শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৫, শুক্রবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৫

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস : ঐক্য মুক্তি আর সমৃদ্ধির বাংলাদেশ

অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান
প্রিন্ট ভার্সন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস : ঐক্য মুক্তি আর সমৃদ্ধির বাংলাদেশ

ইতিহাসের একটি ব্যর্থ শাসনকালের সমাপ্তি ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে চরম স্বেচ্ছাচার আর বিশৃঙ্খলার দায়ে করুণ ও নিষ্ঠুর পরিণতি ভোগ করতে হয় শেখ মুজিবুর রহমানকে। তারপর ওই বছরের ৭ নভেম্বর আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ঐতিহাসিক সিপাহি-জনতার বিপ্লব সংঘটিত হয়। যা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই দিনটি দেশপ্রেমিক সেনা ও সাধারণ জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রতীক, যা ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের তিন দিনের সামরিক অভ্যুত্থানের পতন ঘটায় এবং বন্দিদশা থেকে জেনারেল জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে। এটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র সুরক্ষার এক অবিস্মরণীয় অঙ্গীকারের দিন, যা আজও জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা জোগায়। এই দিবসের অর্জনকে বিশ্লেষণ করলে মোটাদাগে পাঁচটি দিক স্পষ্ট হয়। যেগুলো এই দিবসটিকে আমাদের প্রেরণার উৎস করে তুলেছে।

প্রথমত ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের প্রতীক : ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের অভ্যুত্থান প্রমাণ করে যে সাধারণ মানুষ ও সেনাবাহিনী ঐক্যবদ্ধ হলে যে কোনো অপশক্তি বা ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করা সম্ভব।

দ্বিতীয়ত গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা : এই দিবসটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আপসহীন সংগ্রাম করতে হয়। এটি বহুদলীয় গণতন্ত্র নিশ্চিত করা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা দেয়।

তৃতীয়ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা : এই বিপ্লবের মাধ্যমে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্ষমতার লড়াইয়ের অবসান ঘটে, যা গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।

চতুর্থত ঐক্যবদ্ধতার আহ্বান : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মূল চেতনা হলো আধিপত্যবাদী ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম। এই চেতনা আজও জাতিকে স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ ও জুলুমতন্ত্র মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করে।

সর্বশেষ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তি : বিপ্লবের ফলে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে জেনারেল জিয়াউর রহমান পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, যা এই দিবসটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

মূলত প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেনারেল জিয়াউর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব নিয়েই তিনি পুনর্গঠনের কাজে মনোনিবেশ করেন। তাঁর উন্নত ও সময়োপযোগী চিন্তাধারা আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দেয় খুব কম সময়ে। জিয়াউর রহমান পরিচিতি পান একজন ভিশনারি-প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস : ঐক্য মুক্তি আর সমৃদ্ধির বাংলাদেশ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পশ্চিম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই রাতে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতারা আত্মগোপনে চলে যান। সাধারণ জনগণ দিশাহারা হয়ে পড়েন। এমন ক্রান্তিলগ্নে ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম রেডিও স্টেশন থেকে স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেন মেজর জিয়াউর রহমান। দিশাহারা জাতি পথ খুঁজে পায়। এ সময় ‘উই রিভোল্ট’ বলে জিয়াউর রহমান যে বিদ্রোহের প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছিলেন একজন সমরনায়ক হিসেবে সেটিই ছিল মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনকে পাল্টে দিতে ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটে। বন্দি করা হয় জনগণের প্রিয় সেনাপতি সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানকে। বাংলাদেশ হয়ে পড়ে সরকারশূন্য। এভাবে একটি অন্ধকার সময় আবার নেমে এলে জনগণ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তারা ভাবে মুজিবের আমলের সেই দুর্ভিক্ষ আর ক্ষুধা ফের বুঝি নেমে এলো। দুর্নীতি আর দুঃশাসনের দিন ফেরার অজানা আশঙ্কায় বিচলিত হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ। সেই সঙ্গে রুশ-ভারতের তাঁবেদারির যুগের প্রত্যাবর্তনের আশঙ্কাও প্রবল হতে থাকে। একাত্তরের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে এই মানুষটি চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে হতবিহ্বল জাতির প্রাণে প্রতিরোধের শিখা প্রজ্বলিত করেছিলেন। সেই মানুষটিকে যারা বন্দি কিংবা হত্যা করতে পারে, তারা আর যা-ই হোক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্তিত্বের বন্ধু হতে পারে না। এমনি এক শঙ্কা ও নৈরাশ্যের দুর্যোগে ৬ নভেম্বর মধ্যরাতের পর বিপ্লবী সৈনিকদের কামানের গোলার গর্জন কুচক্রীদের সব চক্রান্ত ছিন্নভিন্ন করে দেয়। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার রাজপথে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়। ট্রাকে ট্রাকে সৈনিকরা আকাশের দিকে গুলিবর্ষণ করে তাদের বিজয়ের কথা জানান দেন। সৈনিক ও জনগণ মিলে আনন্দ মিছিল বের করে। সেনা ট্যাঙ্কে ফুলের মালা পরিয়ে জনগণ সিপাহি বিপ্লবকে অভিনন্দিত করে।

