শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০২৫

বাঙালির গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের বাঙালি

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রিন্ট ভার্সন
বাঙালির গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের বাঙালি

বাঙালি যদিও গণতন্ত্র ও নির্বাচনের নামে পাগল, কিন্তু জাতীয় সংসদকে পুরো মেয়াদ পর্যন্ত টিকিয়ে রাখার জন্য তারা আদৌ মাথা ঘামায় না। জনগণও এ নিয়ে ভাবে না, রাজনৈতিক দলগুলোও ভাবে না। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন। দেশের রাজনীতিবিদরা যদি রাজনীতি বুঝতেন, দেশের কল্যাণ কামনা করতেন তাহলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের পরিবর্তে অনুষ্ঠিত হতো ২০৩৩ সালে। ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এর মধ্যে ৬টি সংসদ পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেনি। মেয়াদ পূরণ হোক বা না হোক, বাঙালি নির্বাচন ‘ম্যানিয়াক’ এবং তাদের এ ম্যানিয়ার কারণে তারা ১৯৯৬ সালে দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে দ্বিধা করেনি। ছিয়ানব্বইয়ের প্রথম নির্বাচনের আয়ু ছিল মাত্র ১২ দিন। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ, যে সংসদ গঠিত হয়েছিল ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে, অর্থাৎ দ্বাদশ জাতীয় সংসদের আয়ু ছিল আট মাসের কম সময়।

ছয়টি জাতীয় সংসদ যে মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেনি, তার পেছনে অন্য যে কোনো পক্ষের চেয়ে রাজনীতিবিদরাই অধিক দায়ী। দেশে দুবার সামরিক আইন জারি এবং একবার বেসামরিক অনির্বাচিত সরকারের পেছনে মদতদানকারী হিসেবে সামরিক বাহিনী ছড়ি ঘোরানোর ঘটনার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিলেন এই রাজনীতিবিদরাই। ভবিষ্যতে তারা সংসদের মেয়াদ পূরণ করার ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটাবেন না, এমন আশা দুরাশা ছাড়া আর কিছু নয়। গত বছরের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান কিছু রাজনীতিবিদের মাথা বিগড়ে দিয়েছে।

অভ্যুত্থানের সাফল্যের ষোলো আনা দাবি করতে কেউ পিছু হটেনি। এমনকি কোনো কোনো দল এতটাই বেপরোয়া যে তারা আওয়ামী লীগ বিহনে নিজেদের দেশের ক্ষমতায় আসীন দেখতে পাচ্ছে এবং অনুরূপ আচরণ করতে শুরু করেছে। ছোটখাটো দলের নেতারা পর্যন্ত সামরিক বাহিনী এবং সেনাবাহিনী প্রধানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, যা ২০২৪-এর আগে অসম্ভব ছিল। অবাধ স্বাধীনতা যে রাজনীতিবিদদের উন্মত্ত করে তোলে তা এবার আরও বেশি প্রকট হয়ে উঠেছে। কোনো প্রতিষ্ঠানকে যে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত, সেই তালজ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন সব ‘দেশপ্রেমিক’ রাজনীতিবিদরা।

বিএনপি অতীতে তাদের শর্তে জামায়াতকে ব্যবহার করেছে। জামায়াত প্রথমবারের মতো ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে মাতৃদুগ্ধ পানের সুযোগবঞ্চিত তিন নম্বর ছাগশাবকের মতো লাফালাফি করেছে। তারা এবারও বিএনপির বগলতলায় থেকে ক্ষমতার অংশীদার হতে চায়

বাঙালির গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের বাঙালি‘দেশপ্রেম’-এর প্রকাশ এবং ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতায় আলোচনায় আছে তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং গণ অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণদের গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। যে কোনো দেশে কোনো অভ্যুত্থান বা বিপ্লবের সাফল্যের পর সব দল সমন্বয়ে কোয়ালিশন বা জাতীয় সরকার, যদি তা নির্বাচনের মাধ্যমেও হয়, গঠিত হওয়া জরুরি। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা শুরু থেকেই ঘটেনি। স্বাধীনতা লাভের পর শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় সরকার গঠনের পরামর্শের কোনো তোয়াক্কা করেননি। এমনকি তিনি ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ২৯৩টি আসনে বিজয়ী ঘোষণা করা নিশ্চিত করেছিলেন। কোনো রাজনৈতিক দল যদি বুঝে যায় যে তাদের ক্ষমতায় আসতে তেমন কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই, তখন তারা আর কোনো দলকে পাত্তা দেয় না। এমনটাই ঘটেছে বিএনপির ক্ষেত্রে। তারা ধরেই নিয়েছে যে তাদের মোকাবিলা করার মতো দ্বিতীয় কোনো দল নেই, তখন তারা তাদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামীকে আক্রমণ করতে শুরু করেছে। আওয়ামী লীগ এবং তাদের মিত্র রাজনৈতিক দলগুলো জামায়াতকে আক্রমণ করতে যে ভাষায় কথা বলে, বিএনপি এখন জামায়াতের বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে সেই ভাষা ব্যবহার করছে। বিএনপি এমনকি জামায়াতকে ‘স্বাধীনতার শত্রু’ এবং ‘জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠন রাজনৈতিক ভুল ছিল’ মর্মে গালিগালাজ শুরু করেছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে দুই দলের মধ্যে যে দ্বিধা ও ব্যবধান সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বৈঠকে বসার জন্য জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ তাহেরের প্রস্তাবকে নাকচ করে দিয়েছে বিএনপি। বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গিই প্রমাণ করে যে অতীতে জামায়াতের সঙ্গে তাদের মাখামাখি ছিল সম্পূর্ণভাবে তাদেরই স্বার্থে এবং স্বার্থ উদ্ধার করতে তারা তাদের শর্তে জামায়াতকে ব্যবহার করেছে। জামায়াত প্রথমবারের মতো ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে মাতৃদুগ্ধ পানের সুযোগ বঞ্চিত তিন নম্বর ছাগশাবকের মতো লাফালাফি করেছে। তারা এবারও বিএনপির বগলতলায় থেকে ক্ষমতার অংশীদার হতে চায়। কিন্তু বিএনপি মনে করছে যে মাঠে যেহেতু আওয়ামী লীগের মতো ভোট কারচুপি করার কোনো দল নেই, অতএব তাদের পক্ষে নির্বাচনে জয়লাভ ও সরকার গঠন করতে কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই, অতএব অতীতের মতো তারা শুধু জামায়াত নয়, অতীতে তাদের ছোটখাটো মিত্র যারাই ছিল, তাদের প্রতিও কোনোরূপ দৃকপাত করছে না।

সে ক্ষেত্রে জামায়াত কি ভিন্ন কোনো পন্থা অবলম্বন করবে? করতে পারে। কারণ জামায়াত গত বছরের গণ অভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে তাদের নেতৃত্ব বলে বিবেচনা করছে এবং শেখ হাসিনার অপনেতৃত্বাধীন আওয়ামী সরকারের পতন ও পলায়নের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার এবং সেনাবাহিনীর প্রধান থেকে ঊর্ধ্বতনরা জামায়াতকে যে তমিজ-তোয়াজ করছে, তা জামায়াতকে মানসিকভাবে বলীয়ান করেছে যে তারা এককভাবে নির্বাচন করলেও ক্ষমতায় আসতে তাদের তেমন বাধার মোকাবিলা করতে হবে না। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের ধারণা হলো, অভ্যুত্থানে সাফল্য লাভ এবং নির্বাচনে বিজয় ভিন্ন ব্যাপার। জামায়াতে ইসলামী ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবে নির্বাচন করেছিল এবং সংসদের ৩০০ আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।

কিন্তু বিজয়ী হয়েছিল মাত্র তিনটি আসনে। বিএনপির প্রতি তাদের যে ক্ষোভ, তা চরিতার্থ করতে তারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসার পথ করে দিয়েছিল। তবে ছিয়ানব্বইয়ের নির্বাচনে ভরাডুবিও যে জামায়াতের এককভাবে নির্বাচনের অহংকার চূর্ণ করতে পারেনি, তা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩০০ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার মধ্য দিয়ে ধারণা করা যেতে পারে।

জামায়াতে ইসলামীর জন্য জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি বিএনপির রাজনৈতিক চরিত্র। ক্ষমতার রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। এখানেই বিপত্তি ঘটবে জামায়াতে ইসলামীর। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মোকাবিলায় প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো রাজনৈতিক দল নেই।

জামায়াতকে সঙ্গছাড়া করার পেছনে বিএনপির এটাই মূল অভিসন্ধি। এ কথাও সত্য যে নির্বাচনি রাজনীতিতে কোনো দলের পক্ষে আওয়ামী লীগের মতো শঠতার আশ্রয় নেওয়া সম্ভব হবে না।

অতএব অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সদস্য নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিএনপি যদি এককভাবে সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং সরকারে গিয়ে আওয়ামী লীগের মতো আচরণ শুরু করে, তাহলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আয়ু সংক্ষিপ্ত হতে বাধ্য।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক ও অনুবাদক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচন বানচালের নীলনকশা
নির্বাচন বানচালের নীলনকশা
জাতীয় মর্যাদা
জাতীয় মর্যাদা
জালেমদের সাবধান হতে বলে ইসলাম
জালেমদের সাবধান হতে বলে ইসলাম
কেমন আছেন মালয়েশিয়ান নারী
কেমন আছেন মালয়েশিয়ান নারী
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিচার বিভাগ
বিচার বিভাগ
মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস
বই ও নারী
বই ও নারী
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সর্বশেষ খবর
‘দুই নয়নের আলো’ শাবনূরকে এনে দিয়েছিল জাতীয় পুরস্কার
‘দুই নয়নের আলো’ শাবনূরকে এনে দিয়েছিল জাতীয় পুরস্কার

এই মাত্র | শোবিজ

কেরানীগঞ্জে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
কেরানীগঞ্জে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

জকসু নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
জকসু নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

মুন্সীগঞ্জে ৪৩ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ
মুন্সীগঞ্জে ৪৩ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সেন্টমার্টিনের ছেঁড়া দ্বীপে অবৈধ নৌকা-জালসহ ১৬ জেলে আটক
সেন্টমার্টিনের ছেঁড়া দ্বীপে অবৈধ নৌকা-জালসহ ১৬ জেলে আটক

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্রীলঙ্কাকে ২২৬ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ
শ্রীলঙ্কাকে ২২৬ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শুটিং সেটে আহত জিৎ
শুটিং সেটে আহত জিৎ

২৫ মিনিট আগে | শোবিজ

জামালপুরে মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্প্রীতি সংলাপ
জামালপুরে মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্প্রীতি সংলাপ

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেসির স্মৃতিচারণা থেকে বাদ দুঃস্বপ্নের যুবভারতী!
মেসির স্মৃতিচারণা থেকে বাদ দুঃস্বপ্নের যুবভারতী!

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর পরিকল্পনা
প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর পরিকল্পনা

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে টকশো-সংলাপে কটূক্তি না করার নির্দেশ ইসির
নির্বাচন নিয়ে টকশো-সংলাপে কটূক্তি না করার নির্দেশ ইসির

৩৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
মুন্সীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ছাত্রনেতা জুয়েলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
সিরাজগঞ্জে ছাত্রনেতা জুয়েলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লালবাগে প্লাস্টিকের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট
লালবাগে প্লাস্টিকের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভিনেত্রীকে নিয়ে ‌‘আপত্তিকর’ মন্তব্য ভারতীর, গাইলেন সাফাই
অভিনেত্রীকে নিয়ে ‌‘আপত্তিকর’ মন্তব্য ভারতীর, গাইলেন সাফাই

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিগত দিনে দখলদারিত্বের রাজনীতি ও ভোট হয়েছে: এ্যানি
বিগত দিনে দখলদারিত্বের রাজনীতি ও ভোট হয়েছে: এ্যানি

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শীতকালে শসা খেলে সত্যিই ঠান্ডা-কাশি হয়?
শীতকালে শসা খেলে সত্যিই ঠান্ডা-কাশি হয়?

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

কুষ্টিয়ায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা
কুষ্টিয়ায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্যারির শতকে অ্যাডিলেড টেস্টে ভালো অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া
ক্যারির শতকে অ্যাডিলেড টেস্টে ভালো অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আনোয়ারায় বিজয় দিবস উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘের রচনা প্রতিযোগিতা
আনোয়ারায় বিজয় দিবস উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘের রচনা প্রতিযোগিতা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মেক্সিকোতে বিজয় দিবস উদযাপন
মেক্সিকোতে বিজয় দিবস উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একাত্তর ও চব্বিশের গণহত্যাকারীদের চরিত্র এক : দুদু
একাত্তর ও চব্বিশের গণহত্যাকারীদের চরিত্র এক : দুদু

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা
পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালে ভর্তি জয়সওয়াল
হাসপাতালে ভর্তি জয়সওয়াল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১ ডলার= ৯১ রুপি, ভারত ছাড়ছে বিনিয়োগকারীরা
১ ডলার= ৯১ রুপি, ভারত ছাড়ছে বিনিয়োগকারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি
গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, আরেকটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন: ইনকিলাব মঞ্চ
হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, আরেকটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন: ইনকিলাব মঞ্চ

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ
বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম
বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা
ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ
অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন
আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড
আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল
আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা