরিবারের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার ধৃষ্টতা দেখায় তারা।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে সারা দুনিয়ায় সক্রিয় সংগঠনের নাম ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। যারা বাংলাদেশকে পাঁচবার বিশ্বসেরা দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এ সংগঠনের বাংলাদেশ শাখা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। সংক্ষেপে টিআইবি। টিআইবি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নোবেল লরিয়েট ড. ইউনূসের ৮৬তম জন্মবার্ষিকীর প্রাক্কালে এক প্রতিবেদনে যে তথ্য হাজির করেছে তা হাটে হাঁড়ি ভেঙে দেওয়ার মতো। প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঘুষের লেনদেন আগের চেয়ে প্রায় ১৬ শতাংশ বেড়েছে। ইউনূসী ‘সুশাসনে’ দেশে ঘুষ লেনদেন হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা।

বলা হতো, আওয়ামী লীগ আর দুর্নীতি সমার্থক কথা। আওয়ামী আমলে দেশ দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়। কিন্তু ইউনূসের মতো সাধুসজ্জনের আমলে দুর্নীতি বাড়ে কীভাবে? ঘুষের লেনদেন বছর না ঘুরতেই ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়া তো কোনো চাট্টিখানি কথা নয়। সবারই জানা সংস্কারের ডুগডুগি বাজিয়ে ক্ষমতায় বসে ইউনূস সরকার। অথচ পুরোটা সময় নিজেদের আখের গোছাতেই ব্যস্ত ছিল তারা। আওয়ামী আমলে বছরে ঘুষের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৯০২ কোটি টাকা। কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করা অন্তর্বর্তী আমলে তা বেড়ে ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকায় পৌঁছে।

ইউনূসী আমলে ‘এলোমেলো করে দে মা লুটেপুটে খাই’ বাংলা প্রবাদকে সর্বস্তরে নীতিবাক্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। দুনিয়াজুড়ে ইহুদিদের পরিচিতি কুসিদজীবী হিসেবে। বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে খাতাকলমে একজনও ইহুদি নেই। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের কোনো আদমশুমারিতে কেউ নিজেকে ইহুদি বলে দাবি করেনি। তবে এ দেশে শত বছর আগেও ছিল অসংখ্য কুসিদজীবী। বাঙালি কৃষকের বেশির ভাগই ছিল মহাজন নামের নিষ্ঠুর শোষকদের জালে বাঁধা। শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক আমাদের পূর্বপুরুষদের সুদখোর নব্য ইহুদিদের হাত থেকে বাঁচাতে ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন করেন। মহাজনদের গোলামি থেকে মুক্তি পায় লাখ লাখ মানুষ। যে মহান নেতার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী প্রশাসন। আপদমস্তক সুশীল সরকার। নিজেদের সততার প্রতিবিম্ব প্রমাণে তারা ছিল সর্বদাই সোচ্চার। কিন্তু ওয়ান-ইলেভেনের মতো ইউনূসী আমলেও সুশীলদের আসল চেহারা স্পষ্ট হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেশে ঘুষের লেনদেন কমার বদলে হু হু করে বেড়ে যায়। ২০২৪ সালের জুলাই গণ অভ্যুত্থানের সুযোগে যে সজ্জনবেশি অন্তর্বর্তী সরকার জাতির ঘাড়ে চেপে বসে তারা আইয়ামে জাহেলিয়াতকেও হার মানায়। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তারা মবতন্ত্রকে প্রশ্রয় দেয়। লুটপাটের মাত্রায় দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ে। ইতোমধ্যে টিআইবির প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে। যা তদন্ত হওয়া দরকার।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক লুটপাট ও অর্থ পাচারের তীব্র সমালোচনার পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের ওপর দুর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্তের নির্দেশ দিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন। বলেছেন, তদন্ত প্রতিবেদন জাতির সামনে প্রকাশ করাও উচিত।

শুধু ঘুষ লেনদেন নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টারা দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির যে রেকর্ড গড়েছেন তার কোনো তুলনা নেই। ১৮ মাসে ধর্ম উপদেষ্টা ৮২ লাখ টাকা উড়িয়েছেন চিকিৎসা খাতে। উপদেষ্টাদের অনেকেই এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে ছিলেন না। প্রধান উপদেষ্টা নিজের ট্যাক্স মওকুফ ও ব্যবসা বাগানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন ১৮ মাস। যার তদন্ত এখন সময়ের দাবি।

॥ দুই ॥

ইসরায়েলের আপত্তি সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে মহররম মাসে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে আমেরিকা। ইরানিদের দাবি তারা প্রমাণ করেছে ইমানের জোর থাকলে কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যায়। প্রশ্ন উঠেছে এ চুক্তি কি ইসরায়েলের পতনের আলামত? ধর যাক মোঙ্গলদের কথা। চীনের পাশের দেশ মোঙ্গলিয়া। ইতিহাসে যে দেশের অধিবাসীদের পরিচয় মোঙ্গল নামে । একসময় মোঙ্গলরা ছিল সারা দুনিয়ার ত্রাস। চেঙ্গিস খানের নেতৃত্বে দুনিয়ার এক বড় অংশ তাদের পদানত হয়। এশিয়া ও ইউরোপের ২ কোটি ৮০ লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গড়ে ওঠে মোঙ্গল সাম্রাজ্য। চেঙ্গিস বাহিনীর পদানত হয় বিশাল চীনা সাম্রাজ্য। আব্বাসীয় খেলাফতের পতনও ঘটে মোঙ্গলদের হাতে। চেঙ্গিস খানের পৌত্র হালাকু খান আব্বাসীয়দের রাজধানী বাগদাদ অবরোধ করেন। দুই মাস পর খলিফা মুস্তাসিম নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার আশ্বাসে আত্মসমর্পণে রাজি হন। ইউনূস, ইয়াজিদ ও হোসাইনি ব্রাহ্মণহালাকু খান তার বাহিনী নিয়ে বাগদাদে প্রবেশ করেই রক্তের বন্যা বইয়ে দেন। লাখো মানুষ প্রাণ হারায় মোঙ্গলদের হাতে। রক্ষা পাননি খলিফা এবং তাঁর পরিবারপরিজনরা। হালাকু বাহিনীর হাতে বিধ্বস্ত হয় দুনিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরী বাগদাদ। মোঙ্গলদের সে দাপটও চিরস্থায়ী হয়নি। একসময় তাদের পতন অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। যে চীন ছিল মোঙ্গলদের পদানত, সে মোঙ্গলরা আজ নিজেরাই অসহায়।  

আধুনিক যুগে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটেছিল দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে। বলা হতো, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সূর্য ডোবে না। আমেরিকাও ছিল মাত্র আড়াই শ বছর আগে ব্রিটিশ উপনিবেশ। চীনকে তারা দাবিয়ে রেখেছিল আফিমের নেশায়। নেপাল ও আফগানিস্তান বাদে পুরো দক্ষিণ এশিয়া ছিল ব্রিটিশদের অধীনে। ১৯৫৬ সালের সুয়েজ যুদ্ধের পর পরাশক্তি হিসেবে ব্রিটিশদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়। সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে এখন তারা অনেক সাবেক উপনিবেশের চেয়েও পিছিয়ে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে জার্মানি ও জাপান। হিটলারের জার্মানির দখলে চলে যায় ইউরোপের একের পর এক দেশ। ফ্রান্সসহ ইউরোপের এক বড় অংশ দখল করে তারা পা বাড়ায় রাশিয়ার দিকে। বিশাল রাশিয়ার বড় অংশও তারা দখল করতে সক্ষম হয়। কিন্তু জার্মানির শেষ রক্ষা হয়নি। রাশিয়ার শীতের কাছে হার মানতে বাধ্য হয় জার্মান বাহিনী। তাদের পতনও নিশ্চিত হয়।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে জাপান হয়ে উঠেছিল অপ্রতিরোধ্য শক্তি। চীন, কোরিয়া, মিয়ানমার দখল করে ভারতীয় উপমহাদেশের দিকেও হাত বাড়ায়। আমেরিকাও তটস্থ ছিল জাপানিদের ভয়ে। কিন্তু একদিকে জার্মানির পতন, অন্যদিকে হিরোশিমা ও নাগাসাকি নগরী আমেরিকার আণবিক বোমার আঘাতে ভস্মীভূত হওয়ার পর জাপান আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়।