জিয়া সেদিনও রেডিওতে কথা বলেছিলেন। ‘আমি জিয়া বলছি’- তাঁর কণ্ঠের এমন উচ্চারণ সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করল। অজানা আশঙ্কা কেটে গেল। নির্ভার জনতা সারা দিন আনন্দ-উৎসবে মেতে রইলেন রাজপথে। শহর-নগর-গ্রামের সবখানে জিয়ার স্তুতি আর ভবিষ্যতের সোনালি সূচনার প্রত্যাশা নিয়ে জনগণে ফিরে গেল ঘরে। পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বর প্রমাণ করেছে সামরিক বাহিনী ও জনগণের ঐক্য অটুট থাকলে কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হরণ করা সম্ভব নয়। আজ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে চক্রান্ত হচ্ছে। বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রের পর্যায়ে ঠেলে দিতে বিশেষ বিশেষ মহল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের অন্যতম একটি কৌশল হলো, সামরিক বাহিনী ও জনগণকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে তাদের ঘৃণ্য লক্ষ্য হাসিল করা। বাংলাদেশের সচেতন জনগণ তাদের এই অভিসন্ধি কখনোই সফল হতে দেবে না। ৭ নভেম্বরের চেতনা সব ধরনের জাতিঘাতী এবং রাষ্ট্রঘাতী অপকৌশলের বিরুদ্ধে এক শাণিত হাতিয়ার।

চব্বিশের ৫ আগস্টও আমরা একটি বিপ্লব দেখলাম। দেশের সাধারণ ছাত্র-জনতা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে টানা ৩৬ দিনের যেই আন্দোলন সফল করল সেখানেও এই দেশপ্রেমিক সিপাহিদের অবদান অসামান্য। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে সাধারণ জনগণের যে স্রোত তা তারা আটকায়নি। বরং পথে পথে সেনাদের সঙ্গে সাধারণ জনগণের দোস্তি গড়ে উঠেছে। ট্যাংকের ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষ। সারিবদ্ধ সিপাহিদের রাইফেলের ট্রিগারের আঙুল নেই। তাদের কঠোর হাত কোমলতার সঙ্গে মিলিত হচ্ছে ছাত্র-জনতার হাতের সঙ্গে। মুখে বিজয়ের হাসি। কোথাও কোথাও জনতার উচ্ছ্বাসের সঙ্গে উচ্ছ্বসিত সিপাহিরা নাচছে। রণসংগীতে গলা মেলাচ্ছে বাংলা মায়ের এসব দামাল ছেলে। সিপাহি-জনতার এই যে ঐক্যবদ্ধতার আহ্বান সে তো পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বরের পরম্পরা। জনতার সঙ্গে সিপাহিদের এমন দৃঢ় মেলবন্ধন যে কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তিকে রুখে দিতে পারে এই উদাহরণ তো সৃষ্টি হয়েছিল সেদিনই, যেদিন জেনারেল জিয়াউর রহমানকে দেশের প্রয়োজনেই কারাগার থেকে মুক্ত করা হয়েছিল। তারপরের ইতিহাস সে তো বাংলাদেশকে পাল্টে দেওয়ার ইতিহাস। একজন দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়কের হাত ধরে প্রগতির পথে পা বাড়ানো একটি জাতির সামনে এগিয়ে যাওয়ার ইতিহাস। বাঙালি থেকে বাংলাদেশি আত্মপরিচয়ে পরিচিত হওয়ার ইতিহাস। আমরা সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় এগিয়ে চলেছি। এগিয়ে যেতে চাই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখিয়ে দেওয়া পথে। চলার পথে তার আদর্শ ও দেশপ্রেম হোক আমাদের পরম পাথেয়। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

লেখক : গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচন বানচালের নীলনকশা
নির্বাচন বানচালের নীলনকশা
জাতীয় মর্যাদা
জাতীয় মর্যাদা
জালেমদের সাবধান হতে বলে ইসলাম
জালেমদের সাবধান হতে বলে ইসলাম
কেমন আছেন মালয়েশিয়ান নারী
কেমন আছেন মালয়েশিয়ান নারী
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিচার বিভাগ
বিচার বিভাগ
মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস
বই ও নারী
বই ও নারী
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সর্বশেষ খবর
মুন্সীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
মুন্সীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ছাত্রনেতা জুয়েলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
সিরাজগঞ্জে ছাত্রনেতা জুয়েলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লালবাগে প্লাস্টিকের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট
লালবাগে প্লাস্টিকের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

অভিনেত্রীকে নিয়ে ‌‘আপত্তিকর’ মন্তব্য ভারতীর, গাইলেন সাফাই
অভিনেত্রীকে নিয়ে ‌‘আপত্তিকর’ মন্তব্য ভারতীর, গাইলেন সাফাই

১৯ মিনিট আগে | শোবিজ

বিগত দিনে দখলদারিত্বের রাজনীতি ও ভোট হয়েছে: এ্যানি
বিগত দিনে দখলদারিত্বের রাজনীতি ও ভোট হয়েছে: এ্যানি

১৯ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

শীতকালে শসা খেলে সত্যিই ঠান্ডা-কাশি হয়?
শীতকালে শসা খেলে সত্যিই ঠান্ডা-কাশি হয়?

২২ মিনিট আগে | জীবন ধারা

কুষ্টিয়ায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা
কুষ্টিয়ায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্যারির শতকে অ্যাডিলেড টেস্টে ভালো অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া
ক্যারির শতকে অ্যাডিলেড টেস্টে ভালো অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আনোয়ারায় বিজয় দিবস উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘের রচনা প্রতিযোগিতা
আনোয়ারায় বিজয় দিবস উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘের রচনা প্রতিযোগিতা

৪২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মেক্সিকোতে বিজয় দিবস উদযাপন
মেক্সিকোতে বিজয় দিবস উদযাপন

৪৮ মিনিট আগে | পরবাস

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

৫৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

একাত্তর ও চব্বিশের গণহত্যাকারীদের চরিত্র এক : দুদু
একাত্তর ও চব্বিশের গণহত্যাকারীদের চরিত্র এক : দুদু

৫৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা
পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালে ভর্তি জয়সওয়াল
হাসপাতালে ভর্তি জয়সওয়াল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কানাডার ক্যালগেরিতে মহান বিজয় দিবস উদযাপন
কানাডার ক্যালগেরিতে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

কয়েক সপ্তাহে দেশে রাজনৈতিক আবহাওয়া বদলেছে দ্রুত: জিল্লুর রহমান
কয়েক সপ্তাহে দেশে রাজনৈতিক আবহাওয়া বদলেছে দ্রুত: জিল্লুর রহমান

১ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফার্মগেটে ব্লকেড কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার
ফার্মগেটে ব্লকেড কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নওগাঁয় বাসচাপায় কারারক্ষী নিহত
নওগাঁয় বাসচাপায় কারারক্ষী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্কোয়াডে বাদ পড়লেন ইতালিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তুলে আনা বার্নস
স্কোয়াডে বাদ পড়লেন ইতালিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তুলে আনা বার্নস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বলিউডে টিকে থাকতে হলে ব্যক্তিত্ব থাকা জরুরি: মাধুরী
বলিউডে টিকে থাকতে হলে ব্যক্তিত্ব থাকা জরুরি: মাধুরী

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিলাম শেষে আইপিএলের ১০ দলের পূর্ণ স্কোয়াড
নিলাম শেষে আইপিএলের ১০ দলের পূর্ণ স্কোয়াড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের সামনে পুলিশ মোতায়েন
রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের সামনে পুলিশ মোতায়েন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

টানা তৃতীয়বার ফিফা ‘দ্য বেস্ট’ বোনমাতি
টানা তৃতীয়বার ফিফা ‘দ্য বেস্ট’ বোনমাতি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হোয়াটসঅ্যাপে কল সুরক্ষিত রাখতে চালু রাখুন এই ফিচারটি
হোয়াটসঅ্যাপে কল সুরক্ষিত রাখতে চালু রাখুন এই ফিচারটি

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সর্বাধিক পঠিত
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১ ডলার= ৯১ রুপি, ভারত ছাড়ছে বিনিয়োগকারীরা
১ ডলার= ৯১ রুপি, ভারত ছাড়ছে বিনিয়োগকারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি
গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, আরেকটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন: ইনকিলাব মঞ্চ
হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, আরেকটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন: ইনকিলাব মঞ্চ

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ
বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম
বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা
ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ
অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন
আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড
আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল
আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জড়িয়ে ভারতের ট্রলার ডুবি নিয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার
বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জড়িয়ে ভারতের ট্রলার ডুবি নিয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা