শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০২৫

মাদকে বিপথগামী লাখ লাখ মানুষ

প্রিন্সিপাল এম এইচ খান মঞ্জু
প্রিন্ট ভার্সন
মাদকে বিপথগামী লাখ লাখ মানুষ

১৮ কোটি মানুষের এই দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা কমপক্ষে ৭৫ লাখ। বর্তমানে মাদক হিসেবে ব্যবহারের শীর্ষে রয়েছে ‘ইয়াবা’ নামের উত্তেজক ট্যাবলেট। দেশে এখন পর্যন্ত ২৪ ধরনের মাদক পাওয়া গেছে। এসব মাদকের মধ্যে রয়েছে ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজা, মরফিন, আইস পিল, ভায়াগ্রা, সানাগ্রা, টলুইন, পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট ও মিথাইল-ইথাইল কিটোন। সাম্প্রতিক সময়ে যে মাদক শিক্ষিত যুবসমাজকে গিলে ফেলেছে, তা হচ্ছে ক্রিস্টাল মেথ বা আইস। বাংলাদেশে মাদকের অবৈধ অর্থনীতির আকার এখন বেশ বড়।

সর্বনাশা মাদকের কারণে দেশের লাখ লাখ মানুষ বিপথগামী হয়ে পড়ছে। শুধু তরুণরা নয়, এখন কিশোর, এমনকি কিশোরীরাও মাদকাসক্ত হচ্ছে। মাদকের বিষাক্ত ছোবলে অকালে ঝরে পড়ছে তাজা প্রাণ। আগে মাদক বলতে ছিল প্রধানত গাঁজা। এখন সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে আরও অনেক নাম। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর মাদক হচ্ছে ইয়াবা। ইয়াবা এখন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও সহজলভ্য। এ ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে সন্তানকে রক্ষার জন্য অভিভাবকদের সঙ্গে পুরো জাতি আজ শঙ্কিত। ইয়াবা হেরোইনের চেয়েও ক্ষতিকর। এটা একধরনের মনো-উত্তেজক মাদক। ইয়াবা সেবনে কমতে থাকে জীবনীশক্তি। কিন্তু সমাজ, দেশ ও জাতিকে সুস্থ রাখতে হলে সর্বনাশা এ কারবার জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ করা প্রয়োজন।

কোনোভাবেই রোধ করা যাচ্ছে না মাদকের আগ্রাসন। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছেন। মাদকসেবনকারী নিজেই নিজের ঘাতক হয়ে উঠতে পারে। উঠতি বয়সি কিশোরদের অনেকে মাদকাসক্ত, যারা খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, এমনকি মাদক বেচাকেনায়ও জড়িত। ফলে সমাজে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ছে।

মাদক এখন বাংলাদেশে সামাজিক বিপত্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমাজের বিত্তবান ও প্রভাবশালী পরিবারের সন্তানরাও সর্বনাশা এ নেশার জগৎ ঘিরে গড়ে তুলছে বাণিজ্যিক সিন্ডিকেট। মাদকের প্রভাব কমানো যাচ্ছে না। ভয়ংকর সব মাদকদ্রব্য সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ায় শহর ছাড়িয়ে গ্রামাঞ্চলেও তরুণ সমাজে মাদকাসক্তি ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে। মাদক সিন্ডিকেটের প্রধান লক্ষ্য অভিজাত পরিবারের সন্তানরা। পাশাপাশি উঠতি বয়সি কিশোর ও তরুণরাও তাদের টার্গেট। মাদকাসক্তরা নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

মাদকের ভয়াবহতা আমরা প্রতিনিয়ত দেখছি। কোনোভাবেই এটা হ্রাস হচ্ছে না। বরং দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিত্যনতুন কৌশলে মাদকের চোরাচালান দেশে ঢুকছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে প্রায় দিনই একাধিক চালান উদ্ধার ও বহনকারী গ্রেপ্তার হলেও যেন অপ্রতিরোধ্য মাদক কারবারিরা। বিশেষ করে মিয়ানমার সীমান্ত হয়ে ইয়াবার চালান আসছে প্রতিনিয়ত। সাগর, পাহাড় আর সড়কপথে নানা কৌশলে পাচার হচ্ছে এই ভয়ংকর নেশার ট্যাবলেট।

মরণ নেশা ইয়াবা দেশের তরুণ সমাজকে এখন সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করছে। মুড়িমুড়কির মতো সর্বত্র ইয়াবা পাওয়া যাচ্ছে। ইয়াবাকে পুঁজি করে রমরমা ব্যবসা চলছে। ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে সরকার। আইন প্রণয়নের চেয়ে আইনের যথাযথ প্রয়োগের বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে এ দিকটিতে জোরালো দৃষ্টি দিতে হবে।

সরকারি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে মাদকাসক্ত মুক্ত হতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর মধ্যে ৮০ শতাংশ ইয়াবায় আসক্ত। দেশের বিরাটসংখ্যক তরুণশক্তি নিয়ে আমরা স্বপ্ন দেখছি, অথচ প্রতিনিয়ত ইয়াবার নেশায় ধ্বংস হচ্ছে তারুণ্য, জাতির ভবিষ্যৎ। তাই তারুণ্যগ্রাসী ইয়াবার বিস্তার এখন জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। ইয়াবার থাবা রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে। সীমান্তবর্তী এলাকার মিয়ানমার অংশে ইয়াবা তৈরির কারখানাগুলো নিষ্ক্রিয় করা এবং এ দেশে ইয়াবা অনুপ্রবেশ রোধে সক্রিয় হতে হবে। কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে যেসব চিহ্নিত প্রভাবশালী ব্যক্তি রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ইয়াবা কারবারে জড়িত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যেসব সদস্য তাদের সহায়ক, সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। প্রশাসনিক কঠোর অবস্থান, রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং জনসচেতনতাই পারবে ইয়াবার শিকড় উপড়ে ফেলে এর বিস্তার ঠেকাতে।

মাদকের কারবার বন্ধ করা না গেলে সামাজিক-অর্থনৈতিক সব ধরনের স্থিতিই বিঘ্নিত হবে। তাই মাদকের বিস্তার রোধে কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদক প্রতিরোধে সরকারকে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরও তৎপর হবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। নেশামুক্ত তরুণ প্রজন্ম গড়ে তুলতে রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্র, ইউটিউবে মাদকবিরোধী অনুষ্ঠান প্রচার করতে হবে। সন্তানের সঙ্গে গড়ে তুলতে হবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। গতানুগতিক একঘেয়ে জীবন থেকে তারুণ্য শক্তিকে সৃষ্টির নেশায় গড়ে তুলতে হবে। না হলে এই দেশকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করা অত্যন্ত কঠিন।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচন বানচালের নীলনকশা
নির্বাচন বানচালের নীলনকশা
জাতীয় মর্যাদা
জাতীয় মর্যাদা
জালেমদের সাবধান হতে বলে ইসলাম
জালেমদের সাবধান হতে বলে ইসলাম
কেমন আছেন মালয়েশিয়ান নারী
কেমন আছেন মালয়েশিয়ান নারী
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিচার বিভাগ
বিচার বিভাগ
মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস
বই ও নারী
বই ও নারী
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সর্বশেষ খবর
‘দুই নয়নের আলো’ শাবনূরকে এনে দিয়েছিল জাতীয় পুরস্কার
‘দুই নয়নের আলো’ শাবনূরকে এনে দিয়েছিল জাতীয় পুরস্কার

এই মাত্র | শোবিজ

কেরানীগঞ্জে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
কেরানীগঞ্জে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

জকসু নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
জকসু নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

মুন্সীগঞ্জে ৪৩ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ
মুন্সীগঞ্জে ৪৩ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সেন্টমার্টিনের ছেঁড়া দ্বীপে অবৈধ নৌকা-জালসহ ১৬ জেলে আটক
সেন্টমার্টিনের ছেঁড়া দ্বীপে অবৈধ নৌকা-জালসহ ১৬ জেলে আটক

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্রীলঙ্কাকে ২২৬ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ
শ্রীলঙ্কাকে ২২৬ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শুটিং সেটে আহত জিৎ
শুটিং সেটে আহত জিৎ

২৫ মিনিট আগে | শোবিজ

জামালপুরে মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্প্রীতি সংলাপ
জামালপুরে মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্প্রীতি সংলাপ

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেসির স্মৃতিচারণা থেকে বাদ দুঃস্বপ্নের যুবভারতী!
মেসির স্মৃতিচারণা থেকে বাদ দুঃস্বপ্নের যুবভারতী!

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর পরিকল্পনা
প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর পরিকল্পনা

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে টকশো-সংলাপে কটূক্তি না করার নির্দেশ ইসির
নির্বাচন নিয়ে টকশো-সংলাপে কটূক্তি না করার নির্দেশ ইসির

৩৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
মুন্সীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ছাত্রনেতা জুয়েলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
সিরাজগঞ্জে ছাত্রনেতা জুয়েলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লালবাগে প্লাস্টিকের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট
লালবাগে প্লাস্টিকের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভিনেত্রীকে নিয়ে ‌‘আপত্তিকর’ মন্তব্য ভারতীর, গাইলেন সাফাই
অভিনেত্রীকে নিয়ে ‌‘আপত্তিকর’ মন্তব্য ভারতীর, গাইলেন সাফাই

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিগত দিনে দখলদারিত্বের রাজনীতি ও ভোট হয়েছে: এ্যানি
বিগত দিনে দখলদারিত্বের রাজনীতি ও ভোট হয়েছে: এ্যানি

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শীতকালে শসা খেলে সত্যিই ঠান্ডা-কাশি হয়?
শীতকালে শসা খেলে সত্যিই ঠান্ডা-কাশি হয়?

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

কুষ্টিয়ায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা
কুষ্টিয়ায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্যারির শতকে অ্যাডিলেড টেস্টে ভালো অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া
ক্যারির শতকে অ্যাডিলেড টেস্টে ভালো অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আনোয়ারায় বিজয় দিবস উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘের রচনা প্রতিযোগিতা
আনোয়ারায় বিজয় দিবস উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘের রচনা প্রতিযোগিতা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মেক্সিকোতে বিজয় দিবস উদযাপন
মেক্সিকোতে বিজয় দিবস উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একাত্তর ও চব্বিশের গণহত্যাকারীদের চরিত্র এক : দুদু
একাত্তর ও চব্বিশের গণহত্যাকারীদের চরিত্র এক : দুদু

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা
পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালে ভর্তি জয়সওয়াল
হাসপাতালে ভর্তি জয়সওয়াল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১ ডলার= ৯১ রুপি, ভারত ছাড়ছে বিনিয়োগকারীরা
১ ডলার= ৯১ রুপি, ভারত ছাড়ছে বিনিয়োগকারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি
গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, আরেকটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন: ইনকিলাব মঞ্চ
হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, আরেকটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন: ইনকিলাব মঞ্চ

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ
বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম
বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা
ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ
অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন
আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড
আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল
আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা