শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৫

কিয়ামতের ভয়াবহতা ও রসুল (সা.)-এর সুপারিশ

সৈয়দ নজরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
কিয়ামতের ভয়াবহতা ও রসুল (সা.)-এর সুপারিশ

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহপাকের জন্য। অসংখ্য সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর সাহাবিদের ওপর। হে মুসলিম ভাইবোনেরা, আসুন আল্লাহকে ভয় করি, কেননা আল্লাহভীতি হলো তাঁর সন্তুষ্টি লাভ এবং শাস্তির যন্ত্রণা থেকে মুক্তিলাভের সবচেয়ে বড় উপকরণ। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন (সুরা ত্বীন-৪) এজন্য আমরা যেন আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করি অর্থাৎ তার সন্তুষ্টিমূলক কার‌্যাবলি সম্পাদন ও নিষেধ করা বিষয়গুলো থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে রেহাই পাই। মানুষ হিসেবে আমরা জানি কি! সবচেয়ে পেরেশানির মুহূর্ত কোনটি? সবচেয়ে ভয়ভীতির সময় কোনটি? সর্বাধিক উৎকণ্ঠা, সংকীর্ণতা, দুশ্চিন্তার মুহূর্ত কোনটি? সেটি হলো সেই সময় যখন দৃষ্টিশক্তি লক্ষ্যহীন হয়ে পড়বে, প্রাণ ওষ্ঠাগত হবে এবং কঠিন সব বিষয় অবলোকন করে ভয়ে মানুষের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাঁপতে থাকবে। আর এমন সব অবস্থার সম্মুখীন হবে, যাতে শরীর ফেটে যাবে। সেই মুহূর্তটি জাহান্নামের ওপর দিয়ে সিরাত (ফারসি ভাষায় পুলসিরাত) পার হওয়ার সময়টুকু। সেই সিরাত অতিক্রমকারীদের জন্য রয়েছে মহাপ্রাপ্তি, চিরস্থায়ী নেয়ামত জান্নাত। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারা এই নেয়ামতপূর্ণ জান্নাতে থাকবে (ইবরাহিম-২৩)। আর যারা কুফরি করে ও মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি (আল ইমরান-১২)। আল্লাহ আমাদের নবীকে (সা.) বলেছেন, বলে দাও কিয়ামত অতি কাছে (আহজাব-৬৩) আল্লাহতায়ালা বলেন, তোমরা এটিকে দূরবর্তী দেখ, কিন্তু না এটি অতি নিকটবর্তী। তিনি আরও বলেন, কিয়ামতের বিষয় তো একটি চোখের পলক বা তার চেয়ে নিকটবর্তী ভিন্ন কিছু নয় (নাহল-৭৭)। মানুষের হিসাব গ্রহণের সময় ঘনিয়ে এসেছে অথচ তারা গাফিলতিতে মুখ ফিরিয়ে রেখেছে (আম্বিয়া-১)। দুনিয়ার সংকোচন ও অবসান কত দ্রুত। কেননা আল্লাহ এটিকে একটি নির্দিষ্ট সময় দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। তাই প্রত্যেককে এখানে আমলের প্রতিদান লাভের জন্য কাজ করে যাওয়া আবশ্যক। মহান আল্লাহ বলেন, আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছুর মালিক আল্লাহ। তিনি মন্দ আমলকারীদের যেমন তাদের কর্মফল দিতে পারেন তেমনি সৎ আমলকারীদেরও উত্তম প্রতিদান দিতে পারেন।

মানুষের সামনে তুলনাহীন ওই মুহূর্ত থেকে পলায়নের কোনো পথ থাকবে না। আল্লাহতায়ালা জাহান্নামের পৃষ্ঠে স্থাপিত পুলসিরাত সম্পর্কে বলেন, আর তোমাদের প্রত্যেককেই তার ওপর দিয়ে অতিক্রম করতে হবে, এটি তোমাদের রবের পক্ষ থেকে একটি অনিবার্য সিদ্ধান্ত (মারিয়াম-৭১)। আর আমি তাদের উদ্ধার করব, যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছিল আর জালিমদের সেখানে নতজানু অবস্থায় ফেলে রাখব (মারিয়াম-৭২)। এটি জাহান্নামের ওপর দিয়ে পুলসিরাত অতিক্রমের মুহূর্ত, যার ভয়ে সাহাবায়ে কেরামদের অন্তর এবং তাদের পথ অবলম্বনকারী পরবর্তীদের অন্তরও আল্লাহর ভয়ে পূর্ণ হয়ে থাকত।

আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণিত হাদিসে রসুল (সা.) বলেন, আল্লাহতায়ালা সব মানুষকে একত্র করবেন। সে সময় মোমিনরা উঠে দাঁড়াবে। একপর্যায়ে জান্নাতকে তাদের কাছে আনা হলে তখন সবাই আদম (আ.)-এর কাছে এসে বলবে- আমাদের জন্য জান্নাত খুলে দেওয়ার প্রার্থনা করুন। আদম (আ.) বলবেন, তোমাদের এই পিতার ভুলের কারণেই তো তোমাদের জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে, তোমরা নূহ (আ.) কাছে যাও। তার কাছে গেলে তিনি বলবেন ইয়া নাফসি ইয়া নাফসি (আমি তো নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত)। তোমরা ইব্রাহিম (আ.)-এর কাছে যাও। তার কাছে গেলে তিনিও অনুরূপ বাক্য উচ্চারণ করে মুসা (আ.)-এর কাছে যেতে বলবেন। মুসা (আ.) ও অনুরূপ বাক্য বলে ঈশা (আ.)-এর কাছে যেতে বলবেন। ঈশা (আ.)-এর কাছে আরজি পেশ করলে তিনিও অনুরূপ শব্দ উচ্চারণ করে আখেরি জামানার নবী এবং নবীকুলের শিরোমণি মুহাম্মদ (সা.)-এর কাছে যেতে বলবেন। অবশেষে মুহাম্মদ (সা.)-এর কাছে এলে তিনি মহান রবের কাছে সিজদারত হয়ে তাঁর প্রশংসা করলে, তিনি বলবেন হে মুহাম্মদ! মাথা উত্তোলন করুন। আপনি যা চান তাই দেওয়া হবে, আপনি সুপারিশ করুন, আপনার সুপারিশ গ্রহণ করা হবে। অতঃপর জাহান্নামের ওপর পুলসিরাত স্থাপন করা হবে। তখন মোমিনদের প্রথম দলটি বিদ্যুৎগতিতে পুলসিরাত পার হবে। পরবর্তী দলগুলো যথাক্রমে বায়ুর গতিতে, পাখির গতিতে, তার পরবর্তীরা লম্বা দৌড়ের গতিতে এবং অন্যরা স্ব-স্ব আমল অনুযায়ী তা অতিক্রম করবে (বুখারি মুসলিম)। তখন নবী (সা.) পুলসিরাতের প্রান্তে দাঁড়িয়ে এই দোয়া করতে থাকবেন ‘হে আল্লাহ! এদের নিরাপদে পৌঁছে দিন (দুইবার)।’ এভাবে মানুষের আমল তাদের চলতে অক্ষম করে দেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তারা এটি অতিক্রম করতে থাকবে। শেষে এক ব্যক্তিকে দেখা যাবে সে হামাগুড়ি দিয়ে সেটি অতিক্রম করছে। অন্য হাদিসে এসেছে কিছু মানুষ পুলসিরাত থেকে জাহান্নামে পড়ে যাবে এবং অন্যান্য জাহান্নামবাসীকে টেনে নিয়ে দলে দলে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন। কিয়ামত অতি সন্নিকটে, তাই সময় থাকতে আমরা প্রত্যেকেই তওবাহ করে আল্লাহ অভিমুখী হই এবং সৎকর্ম সম্পাদন ও অসৎকর্ম পরিহার করে রসুল (সা.)-এর নির্দেশনা অনুসরণে আমল করে পুলসিরাত পার হওয়ার জন্য তাঁর সাফায়াত লাভের প্রস্তুতি গ্রহণ করি। আল্লাহ আমাদের তওফিক দান করুন- আমিন।

লেখক : বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কলামিস্ট

এই বিভাগের আরও খবর
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
জাতিসংঘ মিশন
জাতিসংঘ মিশন
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
হাদির ওপর হামলা
হাদির ওপর হামলা
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে
বিপন্ন বঙ্গোপসাগরের মাছ
বিপন্ন বঙ্গোপসাগরের মাছ
নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই
নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই
হাদির পর কে টার্গেট?
হাদির পর কে টার্গেট?
অমর বাণী
অমর বাণী
সর্বশেষ খবর
অডিটোরিয়ামের ওয়াশরুম থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
অডিটোরিয়ামের ওয়াশরুম থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা

৩১ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও হারল দুবাই
মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও হারল দুবাই

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আসন্ন নির্বাচনে পেশাজীবীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান
আসন্ন নির্বাচনে পেশাজীবীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান

৪৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

প্রবল বৃষ্টিতে স্থগিত লা লিগার ম্যাচ
প্রবল বৃষ্টিতে স্থগিত লা লিগার ম্যাচ

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতে ৪১ বাংলাদেশি পেলেন সিআইপি স্বীকৃতি
আমিরাতে ৪১ বাংলাদেশি পেলেন সিআইপি স্বীকৃতি

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ নিরাপত্তা জারি
৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ নিরাপত্তা জারি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী
মুন্সীগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ
কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জলবায়ু নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আশাহত করেছে’
‘জলবায়ু নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আশাহত করেছে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইঞ্জিনে ত্রুটি, মাঝপথেই ফিরল মার্কিন বিমান
ইঞ্জিনে ত্রুটি, মাঝপথেই ফিরল মার্কিন বিমান

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

ওমরাহ ও হজ যাত্রীদের শিশুর নিরাপত্তায় ব্রেসলেট চালু
ওমরাহ ও হজ যাত্রীদের শিশুর নিরাপত্তায় ব্রেসলেট চালু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় কাপড় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
খুলনায় কাপড় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিগ ব্যাশে অভিষেকেই ব্যর্থ বাবর
বিগ ব্যাশে অভিষেকেই ব্যর্থ বাবর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পেস অলরাউন্ডার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হার্দিক পান্ডিয়ার রেকর্ড
পেস অলরাউন্ডার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হার্দিক পান্ডিয়ার রেকর্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাড্ডায় ফের যাত্রীবাহী বাসে আগুন
বাড্ডায় ফের যাত্রীবাহী বাসে আগুন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ডুসানের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
ডুসানের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত
দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষকদের প্রতি প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালনের আহ্বান এনইউবি উপাচার্যের
শিক্ষকদের প্রতি প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালনের আহ্বান এনইউবি উপাচার্যের

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ফুটবল আর ক্রিকেট 'দেবতা'র দেখায় যা যা ঘটল
ফুটবল আর ক্রিকেট 'দেবতা'র দেখায় যা যা ঘটল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হালান্ডের জোড়া গোলে প্যালেসকে উড়িয়ে দিল সিটি
হালান্ডের জোড়া গোলে প্যালেসকে উড়িয়ে দিল সিটি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির রেড এলার্ট
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির রেড এলার্ট

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণ নেতৃত্বের পথে হাঁটছে বিজেপি?
তরুণ নেতৃত্বের পথে হাঁটছে বিজেপি?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় ট্রাকচাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ৩
নওগাঁয় ট্রাকচাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ৩

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে খুনের ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে খুনের ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী গ্রেপ্তার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তাসকিনের অভিষেক ম্যাচে জয় পেল শারজাহ
তাসকিনের অভিষেক ম্যাচে জয় পেল শারজাহ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে নকল সাবান তৈরির কারখানা সিলগালা
চট্টগ্রামে নকল সাবান তৈরির কারখানা সিলগালা

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর
সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ
হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল মালিক আটক
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল মালিক আটক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক
ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য
আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সুদানে ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা
সুদানে ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি
হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার
হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়
ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক
ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো
আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘আমাকে দিয়ে অভিনয় হয় না, আমি কাঁদলে আপনারা হাসেন’
‘আমাকে দিয়ে অভিনয় হয় না, আমি কাঁদলে আপনারা হাসেন’

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে
খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু
টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মেসির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তোপের মুখে শুভশ্রী
মেসির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তোপের মুখে শুভশ্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ
ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বল হাতে মুস্তাফিজের বিবর্ণ দিনে জিতল দুবাই
বল হাতে মুস্তাফিজের বিবর্ণ দিনে জিতল দুবাই

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ
খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার
আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু সাজিদের মৃত্যু, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ
শিশু সাজিদের মৃত্যু, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুয়াশায় ভারতে একের পর এক বাস ট্রাক গাড়ির সংঘর্ষ (ভিডিও)
কুয়াশায় ভারতে একের পর এক বাস ট্রাক গাড়ির সংঘর্ষ (ভিডিও)

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

দেশগ্রাম

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-নেপাল মুখোমুখি আজ
বাংলাদেশ-নেপাল মুখোমুখি আজ

মাঠে ময়দানে

শীতে কাঁপছে লালমনিরহাট
শীতে কাঁপছে লালমনিরহাট

দেশগ্রাম

হকির এখনই সময় এগিয়ে যাওয়ার
হকির এখনই সময় এগিয়ে যাওয়ার

মাঠে ময়দানে

আদিবাসীদের অধিকার শীর্ষক আলোচনা
আদিবাসীদের অধিকার শীর্ষক আলোচনা

দেশগ্রাম

কোনো ছাড় দেওয়া হবে না
কোনো ছাড় দেওয়া হবে না

মাঠে ময়দানে

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

রংপুর রাইডার্স বিএসজেএ মিডিয়া ক্রিকেট
রংপুর রাইডার্স বিএসজেএ মিডিয়া ক্রিকেট

মাঠে ময়দানে

কুর্মিটোলায় ৮ দেশের গলফ লড়াই
কুর্মিটোলায় ৮ দেশের গলফ লড়াই

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ঘিরে অর্ধকোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা
বিজয় দিবস ঘিরে অর্ধকোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা

দেশগ্রাম