শিরোনাম
প্রকাশ : ৪ এপ্রিল, ২০২০ ২৩:০০
আপডেট : ৪ এপ্রিল, ২০২০ ২৩:০৮

চট্টগ্রামে কঠোর অবস্থানে পুলিশ-সেনাবাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামে কঠোর অবস্থানে পুলিশ-সেনাবাহিনী

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে চট্টগ্রাম নগরী ও আশেপাশের বিভিন্ন উপজেলায় শনিবার বিকাল ৫টার পর ওষুধের দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকান পাঠ বন্ধ করে দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। কাঁচা বাজার থেকে মুদির দোকান, কৃষিপণ্য থেকে খাবারের দোকানসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান বন্ধের প্রশাসনিক নির্দেশে মাঠে নেমেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নিত্যপণ্যের এসব বাজার-দোকান খোলা থাকবে সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ৫টার পর দোকান বন্ধ না করায় শনিবার নগরীর বায়েজিদ শেরশাহ কলোনি ও বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু হোটেলসহ নানা ধরনের দোকান মালিককে ১ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে বিকাল ৫টার আগে থেকেই নগরীর বিভিন্ন স্থানে হ্যান্ডমাইক নিয়ে পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে সামাজিক চলাফেরা করার নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে সড়ক ও গলির মোড়ে মোড়ে গিয়ে বিকাল ৫টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করার আহবান জানান। সেনা সদস্যরা নগরীর কাঁচাবাজার গুলোতে গিয়েও একই নির্দেশনা দেন। বিশেষ করে সন্ধ্যায় কাঁচাবাজারের ভিড় এড়ানোর জন্য প্রশাসন এই উদ্যোগ নিয়েছে। 

সিএমপি কমিশনার মো. মাহবুবর রহমান বলেন, মানুষকে আরো সচেতন করে তোলার জন্য এবং মরণঘাতি করোনাভাইরাস যেন আমাদের এখানে দ্রুত না ছড়াতে পারে তাই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারণ, দেখা গেছে নগরীর বিভিন্ন সড়কে এবং গলিতে অহেতুক আড্ডা দিতে থাকে লোকজন। এতো করে সচেতন করার পরও মানুষ বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। এটা যে কত বড় মহামারি তা যেন অনেকে জেনেও না জানার ভান করছে।

এদিকে নগরীর বাইরে আনোয়ারা, পটিয়া, হাটহাজারীসহ বিভিন্ন উপজেলায়ও বিকাল ৫টার পর থেকে দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছে। আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদ জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আনোয়ারায় সব ধরণের সভা-সমাবেশ, সামাজিক অনুষ্ঠান, মার্কেট, গণজমায়েত ও গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও কাঁচা বাজার, মুদি দোকান, খাবারের দোকান, কৃষি পণ্যের দোকানসহ জরুরি সেবা চালু ছিল। কিন্তু এর সুযোগ নিয়ে মানুষ বিকেলে হাট-বাজারে এসে চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছেন। বিনা প্রয়োজনে ভিড় করছেন। বাসায় থাকতে বারবার অনুরোধ করার পরেও শুনছেন না। তাই এখন থেকে প্রতিদিন বিকেল ৫টার পর সব ধরনের বাজার-দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি আমরা। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনি ব্যবস্থা নেব।

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার/ফারুক তাহের

 


আপনার মন্তব্য