শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:১৮

সাত বছর বন্ধ অপারেশন থিয়েটার নষ্ট আলট্রাসনো মেশিন

গৌতমাশিস গুহ সরকার, গাইবান্ধা

সাত বছর বন্ধ অপারেশন থিয়েটার নষ্ট আলট্রাসনো মেশিন
Google News

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সাড়ে ৮ লাখ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে এখানে মিলছে না কাক্সিক্ষত সেবা। সাত বছর ধরে বন্ধ রয়েছে অপারেশন থিয়েটার। নষ্ট পড়ে আছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন। জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ২০১৪ সালে ২৫ জানুয়ারি ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। তখন থেকে বন্ধ অপারেশন থিয়েটার (ওটি)। সাত বছর ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় থেকে মরিচা ধরেছে অ্যানেসথেসিয়া মেশিন, ওটি লাইট, সার্জারি যন্ত্রপাতি, এসি, ওটি টেবিল, হাইড্রোলিক টেবিল, পোর্টেবল ওটি লাইট উইথ চার্জার, লেরিংগোস্কোপ, প্রেসার স্টিম স্টেরিলাইজারসহ সব যন্ত্রপাতিতে। আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন নষ্ট থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। ইসিজি মেশিন না থাকায় চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না হৃদরোগীদের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ২০০ জন চিকিৎসা নেন। সরেজমিনে বহির্বিভাগে রোগীর দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। হাসপাতালের বারান্দার ঠাঁই হওয়া রোগী আনিছুর রহমান বলেন, এখানে কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয় না। সবকিছু বাহির থেকে করাতে হয়েছে। এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ১০টি পদ থাকলেও পাঁচটিই শূন্য। একজন পরিসংখ্যানবিদ, একজন মিটওয়াইফ, দুজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, দুজন ফার্মাসিস্ট, একজন এমটি (ল্যাব), একজন সহকারী সেবিকা, দুজন স্বাস্থ্য পরিদর্শক, দুজন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, একজন টিএলসিএ, তিনজন অফিস সহায়ক, দুজন ওয়ার্ড বয়, একজন বাবুর্চি, একজন আয়া, দুজন নিরাপত্তা কর্মী ও তিনজন পরিচ্ছন্নতা কর্মীর পদ ফাঁকা। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুজ্জামান সরকার বলেন, রোগীদের সেবা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। সমস্যার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর