শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৫, শুক্রবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৫

৭ নভেম্বর সংস্কারের নবযাত্রা

মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল
প্রিন্ট ভার্সন
৭ নভেম্বর সংস্কারের নবযাত্রা

একাত্তরের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধ আর বিজয় পরবর্তী বাংলাদেশ দুর্ভাগ্যক্রমে সাধারণ মানুষের বাংলাদেশ হয়ে উঠতে পারেনি। অপার বিস্ময়ে সর্বস্ব হারানো মানুষগুলো দেখেছে বঞ্চনা আর প্রতারণার নবরূপ, যে বৈষম্যের কারণে আমরা পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলাম, সেটাই ১৯৭২ সালে সর্বগ্রাসী আওয়ামী চেহারা ধারণ করে আবির্ভূত হয়েছে মূর্তিমান বিভীষিকা হয়ে।

একদিকে দুগ্ধপোষ্য শিশুর জন্য এক কৌটা গুঁড়া দুধ না পাওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন পিতা ন্যায্যমূল্যের দোকানের সামনে প্রতীক্ষার লাইনে কাটিয়েছেন সারা রাত। ডাস্টবিনের উচ্ছিষ্টের যুদ্ধ চলেছে মানুষে-কুকুরে। কলাপাতায় দাফন হয়েছে মৃতদেহ। লজ্জা নিবারণে বাসন্তীর গায়ের জালের লজ্জা থেকে আজও মুক্তি জোটেনি আমাদের। রক্ষীবাহিনীর ক্রসফায়ার আর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে হাজার হাজার তরুণ যুবকের মৃত্যু ছিল প্রতিদিনের খবর।

অন্যদিকে নির্বিচার সম্পত্তি দখল, প্রভাবশালীদের ব্যাংক ডাকাতি, সোনার মুকুটে জাতীয় রাজপুত্রদের বর্ণাঢ্য বিয়ের অনুষ্ঠানে সাক্ষী হতে হয়েছে অসহায় দেশবাসীকে। তথাকথিত জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তে মানুষ হয়েছে বাকশালের ক্রীতদাস আর সংবাদপত্র হারিয়েছে তার প্রাপ্য স্বাধীনতা।

সেদিনের এমনি অন্ধকার বাংলাদেশে ১৫ আগস্ট এসেছে ঐতিহাসিক প্রয়োজনে। ঘটনাবহুল আগস্টের পর নৈরাজ্যের প্রান্তসীমানায় পৌঁছে যাওয়া দিশাহীন দিকহারা বাংলাদেশে প্রয়োজন ছিল এমন একজন নেতার, যিনি এই অন্ধকার অনিশ্চিত বাংলাদেশকে দিতে পারেন প্রকৃত দিশা। আশ্বস্ত করতে পারেন হতাশ জাতিকে, দেখাতে পারেন সম্ভাবনার স্বপ্ন। বাংলাদেশে শহীদ জিয়া এলেন, শক্ত হাতে ধরলেন হাল, আশ্বস্ত করলেন, আর সেই নিমজ্জিত সমগ্র বাংলাদেশকে ঠিক যেমনটি করেছিলেন একাত্তরের ২৬ মার্চ রাতের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার মহান সাহসী ঘোষণা নিয়ে হতবিহ্বল, আক্রান্ত আর দিশাহীন মানুষের সামনে আশার আলো হয়ে।

৭ নভেম্বর আমাদের দিয়েছে এক অভূতপূর্ব ঐক্যের উদাহরণ সিপাহি-জনতার এক অনাবিল মেলবন্ধন। মানুষের মনে জেগে ছিল এক পরিবর্তনের প্রত্যাশা। সত্যিকারের দেশ পাল্টে দেওয়া সংস্কারের সেটাই শুভসূচনা।

৭ নভেম্বর আমাদের মুক্ত করেছে আওয়ামী বাকশালী পরাধীনতার বিভীষিকা থেকে। শহীদ জিয়া একদলীয় বাকশালী কারাগার থেকে আমাদের দিয়েছেন মুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। জিয়ার সেই মুক্তির সনদে অনেকের সঙ্গে মৃত আওয়ামী লীগেরও হয়েছে পুনর্জন্ম, সংখ্যায় চারটিতে নেমে আসা কণ্ঠরুদ্ধ সংবাদপত্র পেয়েছিল অবারিত মুক্তির স্বাদ, প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অবলুপ্ত বাকস্বাধীনতা।

৭ নভেম্বর সংস্কারের নবযাত্রা শহীদ জিয়ার সংস্কার ভাবনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমাদের সংবিধানকে জন-আকাঙ্ক্ষা, আমাদের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সমার্থক করে তোলা। সংবিধানের শীর্ষে স্থান পেয়েছে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম’-এর মতো পবিত্রতম উচ্চারণ। সংযুক্ত হয়েছিল মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস হবে সব কাজের ভিত্তির মতো প্রত্যয়দীপ্ত উচ্চারণ, যা আজও সংখ্যাগরিষ্ঠের অন্তরের চাহিদা। সেদিন বাংলাদেশে ঐক্য আর আস্থার সমার্থক নাম ছিল শহীদ জিয়া, আর সেই ঐক্য বন্ধন দৃঢ়তর করতে তিনি দিয়েছিলেন এক অবিস্মরণীয় দর্শন- আমাদের গৌরবের জাতীয় পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশি’। এই একটি উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে দেশের সব মানুষের কণ্ঠে পাহাড়, সমতল, দ্বীপ, প্লাবনভূমি, ধর্ম-বর্ণ-জাত-পাতনির্বিশেষে সমান অধিকার আর গর্বের সঙ্গে উচ্চারিত হয়েছে সেই অসামান্য জাতীয়তার নাম।

আমাদের সবচেয়ে গৌরবদীপ্ত অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংকলন, সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ, মহান একুশে আর স্বাধীনতা পদক প্রবর্তনের মতো অসামান্য সিদ্ধান্ত যেন এত দিন শহীদ জিয়ার প্রতীক্ষায় ছিল। বাংলাদেশকে বদলে দেওয়ার এই সংস্কার ভাবনার ছোঁয়া আঞ্চলিক আর আন্তর্জাতিক অঙ্গনকেও করেছিল দীপ্তমান

তাঁর হাতে ছিল জনগণকে সম্মোহিত করার এক জাদুর কাঠি, তিনি জানতেন আর্থিক ভিত্তি শক্ত না হলে স্বাধীনতা হবে অর্থহীন। শ্রান্তি-ক্লান্তিহীন জিয়া প্রথম দিন থেকেই ছিলেন মাঠে কোদাল-কাস্তে হাতে সাধারণের পাশে। সেই বংশীবাদকের ডাকে স্বতঃস্ফূর্ত জনগণ খাল কেটেছেন মাইলের পর মাইল, মুখে নেই কষ্ট, ক্লান্তির ছাপ। সেচের পানিতে এক ফসলি জমি রূপান্তরিত হয়েছে দুই ফসলিতে, দুই ফসলি তিন ফসলিতে। তিন বছর না পার হতেই দুর্ভিক্ষের বাংলাদেশ হয়েছে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, বেড়েছে ক্ষুদ্র আর কুটিরশিল্পের সংখ্যা। অর্থনীতিতে যুক্ত হয়েছে নতুন দুটি নাম- মধ্যপ্রাচ্যে শ্রম রপ্তানি আর গার্মেন্টশিল্পের সূচনা।

গ্রামের কর্মহীন বেকার যুবক পরিণত হয়েছে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্মানিত যোদ্ধায় আর অবরোধবাসিনী বোনেরা হয়েছে স্বাবলম্বী, পরিবারে হয়েছে সম্মানিত। শিক্ষায় এসেছে সংস্কারের অবিশ্বাস্য সুবাতাস, আওয়ামী প্রতিষ্ঠিত রোগাক্রান্ত শিক্ষাব্যবস্থা হয়েছে নকলমুক্ত, সূচনা হয়েছে বয়স্ক শিক্ষার, শিক্ষাবঞ্চিত কিশোরীরা হয়েছে বিদ্যালয়মুখী। অসম্ভব দূরদর্শী ভাবনায় শহীদ জিয়ার সঙ্গে অনাবিষ্কৃত বাংলাদেশকে চিনতে বঙ্গোপসাগরে সফরসঙ্গী হয়েছেন দেশের মেধাবী তরুণ-তরুণীরা। স্থলভাগের প্রায় সমপরিমাণ জলরাশির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এক মনোমুগ্ধকর স্মৃতি। সংস্কৃতির জগৎ দেখেছে এক যুগান্তকারী আত্মপরিচয় প্রচেষ্টার দৃষ্টান্ত। নতুন কুঁড়ির মতো অসাধারণ প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান- যা ছিল আমাদের সংস্কৃতিতে আবিষ্কার আর তার স্রোতোধারা বহমান রাখার এক অবিস্মরণীয় প্রয়াস।

আমাদের সবচেয়ে গৌরবদীপ্ত অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংকলন, সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ, মহান একুশে আর স্বাধীনতা পদক প্রবর্তনের মতো অসামান্য সিদ্ধান্ত যেন এত দিন শহীদ জিয়ার প্রতীক্ষায় ছিল। বাংলাদেশকে বদলে দেওয়ার এই সংস্কার ভাবনার ছোঁয়া- আঞ্চলিক আর আন্তর্জাতিক অঙ্গনকেও করেছিল দীপ্তমান। জাতিসংঘের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল সবাইকে অবাক করে জাপানকে পরাজিত করে। জিয়া শুধু সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টাই ছিলেন না বরং সেটিকে বাস্তবায়নে নিয়েছিলেন জটিল আঞ্চলিক কূটনীতিকে তার দক্ষতায় সহজ করে। ওআইসির আল-কুদছ কমিটির সদস্য হিসেবে অবসান করেছিলেন ভ্রাতৃঘাতী ইরাক-ইরান যুদ্ধের।

অবিশ্বাস্য দূরদর্শিতায় উঠতি অর্থনীতির বাংলাদেশের মতো একটি দেশের রাষ্ট্রপতির অবিস্মরণীয় স্থায়ী পবিত্র আরাফাত ময়দানের ধূসর মরুভূমিতে শীতল সবুজের প্রতিচ্ছবি ‘জিয়া-ট্রি’ হয়ে। এই বিস্তীর্ণ সবুজের সমারোহ যত দিন আরাফার ময়দানে মাথা উঁচু করে থাকবে তত দিন বাংলাদেশ আর শহীদ জিয়া বেঁচে থাকবেন ইসলামিক জগতের প্রতিটি মানুষের মাঝে।

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা থেকে বাংলাদেশের সব ক্রান্তিকালে জড়িয়ে থাকা অবিস্মরণীয় নাম শহীদ জিয়া ও জিয়া পরিবার। দেশের সব ক্রান্তিকালে, সব দুর্যোগ মুহূর্তে এই পরিবারের অপরিহার্যতা আজ কোনো প্রমাণের অপেক্ষায় নেই।

গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যেমন শহীদ জিয়া, তেমনি সংসদীয় গণতন্ত্র আর সুষ্ঠু নিরপেক্ষ আর অবাধ নির্বাচনের নিশ্চয়তার সঙ্গে জড়িয়ে আছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ঠিক তেমনি বিধ্বস্ত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখা ৩১ দফা দিয়ে জাতি ও তারুণ্যের সামনে সমৃদ্ধ আগামীর প্রত্যাশার আলোকবর্তিকা হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন তারেক রহমান।

সাহসী, কর্মঠ, সৎ ভবিষ্যৎদর্শী, সৃজনশীলতা আর দেশপ্রেমের অনুপম নিদর্শন হয়ে যেমন চিরজাগরূক হয়ে আছেন শহীদ জিয়া, জনতার ভালোবাসায় অভিষিক্ত জিয়ার অন্তিম বিদায়ত্ব ছিল আত্মার আত্মীয়কে বিদায় দেওয়ার বেদনাবিধুর এক অপূর্ব-অভূতপূর্ব শোকগাথা হয়ে।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ আর শুধু কোনো দলের বেষ্টনীতে আবদ্ধ নয়, মমতা আর মাতৃরূপের অনাবিল প্রতিচ্ছবি। দেশমাতা আজ প্রকৃতই দেশের অভিভাবক। আজ এ দেশে সবচেয়ে সম্মানিত আর মর্যাদার নাম বেগম খালেদা জিয়া। আজ পঞ্চাশ বছর পূর্তির শুভক্ষণে আরেক ৭ নভেম্বর দীপ্তমান সুবর্ণজয়ন্তীর গৌরবে, সংস্কারের নবপ্রত্যাশায় অপেক্ষমাণ বাংলাদেশ, তারুণ্য-নবীন-প্রবীণ সবাই। বাংলাদেশ জানে জিয়া পরিবার আর বাংলাদেশ আজ অবিচ্ছেদ্য দুটি নাম।

সংস্কার ভাবনা বাস্তবায়নে আরেকজন জিয়ার নাম তারেক রহমান- তাঁর হাতে নতুন বাংলাদেশ নবপ্রত্যাশার নব জাগরণের নব সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে- আগামীর সুপ্রভাত সেই তারুণ্যের আগমন আর অভিষেকের প্রতীক্ষায়।

লেখক : বিএনপির মিডিয়া সেলপ্রধান

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচন বানচালের নীলনকশা
নির্বাচন বানচালের নীলনকশা
জাতীয় মর্যাদা
জাতীয় মর্যাদা
জালেমদের সাবধান হতে বলে ইসলাম
জালেমদের সাবধান হতে বলে ইসলাম
কেমন আছেন মালয়েশিয়ান নারী
কেমন আছেন মালয়েশিয়ান নারী
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিচার বিভাগ
বিচার বিভাগ
মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস
বই ও নারী
বই ও নারী
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সর্বশেষ খবর
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের

২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১৭২ জন
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১৭২ জন

৪ মিনিট আগে | ডেঙ্গু আপডেট

মনোরেল দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগিতা চাই: চসিক মেয়র
মনোরেল দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগিতা চাই: চসিক মেয়র

৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত
ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত

১৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

লঙ্কানদের হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন টাইগার যুবারা, সেমিতে প্রতিপক্ষ পাকিস্তান
লঙ্কানদের হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন টাইগার যুবারা, সেমিতে প্রতিপক্ষ পাকিস্তান

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অত্যাধুনিক বায়ো-ক্যাপসুল উৎক্ষেপনের পরিকল্পনা ইরানের
অত্যাধুনিক বায়ো-ক্যাপসুল উৎক্ষেপনের পরিকল্পনা ইরানের

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজীপুরে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
গাজীপুরে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনের তেমন কোনো চ্যালেঞ্জ রাজশাহী বিভাগে নেই
নির্বাচনের তেমন কোনো চ্যালেঞ্জ রাজশাহী বিভাগে নেই

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেন ঘরোয়া ক্রিকেটারেই বাজি ধরছে আইপিএলের দলগুলো
কেন ঘরোয়া ক্রিকেটারেই বাজি ধরছে আইপিএলের দলগুলো

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টুঙ্গিপাড়ায় উন্মুক্ত বইপাঠ প্রতিযোগিতা
টুঙ্গিপাড়ায় উন্মুক্ত বইপাঠ প্রতিযোগিতা

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

৩৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইটে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা
বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইটে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

নানা আয়োজনে সিকৃবির যুগপূর্তি উদযাপন
নানা আয়োজনে সিকৃবির যুগপূর্তি উদযাপন

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালীতে ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শীতে গাঁটে অসহ্য যন্ত্রণা, কীভাবে মিলবে স্বস্তি?
শীতে গাঁটে অসহ্য যন্ত্রণা, কীভাবে মিলবে স্বস্তি?

৪১ মিনিট আগে | জীবন ধারা

১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮২ কোটি ডলার
১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮২ কোটি ডলার

৪৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

অমর একুশে বইমেলা শুরু ২০ ফেব্রুয়ারি
অমর একুশে বইমেলা শুরু ২০ ফেব্রুয়ারি

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ভেজাল সার তৈরির কাঁচামাল জব্দ
শ্রীপুরে ভেজাল সার তৈরির কাঁচামাল জব্দ

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পোস্টাল ভোট : নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিতদের নিবন্ধন ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বর
পোস্টাল ভোট : নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিতদের নিবন্ধন ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বর

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

আরও তিন হত্যা মামলায় ছোট সাজ্জাদের জামিন
আরও তিন হত্যা মামলায় ছোট সাজ্জাদের জামিন

৪৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের যুদ্ধের প্রস্তুতি 'অযৌক্তিক': পুতিন
রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের যুদ্ধের প্রস্তুতি 'অযৌক্তিক': পুতিন

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যা, গৃহকর্মীর দোষ স্বীকার
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যা, গৃহকর্মীর দোষ স্বীকার

৫২ মিনিট আগে | নগর জীবন

আরও ৬৭ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
আরও ৬৭ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

৫৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

সুদানে ড্রোন হামলায় শতাধিক নিহত
সুদানে ড্রোন হামলায় শতাধিক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাইফয়েড টিকাদানে অসামান্য অবদান: গাইবান্ধা পৌরসভাকে সম্মাননা
টাইফয়েড টিকাদানে অসামান্য অবদান: গাইবান্ধা পৌরসভাকে সম্মাননা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
বগুড়ায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হঠাৎ মারা যাচ্ছেন ভারতের নির্বাচন কর্মীরা, কেউ করছেন আত্মহত্যা
হঠাৎ মারা যাচ্ছেন ভারতের নির্বাচন কর্মীরা, কেউ করছেন আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন বরুণ, নতুন উচ্চতায় ভারতীয় স্পিনার
শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন বরুণ, নতুন উচ্চতায় ভারতীয় স্পিনার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে অটোচালকের লাশ উদ্ধার
রংপুরে অটোচালকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

১০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’
বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে
মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসিকে ১১ কোটি টাকার অতিবিরল ঘড়ি উপহার দিলেন অনন্ত
মেসিকে ১১ কোটি টাকার অতিবিরল ঘড়ি উপহার দিলেন অনন্ত

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিরাপত্তায় ব্রি.জে. (অব.) শামছুল ইসলাম
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিরাপত্তায় ব্রি.জে. (অব.) শামছুল ইসলাম

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর
পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ
জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইপিএলের নিলামে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হওয়া ৩ বাংলাদেশি
আইপিএলের নিলামে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হওয়া ৩ বাংলাদেশি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে গুলি: ব্যবহৃত মোটরসাইকেল-ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার
হাদিকে গুলি: ব্যবহৃত মোটরসাইকেল-ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা