ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী ছিল গত ২৮ জুন। তার আগের দিনটি ছিল ১০ মহররম। ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়ার লেলিয়ে দেওয়া বাহিনীর হাতে মহানবী (সা.)-এর প্রিয় নাতি হোসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবারপরিজন ও অনুসারীদের শাহাদতবরণের দিন। আহলে বায়াত বা নবী বংশ নিধন শুধু নয়, পবিত্র কাবাঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগও করে ইয়াজিদের শিষ্যরা। হজরত আলী (রা.)-এর বংশধর বা আহলে বায়াতের বিরুদ্ধে ৫৯ বছর ধরে জুমার খুতবায় অভিশাপ দেওয়ার বিধান জারি রাখে উমাইয়া শাসকরা। রসুল (সা.)-এর খেজুরবাগানও তাঁর পরিবারের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার ধৃষ্টতা দেখায় তারা।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সারা দুনিয়ায় সক্রিয় সংগঠনের নাম ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। যারা বাংলাদেশকে পাঁচবার বিশ্বসেরা দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এ সংগঠনের বাংলাদেশ শাখা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। সংক্ষেপে টিআইবি। টিআইবি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নোবেল লরিয়েট ড. ইউনূসের ৮৬তম জন্মবার্ষিকীর প্রাক্কালে এক প্রতিবেদনে যে তথ্য হাজির করেছে তা হাটে হাঁড়ি ভেঙে দেওয়ার মতো। প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঘুষের লেনদেন আগের চেয়ে প্রায় ১৬ শতাংশ বেড়েছে। ইউনূসী ‘সুশাসনে’ দেশে ঘুষ লেনদেন হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা।
বলা হতো, আওয়ামী লীগ আর দুর্নীতি সমার্থক কথা। আওয়ামী আমলে দেশ দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়। কিন্তু ইউনূসের মতো সাধুসজ্জনের আমলে দুর্নীতি বাড়ে কীভাবে? ঘুষের লেনদেন বছর না ঘুরতেই ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়া তো কোনো চাট্টিখানি কথা নয়। সবারই জানা সংস্কারের ডুগডুগি বাজিয়ে ক্ষমতায় বসে ইউনূস সরকার। অথচ পুরোটা সময় নিজেদের আখের গোছাতেই ব্যস্ত ছিল তারা। আওয়ামী আমলে বছরে ঘুষের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৯০২ কোটি টাকা। কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করা অন্তর্বর্তী আমলে তা বেড়ে ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকায় পৌঁছে।
ইউনূসী আমলে ‘এলোমেলো করে দে মা লুটেপুটে খাই’ বাংলা প্রবাদকে সর্বস্তরে নীতিবাক্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। দুনিয়াজুড়ে ইহুদিদের পরিচিতি কুসিদজীবী হিসেবে। বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে খাতাকলমে একজনও ইহুদি নেই। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের কোনো আদমশুমারিতে কেউ নিজেকে ইহুদি বলে দাবি করেনি। তবে এ দেশে শত বছর আগেও ছিল অসংখ্য কুসিদজীবী। বাঙালি কৃষকের বেশির ভাগই ছিল মহাজন নামের নিষ্ঠুর শোষকদের জালে বাঁধা। শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক আমাদের পূর্বপুরুষদের সুদখোর নব্য ইহুদিদের হাত থেকে বাঁচাতে ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন করেন। মহাজনদের গোলামি থেকে মুক্তি পায় লাখ লাখ মানুষ। যে মহান নেতার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী প্রশাসন। আপদমস্তক সুশীল সরকার। নিজেদের সততার প্রতিবিম্ব প্রমাণে তারা ছিল সর্বদাই সোচ্চার। কিন্তু ওয়ান-ইলেভেনের মতো ইউনূসী আমলেও সুশীলদের আসল চেহারা স্পষ্ট হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেশে ঘুষের লেনদেন কমার বদলে হু হু করে বেড়ে যায়। ২০২৪ সালের জুলাই গণ অভ্যুত্থানের সুযোগে যে সজ্জনবেশি অন্তর্বর্তী সরকার জাতির ঘাড়ে চেপে বসে তারা আইয়ামে জাহেলিয়াতকেও হার মানায়। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তারা মবতন্ত্রকে প্রশ্রয় দেয়। লুটপাটের মাত্রায় দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ে। ইতোমধ্যে টিআইবির প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে। যা তদন্ত হওয়া দরকার।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক লুটপাট ও অর্থ পাচারের তীব্র সমালোচনার পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের ওপর দুর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্তের নির্দেশ দিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন। বলেছেন, তদন্ত প্রতিবেদন জাতির সামনে প্রকাশ করাও উচিত।
শুধু ঘুষ লেনদেন নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টারা দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির যে রেকর্ড গড়েছেন তার কোনো তুলনা নেই। ১৮ মাসে ধর্ম উপদেষ্টা ৮২ লাখ টাকা উড়িয়েছেন চিকিৎসা খাতে। উপদেষ্টাদের অনেকেই এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে ছিলেন না। প্রধান উপদেষ্টা নিজের ট্যাক্স মওকুফ ও ব্যবসা বাগানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন ১৮ মাস। যার তদন্ত এখন সময়ের দাবি।
॥ দুই ॥
ইসরায়েলের আপত্তি সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে মহররম মাসে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে আমেরিকা। ইরানিদের দাবি তারা প্রমাণ করেছে ইমানের জোর থাকলে কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যায়। প্রশ্ন উঠেছে এ চুক্তি কি ইসরায়েলের পতনের আলামত? ধর যাক মোঙ্গলদের কথা। চীনের পাশের দেশ মোঙ্গলিয়া। ইতিহাসে যে দেশের অধিবাসীদের পরিচয় মোঙ্গল নামে । একসময় মোঙ্গলরা ছিল সারা দুনিয়ার ত্রাস। চেঙ্গিস খানের নেতৃত্বে দুনিয়ার এক বড় অংশ তাদের পদানত হয়। এশিয়া ও ইউরোপের ২ কোটি ৮০ লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গড়ে ওঠে মোঙ্গল সাম্রাজ্য। চেঙ্গিস বাহিনীর পদানত হয় বিশাল চীনা সাম্রাজ্য। আব্বাসীয় খেলাফতের পতনও ঘটে মোঙ্গলদের হাতে। চেঙ্গিস খানের পৌত্র হালাকু খান আব্বাসীয়দের রাজধানী বাগদাদ অবরোধ করেন। দুই মাস পর খলিফা মুস্তাসিম নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার আশ্বাসে আত্মসমর্পণে রাজি হন।
হালাকু খান তার বাহিনী নিয়ে বাগদাদে প্রবেশ করেই রক্তের বন্যা বইয়ে দেন। লাখো মানুষ প্রাণ হারায় মোঙ্গলদের হাতে। রক্ষা পাননি খলিফা এবং তাঁর পরিবারপরিজনরা। হালাকু বাহিনীর হাতে বিধ্বস্ত হয় দুনিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরী বাগদাদ। মোঙ্গলদের সে দাপটও চিরস্থায়ী হয়নি। একসময় তাদের পতন অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। যে চীন ছিল মোঙ্গলদের পদানত, সে মোঙ্গলরা আজ নিজেরাই অসহায়।
আধুনিক যুগে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটেছিল দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে। বলা হতো, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সূর্য ডোবে না। আমেরিকাও ছিল মাত্র আড়াই শ বছর আগে ব্রিটিশ উপনিবেশ। চীনকে তারা দাবিয়ে রেখেছিল আফিমের নেশায়। নেপাল ও আফগানিস্তান বাদে পুরো দক্ষিণ এশিয়া ছিল ব্রিটিশদের অধীনে। ১৯৫৬ সালের সুয়েজ যুদ্ধের পর পরাশক্তি হিসেবে ব্রিটিশদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়। সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে এখন তারা অনেক সাবেক উপনিবেশের চেয়েও পিছিয়ে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে জার্মানি ও জাপান। হিটলারের জার্মানির দখলে চলে যায় ইউরোপের একের পর এক দেশ। ফ্রান্সসহ ইউরোপের এক বড় অংশ দখল করে তারা পা বাড়ায় রাশিয়ার দিকে। বিশাল রাশিয়ার বড় অংশও তারা দখল করতে সক্ষম হয়। কিন্তু জার্মানির শেষ রক্ষা হয়নি। রাশিয়ার শীতের কাছে হার মানতে বাধ্য হয় জার্মান বাহিনী। তাদের পতনও নিশ্চিত হয়।
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে জাপান হয়ে উঠেছিল অপ্রতিরোধ্য শক্তি। চীন, কোরিয়া, মিয়ানমার দখল করে ভারতীয় উপমহাদেশের দিকেও হাত বাড়ায়। আমেরিকাও তটস্থ ছিল জাপানিদের ভয়ে। কিন্তু একদিকে জার্মানির পতন, অন্যদিকে হিরোশিমা ও নাগাসাকি নগরী আমেরিকার আণবিক বোমার আঘাতে ভস্মীভূত হওয়ার পর জাপান আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়।
ইতিহাস প্রমাণ করে কোনো সাম্রাজ্য বা কোনো দেশের দাপট চিরস্থায়ী নয়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে জাতিসংঘ ও পশ্চিমা দেশগুলোর মদতে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর আরব দেশগুলো তাদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। সে যুদ্ধে পরাজিত হয় আরব দেশগুলো। পরবর্তী সময়ে আরও তিনটি যুদ্ধে ইসরায়েল জয়ী হয়। একমাত্র ইরানের কাছেই তারা এ যাবৎ সবচেয়ে বেশি মার খেয়েছে। আমেরিকার সঙ্গে যৌথভাবে হামলা চালিয়েও তারা ইরানকে পরাস্ত করতে পারেনি। এটি ইসরায়েলের ইহুদিবাদী শাসকদের জন্য দুঃসংবাদ বলেও বিবেচিত হচ্ছে। ইসরায়েলি ইতিহাসবিদ ইলান পাপ্পে দাবি করেছেন, ইহুদিবাদী মতাদর্শ এখন তার অস্তিত্বের সংকটময় এক পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং এটি পতনের ঠিক আগে শেষ ধাপে অবস্থান করছে। আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইহুদিবাদ ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতা এবং বৈশ্বিক জনমতের পরিবর্তন এসব বিষয় ইহুদিবাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে। ইলান পাপ্পে বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলের নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সমালোচনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলন ও সংহতি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইহুদিবাদী প্রকল্পের গ্রহণযোগ্যতা আগের তুলনায় কমছে বলে তিনি মনে করেন।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব পরিবর্তন ইহুদিবাদের দীর্ঘমেয়াদি টিকে থাকার সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। তাই তিনি বিশ্বাস করেন, মতাদর্শটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা শেষ পর্যন্ত এর পতনের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
পাদটীকা : কারবালায় নবী বংশের ওপর নির্মম হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল যারা, তারাও নিজেদের মুসলমান বলেই দাবি করত। ইয়াজিদ বাহিনীর ভয়ে সেদিন নবী দৌহিত্র হোসাইন (রা.)-এর পাশে কুফা বা ধারেকাছের কেউ দাঁড়ায়নি। তবে হোসাইন (রা.)-এর সঙ্গে যোগ দিতে ছুটে গিয়েছিল একদল ব্রাহ্মণ। প্রচলিত এক কাহিনি অনুযায়ী বেলুচিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলে রাহিব দত্ত নামের এক ব্রাহ্মণ সেনানায়ক ছিলেন। তিনি হোসাইন (রা.)-এর পক্ষে লড়াইয়ের জন্য নিজের সাত সন্তানকে নিয়ে ছুটে যান। পুত্ররা সবাই ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে নিহত হন। রাহিব দত্ত বেঁচে ফিরে আসেন ভাগ্যগুণে। পরাজিত হোসাইন পরিবারের সঙ্গে যখন দেখা হয় রাহিব দত্তের, তখন হোসাইন (রা.)-এর বোন এই অমুসলিমের আত্মত্যাগে আপ্লুত হয়ে তাঁকে ‘হোসাইনি ব্রাহ্মণ’ বলে অভিহিত করেন। দ্বিতীয় কাহিনিতে বলা হয়, কারবালার যুদ্ধের সময় বাগদাদের দুর্গম পার্বত্য এলাকায় তখনো বেশ কিছু ব্রাহ্মণ বসবাস করতেন। রাহিব দত্ত তাঁদেরই একজন। ইমাম হোসাইন (রা.) কারবালার অসম যুদ্ধে খড়কুটো আঁকড়ে ধরার মতো করে যাঁকে পেয়েছেন দূত পাঠিয়ে সাহায্য চেয়েছেন। রাহিব দত্ত সেই ডাকে সাড়া দেন। এই কাহিনির বাস্তবতা কিছুটা মেনে নেওয়া যায়। রাহিব দত্ত বেলুচিস্তান থেকে সেই কারবালার ইমাম হোসাইনের কথা জানবেন ১৪০০ বছর আগের সেই যুগে, তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। বরং বাগদাদে পৌত্তলিকদের সামান্য কিছু তখনো অবশিষ্ট ছিল সেটি মানা যায়। দ্বিতীয় প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী রাহিব দত্ত পরে বেলুচিস্তান বা পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম অংশে পালিয়ে আসেন। বর্তমান হোসাইনি ব্রাহ্মণ আসলে তাঁর বংশধর। ভারতের পাঞ্জাবের অমৃতসরে এখনো হোসাইনি ব্রাহ্মণদের বসবাস রয়েছে। মহররমের সময় তাঁরা হোসাইনের জন্য শোকও পালন করেন। স্মর্তব্য ভারতের সাবেক মন্ত্রী খ্যাতনামা অভিনেতা সুনীল দত্ত ও তাঁর পুত্র অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত-ও হোসাইনি ব্রাহ্মণ।
♦ লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন
ইমেইল : [email protected]