ইতিহাস প্রমাণ করে কোনো সাম্রাজ্য বা কোনো দেশের দাপট চিরস্থায়ী নয়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে জাতিসংঘ ও পশ্চিমা দেশগুলোর মদতে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর আরব দেশগুলো তাদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। সে যুদ্ধে পরাজিত হয় আরব দেশগুলো। পরবর্তী সময়ে আরও তিনটি যুদ্ধে ইসরায়েল জয়ী হয়। একমাত্র ইরানের কাছেই তারা এ যাবৎ সবচেয়ে বেশি মার খেয়েছে। আমেরিকার সঙ্গে যৌথভাবে হামলা চালিয়েও তারা ইরানকে পরাস্ত করতে পারেনি। এটি ইসরায়েলের ইহুদিবাদী শাসকদের জন্য দুঃসংবাদ বলেও বিবেচিত হচ্ছে। ইসরায়েলি ইতিহাসবিদ ইলান পাপ্পে দাবি করেছেন, ইহুদিবাদী মতাদর্শ এখন তার অস্তিত্বের সংকটময় এক পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং এটি পতনের ঠিক আগে শেষ ধাপে অবস্থান করছে। আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইহুদিবাদ ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতা এবং বৈশ্বিক জনমতের পরিবর্তন এসব বিষয় ইহুদিবাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে। ইলান পাপ্পে বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলের নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সমালোচনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলন ও সংহতি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইহুদিবাদী প্রকল্পের গ্রহণযোগ্যতা আগের তুলনায় কমছে বলে তিনি মনে করেন।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব পরিবর্তন ইহুদিবাদের দীর্ঘমেয়াদি টিকে থাকার সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। তাই তিনি বিশ্বাস করেন, মতাদর্শটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা শেষ পর্যন্ত এর পতনের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

পাদটীকা : কারবালায় নবী বংশের ওপর নির্মম হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল যারা, তারাও নিজেদের মুসলমান বলেই দাবি করত। ইয়াজিদ বাহিনীর ভয়ে সেদিন নবী দৌহিত্র হোসাইন (রা.)-এর পাশে কুফা বা ধারেকাছের কেউ দাঁড়ায়নি। তবে হোসাইন (রা.)-এর সঙ্গে যোগ দিতে ছুটে গিয়েছিল একদল ব্রাহ্মণ। প্রচলিত এক কাহিনি অনুযায়ী বেলুচিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলে রাহিব দত্ত নামের এক ব্রাহ্মণ সেনানায়ক ছিলেন। তিনি হোসাইন (রা.)-এর পক্ষে লড়াইয়ের জন্য নিজের সাত সন্তানকে নিয়ে ছুটে যান। পুত্ররা সবাই ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে নিহত হন। রাহিব দত্ত বেঁচে ফিরে আসেন ভাগ্যগুণে। পরাজিত হোসাইন পরিবারের সঙ্গে যখন দেখা হয় রাহিব দত্তের, তখন হোসাইন (রা.)-এর বোন এই অমুসলিমের আত্মত্যাগে আপ্লুত হয়ে তাঁকে ‘হোসাইনি ব্রাহ্মণ’ বলে অভিহিত করেন। দ্বিতীয় কাহিনিতে বলা হয়, কারবালার যুদ্ধের সময় বাগদাদের দুর্গম পার্বত্য এলাকায় তখনো বেশ কিছু ব্রাহ্মণ বসবাস করতেন। রাহিব দত্ত তাঁদেরই একজন। ইমাম হোসাইন (রা.) কারবালার অসম যুদ্ধে খড়কুটো আঁকড়ে ধরার মতো করে যাঁকে পেয়েছেন দূত পাঠিয়ে সাহায্য চেয়েছেন। রাহিব দত্ত সেই ডাকে সাড়া দেন। এই কাহিনির বাস্তবতা কিছুটা মেনে নেওয়া যায়। রাহিব দত্ত বেলুচিস্তান থেকে সেই কারবালার ইমাম হোসাইনের কথা জানবেন ১৪০০ বছর আগের সেই যুগে, তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। বরং বাগদাদে পৌত্তলিকদের সামান্য কিছু তখনো অবশিষ্ট ছিল সেটি মানা যায়। দ্বিতীয় প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী রাহিব দত্ত পরে বেলুচিস্তান বা পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম অংশে পালিয়ে আসেন। বর্তমান হোসাইনি ব্রাহ্মণ আসলে তাঁর বংশধর। ভারতের পাঞ্জাবের অমৃতসরে এখনো হোসাইনি ব্রাহ্মণদের বসবাস রয়েছে। মহররমের সময় তাঁরা হোসাইনের জন্য শোকও পালন করেন। স্মর্তব্য ভারতের সাবেক মন্ত্রী খ্যাতনামা অভিনেতা সুনীল দত্ত ও তাঁর পুত্র অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত-ও হোসাইনি ব্রাহ্মণ।

♦ লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
প্রশিক্ষণ প্রকল্প
প্রশিক্ষণ প্রকল্প
তিস্তা মহাপরিকল্পনা
তিস্তা মহাপরিকল্পনা
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
আলোর অভিযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আলোর অভিযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত
অর্থনৈতিক করিডর
অর্থনৈতিক করিডর
সর্বশেষ খবর
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে রেকর্ড অষ্টম ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে রেকর্ড অষ্টম ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ
সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

চাকা ঘুরছে না ৫৫০ কারখানায়
চাকা ঘুরছে না ৫৫০ কারখানায়

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১ জুলাই)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১ জুলাই)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে
এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজীপুরে পৃথক ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুইজনের আত্মহত্যা
গাজীপুরে পৃথক ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুইজনের আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে
বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বহাল, নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই
সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বহাল, নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হালান্ডের জাদুতে শেষ ষোলোতে নরওয়ে
হালান্ডের জাদুতে শেষ ষোলোতে নরওয়ে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হালান্ডের গোলে আবার লিড নরওয়ের
হালান্ডের গোলে আবার লিড নরওয়ের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১-১ : নরওয়ের বিপক্ষে সমতায় আইভরি কোস্ট
১-১ : নরওয়ের বিপক্ষে সমতায় আইভরি কোস্ট

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই মহল্লাবাসীর সংঘর্ষ, একজন গুলিবিদ্ধ
ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই মহল্লাবাসীর সংঘর্ষ, একজন গুলিবিদ্ধ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মান নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ এআই, আবারও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের নিয়োগ দিল ফোর্ড
মান নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ এআই, আবারও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের নিয়োগ দিল ফোর্ড

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশুলিয়ায় কয়েকটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ, তদন্তে কমিটি
আশুলিয়ায় কয়েকটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ, তদন্তে কমিটি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ১-০ তে এগিয়ে নরওয়ে, কে হবে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ?
আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ১-০ তে এগিয়ে নরওয়ে, কে হবে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ
শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নালিতাবাড়ীতে গলায় বাদাম আটকে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
নালিতাবাড়ীতে গলায় বাদাম আটকে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মস্কোর স্যাটেলাইট সেন্টারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা
মস্কোর স্যাটেলাইট সেন্টারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ ষোলোর টিকিটের লড়াইয়ে মুখোমুখি নরওয়ে-আইভরি কোস্ট
শেষ ষোলোর টিকিটের লড়াইয়ে মুখোমুখি নরওয়ে-আইভরি কোস্ট

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মারধরের ক্ষোভে স্বামীকে হত্যা করে মাটিচাপা, স্ত্রীর স্বীকারোক্তি
মারধরের ক্ষোভে স্বামীকে হত্যা করে মাটিচাপা, স্ত্রীর স্বীকারোক্তি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্ণফুলী নদীতে ট্রলারে আগুন, দগ্ধ ৬
কর্ণফুলী নদীতে ট্রলারে আগুন, দগ্ধ ৬

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাহাড়ি ফলের বাজার সম্প্রসারণ ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের ঘোষণা পার্বত্য সচিবের
পাহাড়ি ফলের বাজার সম্প্রসারণ ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের ঘোষণা পার্বত্য সচিবের

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জে শ্রমিক-চালক সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০
কেরানীগঞ্জে শ্রমিক-চালক সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লামায় দুই নারী পর্যটক হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার ২
লামায় দুই নারী পর্যটক হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার ২

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিনির চেয়েও দ্রুতগতির মার্কিনিওস, চষে বেড়ালেন গিমারাইস
ভিনির চেয়েও দ্রুতগতির মার্কিনিওস, চষে বেড়ালেন গিমারাইস

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেপ ভার্দের বিপক্ষে একাদশ নিয়ে ভাবনায় আর্জেন্টাইন কোচ
কেপ ভার্দের বিপক্ষে একাদশ নিয়ে ভাবনায় আর্জেন্টাইন কোচ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ে নেতৃত্বে হালিম পাটোয়ারী-মাহমুদা
ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ে নেতৃত্বে হালিম পাটোয়ারী-মাহমুদা

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রিভিউয়ে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে: আসলাম চৌধুরী
রিভিউয়ে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে: আসলাম চৌধুরী

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?
শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে
নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ

১৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’
ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার
অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক
একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো
টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন
ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা
এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ
পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী
একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?
সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট
মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো
অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে
রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বুধবার ‘ব্যাংক হলিডে’, বন্ধ থাকবে লেনদেন
বুধবার ‘ব্যাংক হলিডে’, বন্ধ থাকবে লেনদেন

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি
জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের
৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ
শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের কড়া হুঁশিয়ারি
সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল
চট্টগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফের কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?
ফের কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি
কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বঙ্গোপসাগরে টুনার খনি
বঙ্গোপসাগরে টুনার খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট
গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের তুরস্ক কানেকশন এবং একাত্তরের পাপ
জামায়াতের তুরস্ক কানেকশন এবং একাত্তরের পাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

আইআরজিসির দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা
আইআরজিসির দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা

পূর্ব-পশ্চিম

অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না
মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না

নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারে বৈঠক করবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারে বৈঠক করবে না ইরান

পেছনের পৃষ্ঠা

ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

জার্সিকাণ্ডে বিব্রত পুলিশ, এসআইকে শোকজ
জার্সিকাণ্ডে বিব্রত পুলিশ, এসআইকে শোকজ

পেছনের পৃষ্ঠা

শাশুড়ি হত্যার ১৯ বছর পর স্ত্রীকেও হত্যা করল ঘাতক
শাশুড়ি হত্যার ১৯ বছর পর স্ত্রীকেও হত্যা করল ঘাতক

পেছনের পৃষ্ঠা

কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা
কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই দিনে সোনার দাম কমল ভরিতে ৬৫৯০ টাকা
দুই দিনে সোনার দাম কমল ভরিতে ৬৫৯০ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

কর্ণফুলীতে লাইটার জাহাজডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার
কর্ণফুলীতে লাইটার জাহাজডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে
দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে : প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূ ও দুই সন্তান ৯ দিন ধরে নিখোঁজ
গৃহবধূ ও দুই সন্তান ৯ দিন ধরে নিখোঁজ

নগর জীবন

ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির বৃষ্টি
ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির বৃষ্টি

নগর জীবন

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন

নগর জীবন

চাঁদা না দেওয়ায় অপপ্রচারের শিকার রূপগঞ্জের ইউএনও
চাঁদা না দেওয়ায় অপপ্রচারের শিকার রূপগঞ্জের ইউএনও

নগর জীবন

জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস
জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস

প্রথম পৃষ্ঠা

জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার বহিরাগত যুবক
জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার বহিরাগত যুবক

নগর জীবন

রোটারি ক্লাব অব ঢাকা ফোর্ট
রোটারি ক্লাব অব ঢাকা ফোর্ট

নগর জীবন

বাবা হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন
বাবা হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন

দেশগ্রাম

সরকার বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চায়
সরকার বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চায়

নগর জীবন

রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ
রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ

নগর জীবন

কঠোর মুদ্রানীতি বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে
কঠোর মুদ্রানীতি বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে

নগর জীবন

খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার

নগর জীবন

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় মুস্তাফা মনোয়ার
বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় মুস্তাফা মনোয়ার

নগর জীবন