Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ৮ নভেম্বর, ২০১৬ ২২:৫৫

ধরাছোঁয়ার বাইরে হোতারা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস

রাশেদ হোসাইন, জবি

ধরাছোঁয়ার বাইরে হোতারা

প্রশ্নপত্র ফাঁস দেশে নতুন কোনো ঘটনা নয়। বিগত দিনে এর কোনো সুষ্ঠু তদন্ত বা বিচার হয়নি। প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী চক্র সব সময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) চলতি শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কিছু ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে হাতেনাতে ধরার পর বিভিন্ন মেয়াদে সাজাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় বরাবরই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন মূল হোতারা। প্রতি বছর প্রশ্নপত্র প্রণয়নে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও একাধিক প্রশ্ন সেট তৈরি করলেও ফাঁসের ঘটনা রোধ করতে পারছে না প্রশাসন। জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন প্রণয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করলেও কিছু অসাধু শিক্ষক ও কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রতি বছর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র একটি জালিয়াত চক্রের হাতে চলে যায়। পরীক্ষা চলাকালে জালিয়াত চক্রের কিছু এজেন্ট ও পরীক্ষার্থী আটক হলেও তাত্ক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের পেছনে জবির কিছু শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্রনেতা জড়িত রয়েছেন। তারা প্রশাসনের আস্থাভাজন হওয়ায় খুব সহজেই এসব অপকর্ম করে থাকছেন সকল প্রকার সন্দেহের ঊর্ধ্বে। তারা বিভিন্ন কোচিং সেন্টার পরিচালকের সঙ্গে চুক্তি করে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। এবার ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশপত্র ফাঁসের ঘটনায় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক দেওয়ান বদরুল হাসান ও কর্মচারী এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে বিভাগের অন্য শিক্ষকরা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ করলেও তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। তবে তাদের দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে প্রশাসন। ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার আগে দুই পরীক্ষার্থীসহ কনফিডেন্স কোচিং সেন্টারের (জবি ক্যাম্পাস) পরিচালক ও এক ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে পাঁচ শিক্ষার্থীকে সূত্রাপুর থানায় সোপর্দ করে প্রশাসন। জানা যায়, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে ১৬ ও ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে ৩ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, ‘ভর্তি জালিয়াতি ঠেকাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করছি। তার পরও কিছু অসাধু শিক্ষক ঘৃণ্য কাজ করছেন।


আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর